সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত প্রতিদিন সকালে ১০/১৫ জন মিলে পড়া যাবে কি?

Sunnah and Bid'ah · Hanafi

Question No: 7687
Questioner: Wahed Ali
Question Asked: 01 Nov 2026, 07:24 AM
Reviewed & Published: 01 Nov 2026, 08:29 AM
Views: 11
Tokens: 3,401
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

সুরা হাশ রের শেস তিন আয়াত প্রতিদিন ভোর বেলাতে দশ,১৫ জন মিলে পড়া জায়েজ?

হাদিস কুরআন আলোকে জানতে চাই।

Answer

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

প্রশ্নের সারমর্ম: সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত (হুওয়াল্লাহুল্লাযী লা ইলাহা ইল্লা হু… থেকে শেষ পর্যন্ত) প্রতিদিন সকালে ১০/১৫ জন মিলে পড়া যাবে কি? এর ফজিলত সম্পর্কে হাদিস-কুরআনের আলোকে জানতে চেয়েছেন।


জবাবঃ- শেখানোর উদ্দেশ্যে কয়েকদিন পড়া যেতে পারে। তবে নিয়মিত এভাবে একসাথে একই টাইমে তাল মিলিয়ে প্রচলিত পন্থায় পড়াকে অনেকে বিদআত বলেছেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

«مَنْ عَمِلَ عَمَلًا لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ» "যে ব্যক্তি এমন আমল করল যা আমাদের নির্দেশনার অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত।" — সহীহ মুসলিম, হাদিস ১৭১৮; সহীহ বুখারি, হাদিস ২৬৯৭ (আনুমানিক)

হাদিস সকাল-সন্ধ্যায় পড়ার ফজিলত:

«مَنْ قَالَ حِينَ يُصْبِحُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ: أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ، ثُمَّ قَرَأَ ثَلَاثَ آيَاتٍ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْحَشْرِ، وَكَّلَ اللَّهُ بِهِ سَبْعِينَ أَلْفَ مَلَكٍ يُصَلُّونَ عَلَيْهِ حَتَّى يُمْسِيَ، وَإِنْ مَاتَ مَاتَ شَهِيدًا، وَمَنْ قَالَهَا حِينَ يُمْسِي فَمِثْلُ ذَلِكَ» "যে ব্যক্তি সকালে তিনবার 'আউযু বিল্লাহিস সামীইল আলীমি মিনাশ শাইতানির রাজীম' বলে সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পড়বে, আল্লাহ তার জন্য সত্তর হাজার ফেরেশতা নিযুক্ত করবেন যারা সন্ধ্যা পর্যন্ত তার জন্য দুআ করবে; সে ওই দিন মারা গেলে শহীদ হিসেবে মারা যাবে। আর যে সন্ধ্যায় পড়বে তার জন্যও অনুরূপ।" — তিরমিজি, হাদিস ২৯২২; দারিমি; বায়হাকি (শুআবুল ঈমান)। ইমাম তিরমিজি বলেছেন: হাদিসটি গরীব।

হাদিস সকালে পড়লে মাগফিরাত:

«مَنْ قَرَأَ آخِرَ سُورَةِ الْحَشْرِ حِينَ يُصْبِحُ غُفِرَ لَهُ مَا أَصَابَ فِي لَيْلَتِهِ» "যে ব্যক্তি সকালে সূরা হাশরের শেষাংশ পড়বে, রাতের (গুনাহ) ক্ষমা করা হবে।" — মুসলিমের শর্তে; তবে এটি সহীহ সনদে প্রমাণিত নয় — ইমাম নববী ও ইবনে হাজার (রহ.) হাদিসটিকে 'য'ঈফ' বলেছেন।

হাদিস ইসমে আযম সম্পর্কিত:

«مَنْ قَرَأَ خَوَاتِيمَ سُورَةِ الْحَشْرِ…» — বর্ণনাটি বিভিন্ন সনদে এসেছে, তবে মুহাদ্দিসীনের অধিকাংশের মতে সনদে দুর্বলতা রয়েছে।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.