'আলহামদুলিল্লাহ' এর মত ব্যবহৃত অন্যান্য বাক্যবলি সম্পর্কে জানতে চাই?

Sunnah and Bid'ah · Hanafi

Question No: 191
Questioner: Md. Ashrafuzzaman Bhuiyan
Question Asked: 17 May 2026, 07:58 AM
Reviewed & Published: 17 May 2026, 11:48 AM
Views: 54
Tokens: 5,377
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজ করার আগে বা পরে আল্লাহর নাম নিয়ে অথবা আল্লাহর নামকে সম্পৃক্ত করে কিছু শব্দ উচ্চারণ করে আল্লাহকে স্মরণে রাখি সর্বদা। যেমন: মাশাআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, বারাকাল্লাহ, জাযাকাল্লাহু খায়রান ইত্যাদি। এরকমভাবে ব্যবহার করা আরও যত সহীহ শব্দ বা বাক্য আছে সেগুলো সব উপস্থাপন করও অর্থসহ এবং কখন কোথায় ব্যবহার করতে হয় বিস্তারিত বর্ণনাসহ? হাদীস বা কোরআনে বলা এসব শব্দ বা বাক্যের বাহিরেও অন্যান্য নবী রাসূল বা সাহাবীরা বা তাদের পরবর্তী আলেমরা উপকারী মনে করে আমল করেছেন যেসব শব্দ বা বাক্যের মাধ্যমে সেগুলোও বর্ণনা করও।

Answer

بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على سيد المرسلين وعلى آله وأصحابه أجمعين

নিচে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত আল্লাহর নাম ও গুণের সাথে সম্পৃক্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী শব্দ ও বাক্য অর্থ, ব্যবহারের স্থান এবং কোরআন-হাদীস ও হানাফী ফিকহের কিতাবের রেফারেন্সসহ উপস্থাপন করা হলো। উল্লেখিত সকল শব্দ ও বাক্য সহীহ এবং দ্বীনের মূলনীতি অনুযায়ী প্রমাণিত।


১. مَا شَاءَ اللَّهُ (ماشاء اللہ)

  • অর্থ: "আল্লাহ যা চান তা-ই হয়।"
  • ব্যবহার: কোনো ভালো বা সুন্দর জিনিস দেখলে (যেমন সন্তান, সম্পদ, প্রকৃতি) বলতে হয়। এটি হিংসা বা অহংকার থেকে বাঁচার জন্য এবং আল্লাহর ইচ্ছার প্রতি সম্মান জানানোর জন্য।
  • দলিল: সূরা আল-কাহফ (১৮:৩৯) – "وَلَوْلَا إِذْ دَخَلْتَ جَنَّتَكَ قُلْتَ مَا شَاءَ اللَّهُ"
  • হাদীস: আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন: "যখন তোমাদের কেউ কোনো ভাইয়ের মধ্যে সন্তান বা সম্পদে এমন কিছু দেখে যা পছন্দ করে, তবে সে যেন তার জন্য বরকতের দুআ করে।" (ইবনে মাজাহ: ৩৫০৯)

২. الْحَمْدُ لِلَّهِ (আলহামদুলিল্লাহ)

  • অর্থ: "সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।"
  • ব্যবহার:
    • কোনো নেয়ামত পেলে বা সুসংবাদ শুনলে।
    • খাওয়া-দাওয়ার পর (বুখারী: ৫৪৫৮)।
    • হাঁচি দেওয়ার পর (বুখারী: ৬২২৪)।
    • দুঃখ-কষ্ট দূর হলে।
  • দলিল: সূরা আল-ফাতিহা (১:২) – "الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ"
  • হাদীস: নবী (সা.) বলেন: "আলহামদুলিল্লাহ বললে পাল্লা পূর্ণ হয়।" (মুসলিম: ২২৩)

৩. بَارَكَ اللَّهُ (বারাকাল্লাহ)

  • অর্থ: "আল্লাহ বরকত দান করুন।"
  • ব্যবহার:
    • কাউকে ভালো কিছু করতে দেখলে বা তার কোনো জিনিস দেখলে (যেমন নতুন জামা, নতুন গাড়ি) বলতে হয়।
    • বিয়ে বা কোনো শুভ অনুষ্ঠানে দম্পতিকে আশীর্বাদ করতে।
  • দলিল: হাদীস: "بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ" (আবু দাউদ: ২১৩০)
  • হানাফী ফিকহ: ইমাম আবু ইউসুফ (রহ.) বলেন: "যখন কোনো নেয়ামত দেখে, তখন বলবে: 'بارك الله لك فيه'।" (আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যাহ, ৫/৩৫৪)

৪. جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا (জাযাকাল্লাহু খাইরান)

  • অর্থ: "আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।"
  • ব্যবহার: কেউ ভালো কাজ করলে বা উপকার করলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশে বলতে হয়।
  • দলিল: হাদীস: "যদি কেউ তোমাকে বলে 'جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا', তবে তুমি বলবে: 'وَإِيَّاكَ' (তোমাকেও)।" (তিরমিযী: ২০৩৫)
  • হানাফী গ্রন্থ: ইমাম শাফি'র উক্তি উদ্ধৃত করেছেন ইবনে আবেদীন (রহ.) 'রাদ্দুল মুহতার' (২/৫২২)-এ।

৫. بِسْمِ اللَّهِ (বিসমিল্লাহ)

  • অর্থ: "আল্লাহর নামে শুরু করছি।"
  • ব্যবহার:
    • খাওয়া-দাওয়ার শুরুতে (বুখারী: ৫৩৭৬)।
    • ঘর থেকে বের হওয়ার সময় (তিরমিযী: ৩৪২৬)।
    • যে কোনো বৈধ কাজের শুরুতে (যেমন পড়া, লেখা, গাড়ি চালানো)।
  • দলিল: সূরা হুদ (১১:৪১) – "بِسْمِ اللَّهِ مَجْرَاهَا وَمُرْسَاهَا"

৬. إِنْ شَاءَ اللَّهُ (ইনশাআল্লাহ)

  • অর্থ: "যদি আল্লাহ চান।"
  • ব্যবহার: ভবিষ্যতে কোনো কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশে।
  • দলিল: সূরা আল-কাহফ (১৮:২৩-২৪) – "وَلَا تَقُولَنَّ لِشَيْءٍ إِنِّي فَاعِلٌ ذَلِكَ غَدًا إِلَّا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ"

৭. سُبْحَانَ اللَّهِ (সুবহানাল্লাহ)

  • অর্থ: "আল্লাহ পবিত্র।"
  • ব্যবহার:
    • কোনো আশ্চর্যজনক বা মহান জিনিস দেখলে।
    • নামাজে রুকু ও সিজদায় (বুখারী: ৭৬১)।
  • দলিল: সূরা আল-ইসরা (১৭:১) – "سُبْحَانَ الَّذِي أَسْرَى بِعَبْدِهِ"

৮. اللَّهُ أَكْبَرُ (আল্লাহু আকবার)

  • অর্থ: "আল্লাহ মহান।"
  • ব্যবহার:
    • নামাজের তাকবির।
    • কোনো বিপদ বা আনন্দের সময়।
    • কোরবানির পশু জবাইয়ের সময়।
  • দলিল: সূরা আল-ইসরা (১৭:১১১) – "وَقُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَمْ يَتَّخِذْ وَلَدًا"

৯. أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ (আস্তাগফিরুল্লাহ)

  • অর্থ: "আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।"
  • ব্যবহার:
    • গুনাহের পর বা ভুল-ত্রুটির জন্য তওবা করতে।
    • নামাজের পর (বুখারী: ৬৩২৯)।
  • দলিল: সূরা নূহ (৭১:১০) – "فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا"

১০. لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ (লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ)

  • অর্থ: "আল্লাহ ছাড়া কোনো পরিবর্তন ও শক্তি নেই।"
  • ব্যবহার:
    • বিপদ বা কষ্টের সময়।
    • কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা দেখলে।
  • হাদীস: নবী (সা.) বলেন: "এটি জান্নাতের ধন।" (বুখারী: ৬৪০৫)

১১. تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ (তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ)

  • অর্থ: "আমি আল্লাহর উপর ভরসা করলাম।"
  • ব্যবহার: কাজ শুরু করার সময় বা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর।
  • দলিল: সূরা আত-তালাক (৬৫:৩) – "وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ"

১২. رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا (রাদ্বীতু বিল্লাহি রাব্বা)

  • অর্থ: "আমি আল্লাহকে রব হিসেবে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নিলাম।"
  • ব্যবহার: ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস জাহিরে বা সকাল-সন্ধ্যার দুআয়।
  • হাদীস: নবী (সা.) বলেন: "যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় তিনবার বলে 'رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا...', তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে।" (আবু দাউদ: ৫০৭২)

১৩. يَا اللَّهُ (ইয়া আল্লাহ)

  • অর্থ: "হে আল্লাহ!"
  • ব্যবহার: সরাসরি দুআ বা সাহায্য চাওয়ার জন্য।
  • দলিল: সূরা আল-আরাফ (৭:১৮০) – "وَلِلَّهِ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَى فَادْعُوهُ بِهَا"

১৪. اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ (আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ)

  • অর্থ: "হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ (সা.)-এর উপর দরুদ বর্ষণ করুন।"
  • ব্যবহার: নবী (সা.)-এর নাম শুনলে বা নামাজের শেষ বৈঠকে।
  • হাদীস: নবী (সা.) বলেন: "যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরুদ পাঠায়, আল্লাহ তার উপর দশবার রহমত নাযিল করেন।" (মুসলিম: ৪০৮)

১৫. إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

  • অর্থ: "নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তাঁরই কাছে ফিরে যাব।"
  • ব্যবহার: কারো মৃত্যু বা বিপদ সংবাদ শুনলে।
  • দলিল: সূরা আল-বাকারাহ (২:১৫৬) – "الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُمْ مُصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ"

১৬. مَا شَاءَ اللَّهُ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ (মা শা আল্লাহ লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ)

  • অর্থ: "আল্লাহ যা চান, আর আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও ক্ষমতা নেই।"
  • ব্যবহার: কোনো বস্তুর ভালো অবস্থা দেখে বা সম্পদের প্রশংসা করতে।
  • হাদীস: নবী (সা.) বলেন: "তোমাদের কেউ যখন তার সঙ্গীর সম্পদ ও সন্তান দেখে মুগ্ধ হয়, তখন যেন এই বাক্যটি বলে।" (তাবরানি, সিলসিলা সাহিহা: ১৩৪)

১৭. فِي سَبِيلِ اللَّهِ (ফি সাবিলিল্লাহ)

  • অর্থ: "আল্লাহর পথে।"
  • ব্যবহার:
    • কোনো কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করলে (যেমন সাদাকা, জিহাদ, ইলম শিক্ষা) বলতে হয়।
  • দলিল: সূরা আত-তাওবাহ (৯:৬০) – "وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ"

১৮. لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ)

  • অর্থ: "আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মা'বুদ নেই।"
  • ব্যবহার:
    • তওবা ও জিকিরের জন্য।
    • মৃত্যুশয্যায় (বুখারী: ১২৩৭)।
  • হাদীস: নবী (সা.) বলেন: "যার শেষ কথা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' হবে, সে জান্নাতে যাবে।" (আবু দাউদ: ৩১১৬)

১৯. قَدَّسَ اللَّهُ سِرَّهُ (কাদ্দাসাল্লাহু সিররাহু)

  • অর্থ: "আল্লাহ তার গোপন বিষয় পবিত্র করুন।"
  • ব্যবহার: আওলিয়া বা বুজুর্গদের নামের পর সম্মানসূচক বাক্য হিসাবে।
  • উৎস: এটি কোনো সহীহ হাদীস বা কোরআনে নেই, তবে সালাফ ও খলফদের আমল থেকে প্রসিদ্ধ। ইমাম শা'রানী (রহ.) 'আত-তাবাকাত' গ্রন্থে ব্যবহার করেছেন।

২০. رَحِمَهُ اللَّهُ (রাহিমাহুল্লাহ)

  • অর্থ: "আল্লাহ তার উপর রহম করুন।"
  • ব্যবহার: কোনো মৃত মুসলমানের বা ফকীহ-আলেমের উল্লেখ করলে।
  • দলিল: সূরা আল-আহযাব (৩৩:৫৬) – "إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ" থেকে গৃহীত। সাহাবীগণ পরস্পরের জন্য এই দুআ করতেন।

২১. نَوَّرَ اللَّهُ قَبْرَهُ (নাওওয়ারাল্লাহু কাবরাহু)

  • অর্থ: "আল্লাহ তার কবর আলোকিত করুন।"
  • ব্যবহার: মৃত বুজুর্গের জন্য দুআ করতে বলতে হয়।
  • উৎস: এটি 'রাদ্দুল মুহতার' (১/১৮৪) ইত্যাদি হানাফী গ্রন্থে উল্লিখিত।

২২. شَكَرَ اللَّهُ سَعْيَكَ (শাকারাল্লাহু সা'ইয়াকা)

  • অর্থ: "আল্লাহ আপনার প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দিন (ধন্যবাদ)।"
  • ব্যবহার: কেউ কোনো পরিশ্রম করলে বা সাহায্য করলে বলতে হয়।
  • হাদীস: নবী (সা.) বলেন: "যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না, সে আল্লাহর প্রতিও কৃতজ্ঞ নয়।" (তিরমিযী: ১৯৫৪)

২৩. جَمَعَ اللَّهُ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ (জামা'আল্লাহু বাইনাকুমা ফি খাইর)

  • অর্থ: "আল্লাহ তোমাদের উভয়কে কল্যাণে একত্রিত করুন।"
  • ব্যবহার: বিয়ের সময় বা কোনো দু'জনের মিলন অনুষ্ঠানে।
  • হাদীস: নবী (সা.) বর-কনেকে এই দুআ দিতেন (তিরমিযী: ১০৯১)।

২৪. أَحْسَنَ اللَّهُ عَاقِبَتَكَ (আহসানাল্লাহু আক্বিবাতাকা)

  • অর্থ: "আল্লাহ তোমার শেষ পরিণতি সুন্দর করুন।"
  • ব্যবহার: কারো বিদায়কালে বা কোনো বিপদাপন্ন ব্যক্তির জন্য দুআ করতে।
  • হানাফী ফিকহ: ইমাম আবু ইউসুফ (রহ.) এ দুআ ব্যবহার করতেন (আল-আসার: ১২৩)।

২৫. سَلَامُ اللَّهِ عَلَيْكُمْ (সালামুল্লাহি আলাইকুম)

  • অর্থ: "আল্লাহর শান্তি তোমাদের উপর বর্ষিত হোক।"
  • ব্যবহার:
    • সালাম দেওয়ার সময় সাধারণত "السلام عليكم" বলা উত্তম, তবে "سلام الله عليكم" বলা দ্বারাও সুন্নত আদায় হবে।।
  • দলিল: সূরা ইউনুস (১০:২৫) – "وَاللَّهُ يَدْعُو إِلَى دَارِ السَّلَامِ"

হানাফী ফিকহের বিশেষ নির্দেশনা:
ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে, সাধারণ নিয়মে জিকির ও দুআ-সমূহ কোরআন ও হাদীস থেকে প্রমাণিত হওয়া জরুরি। তবে সাহাবা ও তাবেয়ীগণের আমলও গ্রহণযোগ্য যতক্ষণ না তা কোরআন-হাদীসের বিরোধী হয়। ইমাম মুহাম্মাদ (রহ.) 'কিতাবুল আসার'-এ সাহাবীদের দ্বারা বলা বহু শব্দ (যেমন "بارك الله لك") উল্লেখ করেছেন। ইমাম আবু ইউসুফ (রহ.) 'আল-খারাজ'-এ "جزاك الله خيرا" ব্যবহারকে মুস্তাহাব বলেছেন।

বিঃদ্রঃ বর্তমান সমাজে ব্যবহৃত কিছু বাক্য যেমন "গুড লাক", "থ্যাংক্স" ইত্যাদির পরিবর্তে উপরে বর্ণিত ইসলামী শব্দগুলো ব্যবহার করাই উত্তম। والله أعلم بالصواب


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.