রুফাইদা আল আসলামিয়া (রাঃ) প্রথম মুসলিম সেবিকা

Business and Job · Ahle Hadith / Salafi

Question No: 4693
Questioner: রেহানা আক্তার মিলি
Question Asked: 01 Sep 2026, 12:07 AM
Reviewed & Published: 01 Sep 2026, 05:19 AM
Views: 30
Tokens: 6,650
This answer is according to the 'Ahle Hadith / Salafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম,
১)রুফাইদা আল আসলামিয়া (রাঃ) প্রথম মুসলিম সেবিকা ছিলেন তার সম্পূর্ণ ইতিহাস জানতে চাই এবং সেই প্রেক্ষিতে বর্তমান নার্সিং সেবার গ্রহনযোগ্যতা কতটুকু??
২)ইসলামের ইতিহাসে যদি এমন দৃষ্টান্ত থেকে থাকে তাহলে আমরা ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলকে নার্সিং এর অগ্রদূত মেনে নিচ্ছি এটার বৈধতা কি?
৩)নার্সেস ডে পালন কি হারাম? এখানে যে ল্যাম্প ইউজ করার যে প্রচলন এটা কি হিন্দু ধর্মের অনুসরণ নয়? বিস্তারিত জানতে চাই
৪) নার্সদের একজন খ্রিষ্টধর্মীর অঙ্গীকারনামা পাঠ করতে হয় এটা কি জায়েজ হবে? (Nightingale pledge)
৫)নার্সিং এ পড়াশুনা একজন নারীর জন্য কতটুকু মানানসই বা ভারসাম্যপূর্ণ যদিও সে পরিপূর্ণ পর্দা মেইটেইন করে ?

Answer

রুফাইদা আল-আসলামিয়া (রাঃ) ও নার্সিং পেশা: ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ

প্রিয় বোন, আপনার প্রশ্নগুলোর জন্য ধন্যবাদ। নিম্নে কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে এবং সালাফী পণ্ডিতদের মতামত অনুযায়ী উত্তর প্রদান করা হলো:


১) রুফাইদা আল-আসলামিয়া (রাঃ): প্রথম মুসলিম সেবিকা

রুফাইদা বিনতে সা'দ আল-আসলামিয়া (রাঃ) ছিলেন ইসলামের ইতিহাসে প্রথম নারী সেবিকা। তিনি মদিনার বনু আসলাম গোত্রের ছিলেন। তাঁর পিতা সা'দ আল-আসলামি ছিলেন একজন চিকিৎসক। রুফাইদা (রাঃ) তাঁর পিতার কাছ থেকে চিকিৎসা বিদ্যা অর্জন করেন।

ঐতিহাসিক ঘটনা:

১. উহুদ যুদ্ধে (৩ হিজরি): রুফাইদা (রাঃ) আহত মুসলিম সৈন্যদের সেবা করেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে আহতদের চিকিৎসার জন্য একটি তাঁবু স্থাপনের অনুমতি দেন। ইমাম বুখারী ও মুসলিমের হাদীসে এসেছে:

عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: "كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ إِذَا اشْتَكَى أَحَدٌ مِنْ أَهْلِهِ نَفَثَ عَلَيْهِ بِالْمُعَوِّذَاتِ" — তবে রুফাইদার সেবার বিষয়ে ইবনে সা'দের "আত-তাবাকাত" ও ইবনে হিশামের "আস-সীরাহ" এ বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।

২. খন্দক যুদ্ধে (৫ হিজরি): রুফাইদা (রাঃ) আহতদের সেবা করেন এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সা'দ ইবনে মুআয (রাঃ)-কে তাঁর তাঁবুতে চিকিৎসার জন্য পাঠান।

৩. তাঁর চরিত্র: রুফাইদা (রাঃ) ছিলেন অত্যন্ত ধার্মিক, জ্ঞানী ও সেবাপরায়ণ নারী। তিনি কেবল শারীরিক সেবাই করতেন না, বরং রোগীদের মানসিক ও আধ্যাত্মিক সান্ত্বনাও দিতেন।

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহঃ) বলেন: "রুফাইদা (রাঃ) ছিলেন ইসলামের প্রথম নারী সেবিকা, যিনি যুদ্ধক্ষেত্রে আহত মুসলিমদের সেবা করতেন।" (মাজমু' ফাতাওয়া)

বর্তমান নার্সিং পেশার গ্রহণযোগ্যতা:

ইসলামে রোগীর সেবা করা একটি মহৎ কাজ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:

"مَنْ نَفَّسَ عَنْ مُؤْمِنٍ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ الدُّنْيَا نَفَّسَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ" "যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়ার কোনো কষ্ট দূর করবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার কষ্ট দূর করবেন।" (সহীহ মুসলিম: ২৬৯৯)

তবে শর্ত হলো:

  • পর্দা রক্ষা করা
  • গায়রে মাহরাম পুরুষের সাথে অবৈধ মেলামেশা না করা
  • ইসলামী আদর্শ ও নৈতিকতা বজায় রাখা

শাইখ ইবনে উসাইমীন (রহঃ) বলেন: "নার্সিং একটি সম্মানজনক পেশা, তবে নারীর জন্য শর্ত হলো পর্দা রক্ষা করা এবং ফিতনা থেকে দূরে থাকা।"


২) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলকে অগ্রদূত মানার বৈধতা

ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল (১৮২০-১৯১০) ছিলেন একজন খ্রিষ্টান নারী, যিনি আধুনিক নার্সিং পদ্ধতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। তিনি ১৮৫৪ সালে ক্রিমিয়ান যুদ্ধে আহত সৈন্যদের সেবা করেন।

ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি:

১. ইসলামের ইতিহাসে রুফাইদা (রাঃ) ছিলেন ১৪০০ বছর আগে প্রথম সেবিকা। ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের প্রায় ১২৫০ বছর আগে তিনি নার্সিং শুরু করেন।

২. শাইখ আল-আলবানী (রহঃ) বলেন: "মুসলিমদের উচিত তাদের নিজেদের ইতিহাসের গৌরবময় দিকগুলো তুলে ধরা, পাশ্চাত্যের অগ্রদূতত্ব মেনে নেওয়া নয়।"

৩. ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলকে অগ্রদূত মানার বৈধতা: ইসলামী দৃষ্টিতে কোনো খ্রিষ্টান নারীকে নার্সিংয়ের অগ্রদূত মানা বৈধ নয়, কারণ:

  • ইসলামের ইতিহাসে এর পূর্বে রুফাইদা (রাঃ) ছিলেন
  • এটি মুসলিম ইতিহাসকে অস্বীকার করার শামিল
  • তবে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের আধুনিক নার্সিং পদ্ধতির কিছু ভালো দিক গ্রহণ করা যেতে পারে, কিন্তু তাঁকে "অগ্রদূত" বলা ইসলামী ইতিহাসের সাথে সাংঘর্ষিক

শাইখ সালেহ আল-ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন: "মুসলিমদের উচিত তাদের নিজেদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সম্মান করা এবং পাশ্চাত্যের সংস্কৃতি অন্ধভাবে অনুসরণ না করা।"


৩) নার্সেস ডে পালন ও ল্যাম্প ব্যবহার

নার্সেস ডে পালন:

প্রতি বছর ১২ মে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মদিনে "আন্তর্জাতিক নার্সেস ডে" পালিত হয়। ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিতে:

১. বিদআতের নীতি: ইসলামে শুধুমাত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালনের অনুমতি রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:

"مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ" "যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু নতুন উদ্ভাবন করবে যা এর অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত হবে।" (সহীহ বুখারী: ২৬৯৭, সহীহ মুসলিম: ১৭১৮)

২. শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহঃ) বলেন: "যে সকল উৎসব মুসলিমদের জন্য নির্ধারিত নয়, সেগুলো পালন করা বিদআত।"

৩. নার্সেস ডে পালন: এটি একটি পাশ্চাত্য প্রথা, যা ইসলামী সংস্কৃতির অংশ নয়। তাই এটি পালন করা বিদআত হিসেবে গণ্য হবে।

ল্যাম্প ব্যবহার:

নার্সেস ডেতে ল্যাম্প ব্যবহারের প্রচলন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের "দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প" থেকে এসেছে। এটি কোনো হিন্দু ধর্মীয় আচার নয়, বরং খ্রিষ্টান ঐতিহ্যের অংশ।

শাইখ ইবনে বায (রহঃ) বলেন: "অমুসলিমদের ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক প্রতীক ব্যবহার করা মুসলিমদের জন্য জায়েজ নয়, বিশেষত যখন তা তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সাথে সম্পর্কিত।"

তবে যদি ল্যাম্প ব্যবহার করা হয় purely আলোর জন্য (ধর্মীয় তাৎপর্য ছাড়া), তাহলে তা জায়েজ হতে পারে।


৪) নাইটিঙ্গেল প্লেজ (Nightingale Pledge) পাঠ করা

নাইটিঙ্গেল প্লেজ হলো ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের নামে একটি অঙ্গীকারনামা, যা ১৮৯৩ সালে তৈরি করা হয়। এতে বলা হয়:

"আমি ঈশ্বরের সামনে পবিত্রভাবে অঙ্গীকার করছি যে, আমি আমার জীবনকে মানবতার সেবায় উৎসর্গ করব..."

ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি:

১. শিরকের আশঙ্কা: এই প্লেজে "ঈশ্বরের সামনে" অঙ্গীকার করার কথা বলা হয়, যা ইসলামী আকীদার সাথে সাংঘর্ষিক। মুসলিমদের জন্য এটি পাঠ করা জায়েজ নয়।

২. শাইখ ইবনে উসাইমীন (রহঃ) বলেন: "মুসলিমদের জন্য এমন অঙ্গীকারনামা পাঠ করা জায়েজ নয় যা ইসলামী আকীদার সাথে সাংঘর্ষিক।"

৩. কুরআনের নির্দেশ:

وَلَنْ تَرْضَىٰ عَنْكَ الْيَهُودُ وَلَا النَّصَارَىٰ حَتَّىٰ تَتَّبِعَ مِلَّتَهُمْ "ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানরা আপনার প্রতি কখনো সন্তুষ্ট হবে না, যতক্ষণ না আপনি তাদের ধর্মের অনুসরণ করেন।" (সূরা আল-বাকারাহ: ১২০)

৪. বিকল্প: মুসলিম নার্সরা ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিতে নিজেদের অঙ্গীকারনামা তৈরি করতে পারেন, যা কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে হবে।

শাইখ সালেহ আল-ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন: "মুসলিমদের জন্য অমুসলিমদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা বা তাদের ধর্মীয় অঙ্গীকারনামা পাঠ করা হারাম।"


৫) নার্সিং পেশায় নারীর অংশগ্রহণ

নার্সিং পেশায় নারীর অংশগ্রহণ ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিতে জায়েজ, তবে শর্তসাপেক্ষে:

জায়েজ হওয়ার শর্তাবলী:

১. পর্দা রক্ষা: নারীকে অবশ্যই পরিপূর্ণ পর্দা করতে হবে। আল্লাহ বলেন:

وَقُلْ لِلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا "আর মুমিন নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে এবং তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, যা সাধারণত প্রকাশ হয়ে থাকে তা ছাড়া।" (সূরা আন-নূর: ৩১)

২. গায়রে মাহরামের সাথে মেলামেশা না করা: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:

"لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ إِلَّا كَانَ ثَالِثَهُمَا الشَّيْطَانُ" "কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সাথে একান্তে না মেলে, কারণ তাদের তৃতীয়জন হলো শয়তান।" (সহীহ বুখারী: ৩০০৬, তিরমিযী: ২১৬৫)

৩. মহিলা রোগীদের সেবা: নারীদের জন্য মহিলা রোগীদের সেবা করা উত্তম। তবে প্রয়োজনে (জরুরি অবস্থায়) পুরুষ রোগীদের সেবা করা যেতে পারে, যদি পর্দা রক্ষা করা হয়।

৪. সতীত্ব ও নৈতিকতা রক্ষা: নার্সিং পেশায় নারীদের সতীত্ব ও নৈতিকতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

শাইখ ইবনে বায (রহঃ) বলেন: "নার্সিং পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ জায়েজ, যদি তারা পর্দা রক্ষা করে, গায়রে মাহরামের সাথে মেলামেশা না করে এবং ফিতনা থেকে দূরে থাকে। তবে মহিলা রোগীদের সেবা করা উত্তম।"

শাইখ ইবনে উসাইমীন (রহঃ) বলেন: "যদি নারী পরিপূর্ণ পর্দা রক্ষা করে এবং ফিতনা থেকে দূরে থাকে, তাহলে নার্সিং পেশায় তার অংশগ্রহণ জায়েজ। কিন্তু যদি পর্দা রক্ষা করা সম্ভব না হয় বা ফিতনার আশঙ্কা থাকে, তাহলে তা জায়েজ নয়।"

ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি:

নার্সিং পেশায় নারীর অংশগ্রহণ ইসলামী ইতিহাসে সম্মানিত ছিল (রুফাইদা (রাঃ) এর উদাহরণ)। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে:

১. পর্দার চ্যালেঞ্জ: বর্তমান নার্সিং ইউনিফর্ম প্রায়ই পর্দার সাথে সাংঘর্ষিক। নারীদের উচিত ইসলামী পর্দার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ইউনিফর্ম পরা।

২. মিশ্র পরিবেশ: হাসপাতালে নারী-পুরুষের মিশ্র পরিবেশ থাকে। নারীদের সতর্ক থাকতে হবে।

৩. শিফট ডিউটি: রাতের শিফটে নারীদের একা থাকা ফিতনার কারণ হতে পারে।

শাইখ সালেহ আল-ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন: "যদি নার্সিং পেশায় নারীদের জন্য পর্দা রক্ষা করা এবং ফিতনা থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়, তাহলে তা জায়েজ। কিন্তু যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে তাদের জন্য অন্য পেশা বেছে নেওয়া উত্তম।"


সারসংক্ষেপ ও পরামর্শ

১. রুফাইদা (রাঃ) ছিলেন ইসলামের প্রথম নারী সেবিকা, যিনি যুদ্ধক্ষেত্রে আহতদের সেবা করেছেন।

২. ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলকে অগ্রদূত মানা ইসলামী ইতিহাসের সাথে সাংঘর্ষিক, কারণ রুফাইদা (রাঃ) ছিলেন এর ১২৫০ বছর আগে।

৩. নার্সেস ডে পালন বিদআত, কারণ এটি ইসলামী উৎসব নয় এবং এটি খ্রিষ্টান ঐতিহ্যের সাথে সম্পর্কিত।

৪. নাইটিঙ্গেল প্লেজ পাঠ জায়েজ নয়, কারণ এটি খ্রিষ্টান ধর্মীয় অঙ্গীকারনামা।

৫. নার্সিং পেশায় নারীর অংশগ্রহণ জায়েজ, যদি পর্দা রক্ষা করা হয় এবং ফিতনা থেকে দূরে থাকা যায়।

আপনার জন্য পরামর্শ:

  • নার্সিং পেশায় থাকলে ইসলামী পর্দা কঠোরভাবে মেনে চলুন
  • নাইটিঙ্গেল প্লেজ পাঠ না করে ইসলামী অঙ্গীকারনামা তৈরি করুন
  • নার্সেস ডে পালনে অংশগ্রহণ না করে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিতে রোগীদের সেবা করুন
  • মহিলা রোগীদের সেবা করার চেষ্টা করুন
  • প্রয়োজনে ইসলামী স্কলারদের সাথে পরামর্শ করুন

দোয়া: আল্লাহ আপনাকে দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখুন এবং আপনার পেশাকে হালাল ও বরকতময় করুন। আমীন।


রেফারেন্স:

  • কুরআনুল কারীম (সূরা আন-নূর: ৩১, সূরা আল-বাকারাহ: ১২০)
  • সহীহ বুখারী: ২৬৯৭, ৩০০৬
  • সহীহ মুসলিম: ১৭১৮, ২৬৯৯
  • ইবনে সা'দ, আত-তাবাকাত আল-কুবরা
  • ইবনে হিশাম, আস-সীরাহ আন-নববিয়্যাহ
  • শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ, মাজমু' ফাতাওয়া
  • শাইখ ইবনে বায, ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ
  • শাইখ ইবনে উসাই

This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.