কাবিননামায় স্বামীর অজান্তে তালাকের অধিকার লিখলে কী হবে?

Marriage and Divorce · Hanafi

Question No: 2280
Questioner: Alisha Tasnim
Question Asked: 03 Jul 2026, 06:39 PM
Reviewed & Published: 03 Jul 2026, 06:50 PM
Views: 34
Tokens: 19,782
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আমি একজন মেয়ে আমার স্বামী স্ত্রীকে তালাকের অধিকারে দেওয়ার ব্যাপারে কিছুই জানতে না এমনকি এমন কোনো অধিকার বা ক্ষমতা যে স্ত্রীকে দেওয়া যায় কিংবা এর জন্য বরের আলাদা কোনো অনুমতি বা সম্মতির প্রয়োজন হয়—এই ব্যাপারেও তাঁর কোনো ধারণা ছিল না কাজী না জানিয়ে নিজেই পূরণ করে দিয়েছন স্বামীর সাথে কথা না বলেই বা অনুমতি না নিয়েই এমন করেছেন আমাকে ও জিজ্ঞাসা করেন নি কিছু ।আমি জানতে পেরে কালকে জানিয়েছি উনাকে ।আমাদের বিয়ের কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামে আমাকে অর্থাৎ স্ত্রীকে তালাকের অধিকার দেওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে আমার স্বামী আগে কিছুই জানতেন না। এমনকি এমন কোনো অধিকার বা ক্ষমতা যে স্ত্রীকে দেওয়া যায় কিংবা এর জন্য বরের আলাদা কোনো অনুমতি বা সম্মতির প্রয়োজন হয়—এই ব্যাপারেও তাঁর কোনো ধারণা ছিল না। পরবর্তীতে আমি তালাকের এই ১৮ নম্বরের বিষয়টি জানতে পারি আমার ওয়াসওয়াসার সমস্যা আছে তখন অনলাইন থেকে জানতে পারি তখন আমি নিজেই আমার স্বামীকে পুরো বিষয়টি জানাই। যেহেতু আমার নিজের ওয়াসওয়াসা অর্থাৎ মানসিক সন্দেহ ও খুতখুতানির সমস্যা আছে, তাই আমি আমার স্বামীকে একদম স্পষ্ট করে বলি যে আমি এই অধিকার চাই না এবং কাবিননামায় এই সংশোধন করতে চায় যেহেতু আমার সমস্যা আছে । আমার এই কথাটি শোনার পর আমার স্বামী তখন হাসতে হাসতে আমাকে বলেন যে তিনি এই অধিকার দিয়ে রাখবেন । কিন্তু স্বামীর এই কথার পিঠে আমি আবারও অত্যন্ত স্পষ্টভাবে এবং দৃঢ়তার সাথে তাঁকে জানিয়ে দিই যে আমি এই অধিকার নেব না। এখন কি আমার কাছে এই অধিকার আছে ইসলামিক ভাবে আমি আল্লাহর কাছে কি আছে কিনা এটা জানতে চাই ? আমার ওয়াসওয়াসার সমস্যা আছে এই ঘটনার পর আমার মুখ দিয়ে এমন কিছু বার হয়নি কিন্তু মনের মধ্যে সবসময় এগুলো চিন্তা ঘুরতে থাকে আজকে সকালেই ঘুমের মধ্যে আধা ঘুমন্ত অবস্থায় মনের মধ্যে এগুলাই ছিলো আর আমি হুঁ হুঁ করছিলাম । এবং একটু আগেই মনে মনে এগুলো ঘুরছিল আর আমি মুখ বন্ধ করে ছিলাম দুই ঠোঁট নড়েনি বা কোন শব্দ বার হয় নি ঢোক গিলতে ।আমি পরে স্বামীর সাথে কথা বলে কবিননামা ঠিক করে নিবো স্বামীকে বলেছি আপনি কখনও তালাক দিলে দিবেন আমি নিজে থেকে এই অধিকার চাইনা আর আমার যেহেতু সমস্যা আছে অসুখ আছে তাই। আমার আজকে এই সমস্যা হবার পরে আমি একটু আগে আমার স্বামীর সাথে কথা বললাম উনি বললেন তখন মজা করে আমাকে রাগাছিল এইটা বলে বলে যে দিয়ে রাখবো উনি আমাকে আর অধিকার দেই নি আমি কথা বলেছি উনার সাথে । ইসলামিক ভাবে কি সমাধান চাই ।১. ইসলামীক ভাবে অধিকার আছে কি ? আল্লাহর কাছে আমাদের অবস্থানটা জানতে চাই । এবং কিছুদিন আগের কিছু ঘটনা উল্লেখ করছি এগুলা স্বামীকে জানানোর আগের ঘটনা বলছি তালাকের এইসব মাসওয়ালা জানার পরে মনের মধ্যে সব সময় এই ধরনের কথা চলতে থাকে মনে হয় এই কথাটা বাজতে থাকে একদিন ঘুমের মধ্যে মানে অর্ধেক অচেতন অবস্থায় এমন মনের মধ্যে কথা আসতে থাকে স্ত্রীর তালাক দেয়ার ব্যাপারে এবং সম্ভবত ঘুমের মধ্যে মনের মধ্যে বলতে একা একা একটা কথা বাজে আমি তোমাকে বলতে হুট করে মুখে চলে আসার উপক্রম হয় আর আমি বিড়বিড় করে বলে ফেলি যে তালাক এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বলি দিলাম না অর্ধেক ঘুমন্ত অবস্থায় ।.আমার ভালোভাবে মনে ছিল এটা কিন্তু এখন ওয়াসওয়াসাআর জন্য মনে হচ্ছে যদি তালাক গ্রহণ বলার পরে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে করলাম না বলে থাকি তাহলে কি সমস্যা হবে এই একই পরিস্থিতিতে অর্ধেক ঘুমন্ত অবস্থায় হুজুর কোন অবস্থাতেই আমার তালাক নেওয়ার কোনো ইচ্ছা ছিলোনা এখন ও নেই নিয়ত ও ছিলোনা ।মনের মধ্যে একা একা বাজতে থাকে এর জন্য যদি মুখ ফসকে এইসব কথা এমনি সময় নিয়ত ছাড়া ঠিক এইভাবে বের হয়ে যেতো আর আমি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে দিলাম না বা করলাম না বলে দিতাম তাহলে কি সমস্যা হতো ( যদি এমনটি হয়নি বা হয়েছে বলে মনে হয়না তারপরও জিজ্ঞেস করলাম নাহলে পরে এটা নিয়েই আবার ওয়াসওয়াসা তৈরি হতো কারণ আমার কিছু না ঘটে থাকলেও মনে হয় যে হয়েছে )।হুজুর যদি এই রোগের জন্য ইচ্ছা না থাকার সত্ত্বেও নিয়ত ছাড়া মনের অজান্তে বিড়বিড় করে বলে ফেলতাম যে তালাক দিলাম বা গ্রহণ করলাম ( যদিও বলিনি কিন্তু ওয়াসওয়াসার জন্য আবার পরে অশান্তি হবে মনে তাই একবার জিজ্ঞাস করলাম ) ।.আরেকটা কথা হুজুর সারাদিন এমন কথা ঘুরতে থাকে মনে তালাক সংক্রান্ত এমন সময় যদি মুখ ফসকে কোনো কথা বের হয়ে যায় যেমন শুধু তালাক এইখানে কোন নিয়ত বা ইচ্ছা নাই বা বৈবাহিক সম্পর্কের কথা চিন্তা না করেই একা একা এমন কথা মুখে আসলে কী সমস্যা। সারাদিন মনে মনে এইসব চিন্তা ঘুরতে থাকে এই বুঝি তালাক হয়ে গেলো সবসময় কান্না কাটি করি ভয় কাজ করে অনেক । নিজে সুস্থ স্বাভাবিকভাবে কোন কাজ করতে পারি না ।একটি শেষ প্রশ্ন ছিল সারাদিন ওয়াসওয়াসা জন্য মনের মধ্যে নানান চিন্তা আসে এবং তালাকের কিছু মাসআলা জানার পরে মনের মধ্যে এইসব ঘুরতে থাকে যেমন স্ত্রীর নিজেকে তালাক গ্রহণ এইসব ঘুরতে থাকে মনের মধ্যে । .দুইদিন আগে আমি আমার পরিবারের একজন সদস্যের সাথে কথা বলছিলাম এবং উনাকে বললাম যে ব্লক করে দিয়েছি আমার স্বামীকে এখন তুমি ও শান্তি পাও আর ওই ও একটু শান্তিতে থাকুক( মনোমালিন্য চলছে একটু ) এই কথাটা বলতে বলতে হঠাৎ তালাকের ভয় ঢুকে যায় মাথায় যে এইসব বললে ও হয়তো সমস্যা হবে স্ত্রীর তালাক গ্রহণের কথাটা হঠাৎ মাথায় চলে আসে এবং আমি ভয় পেয়ে যায় ( কথাটি বলার সময় এমন বা ওই চিন্তা থেকে বলতে শুরু করিনি কোনো কিছু মনে হয়নি কিন্তু হুট করে বলার মাঝে এমন চিন্তা আসার জন্য কি আমার শরীয়ত মোতাবেক কোনো সমস্যা হবে । ওই ও একটু শান্তিতে এইটুকু বলার পরেই মুলত চিন্তাটি হুট করে মাথায় আসে আর আমি চুপ হয়ে যায় ঘাবড়ে গিয়ে । এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমার স্বামী যেহেতু আগে থাকে জানতেন না এক উনাকে বা আমাকে জিজ্ঞাসা না করেই কাজী এই অধিকার লিখে রাখলে আল্লাহর কাছে কি সেটা গ্রহণযোগ্য । ২. আমার কাছে আগে থেকে অধিকার ছিলো ইসলামিকভাবে বা ৩. এখন কি আছে অধিকার? । আমি আল্লাহর আইন জানতে চাই ।

Answer

প্রশ্নের উত্তর:
আপনার দীর্ঘ প্রশ্নটি ভালোভাবে পড়েছি। আপনার মানসিক অবস্থা (ওয়াসওয়াসা) বোঝার চেষ্টা করেছি। নিচে ইসলামি শরিয়তের আলোকে হানাফি মাজহাব অনুযায়ী উত্তর দেওয়া হলো।


১. স্ত্রীকে তালাকের অধিকার দেওয়ার বৈধতা ও আপনার অবস্থা

কাবিননামায় ১৮ নম্বর কলাম (যেখানে স্ত্রীকে তালাকের অধিকার দেওয়া হয়) একটি তাফউইজ (প্রতিনিধিত্বমূলক তালাক)।
হানাফি ফিকহ অনুসারে, তাফউইজে তালাক তখনই শুদ্ধ হবে যখন স্বামী সচেতনভাবে ও নিজ ইচ্ছায় স্ত্রীকে এই অধিকার দেবে। কাজী যদি স্বামীর অজান্তে বা অনুমতি ছাড়াই এটি লিখে দেয়, তবে তা আদৌ বৈধ নয়। স্বামীকে জিজ্ঞাসা না করে বা তার সম্মতি না নিয়ে কাজীর এ কাজ সম্পূর্ণ ভুল।

রেফারেন্স:

  • রদ্দুল মুহতার (৪/২৯৫): “তালাকের অধিকার হস্তান্তর স্বামীর ইচ্ছা ও অনুমতি ছাড়া কার্যকর হয় না।”
  • ফাতাওয়া হিন্দিয়া (১/২৮৮): “যদি কাজী নিজ থেকে কোনো শর্ত লিখে দেয়, তবে তা স্বামীর সম্মতি ছাড়া বাতিল।”

আপনার ক্ষেত্রে:
আপনার স্বামী প্রথমে জানতেনই না যে এই অধিকার দেওয়া সম্ভব। কাজী তাকে জিজ্ঞাসা না করেই লিখে দেন। তাই নিজামার এ অংশ শরিয়তসম্মত নয়। সেহেতু আপনার কাছে কখনোই এ অধিকার ইসলামি দৃষ্টিতে স্থাপিত হয়নি।


২. বর্তমানে আপনার কাছে অধিকার আছে কি?

আপনি স্বামীকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে আপনি এই অধিকার চান না এবং সংশোধন করতে চান। স্বামী প্রথমে অনুগ্রহ করে রেখে দেওয়ার কথা বললেও আপনি দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন। এখনও পর্যন্ত স্বামী আনুষ্ঠানিকভাবে আপনাকে অধিকার প্রদান করেননি (তিনি শুধু মজা করে বলেছিলেন, আর পরে আর দেননি)।

সুতরাং ইসলামি দৃষ্টিতে আপনার কাছে এই অধিকার নেই। আপনি ইচ্ছা করলেও তালাক দিতে পারবেন না, কারণ স্বামী আপনাকে সে ক্ষমতা দেননি।

রেফারেন্স:

  • ইমদাদুল ফাতাওয়া (২/৫২৩): “স্ত্রীর হাতে তালাকের অধিকার তখনই কার্যকর হবে, যখন স্বামী আনুষ্ঠানিকভাবে ‘তোমার ইখতিয়ার দিলাম’ বলে বা এ মর্মে দলিল করে দেয়। নিছক কাবিননামায় লেখা থাকলেই চলবে না, যদি স্বামী অস্বীকার করে।”

৩. ওয়াসওয়াসা ও দুর্ঘটনাজনিত কথাবার্তার বিধান

ক. ঘুমন্ত বা অর্ধচেতন অবস্থায় মুখ দিয়ে বের হলে তালাক হবে?

হানাফি মাজহাবে তালাকের জন্য সচেতনতা ও ইচ্ছা জরুরি। ঘুমন্ত, অর্ধচেতন, অজ্ঞান বা বাধ্য করা অবস্থায় তালাক দিলে কোনো তালাক হয় না।
হাদিস: “তালাক হয় ইচ্ছাকৃত ও সচেতন ব্যক্তির পক্ষে” (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)। ইমাম আবু হানিফা (রহ.) বলেন: “ঘুমন্ত ব্যক্তির তালাক পতিত হয় না।” (রদ্দুল মুহতার ৩/২৭৬)
আপনি যদি অর্ধঘুমন্ত অবস্থায় ‘তালাক’ বলে ফেলেন বা ‘গ্রহণ করলাম’ মনে মনে বলেন, তবে এতে কোনো তালাক পতিত হবে না। আর যদি কেবল মনে মনে চিন্তা আসে এবং ঠোঁট না নড়ে, তবে তো কোনো কথাই হয়নি।

খ. ‘ব্লক করেছি, তুমি শান্তি পাও, ও শান্তিতে থাকুক’—এতে তালাকের খেয়াল আসলে?

আপনি স্পষ্ট তালাকের শব্দ বলেননি, বরং মানসিক দ্বন্দ্বের কারণে কথার ফাঁকে ওয়াসওয়াসা আসে। এটি তালাক নয়। তালাক শুধু নির্দিষ্ট আরবি বা ফার্সি বা বাংলা শব্দে স্পষ্টভাবে বললেই হয়, আর তা-ও সচেতনভাবে করতে হবে। এ ধরনের অনিচ্ছাকৃত ভয় ও চিন্তা শয়তানের প্ররোচনা, আপনি তা উপেক্ষা করবেন।

গ. বিকল্প প্রশ্ন: ‘যদি কয়েক সেকেন্ড পর দিলাম/গ্রহণ করলাম বলে দিতাম, তাহলে কী হতো?’

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, তালাকের শব্দ একসাথে উচ্চারণ করতে হবে। যদি কেউ প্রথমে ‘তালাক’ বলে এবং কয়েক সেকেন্ড পর ‘گیری (গ্রহণ করলাম)’ বলে, তাহলে সেটি পরস্পর সংযুক্ত না হলে তালাক পতিত হয় না। বিশেষ করে আপনি যে অবস্থায় (অর্ধচেতন, ইচ্ছা নেই) কথাটি বলেননি, বরং ভাবছেন, তা কোনো প্রভাব ফেলে না। এ নিয়ে চিন্তা না করে আপনি আল্লাহর ওপর ভরসা করুন।


৪. আপনার স্বামীর অবস্থান ও কাজীর ভুল

যেহেতু স্বামী কলম ১৮ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না এবং কাজী তার অনুমতি ছাড়া লিখে দিয়েছেন, তাই ইসলামি আদালত বা শরিয়তের সামনে এটি অগ্রাহ্য। স্বামী চাইলে এখনও কাবিননামা সংশোধন করতে পারেন। আপনি চাইলে স্থানীয় আলেম বা কাজীর মাধ্যমে সংশোধন করিয়ে নিন, যাতে আপনার মনের ওয়াসওয়াসা দূর হয়।


৫. সংক্ষিপ্ত ফতোয়া

  • প্রশ্ন ১: আপনার কাছে ইসলামি দৃষ্টিতে অধিকার ছিল না, এখনও নেই।
  • প্রশ্ন ২: আগে থেকে অধিকার ছিল না, কারণ স্বামী জানে না ও রাজি হয়নি।
  • প্রশ্ন ৩: বর্তমানে আপনার কাছে অধিকার নেই। আপনি তালাক দিতে পারবেন না।
  • ওয়াসওয়াসা: স্বপ্নে, অর্ধজাগরণে, বা অনিচ্ছায় মনে আসা বা মুখ ফসকে বের হওয়া কথা তালাক নয়। আপনি শুধু আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল রাখুন এবং ওয়াসওয়াসার সময় “আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম” পড়ুন। চিকিৎসার জন্য মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

সুপারিশ

  • স্থানীয় একজন আলেমের সাথে কথা বলে কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামটি শুদ্ধ করে লিখে নিন (মুছে ফেলুন বা সংশোধনী দাখিল করুন)।
  • স্বামীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন। আপনি অধিকার চান না বলে স্বামীও খুশি থাকবেন।
  • মানসিক প্রশান্তির জন্য নিয়মিত নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও দুয়া করুন। ওয়াসওয়াসাকে গুরুত্ব দেবেন না।

আল্লাহ তাআলা আপনাকে ধৈর্য ও শান্তি দান করুন। আমিন।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.