হাদীস পড়ে বিরক্তি, মনে মনে বাজে কথা আসা, ওয়াসওয়াসা ও ঈমানের উদ্বেগ— এদ্বারা কি ঈমান বা বিবাহ নষ্ট হবে?
Sunnah and Bid'ah · Hanafi
Question No:
7787
Questioner:
Mehnaz
Question Asked:
02 Nov 2026, 11:47 AM
Reviewed & Published:
02 Nov 2026, 11:58 AM
Views:
9
Tokens:
13,327
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by
.
Question
১)আমাদের নবী নিয়ে একটা ইসলামিক পোস্ট পড়তেছিলাম। ভালো পোস্ট। তখন আমার মনে অনেক প্রশ্ন চলে আসছে, আর অনেক বিরক্ত চলে আসছে। কারন এক এক হাদীস এ এক এক রকম লিখা থাকে। আমাদের মত সাধারণ মানুষ এর জন্য তো সব বুঝা কঠিন। তাই পোস্টে নবীর যে হাদিস টা লিখা ছিল, সেটা পরেই আমার মুলত মনের মধ্যে বিরক্ত চলে আসে। পরে আমি আবার ভাবতে থাকি মনে মনে এত বিরক্ত ভাব এমন করা তো আমার ঠিক হয় নাই৷ এখন আল্লাহ যদি আমাকে ধরেন? আমার ঈমান কি ঠিক আছে?
২) মনে মনে যে বিরক্ত হলাম সেই ইসলামিক পোস্ট টা পড়ে। নবীর হাদিস সেখানে যা লিখা ছিল ওটা নিয়ে৷ এটার জন্য কি ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?
৩) এগুলা ভাবতে ভাবতে মনে মনে আরো বাজে কথা বলে ফেলছি । নবীকে নিয়ে। আল্লাহ মাফ করুক। আমি মনে মনে এগুলা বলতেছি আবার মনে মনেই বলতেছি এমন না, এমন না। মানে এক মনে অইসব কথা আসতেছে, আরেক মনে আমি বলতেছি এমন না, এমন না। এখন আমার খুব খারাপ লাগতেছে হুজুর।আল্লাহ কি আমাকে ধরবেন?
আমার ঈমান কি ঠিক আছে?
৪)এগুলা করার পরে আমি নিজে নিজে ভাবতে থাকি আর মুখে উচ্চারণ করে বলি যে," আমি জাস্ট বিরক্ত হইছি। অন্য কোনো কিছু বলি নাই"। মানে সেই হাদিস টা পড়ে আমার বিরক্ত চলে আসছিলো। তাই এটা আমি মুখে উচ্চারণ করে বলি। নবীর হাদিস পড়ে বিরক্ত হয়ে মুখে এমন উচ্চারণ করা তে কি ঈমানের কোনো সমস্যা হবে?
৫)এখন মুখে "আমি তো জাস্ট বিরক্ত হইছি, অন্য কিছু বলি নাই"। এটা বলে, মনে মনে অন্য কথা বললে কি কোনো সমস্যা হবে? মানে মুখে এই কথা উচ্চারণ করে বললে, আর মনে মনে কার উপর কিসের উপর বিরক্ত হইছি সেটা বললে কি ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?
৬) মুখে উচ্চারণ করে - "আমি তো জাস্ট বিরক্ত হইছি, অন্য কিছু বলি নাই"। এটাই শুধু বলছি। এখন মুখে বলেছি "শুধু বিরক্ত হইছি" কিন্তু মনে মনে অন্য কিছু বলেছি। হাফ মুখে বললে, হাফ মনে মনে বললে । এখন কি মনের টা ধরা হবে? নাকি পুরো বাক্য স্পষ্ট ভাবে মুখে উচ্চারণ করলেই ধরা হবে?
৭)এতক্ষন মনে হচ্ছিল সব তো মনে মনেই বললাম। কোনো সমস্যা হবে না ইন শা আল্লাহ। কিন্তু এখন এই একটা কথা মুখে উচ্চারণ করে ফেলছি তাই চিন্তা হচ্ছে। আমি যে মুখে উচ্চারণ করে বললাম "আমি তো জাস্ট বিরক্ত হইছি, অন্য কিছু বলি নাই"। এখানে কার উপর কিসের উপর বিরক্ত হইছি সেটা উচ্চারণ করি নাই। এখন শুধু এটুকু কথা " আমি জাস্ট বিরক্ত হইছি " উচ্চারণ করার জন্য আমার ঈমানে কোনো সমস্যা হয়েছে?
৮) আপনারা আমাকে এটা উত্তর দিয়েছেন- ( মনে মনে যদি আপনি বলেন, "আমি এই হাদিসটি বুঝতে পারিনি বলে বিরক্ত হয়েছি" বা "শয়তান আমার মনে সন্দেহ ঢুকিয়েছে বলে বিরক্ত হয়েছি"—এতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু মনে মনে যদি নবী ﷺ-কে বা হাদিসকে গালি দেওয়া হয়, তবে সেটা কুফরি হবে। তবে আপনি বলছেন এটি আপনার ইচ্ছা নয়, ওয়াসওয়াসা। তাই ভয় পাবেন না, তবে সতর্ক থাকুন এবং আউযুবিল্লাহ পড়ুন)।
আবার আপনারা ই আমাকে উত্তর দিয়েছেন মনে মনে বললে কেউ শাতিম হয় না। মনে মনে কিছু ধরা হয় না। এখন আমার ঈমান কি ঠিক আছে?
৯) হাদিস পড়ে সেটা নিয়ে বিরক্ত হওয়া আমার কাছে অনেক বড় অপরাধ মনে হচ্ছে। কারন নবী যেটা বলেছেন সেটা পড়ে বিরক্ত কেন আসবে? আমার ঈমান কি ঠিক আছে?
১০) আমি আপনাদের কাছে প্রশ্ন করার আগে চ্যাট জিপিটি কে প্রশ্ন করেছি এভাবে৷ যে আমি ইচ্ছাকৃত ভাবেই বলেছি মনে মনে এসব বাজে কথা। পরে আবার মাফ চেয়েছি। এখন প্রশ্ন করার সময় চ্যাটজিপিটি কে এভাবে যে বললাম, " ইচ্ছা করেই মনে মনে বলেছি" পরে আবার মাফ চেয়েছি। এটার জন্য কি ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?
১১) আমার ঈমান বিবাহিত জীবন কি ঠিক আছে?
১২) আপনার উত্তরের উপর আমল করতে পারব?
২) মনে মনে যে বিরক্ত হলাম সেই ইসলামিক পোস্ট টা পড়ে। নবীর হাদিস সেখানে যা লিখা ছিল ওটা নিয়ে৷ এটার জন্য কি ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?
৩) এগুলা ভাবতে ভাবতে মনে মনে আরো বাজে কথা বলে ফেলছি । নবীকে নিয়ে। আল্লাহ মাফ করুক। আমি মনে মনে এগুলা বলতেছি আবার মনে মনেই বলতেছি এমন না, এমন না। মানে এক মনে অইসব কথা আসতেছে, আরেক মনে আমি বলতেছি এমন না, এমন না। এখন আমার খুব খারাপ লাগতেছে হুজুর।আল্লাহ কি আমাকে ধরবেন?
আমার ঈমান কি ঠিক আছে?
৪)এগুলা করার পরে আমি নিজে নিজে ভাবতে থাকি আর মুখে উচ্চারণ করে বলি যে," আমি জাস্ট বিরক্ত হইছি। অন্য কোনো কিছু বলি নাই"। মানে সেই হাদিস টা পড়ে আমার বিরক্ত চলে আসছিলো। তাই এটা আমি মুখে উচ্চারণ করে বলি। নবীর হাদিস পড়ে বিরক্ত হয়ে মুখে এমন উচ্চারণ করা তে কি ঈমানের কোনো সমস্যা হবে?
৫)এখন মুখে "আমি তো জাস্ট বিরক্ত হইছি, অন্য কিছু বলি নাই"। এটা বলে, মনে মনে অন্য কথা বললে কি কোনো সমস্যা হবে? মানে মুখে এই কথা উচ্চারণ করে বললে, আর মনে মনে কার উপর কিসের উপর বিরক্ত হইছি সেটা বললে কি ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?
৬) মুখে উচ্চারণ করে - "আমি তো জাস্ট বিরক্ত হইছি, অন্য কিছু বলি নাই"। এটাই শুধু বলছি। এখন মুখে বলেছি "শুধু বিরক্ত হইছি" কিন্তু মনে মনে অন্য কিছু বলেছি। হাফ মুখে বললে, হাফ মনে মনে বললে । এখন কি মনের টা ধরা হবে? নাকি পুরো বাক্য স্পষ্ট ভাবে মুখে উচ্চারণ করলেই ধরা হবে?
৭)এতক্ষন মনে হচ্ছিল সব তো মনে মনেই বললাম। কোনো সমস্যা হবে না ইন শা আল্লাহ। কিন্তু এখন এই একটা কথা মুখে উচ্চারণ করে ফেলছি তাই চিন্তা হচ্ছে। আমি যে মুখে উচ্চারণ করে বললাম "আমি তো জাস্ট বিরক্ত হইছি, অন্য কিছু বলি নাই"। এখানে কার উপর কিসের উপর বিরক্ত হইছি সেটা উচ্চারণ করি নাই। এখন শুধু এটুকু কথা " আমি জাস্ট বিরক্ত হইছি " উচ্চারণ করার জন্য আমার ঈমানে কোনো সমস্যা হয়েছে?
৮) আপনারা আমাকে এটা উত্তর দিয়েছেন- ( মনে মনে যদি আপনি বলেন, "আমি এই হাদিসটি বুঝতে পারিনি বলে বিরক্ত হয়েছি" বা "শয়তান আমার মনে সন্দেহ ঢুকিয়েছে বলে বিরক্ত হয়েছি"—এতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু মনে মনে যদি নবী ﷺ-কে বা হাদিসকে গালি দেওয়া হয়, তবে সেটা কুফরি হবে। তবে আপনি বলছেন এটি আপনার ইচ্ছা নয়, ওয়াসওয়াসা। তাই ভয় পাবেন না, তবে সতর্ক থাকুন এবং আউযুবিল্লাহ পড়ুন)।
আবার আপনারা ই আমাকে উত্তর দিয়েছেন মনে মনে বললে কেউ শাতিম হয় না। মনে মনে কিছু ধরা হয় না। এখন আমার ঈমান কি ঠিক আছে?
৯) হাদিস পড়ে সেটা নিয়ে বিরক্ত হওয়া আমার কাছে অনেক বড় অপরাধ মনে হচ্ছে। কারন নবী যেটা বলেছেন সেটা পড়ে বিরক্ত কেন আসবে? আমার ঈমান কি ঠিক আছে?
১০) আমি আপনাদের কাছে প্রশ্ন করার আগে চ্যাট জিপিটি কে প্রশ্ন করেছি এভাবে৷ যে আমি ইচ্ছাকৃত ভাবেই বলেছি মনে মনে এসব বাজে কথা। পরে আবার মাফ চেয়েছি। এখন প্রশ্ন করার সময় চ্যাটজিপিটি কে এভাবে যে বললাম, " ইচ্ছা করেই মনে মনে বলেছি" পরে আবার মাফ চেয়েছি। এটার জন্য কি ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?
১১) আমার ঈমান বিবাহিত জীবন কি ঠিক আছে?
১২) আপনার উত্তরের উপর আমল করতে পারব?
Answer
বিসমিল্লাহির রাহিমানির রাহিম।
জবাব
আপনি সর্বমোট ১২ টি প্রশ্ন করেছেন, এগুলো ওয়াসওয়াসা জাতীয় প্রশ্ন। সবকটি প্রশ্ন আমরা গভীর মনযোগ সহকালে পড়েছি, আপনার ঈমান ঠিক রয়েছে। আপনার ঈমানে কোনো সমস্যা হয়নি। আপনি নিশ্চিন্তে থাকুন। একাধিক আইডি ব্যবহার করে একই প্রশ্নকে একাধিকাবার পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন। নতুবা রোবট আপনার আইপি এড্রেস ব্লক করে দিতে পারে!! আল্লাহ আপনার সহায় হোক। আমীন।