হোটেলের ডকুমেন্টে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় লিপিবদ্ধ করা ও সই করার মাধ্যমে শরিয়তসম্মত বিবাহ হয় কি না?
Marriage and Divorce · Hanafi
Question
ঘটনার বিবরণ:
বন্ধুটি তার মেয়ে বান্ধবীকে নিয়ে একদিন একটি আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কাজ করতে গিয়েছিল।তারা রিসিপশনে থাকা দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের সামনে নিজেদের মধ্যে এংগেজমেন্ট হয়েছে বলে দাবী করে এবং হোটেলের ডকুমেন্ট পূরণ করে।হোটেল ডকুমেন্টে বন্ধুটি নিজেকে সেই মেয়ের স্বামী হিসাবে পরিচয় দিয়ে লিপিবদ্ধ করে এবং বাকি ঘরগুলোতে নিজেদের পরিচয়,নাম,ঠিকানা লিপিবদ্ধ করে।
পুরো ঘটনাটি সেই রিসিপশনে থাকা দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ব্যক্তির সামনেই হয়।এরপর বন্ধুটি আর মেয়েটি দুইজন রিসিপশনে থাকা লোকদের সামনেই ডকুমেন্টে সইও করে।এরপর তারা রুমে চলে যায় এবং পাপাচারে(সহবাসে) লিপ্ত হয়।
এর কয়েকমাস পর কোন কারণে বন্ধুটি আর মেয়েটির বনিবনা না হবার কারণে তারা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ কমিয়ে দেয়।
প্রশ্ন:
১.হোটেল রিসিপশনে দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের সামনে তাদের এই ডকুমেন্ট পূরণের সময় স্বামী স্ত্রী পরিচয় লিপিবদ্ধ করা এবং এরপর সেখানে উভয়ের(বন্ধু আর মেয়েটির) সাক্ষর করার মাধ্যমে কি তাদের বিবাহ শরিয়ত মতে হয়ে গিয়েছিল?
২.এরপর তাদের বনিবনা না হবার কারণে মেয়েটি কি অন্য কোন ছেলেকে বিবাহ করতে পারবে?এখানে তার কোন শরয়ী বাধা আছে?
৩.মেয়েটি যদি অন্য কোন ছেলেকে বিবাহ করতে চায় তবে সেই বন্ধুর(যার সাথে আবাসিক হোটেলে গিয়েছিল) কাছ থেকে তালাক নেওয়া কি মেয়েটির বাধ্যতামূলক?
৪.বর্তমানে মেয়েটি অন্য কোন ছেলেকে বিয়ে করে ঘরসংসার করলে সেই বিবাহ সহীহ হবে কি?
৫.মেয়েটিকে ইদ্দত পালন করতে হবে কি?
(উল্লেখ্য,হোটেল রিসিপশনে তারা মৌখিক ভাবে একে অন্যকে রিসিপশনে থাকা লোকদের সামনে (স্বামী হিসাবে কবুল করলাম অথবা স্ত্রী হিসাবে কবুল করলাম) এমন কোন কথা বলে নাই)
বন্ধুটি এবং মেয়েটি দুইজনেই হানাফি মাযহাব অনুসরণ করে।দুইজনেরই সামাজিক মর্যাদা বা কুফুতে মিল রয়েছে।
এই পরিস্থিতির একটি সঠিক শরিয়ত মোতাবেক সমাধান প্রদান করে বাধিত করবেন হুজুর।
মেয়েটির অন্য একজায়গায় বিবাহ ঠিক হয়েছে।
Answer
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
প্রশ্নের সারসংক্ষেপ
এক ব্যক্তি তার প্রেমিকা/বান্ধবীকে নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে যায়। হোটেলের রিসিপশনে দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের সামনে তারা নিজেদের মধ্যে "এনগেজমেন্ট" হয়েছে বলে দাবি করে এবং হোটেলের ডকুমেন্ট পূরণ করে। ডকুমেন্টে ছেলেটি নিজেকে মেয়েটির স্বামী হিসেবে লিপিবদ্ধ করে, উভয়ে সই করে। এরপর তারা সহবাসে লিপ্ত হয়। কোনো মৌখিক ইজাব-কবুল (স্বামী/স্ত্রী হিসেবে কবুল করলাম) বলা হয়নি। এখন জানতে চাওয়া হয়েছে—এতে কি শরিয়তসম্মত বিবাহ সংঘটিত হয়েছে? মেয়েটি কি অন্যত্র বিবাহ করতে পারবে? তালাকের প্রয়োজন আছে কি? ইদ্দত পালন করতে হবে কি?
মূল শরয়ী বিশ্লেষণ
বিবাহের أركان (মৌলিক উপাদান) ও শর্তাবলি
হানাফি মাযহাব অনুযায়ী বিবাহ সংঘটিত হওয়ার জন্য নিম্নলিখিত উপাদান অপরিহার্য:
১. ইজাব ও কবুল (প্রস্তাব ও গ্রহণ) — অর্থাৎ বিবাহের প্রস্তাব দেওয়া এবং তা গ্রহণ করা। এটি মৌখিকভাবে হতে হবে অথবা এমন ইশারা/লিখন দ্বারা হতে হবে যা স্পষ্টভাবে বিবাহের ইচ্ছা প্রকাশ করে।
২. সাক্ষী — দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক, বুদ্ধিমান মুসলিম পুরুষ অথবা একজন পুরুষ ও দুইজন মহিলা সাক্ষী উপস্থিত থাকতে হবে।
৩. মহর — নির্ধারিত হওয়া।
৪. ইজাব-কবুল একই মজলিসে হওয়া — অর্থাৎ প্রস্তাব ও গ্রহণ একই বৈঠকে হতে হবে।
৫. মুসলিম পক্ষদের ক্ষেত্রে দ্বীনি সামঞ্জস্য (কুফু) — তবে এটি বিবাহের শুদ্ধতার শর্ত নয়, বরং বৈধতার সামাজিক দিক।
মূল প্রশ্ন: হোটেলের ডকুমেন্ট পূরণ কি বিবাহ হিসেবে গণ্য হবে?
উত্তর: না, এতে শরিয়তসম্মত বিবাহ সংঘটিত হয়নি।
এর কারণ নিম্নরূপ:
১. ইজাব-কবুলের স্পষ্ট উপস্থিতি নেই।
বিবাহের মূল ভিত্তি হলো ইজাব (প্রস্তাব) ও কবুল (গ্রহণ)। হানাফি ফিকহের মূল গ্রন্থ আল-হিদায়া-তে বলা হয়েছে:
"النكاح ينعقد بالإيجاب والقبول"
— (আল-হিদায়া, কিতাবুন নিকাহ)
অর্থাৎ বিবাহ ইজাব ও কবুল দ্বারা সংঘটিত হয়।
রাদ্দুল মুহতার-এ ইবনে আবিদীন (রহ.) বলেন:
"وشرط الإيجاب والقبول أن يكونا بلفظ يدل على النكاح"
— (রাদ্দুল মুহতার, কিতাবুন নিকাহ, ৩/৯)
অর্থাৎ ইজাব-কবুল এমন শব্দে হতে হবে যা বিবাহের উপর দলাল করে।
এখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মৌখিকভাবে কেউ "স্বামী হিসেবে কবুল করলাম" বা "স্ত্রী হিসেবে কবুল করলাম" বলেনি। শুধুমাত্র হোটেলের ডকুমেন্টে নিজেকে "স্বামী" হিসেবে লিখেছে এবং সই করেছে। এটি বিবাহের ইজাব-কবুল হিসেবে গণ্য হবে না, কারণ:
- ডকুমেন্ট পূরণ করা মূলত হোটেলের প্রশাসনিক প্রয়োজন পূরণের জন্য ছিল, বিবাহের নিয়তে ছিল না।
- "এনগেজমেন্ট" শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিবাহ নয়।
- ডকুমেন্টে "স্বামী" লেখা মানে এই নয় যে সে শরিয়তসম্মতভাবে বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছে এবং মেয়েটি তা গ্রহণ করেছে।
২. সাক্ষীদের সামনে ইজাব-কবুল হয়নি।
হাদিসে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"لا نكاح إلا بولي وشاهدي عدل"
— (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১১০১; সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২০৮৫)
অর্থাৎ ওলি ও দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী ছাড়া বিবাহ নেই।
এখানে সাক্ষীরা উপস্থিত ছিল বটে, কিন্তু তারা বিবাহের ইজাব-কবুলের সাক্ষী হয়নি। তারা শুধু হোটেলের ডকুমেন্ট পূরণের সাক্ষী হয়েছে। ইজাব-কবুল মৌখিকভাবে না হওয়ায় সাক্ষীরা বিবাহের সাক্ষ্য দিতে পারবে না।
৩. ওলি (অভিভাবক) এর উপস্থিতি ছিল না।
হানাফি মাযহাব অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্কা বালেগা মেয়ে নিজে বিবাহের চুক্তি করতে পারে, তবে ওলির সম্মতি ছাড়া বিবাহ হলে তা ফাসিদ (ত্রুটিপূর্ণ) নয়, বরং নাফিজ (কার্যকর) হয় যদি মেয়ে প্রাপ্তবয়স্কা হয় এবং কুফু মিল থাকে। তবে এখানে মূল সমস্যা হলো ইজাব-কবুলই হয়নি।
৪. "এনগেজমেন্ট" শব্দটি বিবাহ নয়।
এনগেজমেন্ট বা বাগদান হলো বিবাহের প্রতিশ্রুতি, বিবাহ নয়। ইসলামে বাগদান করা জায়েজ, কিন্তু বাগদান দ্বারা স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয় না। বাগদানের পরও তারা পরস্পরের জন্য গায়রে মাহরাম থাকে।
৫. সহবাস করা বিবাহ সংঘটিত করে না।
শুধুমাত্র সহবাস করলে বিবাহ হয় না। হানাফি ফিকহে স্পষ্ট আছে যে, সহবাস বিবাহের কারণ নয়। যদি কেউ বিবাহ ছাড়া সহবাস করে, তবে তা যিনা। আর যিনার পর যদি তারা বিবাহ করতে চায়, তবে নতুন করে ইজাব-কবুল ও সাক্ষীসহ বিবাহ করতে হবে।
ফাতাওয়া উসমানি-তে বলা হয়েছে:
"نكاح بغير إيجاب وقبول صحيح نہیں ہوتا، صرف لکھنے یا دستخط کرنے سے نکاح منعقد نہیں ہوتا"
— (ফাতাওয়া উসমানি, কিতাবুন নিকাহ)
প্রশ্নোত্তর
১. হোটেল রিসিপশনে দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের সামনে ডকুমেন্ট পূরণ ও সই করার মাধ্যমে কি তাদের বিবাহ শরিয়ত মতে হয়ে গিয়েছিল?
উত্তর: না। শরিয়তসম্মত বিবাহ সংঘটিত হয়নি। কারণ:
- মৌখিক ইজাব-কবুল হয়নি।
- "এনগেজমেন্ট" শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিবাহ নয়।
- ডকুমেন্ট পূরণ ছিল হোটেলের প্রশাসনিক কাজ, বিবাহের নিয়ত ও পদ্ধতি নয়।
- সাক্ষীরা বিবাহের ইজাব-কবুলের সাক্ষী হয়নি।
সুতরাং, তারা শরিয়তসম্মতভাবে স্বামী-স্ত্রী হয়নি। তাদের মধ্যে যে সম্পর্ক ছিল, তা ছিল অবৈধ (যিনা)। উভয়কে তাওবা করতে হবে।
২. এরপর তাদের বনিবনা না হওয়ার কারণে মেয়েটি কি অন্য কোনো ছেলেকে বিবাহ করতে পারবে? এখানে তার কোনো শরয়ী বাধা আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, মেয়েটি অন্য কোনো ছেলেকে বিবাহ করতে পারবে। কোনো শরয়ী বাধা নেই। কারণ:
- শরিয়তসম্মত বিবাহই হয়নি, তাই সে ওই ছেলের স্ত্রী নয়।
- তালাকের প্রশ্নই আসে না, কারণ বিবাহই হয়নি।
- ইদ্দত পালনের প্রশ্নও আসে না, কারণ বিবাহ না হলে ইদ্দত হয় না।
তবে হ্যাঁ, যিনার কারণে তাওবা করা অপরিহার্য। আল্লাহ তাআলা বলেন:
"وَالَّذِينَ لَا يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَٰهًا آخَرَ وَلَا يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا يَزْنُونَ ۚ وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ يَلْقَ أَثَامًا"
— (সূরা ফুরকান: ৬৮)
অর্থাৎ যারা আল্লাহর সাথে অন্য ইলাহকে ডাকে না, প্রাণ হত্যা করে না এবং যিনা করে না...।
৩. মেয়েটি যদি অন্য কোনো ছেলেকে বিবাহ করতে চায় তবে সেই বন্ধুর কাছ থেকে তালাক নেওয়া কি মেয়েটির বাধ্যতামূলক?
উত্তর: না, তালাক নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। কারণ শরিয়তসম্মত বিবাহই হয়নি। তালাক শুধুমাত্র বৈধ বিবাহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেহেতু বিবাহ হয়নি, তাই তালাকের কোনো প্রশ্ন নেই।
৪. বর্তমানে মেয়েটি অন্য কোনো ছেলেকে বিয়ে করে ঘরসংসার করলে সেই বিবাহ সহীহ হবে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, সেই বিবাহ সহীহ হবে, যদি নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ হয়:
- ইজাব-কবুল মৌখিকভাবে বা স্পষ্ট লিখন দ্বারা হয়।
- দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম সাক্ষী উপস্থিত থাকে।
- মহর নির্ধারিত হয়।
- ওলির সম্মতি নেওয়া হয় (হানাফি মাযহাবে প্রাপ্তবয়স্কা মেয়ের জন্য ওলির সম্মতি উত্তম, তবে ওলি ছাড়া বিবাহও শুদ্ধ হয় যদি কুফু মিল থাকে)।
তবে মেয়েটিকে অবশ্যই পূর্বের যিনার কাজ থেকে তাওবা করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
৫. মেয়েটিকে ইদ্দত পালন করতে হবে কি?
উত্তর: না, ইদ্দত পালন করতে হবে না। কারণ:
- ইদ্দত হলো বিবাহ বা সহবাসের পর তালাক বা মৃত্যুর কারণে পালনীয় বিধান।
- এখানে শরিয়তসম্মত বিবাহ হয়নি, তাই ইদ্দত নেই।
- তবে যদি সন্দেহ হয় যে সে গর্ভবতী, তাহলে সতর্কতামূলকভাবে ইদ্দত পালন করা উত্তম। কিন্তু শরিয়তসম্মতভাবে বাধ্যতামূলক নয়।
ফাতাওয়া আলমগিরি-তে বলা হয়েছে:
"العدة إنما تجب بعد النكاح الصحيح أو شبهة النكاح"
— (ফাতাওয়া আলমগিরি, কিতাবুত তালাক)
অর্থাৎ ইদ্দত ওয়াজিব হয় সহীহ বিবাহ বা শুভা-বিবাহের পর।
এখানে সহীহ বিবাহও হয়নি, শুভা-বিবাহও হয়নি (কারণ ইজাব-কবুলই হয়নি)। তাই ইদ্দত ওয়াজিব নয়।
বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ
১. উভয়কে তাওবা করতে হবে: যিনার কাজ মহাপাপ। আল্লাহ তাআলা বলেন:
"وَلَا تَقْرَبُوا الزِّنَىٰ ۖ إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَسَاءَ سَبِيلًا"
— (সূরা বনী ইসরাইল: ৩২)
অর্থাৎ যিনার কাছে যেও না, নিশ্চয়ই তা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।
২. ভবিষ্যতে সতর্কতা: মেয়েটি যদি অন্যত্র বিবাহ করে, তবে তাকে অবশ্যই তার অতীতের গুনাহ থেকে তাওবা করতে হবে এবং নতুন বিবাহে সততা ও বিশ্বস্ততা বজায় রাখতে হবে।
৩. সন্তান সংক্রান্ত বিষয়: যদি যিনার ফলে কোনো সন্তান জন্মগ্রহণ করে, তবে সন্তানের নাসাব (বংশপরিচয়) মায়ের সাথে হবে, ছেলের সাথে নয়। হানাফি মাযহাবে যিনার সন্তান যিনাকারীর সাথে নাসাবের সম্পর্ক স্থাপন করে না।
সারসংক্ষেপ
| প্রশ্ন | উত্তর | |--------|--------| | ১. বিবাহ হয়েছে কি? | না, হয়নি | | ২. অন্যত্র বিবাহ করতে পারবে? | হ্যাঁ, পারবে | | ৩. তালাক নেওয়া বাধ্যতামূলক? | না | | ৪. নতুন বিবাহ সহীহ হবে? | হ্যাঁ, শর্তসাপেক্ষে | | ৫. ইদ্দত পালন করতে হবে? | না |
দুআ
আল্লাহ তাআলা উভয়কে হেদায়েত দান করুন, তাদের অতীতের গুনাহ মাফ করুন এবং ভবিষ্যতে সঠিক পথে চলার তাওফিক দান করুন। মেয়েটির নতুন বিবাহ যদি সহীহ শর্তে হয়, তবে আল্লাহ তা বরকতময় করুন। আমিন।
রেফারেন্স
- আল-হিদায়া, কিতাবুন নিকাহ
- রাদ্দুল মুহতার (ইবনে আবিদীন), কিতাবুন নিকাহ, ৩/৯
- ফাতাওয়া আলমগিরি, কিতাবুন নিকাহ
- ফাতাওয়া উসমানি, কিতাবুন নিকাহ
- ইমদাদুল ফাতাওয়া, কিতাবুন নিকাহ
- সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১১০১
- সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২০৮৫
- সূরা ফুরকান: ৬৮
- সূরা বনী ইসরাইল: ৩২