গবেষণাপত্রের Authorship ও First Authorship সংক্রান্ত শরয়ী মাসআলা

Business and Job · Ahle Hadith / Salafi

Question No: 5184
Questioner: Mst Akter
Question Asked: 09 Sep 2026, 01:21 PM
Reviewed & Published: 09 Sep 2026, 01:52 PM
Views: 44
Tokens: 11,290
This answer is according to the 'Ahle Hadith / Salafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ও পিএইচডি অ্যাডভাইজার। আমার ল্যাবের দুজন শিক্ষার্থীর (PhD Students) অর্থায়ন বা ফান্ডিংয়ের শর্ত ছিল যে তারা আমার অধীনে গবেষণা করবে এবং পেপার পাবলিশ করবে। এটি একটি শর্তযুক্ত চুক্তি ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তারা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে, আমার ফান্ডের অর্থ অপচয়/আত্মসাৎ করে এবং ল্যাবের কাজ অসমাপ্ত রেখে চলে যায়। পরবর্তীতে তারা ইমেইলের মাধ্যমে লিখিতভাবে জানায় যে তারা এই পেপারগুলোর সাথে আর কোনোভাবে যুক্ত থাকতে চায় না এবং পাবলিশও করবে না।

আমি তাদের জানাই যে, তারা যদি পেপার পাবলিশ করার চূড়ান্ত দায়িত্ব এবং রিভিশনের খাটুনি না নেয়, তবে তারা পেপারের প্রথম লেখক (First Author) থাকতে পারবে না। এর জবাবে তারা স্বেচ্ছায় এবং সজ্ঞানে লিখিত সম্মতি দেয় (ইমেইলে "Ok" বলে) যে তারা আর কোনো অথরশিপ বা কো-অথরশিপ দাবি করবে না।

বর্তমানে এই ৪টি পেপারের পরিস্থিতি ভিন্ন ভিন্ন, যার ওপর ভিত্তি করে আমি শরীয়তের হুকুম জানতে চাই:

১. প্রথম পেপার (Paper 1):
এই পেপারের প্রাথমিক এক্সপেরিমেন্ট ও রাইটিং সেই শিক্ষার্থীরা করেছিল। কিন্তু তারা সম্পূর্ণ লিখিতভাবে তাদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে ("ওকে" বলেছে)। বর্তমানে পেপারটি আমি সাবমিট করেছি এবং আমি নিজে এর 'First Author'। জার্নাল থেকে সামনে যে বিশাল ও কঠিন রিভিশনের কাজ (Major Revision Hassle) এবং রিভিউয়ারদের উত্তর দেওয়ার খাটুনি আসবে, তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব আমি নিজে একা সম্পন্ন করব।
* প্রশ্ন: এই পেপারে আমার 'First Author' হওয়া এবং একা রিভিশন সম্পন্ন করে এটি পাবলিশ করা ইসলামিক ফিকহ অনুযায়ী হালাল ও জায়েজ কিনা?

২. দ্বিতীয় পেপার (Paper 2):
এই পেপারের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা লিখিতভাবে নাম প্রত্যাহার করেনি। তাই আমি একাডেমিক ইনসাফ রক্ষার্থে তাদেরকে পেপারের সহ-লেখক (Co-author) হিসেবে রেখেছি। তবে পেপারটির মান উন্নয়ন (Improvement), সাবমিশন এবং সামনে আসা সমস্ত মেজর রিভিশনের বিশাল খাটুনির দায়িত্ব আমার এক সহকর্মী (Colleague) নিয়েছেন। তাই আমার সেই সহকর্মীকে 'First Author' করা হয়েছে।
* প্রশ্ন: এই পেপারের ক্ষেত্রে সহকর্মীকে 'First Author' করা এবং শিক্ষার্থীদের কো-অথর হিসেবে রেখে পাবলিশ করা শরীয়তসম্মত কিনা?

৩. তৃতীয় ও quarto পেপার (Paper 3 & 4):
এই দুটি পেপার বর্তমানে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এগুলোর ভবিষ্যৎ প্রসেসিং আমি প্রথম বা দ্বিতীয় পেপারের নিয়মানুযায়ী সম্পন্ন করতে চাচ্ছি।

শিক্ষার্থীরা ফান্ড নিয়ে চুক্তিভঙ্গ করা, প্রজেক্ট ফেলে যাওয়া এবং নিজেদের অধিকার স্বেচ্ছায় ত্যাগ করার পর (যার লিখিত প্রমাণ ইমেইলে আছে)—আমার নেওয়া উপরোক্ত সিদ্ধান্তগুলো ইসলামিক শরীয়াহ ও ফিকহ অনুযায়ী সঠিক ও হালাল কিনা, দয়া করে বিস্তারিত জানাবেন।

জাজাকুমুল্লাহু খাইরান।

Answer

গবেষণাপত্রের Authorship ও First Authorship সংক্রান্ত শরয়ী মাসআলা

ইসলামিক ফিকহ ও উসূল অনুযায়ী, এবং সালাফি/আহলে হাদীস মাযহাবের আলোকে।


ভূমিকা

আলহামদুলিল্লাহ। আপনার প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বাস্তবসম্মত। গবেষণা ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার, সততা এবং চুক্তি পালনের বিষয়টি ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তাআলা বলেন:

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَوْفُوا بِالْعُقُودِ "হে ঈমানদারগণ! তোমরা অঙ্গীকারসমূহ পূর্ণ কর।" (সূরা আল-মায়িদাহ: ১)

আমি আপনার প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর কুরআন-সুন্নাহ এবং সালাফি স্কলারদের মতামতের আলোকে প্রদান করছি।


মূলনীতি

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:

"আল-আসলু ফিল-মু'আমালাতিল-ইবাহাতু হাত্তা ইয়াদুল্লাদ-দালীলু আলাত-তাহরিম" "মূলনীতি হলো লেনদেনের ক্ষেত্রে বৈধতা, যতক্ষণ না হারাম হওয়ার দলিল আসে।" (মাজমু' ফাতাওয়া, ২৯/৩০৭)

তবে চুক্তি ও আমানতের ক্ষেত্রে সততা অপরিহার্য। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:

"الْمُسْلِمُونَ عَلَى شُرُوطِهِمْ" "মুসলিমগণ তাদের শর্তসমূহের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকে।" (সুনানে আবু দাউদ: ৩৫৯৪, সহীহ)


প্রশ্ন ১: প্রথম পেপারে আপনার First Author হওয়া

উত্তর: আপনার প্রথম পেপারে First Author হওয়া জায়েয এবং হালাল, ইনশাআল্লাহ। কারণ:

১. শিক্ষার্থীরা চুক্তি ভঙ্গ করেছে: তারা ফান্ড নিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করেছে, কাজ অসমাপ্ত রেখে চলে গেছে এবং লিখিতভাবে (ইমেইলে "Ok" বলে) তাদের নাম প্রত্যাহার করেছে। এটি তাদের পক্ষ থেকে authorship-এর অধিকার ত্যাগের স্পষ্ট প্রমাণ।

২. লিখিত সম্মতি: তারা স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে লিখিতভাবে সম্মতি দিয়েছে যে তারা আর কোনো অথরশিপ দাবি করবে না। ইসলামে একজন প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কের ব্যক্তি স্বেচ্ছায় নিজের অধিকার ত্যাগ করতে পারে।

৩. সম্পূর্ণ দায়িত্ব আপনার: বর্তমানে পেপারটি আপনি সাবমিট করেছেন এবং রিভিশনের সম্পূর্ণ দায়িত্ব আপনি একা নিচ্ছেন। যেহেতু আপনি চূড়ান্ত কাজটি করছেন এবং প্রকাশনার দায়িত্ব নিচ্ছেন, তাই First Author হওয়া আপনার ন্যায্য অধিকার।

শাইখ ইবনে উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:

"আল-মুসলিমু ইযা তানাযাযা 'আন হাক্কিহি বিইখতিয়ারিহি ফালা হারাজা 'আলাইহি" "যখন একজন মুসলিম স্বেচ্ছায় নিজের অধিকার ত্যাগ করে, তখন তার ওপর কোনো দোষ নেই।" (শারহুল মুমতি', ৯/৩৪৫)

তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: যদি শিক্ষার্থীরা প্রকৃতপক্ষে গবেষণার প্রাথমিক কাজ (এক্সপেরিমেন্ট ও রাইটিং) করে থাকে, তাহলে নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের অবদান স্বীকার করা ভালো হবে—যেমন Acknowledgments-এ তাদের নাম উল্লেখ করা, যদিও তারা Authorship ত্যাগ করেছে। এটি ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হবে না, বরং সততার পরিচায়ক হবে।


প্রশ্ন ২: দ্বিতীয় পেপারে সহকর্মীকে First Author করা

উত্তর: এই পেপারে আপনার সহকর্মীকে First Author করা এবং শিক্ষার্থীদের Co-author হিসেবে রাখা শরীয়তসম্মত, ইনশাআল্লাহ। কারণ:

১. একাডেমিক ন্যায়বিচার: শিক্ষার্থীরা লিখিতভাবে নাম প্রত্যাহার করেনি, তাই তাদের Co-author হিসেবে রাখা ন্যায়বিচার ও আমানতের খিলাফ নয়। বরং এটি তাদের অধিকার সংরক্ষণ।

২. সহকর্মীর অবদান: আপনার সহকর্মী পেপারের মান উন্নয়ন, সাবমিশন এবং রিভিশনের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছেন। যেহেতু তিনি চূড়ান্ত ও প্রধান কাজটি করছেন, তাই First Author হিসেবে তার নাম রাখা ন্যায্য।

৩. শরয়ী নীতি: ইসলামে প্রতিটি ব্যক্তি তার কাজের ভিত্তিতে মূল্যায়িত হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন:

وَلِكُلٍّ دَرَجَاتٌ مِّمَّا عَمِلُوا "প্রত্যেকের জন্য রয়েছে তাদের কাজ অনুযায়ী মর্যাদা।" (সূরা আল-আন'আম: ১৩২)

শাইখ সালিহ আল-ফাওযান (হাফিজাহুল্লাহ) বলেন:

"আল-ইনসাফু ফিল-মু'আমালাতি ওয়াজিবুন, ওয়া কুল্লu যী হাক্কিন yu'ta haqqahu" "লেনদেনে ন্যায়বিচার করা ওয়াজিব, এবং প্রত্যেক অধিকারীর অধিকার প্রদান করতে হবে।" (আল-মুলাখ্খাসুল ফিকহী, ২/৪৫০)

তবে এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয়: শিক্ষার্থীরা যদি প্রাথমিক গবেষণা ও রাইটিং করে থাকে, তাহলে তাদের Co-author হিসেবে রাখা সঠিক। কিন্তু যদি তারা কোনো অবদানই না রাখেতাহলে, তাদের নাম রাখা বৈজ্ঞানিক সততার পরিপন্থী হবে। যেহেতু আপনি বলেছেন তারা প্রাথমিক কাজ করেছিল, তাই তাদের Co-author রাখা যুক্তিসঙ্গত।


প্রশ্ন ৩: তৃতীয় ও চতুর্থ পেপার

উত্তর: তৃতীয় ও চতুর্থ পেপারের ক্ষেত্রে আপনি প্রথম বা দ্বিতীয় পেপারের নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন করতে পারেন। এটি জায়েয। তবে এখানে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে:

১. শিক্ষার্থীদের অবস্থা: তারা চুক্তি ভঙ্গ করেছে এবং কাজ অসমাপ্ত রেখে চলে গেছে। তাদের লিখিত সম্মতি আছে যে তারা আর অথরশিপ দাবি করবে না।

২. কাজের প্রকৃতি: পেপারগুলোতে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত অবদান কতটুকু ছিল তা বিবেচনা করতে হবে। যদি তারা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে থাকে এবং নাম প্রত্যাহার না করে থাকে, তাহলে তাদের Co-author রাখা ন্যায়বিচার। আর যদি তারা নাম প্রত্যাহার করে থাকে, তাহলে আপনি নিজে বা আপনার সহকর্মী First Author হতে পারেন।

৩. নিয়তের পবিত্রতা: আপনার নিয়ত যেন একাডেমিক সততা ও ন্যায়বিচার হয়, শুধু প্রতিশোধ বা ক্ষতি করার জন্য নয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:

"إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ" "নিশ্চয়ই সকল কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।" (সহীহ বুখারী: ১, সহীহ মুসলিম: ১৯০৭)


শিক্ষার্থীদের চুক্তিভঙ্গ ও আত্মসাতের বিধান

শিক্ষার্থীরা ফান্ড নিয়ে চুক্তিভঙ্গ করা এবং অর্থ আত্মসাৎ করা স্পষ্ট হারাম ও গুনাহের কাজ। আল্লাহ তাআলা বলেন:

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَخُونُوا اللَّهَ وَالرَّسُولَ وَتَخُونُوا أَمَانَاتِكُمْ وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ "হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ ও রাসূলের সাথে খিয়ানত করো না এবং জেনে-শুনে নিজেদের আমানতের খিয়ানত করো না।" (সূরা আল-আনফাল: ২৭)

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:

"মান খানা ফি আমানাতিন আও নাকাদা 'আহদান ফাহুwa 'Asin wa mustahiqqun lil-'uqubat" "যে ব্যক্তি আমানতে খিয়ানত করে বা চুক্তি ভঙ্গ করে, সে পাপী এবং শাস্তির উপযুক্ত।" (মাজমু' ফাতাওয়া, ৩৫/৩৯)

তবে আপনার কর্তব্য হলো তাদের সাথে ন্যায়বিচার করা এবং ক্ষমা করার চেষ্টা করা, যদিও তারা আপনার প্রতি অন্যায় করেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন:

وَالْكَاظِمِينَ الْغَيْظَ وَالْعَافِينَ عَنِ النَّاسِ ۗ وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ "যারা ক্রোধ সংবরণ করে এবং মানুষের প্রতি ক্ষমা করে—আল্লাহ মুহসিনদের ভালোবাসেন।" (সূরা আলে ইমরান: ১৩৪)


Authorship-এর শরয়ী নীতিমালা

১. সততা: Authorship-এ সততা অপরিহার্য। যে ব্যক্তি গবেষণায় প্রকৃত অবদান রাখেনি, তার নাম লেখক হিসেবে দেওয়া জালিয়াতি ও প্রতারণা। শাইখ আল-আলবানী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:

"আল-kadhbu 'alal-mu'allafati wa nisbatu ma lam ya'malhu ila ghairihi min azlamil-kadhb" "লেখায় মিথ্যা বলা এবং নিজের কাজ অন্যের প্রতি সম্বন্ধ করা সবচেয়ে বড় মিথ্যার অন্তর্ভুক্ত।" (সিলসিলাতুল হুদা ওয়ান-নূর)

২. ন্যায়বিচার: প্রত্যেকের প্রকৃত অবদান অনুযায়ী স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। যিনি বেশি কাজ করেছেন, তার নাম আগে আসা উচিত।

৩. চুক্তি পালন: গবেষণা শুরুর সময় যে চুক্তি বা শর্ত ছিল, তা পালন করা উচিত, যদি তা শরীয়তসম্মত হয়।


চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

আপনার নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো সঠিক ও শরীয়তসম্মত, ইনশাআল্লাহ, নিম্নোক্ত শর্তে:

১. প্রথম পেপার: শিক্ষার্থীরা লিখিতভাবে নাম প্রত্যাহার করেছে এবং আপনি সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিচ্ছেন—এতে আপনার First Author হওয়া জায়েয

২. দ্বিতীয় পেপার: শিক্ষার্থীরা নাম প্রত্যাহার করেনি, তাই তাদের Co-author রাখা ন্যায়বিচার। সহকর্মী First Author হওয়া জায়েয কারণ তিনি মূল কাজটি করছেন।

৩. তৃতীয় ও চতুর্থ পেপার: প্রথম বা দ্বিতীয় পেপারের নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন করা জায়েয

তবে মনে রাখবেন:

  • নিয়ত যেন খালিস হয়—একাডেমিক সততা ও জ্ঞানের প্রসারের জন্য, প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য নয়।
  • যদি সম্ভব হয়, Acknowledgments-এ শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক অবদানের কথা উল্লেখ করুন, যদিও তারা Authorship ত্যাগ করেছে।
  • ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের সাথে চুক্তি করার সময় Authorship-এর শর্ত স্পষ্টভাবে লিখিতভাবে নির্ধারণ করুন।

উপসংহার

আল্লাহ তাআলা বলেন:

إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالْإِحْسَانِ "নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচার ও সদাচরণের নির্দেশ দেন।" (সূরা আন-নাহল: ৯০)

আপনার কর্তব্য হলো ন্যায়বিচার করা এবং নিজের অধিকার রক্ষা করা, সাথে সাথে আল্লাহর ভয় রাখা এবং ক্ষমার চেষ্টা করা। আপনার সিদ্ধান্তগুলো যদি ন্যায়বিচার ও সততার ওপর ভিত্তি করে হয়, তাহলে তা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, ইনশাআল্লাহ।

ওয়াল্লাহু আ'লাম বিস-সওয়াব।


উত্তর প্রদানে ব্যবহৃত সূত্রসমূহ:

  • কুরআনুল কারীম
  • সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম
  • সুনানে আবু দাউদ
  • মাজমু' ফাতাওয়া—শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
  • শারহুল মুমতি'—শাইখ ইবনে উসাইমীন
  • আল-মুলাখ্খাসুল ফিকহী—শাইখ সালিহ আল-ফাওযান
  • সিলসিলাতুল হুদা ওয়ান-নূর—শাইখ আল-আলবানী

This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.