ব্যাংকের আইটি বা সিকিউরিটি এক্সপার্ট হিসেবে চাকরি করা হারাম কি না?

Business and Job · Hanafi

Question No: 4769
Questioner: Nusrat Jahan
Question Asked: 01 Sep 2026, 08:36 PM
Reviewed & Published: 01 Sep 2026, 08:56 PM
Views: 9
Tokens: 3,387
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।

ব্যাংকার হিসেবে না, বরং ব্যাংকের আইটিতে বা সিকিউরিটি এক্সপার্ট হিসেবে চাকরি করা কি হারাম?

Answer

وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

উত্তর:

যদি ব্যাংকের এমন কোনো সেক্টরের কাজ হয়,যাতে সুদী কাজে জড়িত হতে হয় না।যেমনঃ ড্রাইভার, ঝাড়ুদার, দারোয়ান, জায়েজ কারবারে বিনিয়োগ ইত্যাদি সেক্টর হয়,তাহলে যেহেতু এসবে সরাসরি সুদের সহায়তা নেই তাই এমন সেক্টরে কাজ করার সুযোগ অবশ্যই রয়েছে।

ব্যাংকের অবস্থা এই যে, তার পূর্ণ সম্পদ কয়েকটি বিষয়ের সমষ্টি। যথা-

১-মূলধন। ২-সঞ্চয়কারীদের জমাকৃত টাকা। ৩-জায়েজ ব্যবসার আমদানী। ৪-সুদ এবং হারাম ব্যাবসার আমদানী।

এ চারটি বিষয়ের মাঝে কেবল ৪র্থ সুরতটি হারাম। বাকিগুলো যদি কোন হারাম কাজ না হয় তাহলে মূলত জায়েজ। , যেসব ব্যাংকে প্রথম ৩টি বিষয়ের লেনদেন অধিক। আর ৪র্থ বিষয়টি তথা হারাম লেনদেনের লভ্যাংশ কম সেসব ব্যাংকে সেসব ডিপার্টমেন্টে চাকরী করা যাতে হারাম কাজ করতে না হয় তাহলে তা জায়েজ হবে। এবং বেতন নেওয়াও জায়েজ হবে। তবে উত্তম হল এ চাকরীও ছেড়ে দেয়া। , কিন্তু যদি হারাম আমদানী বেশি হয় হালালের তুলনায়, বা হারাম কাজে জড়িত হতে হয় তাহলে উক্ত ব্যাংকে চাকরী করা জায়েজ নয়। এ থেকে বেতন নেওয়াও জায়েজ নয়। বেতন নিলে তা হারাম হিসেবে গণ্য হবে। {ফাতওয়ায়ে উসমানী-৩/৩৯৪-৩৯৬} , ★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন, উপরোক্ত ব্যাখ্যার আলোকে বলা যায়, যদি ব্যাংকের আইটিতে বা সিকিউরিটি এক্সপার্ট হিসেবে চাকরি করার মাধ্যমে সরাসরি সুদী-কারবারের সহযোগিতা হয়, তাহলে এই চাকরি হালাল হবে না।

আর যদি এই চাকরি সরাসরি সুদী-কারবারের সহযোগিতা না হয়, তাহলে এই চাকরি হালাল হবে।

ব্যাংক একটি প্রতিষ্ঠান, যার প্রধান কার্যক্রম হলো সুদভিত্তিক লেনদেন। কুরআন ও হাদিসে সুদ (রিবা) স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।

  • কুরআনে বলা হয়েছে: "আল্লাহ তা'আলা বাণিজ্যকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।" (সূরা আল-বাকারা: ২৭৫)
  • হাদিসে এসেছে: "যে ব্যক্তি সুদ খায়, যে ব্যক্তি সুদ খাওয়ায়, যে ব্যক্তি সুদের দলিল লিখে এবং যে ব্যক্তি সুদের সাক্ষী থাকে—এদের সকলের উপর আল্লাহর অভিশাপ।" (সহিহ মুসলিম: ১৫৯৮)

This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.