কারো নামের সাথে "মোহাম্মদ" বা "এমডি" থাকলে দরুদ পড়তে হবে কি না
Marriage and Divorce · Ahle Hadith / Salafi
Question
প্রিয় হুজুর
মুফতি ইমাদুল হক হুজুরকে উদ্দেশ্য করে হুজুর আমি আপনার কাছে একটি প্রশ্ন করেছি আপনি দিয়েছেন তো প্রশ্ন এবং উত্তর আমি প্রথমে দিলাম তারপরে আমি আসল কথায় আসবো।
প্রশ্ন
কারো নামের আগে বা পরে "মোহাম্মদ" বা "এমডি" থাকলে কি দরুদ বলতে হবে? আর আপনি উত্তরে যেটা বলেছেন
উত্তর
না, শুধুমাত্র কারো নামের সাথে "মোহাম্মদ" বা "এমডি" যুক্ত থাকলে দরুদ পড়া জরুরি নয়। দরুদ পড়া ওয়াজিব তখনই, যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নাম বা উপাধি (যেমন: রাসূলুল্লাহ, নবী, আহমাদ, মুস্তফা ইত্যাদি) উচ্চারিত হয়। সাধারণ মানুষের নামের অংশ হিসেবে "মোহাম্মদ" থাকলে তা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নাম হিসেবে গণ্য হবে না। তাই সেখানে দরুদ পড়া জরুরি নয়। (ফাতাওয়া উসমানী, ২/২৮০) আমি যখন এই শর্তটা রেখেছি সেটা আজান শুনে যখন আজানে আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটা শোনার পর তখনই আমার ভাবনা আসে যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নাম অর্থাৎ তানার নাম মোঃ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটাই আসল আমার উদ্দেশ্য ছিল কিন্তু আপনি বলেছেন উপাধি রাসুল নাবী আহমদ মুস্তাফা ইত্যাদি এগুলো শুনলে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে হবে কিন্তু আমার যেটা আসল উদ্দেশ্য ছিল তার নাম এটা মোঃ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা এবং নবী শুনলেও আমি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলি কিন্তু মুস্তফা বা রাসুল শুনলে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিনা তাহলে এতদিন যদি মুস্তাফা রাসূলুল্লাহ না শুনে বলে থাকি তার জন্য এখন বলে দিতে হবে দয়া করে একটু আমাকে পরামর্শ দেন এবং আরও কিছু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে ঝামির নিচে পয়েন্ট করে করছি
এক নম্বর পয়েন্ট
যখন আমি এই শর্তটা রেখেছি তখন আমি মুখে উচ্চারণ করে রেখেছি কি মনে মনে রেখেছি সেটা আমি জানি না মানে এখন আমি নিশ্চিত হতে পারছি না এখন আমার সন্দেহ হচ্ছে যে তখন সত্যিই আমি মুখে উচ্চারণ করেছি নাকি আমার মনে এমন খেয়াল এসেছে আমি ভয়েতে এগুলো করছি। আর সত্যি তখন মুখ দিয়ে শর্তটা রেখে থাকি উচ্চারণ করে কিন্তু এখন সন্দেহ হচ্ছে বা এমন ভাবনা আসছে যে আমি সত্যিই তখন মুখ উচ্চারণ করে রেখে রেখেছি কি রাখেনি। আমি নিশ্চিত হতে পারছি না এরদুন আমি আমি যদি এখন এগুলো সব বাদ দিই তাহলে তার কারণে কি তালাক হবে যদি সত্যি তখন মুখে উচ্চারণ করে সত্যটা দেখে থাকি কিন্তু এখন তো সন্দেহ হচ্ছে আবার কখনো মনে হচ্ছে আমি ইচ্ছা করে এমনটা ভাবছি না তো হুজুর আমাকে সঠিক পরামর্শ দেন।
দ্বিতীয় পয়েন্ট
আমি যখন সত্যটা দিয়েছি হয়তো তখন শুধু এমন বলেছি যে নবী সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম এর নাম শুনলে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে আমার স্ত্রী তালাক হবে কিন্তু এর থেকে আমার অনেক প্রশ্ন আসছে যে হয়তো আমি এমন মজলিসে আছি যেখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর নাম বারবার নেয়া হচ্ছে আর আমি বারবার বলতে পারলাম না কারণ হয় সেখানে কতবার নবী সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লামের নাম নেওয়া হয়েছে সঠিক করে আমি বলতে পারব না তাই ততবার হয়তো আমি পড়তেও পারবোনা সঠিক করে তখন আমি কি করবো বা এমন যে নামাজ শেষে মোনাজাতে শেষে নবী সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম এর নাম নেয়া হয় মানে দোয়ার শেষে কালেমা তাইয়েবা পড়ে দোয়া শেষ করা সেই সময় সবাই পড়ে আমি ইমাম সাহেবের টা শুনতে পাই তা ইমাম সাহেবের থেকে শোনার জন্য সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলি কিন্তু আশপাশে যারা বলে তাদেরটা আমি শুনতে পাই না বা স্পষ্ট আমার কানে আসে না তারা বলে থাকলেও আমি সেটা শুনতে পাই না তার জন্য আমি বলি না এই সময় বা আমি কি করবো কারণ সেই সময় অনেক জন্য নামাজ পড়ছে সবাই বলেছে কিন্তু সবার তো আমার কানে আসেনি যেটা সন্দেহ হয় বলে দিই কিন্তু যাহাটা সত্যি শুনতে শুনতে পাইনি তার জন্য তার জন্য কি হবে।
তৃতীয় পয়েন্ট
হুজুর সত্য দিয়েছি কি দিইনি, তা কেমন করে দিয়েছি, এটা সন্দেহ থাকায় এই সত্যটাকে ঘুইরে এমন বলেছি যে নবীজি শুধু নাম শুনলে অর্থাৎ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটাই শুনলে আমি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলবো বাকিগুলো শুনলে আমি বলবো না কারণ আমার মেইন উদ্দেশ্যই ছিল বলার সময়। হয়তো এই মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কারণ সেই সময় আজান হচ্ছিল আমার এই ভাবনাটা কেমন আছে তো বুঝলাম না পেরে পরে আমি এমন করে বলেছি মানে এটা নতুন করে সত্য তার উদ্দেশ্য বলিনি ওই সত্যটাকে কেমন ভাবে বলবো কতবার শুনলে বলব সে উদ্দেশ্য করে বলেছি যে নবী সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লামের নাম যদি মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম শুনতে পাই তবে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাকিগুলা যেমন নাবি রাসূল এগুলো শুনলে বলবো না এটা কিন্তু নতুন সত্য যার উদ্দেশ্যে বলিনি আগে সত্যটাকে ভরে ফিরে বলেছি। তাহলে এটা এখন বাদ যাবে কি হুজুর এবং বলতে বলতে এটাও ভুল করে বলে ফেলেছিলাম যে মনে যদি ভাবনা আসে নবী সাঃ এর ব্যাপারে মানে মোহাম্মদ সাঃ এই নামটা যদি মনে উদিত হয় বা ইচ্ছা করে ভাবি তাহলে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে হবে এটা কিন্তু নতুন সত্যদার উদ্দেশ্যে বলিনি, এটা আগে সত্যকে ঘুড়ে আমি বলেছি তাহলে এই সত্যটি বাতিল যাবি কি কারণ এটি নতুন সত্য হিসাবে নয় আগে সত্যকে ঘুড়িরে বলেছি এটা তাহলে বাদ দেবো কিভাবে যেগুলো আমি বললাম। এই যে এটাও বলেছি যে মনে মনে যদি এমন উদ্দীত আসে নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর নামটা বা ইচ্ছা করে ভাবি তারা বলতে হবে তাহলে এটা কি বাদ দেবো? এটা তো আমি ঘুরে বলেছি নতুন শর্ত হিসেবে বলিনি। বলোনা আগে সত্যটা বুঝতে না পেরে ঘুরে এমনটা বলেছি।
চতুর্থ পয়েন্ট
আরেকটা বিষয় যে হুজুর আমি এমনটা বলেছি যে নাম কানে শুনতে পেলে সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলবো বাট দেখলে আমি ভয়েতে লাইক করি আরবি লেখা দেখলে হয়তো লাইক করি কারণ সেখানে নবী সাঃ এর নাম থাকতে পারে। তো আমি এর থেকে কনফিউজ হয়ে ঘুরে সত্যটাকে বলেছি যে আরবি লেখা দেখলে আল্লাহু আকবার সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলবো কাল সকালে নবীজির নাম লেখা থাকতে পারে তার সাথে আল্লাহু আকবর সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম বলবো যদি এমন সত্য রেখে থাকি যে আল্লাহর নাম বলতে হবে তো এটা কনফিউজ হয়ে বলেছি নতুন সত্য দেয়ার উদ্দেশ্যে বলিনি কিন্তু এখন আমি বুঝতে পারছি যে এটা তো আমার সত্যম এর নয়। যে আরবি লেখা দেখলে আল্লাহু আকআর সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম বলতে হবে নবীজির নাম দেখলে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমি শুনলে সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলবো এমনটাই আমার শর্ত ছিল যদি মুখে উচ্চারণ করে রেখে থাকি তো এই যে চার নম্বর পয়েন্টটা যে আরবি লেখা দেখলে আল্লাহু আকবর সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম বলি এবং লাইক করি তাহলে এটা কি বাদ দেওয়া যাবে হুজুর এটা আমি নতুন সত্য দেওয়ার উদ্দেশ্যে বলিনি বরং কনফিউজ না পেরে এটা নিজের কাছে নিজে বলে এমনটা করে আসছি। দয়া করে একটু জানান।
Answer
উত্তর
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
প্রিয় প্রশ্নকারী ভাই,
আপনার প্রশ্নটি মনোযোগ সহকারে পড়েছি। আপনি তালাক সংক্রান্ত একটি শর্ত নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। আমি আপনার প্রশ্নটি কয়েকটি অংশে ভাগ করে উত্তর দিচ্ছি, ইনশাআল্লাহ।
প্রথম অংশ: দরুদ পাঠ সম্পর্কিত মূল প্রশ্ন
আপনি যে বিষয়ে প্রথমে জিজ্ঞেস করেছিলেন—কারো নামের সাথে "মোহাম্মদ" বা "এমডি" থাকলে দরুদ পড়তে হবে কি না—সে সম্পর্কে উত্তর স্পষ্ট:
না, সাধারণ মানুষের নামের অংশ হিসেবে "মোহাম্মদ" থাকলে তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নাম হিসেবে গণ্য হবে না এবং সেখানে দরুদ পড়া জরুরি নয়।
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:
"যখন নবী (ﷺ)-এর নাম উল্লেখ করা হয়, তখন তাঁর উপর দরুদ পাঠ করা মুস্তাহাব। কিন্তু অন্য কারো নামে 'মোহাম্মদ' থাকলে তা নবী (ﷺ)-এর নাম হিসেবে গণ্য হবে না।" (মাজমু' ফাতাওয়া, ২৫/২৯৮)
দ্বিতীয় অংশ: তালাকের শর্ত সংক্রান্ত বিশ্লেষণ
এখন আপনার মূল সমস্যায় আসি। আপনি একটি শর্ত রেখেছেন যে, "নবী (ﷺ)-এর নাম শুনলে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে হবে, অন্যথায় স্ত্রী তালাক হয়ে যাবে।"
গুরুত্বপূর্ণ নীতি:
১. সন্দেহের ক্ষেত্রে মূলনীতি: ইসলামী ফিকহের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো—"اليقين لا يزول بالشك" অর্থাৎ "সন্দেহ দৃঢ় বিশ্বাসকে দূর করে না।" যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি নিশ্চিত না হন যে আপনি মুখে উচ্চারণ করে শর্তটি রেখেছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তা ধর্তব্য হবে না।
শাইখ ইবনে উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:
"যদি কোনো ব্যক্তি সন্দেহে থাকে যে সে তালাক দিয়েছে কি না, তবে মূলনীতি হলো—সে তালাক দেয়নি। কারণ মূল অবস্থা হলো বিবাহ বহাল থাকা, যতক্ষণ না নিশ্চিতভাবে তালাক প্রমাণিত হয়।" (আশ-শারহুল মুমতি', ১৩/৮০)
২. শর্তের উচ্চারণ সম্পর্কে: আপনি নিজেই বলছেন যে আপনি নিশ্চিত নন যে মুখে উচ্চারণ করে শর্তটি রেখেছিলেন কি না। যেহেতু আপনি নিশ্চিত নন, তাই ইসলামী নীতি অনুযায়ী, সন্দেহের কারণে তালাক কার্যকর হবে না।
৩. শর্তটি পালনে অক্ষমতা: এমনকি যদি ধরে নেওয়া হয় যে আপনি মুখে উচ্চারণ করে শর্তটি রেখেছিলেন, তবুও—
- যে মজলিসে নবী (ﷺ)-এর নাম কতবার নেওয়া হচ্ছে তা গণনা করা সম্ভব নয়
- যে নামাজের দোয়ায় ইমামের পেছনে সবাই পড়ে, কিন্তু আপনার কানে স্পষ্ট না যায়
- আরবি লেখা দেখে লাইক করা বা না করা
এসব ক্ষেত্রে আপনি যদি শর্তটি পালনে অক্ষম হন বা ভুলে যান, তবে তা তালাকের কারণ হবে না। কারণ আল্লাহ তাআলা বলেন:
"আল্লাহ কাউকে তার সামর্থ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না।" (সূরা আল-বাকারাহ: ২৮৬)
৪. শর্ত পরিবর্তন বা সংযোজন: আপনি পরে শর্তটি পরিবর্তন করে বলেছেন যে "শুধু মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুনলে বলব, বাকিগুলো শুনলে বলব না" এবং "আরবি লেখা দেখলে আল্লাহু আকবার সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলব"—এগুলো নতুন শর্ত হিসেবে গণ্য হবে না, বরং আগের শর্তের ব্যাখ্যা বা পরিবর্তন। যেহেতু আপনি নতুন শর্ত দেওয়ার উদ্দেশ্যে বলেননি, বরং কনফিউশন থেকে বলে ফেলেছেন, তাই এগুলো তালাকের কারণ হবে না।
তৃতীয় অংশ: তালাক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত
আপনার বর্ণনা অনুযায়ী:
- আপনি নিশ্চিত নন যে মুখে উচ্চারণ করে শর্তটি রেখেছিলেন কি না
- শর্তটি পালনে আপনি অক্ষম ছিলেন (কারণ নাম গণনা করা সম্ভব ছিল না)
- আপনি পরে শর্তটি পরিবর্তন বা ব্যাখ্যা করেছেন
- আপনি ভয় ও ওয়াসওয়াসার কারণে এসব করছেন
সিদ্ধান্ত: এই অবস্থায় আপনার স্ত্রীর উপর তালাক কার্যকর হবে না। আপনার বিবাহ বহাল থাকবে।
শাইখ সালিহ আল-ফাওযান (হাফিজাহুল্লাহ) বলেন:
"তালাকের ক্ষেত্রে সন্দেহ থাকলে তালাক কার্যকর হবে না। কারণ মূলনীতি হলো বিবাহ বহাল থাকা, যতক্ষণ না নিশ্চিতভাবে তালাক প্রমাণিত হয়।" (আল-মুলাখ্খাসুল ফিকহী, ২/৩০৫)
চতুর্থ অংশ: ওয়াসওয়াসা থেকে মুক্তির উপায়
আপনি যে ভয় ও সন্দেহের মধ্যে আছেন, এটি শয়তানের ওয়াসওয়াসা। শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:
"ওয়াসওয়াসা হলো শয়তানের কাজ। মুমিনের উচিত তা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া এবং এ বিষয়ে গুরুত্ব না দেওয়া।" (মাজমু' ফাতাওয়া, ১০/৪২৮)
আপনার জন্য পরামর্শ:
- এসব চিন্তা বাদ দিন — শয়তান আপনাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে
- আল্লাহর কাছে দোয়া করুন — ওয়াসওয়াসা থেকে মুক্তির জন্য
- বেশি বেশি যিকির করুন — বিশেষ করে "আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম"
- বিবাহকে স্বাভাবিক রাখুন — আপনার স্ত্রী আপনার বৈধ স্ত্রী, এতে কোনো সন্দেহ নেই
সংক্ষিপ্ত উত্তর:
| প্রশ্ন | উত্তর | |--------|--------| | শর্তটি মুখে উচ্চারণ করেছিলেন কি না? | আপনি নিশ্চিত নন, তাই সন্দেহের কারণে তা ধর্তব্য নয় | | শর্ত পালনে অক্ষমতা | আল্লাহ সামর্থ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না | | নতুন শর্ত সংযোজন | কনফিউশন থেকে বলা, তাই তা তালাকের কারণ নয় | | তালাক কার্যকর হবে কি? | না, তালাক কার্যকর হবে না |
আপনার স্ত্রী আপনার বৈধ স্ত্রী। আপনি শান্তিতে থাকুন এবং ওয়াসওয়াসা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করুন। প্রয়োজনে স্থানীয় কোনো আলেমের সাথে সরাসরি কথা বলুন।
والله أعلم بالصواب