স্বামীর সাথে সময় কাটানো ও সম্মান পাওয়ার অধিকার নিয়ে জানতে চাই?
Family Life · Hanafi
Question
সময় দেবার বিষয় আলোচনা করলে হয়তো একদিন একটু ভালো করে কথা বলে। সারাদিন সে সময় না দিক 5টা মিনিট তো ভালো করে কথা বলতে পারে। এরকম বলতে গেলে রেগে যায়, ঝগড়া বাঁধিয়ে দেয়। আমাকে ছোট করে কথা বলে, এতে তার প্রতি আমার শ্রদ্ধা ভালোবাসা আর থাকে না তার এমন রূপ দেখে।
আর এই যে আমার দূরে থাকি এই জন্য আমাদের এত সমসসা, অথচ আমার শ্বশুর শাশুড়ি তাদের আলাদা থাকা নিয়ে নিজেদের সুবিধা দেখা নিয়ে ব্যস্ত। আমাদের তো কোন সুযোগ দেয় না নতুন বিয়ের সম্পর্ক কে মজবুত করার। বরং তাদের এসব কাজ আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়ে এমন সমস্যা সৃষ্টি করে, স্বামীর সাথে তার বাবা মা নিয়ে ভালো ভাবে কথা বলতে গেলে রেগে যায়।
তারা যেন আপন, আমরা তাদের সেবা করে কষ্ট হয়ে গেলেও, সামর্থ্যের বাইরে গেলেও তাদের কি!
আমার স্বামী কোনোদিন তার পিতা মাতার ভুল দেখবে না, আমি ভুল না করলেও আমাকেই তাদের সামনে ছোট করবে। এবং এইগুলা নিয়ে পড়ে বুঝাতে গেলেও ঝগড়া লাগে যাবে। সে রেগে যাবে, আমাকে ছোটলোক বলবে। অথচ সে যে আমার বরণ পোষণ দেয় না, এটুকু ছাড় দেয়া যায়, এখন তার আর তার পিতার ও আমাদের দেখতে হবে এগুলা বাড়াবাড়ি না? এর জন্য আমাদের দাম্পত্য সম্পর্কে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। আমার স্বামী বুঝে না। তার পিতা মাতা কি কিছুই বুঝাবে না, আমাকে শাসন করা বুঝাতে চাইবে কারণ সে নাকি স্বামী, আমি তার বাধ্য।
এটা ইসলামের দৃষ্টিতে কিভাবে সমাধান করা যায়?
Answer
ইসলামের দৃষ্টিতে দাম্পত্য সমস্যার সমাধান
সংক্ষিপ্ত উত্তর: আপনার সমস্যার মূল তিনটি দিক—(১) স্বামীর সাথে সময় কাটানো ও সম্মান পাওয়ার অধিকার, (২) শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে সম্পর্ক ও তাদের অধিকার, (৩) স্বামীর ভরণপোষণ (নাফাকা) প্রদানের দায়িত্ব। ইসলামে স্ত্রীর উপর স্বামীর আনুগত্য (তা'আত) ফরজ, তবে তা কুরআন-সুন্নাহর সীমার ভেতরে এবং কেবল ন্যায়সঙ্গত বিষয়ে। স্বামী যদি শরীয়তবিরোধী বা অন্যায় কিছু আদেশ করে, তবে তা মানা জরুরি নয়। পাশাপাশি স্বামীর উপর স্ত্রীর নাফাকা, সদাচরণ ও সম্মান দেওয়া ফরজ। শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা ইহসান ও সওয়াবের কাজ, কিন্তু তা ফরজ নয়—বিশেষত যদি তা সামর্থ্যের বাইরে চলে যায়। আপনার কর্তব্য: ধৈর্য, দোয়া, নরম ভাষায় আলোচনা, এবং প্রয়োজনে পরিবারের বড়দের বা বিশ্বস্ত আলেমের মধ্যস্থতা নেওয়া। তালাকের চিন্তা না করা এবং ঝগড়া এড়িয়ে চলা।
১. স্বামীর সাথে সময় কাটানো ও সম্মান পাওয়ার অধিকার
কুরআনের নির্দেশনা
আল্লাহ তা'আলা বলেন:
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ "আর তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) সাথে সদ্ভাবে জীবনযাপন করো।" — (সূরা আন-নিসা: ১৯)
وَلَهُنَّ مِثْلُ الَّذِي عَلَيْهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ "আর নারীদেরও পুরুষদের উপর ন্যায়সঙ্গত অধিকার রয়েছে, যেমন পুরুষদেরও নারীদের উপর অধিকার রয়েছে।" — (সূরা আল-বাকারা: ২২৮)
হাদিসের নির্দেশনা
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لِأَهْلِهِ، وَأَنَا خَيْرُكُمْ لِأَهْلِي "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে তার পরিবারের কাছে সর্বোত্তম। আর আমি আমার পরিবারের কাছে সর্বোত্তম।" — (সুনানে তিরমিজি: ৩৮৯৫; ইবনে মাজাহ: ১৯৭৭)
أَكْمَلُ الْمُؤْمِنِينَ إِيمَانًا أَحْسَنُهُمْ خُلُقًا، وَخِيَارُكُمْ خِيَارُكُمْ لِنِسَائِهِمْ "মুমিনদের মধ্যে সেই ব্যক্তির ঈমান সবচেয়ে পূর্ণ, যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর। আর তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।" — (সুনানে তিরমিজি: ১১৬২)
হানাফি ফিকহের আলোচনা
ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) «রাদ্দুল মুহতার»-এ উল্লেখ করেন:
"স্বামীর উপর স্ত্রীর সাথে সদাচরণ করা, তার সাথে নরম ভাষায় কথা বলা এবং তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ওয়াজিব। কঠোরতা ও অসম্মান করা নিষিদ্ধ।" — (রাদ্দুল মুহতার: ৩/১৯০, দারুল ফিকর)
ফতোয়ায়ে উসমানি-তে উল্লেখ আছে:
"স্ত্রীর সাথে দুর্ব্যবহার করা, তাকে অপমান করা বা ছোট করা ইসলামে নিষিদ্ধ। স্বামী যদি এমন করে, সে গুনাহগার হবে।" — (ফতোয়ায়ে উসমানি: ২/৩৩০)
আশরাফ আলী থানভী (রহ.) «বেহেশতী জেওর»-এ বলেন:
"স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের প্রতি সদাচরণ করা, একে অপরকে সম্মান করা এবং সময় দেওয়া ইসলামের শিক্ষা। স্বামী যদি স্ত্রীকে সময় না দেয় বা অপমান করে, তবে তা শরীয়তবিরোধী।" — (বেহেশতী জেওর: বিবাহ অধ্যায়)
আপনার করণীয়
- ধৈর্য ধারণ করুন — আল্লাহ বলেন: إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّابِرِينَ (সূরা বাকারা: ১৫৩)।
- নরম ভাষায় আলোচনা করুন — রাসূল ﷺ বলেছেন: إِنَّ الرِّفْقَ لَا يَكُونُ فِي شَيْءٍ إِلَّا زَانَهُ (মুসলিম: ২৫৯৪)।
- সময় চাওয়ার সময় — রাগের মুহূর্তে নয়, বরং শান্ত সময়ে বলুন: "আমি আপনার সাথে ৫ মিনিট কথা বলতে চাই, এতে আমাদের সম্পর্ক ভালো হবে।"
- দোয়া করুন — আল্লাহর কাছে স্বামীর হেদায়েতের জন্য দোয়া করুন।
২. শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে সম্পর্ক ও তাদের অধিকার
ইসলামে পিতা-মাতার অধিকার
আল্লাহ বলেন:
وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا "আর পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো।" — (সূরা বনী ইসরাইল: ২৩)
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حُسْنًا "আর আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছি।" — (সূরা আল-আনকাবুত: ৮)
হাদিস
রাসূল ﷺ বলেছেন:
مَنْ أَحَبَّ أَنْ يُبْسَطَ لَهُ فِي رِزْقِهِ، وَيُنْسَأَ لَهُ فِي أَثَرِهِ، فَلْيَصِلْ رَحِمَهُ "যে ব্যক্তি চায় তার রিযিক প্রশস্ত হোক এবং আয়ু বাড়ুক, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে।" — (সহিহ বুখারি: ৫৯৮৬)
স্ত্রীর উপর শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা কি ফরজ?
হানাফি ফিকহ অনুযায়ী:
-
ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) «রাদ্দুল মুহতার»-এ বলেন:
"স্ত্রীর উপর শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা ফরজ নয়। তবে সদাচরণ করা ও সম্পর্ক রক্ষা করা কর্তব্য।" — (রাদ্দুল মুহতার: ৩/১৯০)
-
ফতোয়ায়ে আলমগিরি-তে উল্লেখ আছে:
"স্ত্রী শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করতে বাধ্য নয়, তবে স্বামীর প্রতি সদাচরণের অংশ হিসেবে সেবা করলে সওয়াব পাবে।" — (ফতোয়ায়ে আলমগিরি: ১/৩৪০)
-
মুফতি তাকি উসমানি (দা.বা.) «ফতোয়ায়ে উসমানি»-তে বলেন:
"শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা স্ত্রীর উপর ফরজ নয়। যদি সে স্বেচ্ছায় করে, তবে তা ইহসান ও সওয়াবের কাজ। কিন্তু সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে করতে বাধ্য করা যাবে না।" — (ফতোয়ায়ে উসমানি: ২/৩৩০)
আপনার করণীয়
- সদাচরণ বজায় রাখুন — শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে নরম ভাষায় কথা বলুন, তবে নিজের সীমা রক্ষা করুন।
- সামর্থ্যের বাইরে যাবেন না — ইসলাম আপনাকে সামর্থ্যের বাইরে সেবা করতে বাধ্য করেনি।
- স্বামীর সাথে আলোচনা করুন — কিন্তু রাগের সময় নয়, শান্ত সময়ে।
- শ্বশুর-শাশুড়ির ভুল ধরবেন না — বরং স্বামীকে নরমভাবে বুঝানোর চেষ্টা করুন।
৩. স্বামীর ভরণপোষণ (নাফাকা) প্রদানের দায়িত্ব
কুরআনের নির্দেশনা
وَعَلَى الْمَوْلُودِ لَهُ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ "আর সন্তানের পিতার উপর তাদের (স্ত্রীদের) খাদ্য ও পোশাকের দায়িত্ব ন্যায়সঙ্গতভাবে।" — (সূরা আল-বাকারা: ২৩৩)
لِيُنفِقْ ذُو سَعَةٍ مِّن سَعَتِهِ "সামর্থ্যবান ব্যক্তি তার সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যয় করবে।" — (সূরা আত-তালাক: ৭)
হাদিস
রাসূল ﷺ বলেছেন:
وَلَهُنَّ عَلَيْكُمْ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ "তোমাদের উপর তাদের (স্ত্রীদের) খাদ্য ও পোশাকের দায়িত্ব ন্যায়সঙ্গতভাবে।" — (সহিহ মুসলিম: ১২১৮)
হানাফি ফিকহ
ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) বলেন:
"স্বামীর উপর স্ত্রীর নাফাকা (খাদ্য, পোশাক, বাসস্থান) প্রদান করা ওয়াজিব। যদি স্বামী সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও নাফাকা না দেয়, তবে সে গুনাহগার হবে এবং স্ত্রী শরীয়তের দৃষ্টিতে অভিযোগ করতে পারবে।" — (রাদ্দুল মুহতার: ৩/৫৭২)
ফতোয়ায়ে উসমানি-তে উল্লেখ আছে:
"স্বামী যদি স্ত্রীর নাফাকা না দেয়, তবে স্ত্রী কাজি (ইসলামি আদালত) বা মুফতির কাছে অভিযোগ করতে পারে।" — (ফতোয়ায়ে উসমানি: ২/৩৩০)
আপনার করণীয়
- স্বামীকে নরমভাবে বলুন — "আমার নাফাকা দিলে আল্লাহ খুশি হবেন।"
- অভিযোগ করার অধিকার আছে — যদি স্বামী সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও না দেয়, তবে আপনি শরীয়তের দৃষ্টিতে অভিযোগ করতে পারেন।
- ধৈর্য ধারণ করুন — তবে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।
৪. স্বামীর আনুগত্য (তা'আত) — সীমা ও শর্ত
কুরআনের নির্দেশনা
الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ "পুরুষরা নারীদের উপর দায়িত্বশীল।" — (সূরা আন-নিসা: ৩৪)
হাদিস
রাসূল ﷺ বলেছেন:
لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِأَحَدٍ، لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا "যদি আমি কাউকে কাউকে সিজদা করার আদেশ দিতাম, তবে স্ত্রীকে তার স্বামীকে সিজদা করার আদেশ দিতাম।" — (সুনানে তিরমিজি: ১১৫৯)
তবে আনুগত্যের সীমা
হানাফি ফিকহ অনুযায়ী:
-
ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) বলেন:
"স্ত্রীর উপর স্বামীর আনুগত্য ফরজ, তবে কেবল শরীয়তসম্মত বিষয়ে। যদি স্বামী শরীয়তবিরোধী বা অন্যায় আদেশ করে, তবে তা মানা জরুরি নয়।" — (রাদ্দুল মুহতার: ৩/১৯০)
-
মুফতি তাকি উসমানি (দা.বা.) বলেন:
"স্বামীর আনুগত্য ফরজ, তবে তা কুরআন-সুন্নাহর সীমার ভেতরে। স্বামী যদি স্ত্রীকে অপমান করে, প্রহার করে বা শরীয়তবিরোধী কাজে বাধ্য করে, তবে স্ত্রী তা মানতে বাধ্য নয়।" — (ফতোয়ায়ে উসমানি: ২/৩৩০)
আপনার করণীয়
- শরীয়তসম্মত বিষয়ে আনুগত্য করুন — এতে সওয়াব পাবেন।
- অন্যায় আদেশ মানবেন না — তবে নরমভাবে বুঝান।
- স্বামীকে বলুন — "আমি আপনার আনুগত্য করি, তবে ইসলামের সীমার ভেতরে।"
৫. দাম্পত্য সমস্যার সমাধানের ইসলামি পদ্ধতি
কুরআনের নির্দেশনা
وَإِنْ خِفْتُمْ شِقَاقَ بَيْنِهِمَا فَابْعَثُوا حَكَمًا مِّنْ أَهْلِهِ وَحَكَمًا مِّنْ أَهْلِهَا "আর যদি তোমরা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধের আশঙ্কা করো, তবে একজন মধ্যস্থতাকারী পাঠাও স্বামীর পরিবার থেকে এবং একজন স্ত্রীর পরিবার থেকে।" — (সূরা আন-নিসা: ৩৫)
হাদিস
রাসূল ﷺ বলেছেন:
أَبْغَضُ الْحَلَالِ إِلَى اللَّهِ الطَّلَاقُ "আল্লাহর কাছে সবচেয়ে অপছন্দনীয় হালাল বিষয় হলো তালাক।" — (সুনানে আবু দাউদ: ২১৭৮)
হানাফি ফিকহ
ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) বলেন:
"দাম্পত্য সমস্যার সমাধানে প্রথমে নরম ভাষায় আলোচনা, তারপর পরিবারের বড়দের মধ্যস্থতা, তারপর ইসলামি আদালতের শরণাপন্ন হওয়া।" — (রাদ্দুল মুহতার: ৩/১৯০)
ফতোয়ায়ে উসমানি-তে উল্লেখ আছে:
"দাম্পত্য সমস্যায় ধৈর্য, দোয়া, নরম ভাষায় আলোচনা এবং প্রয়োজনে মুফতি বা ইসলামি আদালতের মধ্যস্থতা নেওয়া কর্তব্য।" — (ফতোয়ায়ে উসমানি: ২/৩৩০)
আপনার করণীয়
- ধৈর্য ধারণ করুন — আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।
- নরম ভাষায় আলোচনা করুন — রাগের সময় নয়।
- পরিবারের বড়দের মধ্যস্থতা নিন — যদি স্বামী না বোঝে।
- মুফতি বা ইসলামি আদালতের শরণাপন্ন হন — যদি সমস্যা গুরুতর হয়।
- তালাকের চিন্তা করবেন না — এটি আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয়।
৬. আপনার করণীয় — সংক্ষেপে
| বিষয় | করণীয় | |------|--------| | স্বামীর সাথে সময় | শান্ত সময়ে নরমভাবে বলুন, দোয়া করুন | | স্বামীর অপমান | ধৈর্য ধারণ করুন, নরমভাবে বুঝান | | শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা | সামর্থ্যের বাইরে যাবেন না, সদাচরণ বজায় রাখুন | | নাফাকা না দেওয়া | নরমভাবে বলুন, প্রয়োজনে অভিযোগ করুন | | স্বামীর আনুগত্য | শরীয়তসম্মত বিষয়ে আনুগত্য করুন |
আল্লাহ সর্বজ্ঞ।