আমি দিন ধরে ইস্তিখারা করেছি প্রথম দিন সকালে অনেক ভালো লাগছিল তারপর দিন সকাল মানে
Marriage and Divorce · Ahle Hadith / Salafi
Question
Answer
উত্তর:
প্রশ্নকারিণী বোনের জন্য দু‘আ করি— আল্লাহ তা‘আলা তাকে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের তাওফীক দিন এবং তার জন্য যা কল্যাণকর তা সহজ করে দিন। আমীন।
১. ইস্তিখারার সঠিক ধারণা
ইস্তিখারা অর্থ আল্লাহর নিকট কল্যাণ প্রার্থনা করা। রাসূলুল্লাহ ﷺ সাহাবীগণকে সকল কাজে ইস্তিখারা শিখিয়েছেন, যেমন কুরআনের সূরা শিখাতেন। জাবির ইবনে ‘আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
إِذَا هَمَّ أَحَدُكُمْ بِالْأَمْرِ فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ مِنْ غَيْرِ الْفَرِيضَةِ ثُمَّ لِيَقُلِ: اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ، وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ، وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيمِ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلاَ أَقْدِرُ، وَتَعْلَمُ وَلاَ أَعْلَمُ، وَأَنْتَ عَلاَّمُ الْغُيُوبِ، اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الْأَمْرَ خَيْرٌ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي فَاقْدُرْهُ لِي وَيَسِّرْهُ لِي ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ، وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الْأَمْرَ شَرٌّ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي فَاصْرِفْهُ عَنِّي وَاصْرِفْنِي عَنْهُ وَاقْدُرْ لِي الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ثُمَّ أَرْضِنِي
“তোমাদের কেউ কোনো কাজের ইচ্ছা করলে সে যেন দুই রাক‘আত নফল সালাত আদায় করে, তারপর বলে: ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার ইলমের মাধ্যমে কল্যাণ প্রার্থনা করছি এবং তোমার কুদরতের মাধ্যমে ক্ষমতা প্রার্থনা করছি। আর তোমার মহান অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। কেননা তুমি ক্ষমতাবান, আমি নই; তুমি জানো, আমি জানি না; তুমিই গায়েব সম্পর্কে সর্বজ্ঞ। হে আল্লাহ! তুমি যদি জানো যে, এই কাজটি আমার দীন, আমার জীবন-জীবিকা এবং আমার কাজের পরিণামের জন্য কল্যাণকর, তবে তুমি তা আমার জন্য নির্ধারণ করো, সহজ করে দাও এবং তাতে বরকত দাও। আর তুমি যদি জানো যে, এই কাজটি আমার দীন, জীবন-জীবিকা ও পরিণামের জন্য অকল্যাণকর, তবে তুমি তাকে আমার থেকে সরিয়ে দাও এবং আমাকে তার থেকে সরিয়ে দাও। আর কল্যাণ যেখানেই থাকুক তা আমার জন্য নির্ধারণ করো, অতঃপর আমাকে তাতে সন্তুষ্ট করো।’” (সহীহ বুখারী: ১১৬২, ৬৩৮২; আবু দাউদ: ১৫৩৩; তিরমিযী: ৪৮০; ইবনে মাজাহ: ১৩৮৩)
লক্ষণীয়: বোন যে দু‘আটি করেছেন— “যদি কল্যাণকর হয় তবে সহজ করুন, বরকত দিন; আর যদি অকল্যাণকর হয় তবে সেই ব্যক্তি যেন দেখতে না আসে, পথ থেকে সরে যায়” — এটি সম্পূর্ণ ইসলামসম্মত প্রার্থনা এবং নবী ﷺ-এর শেখানো দু‘আর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
وَعَسَىٰ أَن تَكْرَهُوا شَيْئًا وَهُوَ خَيْرٌ لَّكُمْ وَعَسَىٰ أَن تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَّكُمْ ۗ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
“তাদের হতে পারে তোমরা যা অপছন্দ করো তা-ই তোমাদের জন্য কল্যাণকর, আর যা পছন্দ করো তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আল্লাহ জানেন, আর তোমরা জানো না।” (সূরা আল-বাকারাহ: ২১৬)
২. ইস্তিখারার ফলাফল কীভাবে বুঝব?
ইস্তিখারার ফলাফল সম্পর্কে কুরআন-হাদীসে নির্দিষ্ট কোনো ‘লক্ষণ’ (যেমন স্বপ্ন, মনে ভালো লাগা বা না লাগা) বর্ণিত হয়নি। সাহাবায়ে কিরাম ও সালাফে সালেহীন থেকে যা প্রমাণিত তা হলো:
ক. কাজ সহজ হওয়া বা বাধা সৃষ্টি হওয়াই মূল লক্ষণ:
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ বলেন:
“যে ব্যক্তি ইস্তিখারা করে, সে কোনোদিন নিরাশ হয় না; আর যে পরামর্শ করে, সে অনুশোচনায় পতিত হয় না।” (মাজমু‘উল ফাতাওয়া: ১০/৫৩৯)
তিনি আরও বলেন: “ইস্তিখারার ফল হলো— আল্লাহ তা‘আলা বান্দার জন্য কল্যাণের দরজা খুলে দেন এবং অকল্যাণের পথ বন্ধ করে দেন।” (মাজমু‘উল ফাতাওয়া: ১১/১৮৪)
শাইখ আব্দুল ‘আযীয ইবনে বায রহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: ইস্তিখারার পর কীভাবে ভালো-মন্দ বুঝব? উত্তরে তিনি বলেন:
“যদি আল্লাহ তার জন্য বিষয়টি সহজ করে দেন এবং পথ পরিষ্কার করেন, তবে এটাই ইস্তিখারার ফল। আর যদি বিষয়টি তার পক্ষে জটিল ও বন্ধ হয়ে যায়, তবে তা প্রমাণ করে যে, তাতে তার কল্যাণ নেই।” (মাজমু‘ ফাতাওয়া ইবনে বায: ২৬/১৭৫)
খ. শুধু ‘মন ভালো/খারাপ লাগা’ কোনো মাপকাঠি নয়:
শাইখ মুহাম্মদ ইবনে সালেহ আল-উসাইমীন রহিমাহুল্লাহ বলেন:
“অনেকে মনে করে ইস্তিখারার ফলাফল হলো— মনে শান্তি পাওয়া বা স্বপ্ন দেখা। কিন্তু প্রকৃত বিষয় হলো, ইস্তিখারার পর মানুষ যখন কাজে এগিয়ে যায় এবং আল্লাহ তার কাজ সহজ করে দেন, তখন এটাই ইস্তিখারার ইতিবাচক ফল। যদি কাজে বাধা সৃষ্টি হয় এবং তা বন্ধ হয়ে যায়, তবে বুঝতে হবে এতে কল্যাণ নেই। তবে শুধু অনুভূতির উপর নির্ভর করা ঠিক নয়— কারণ অনুভূতিতে শয়তানের প্রভাব থাকতে পারে।” (ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ দারব: ১১/১৪৭; লিকাউল বাব আল-মাফতূহ: ২০/১০৩)
গ. ইস্তিখারার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি:
শাইখ সালেহ আল-ফাওযান হাফিযাহুল্লাহ বলেন:
“ইস্তিখারা করার পর সন্দেহের মধ্যে না থেকে যা ইচ্ছা ছিল তা করতে সংকল্প করতে হবে। কাজে বাধা না এলে তা করবে; বাধা এলে ছেড়ে দেবে। এটাই ইস্তিখারার উদ্দেশ্য।” (আল-মুনতাকা: ২/১৯০; ফাতাওয়া আল-ফাওযান)
৩. আপনার নির্দিষ্ট অবস্থার বিশ্লেষণ
বোন, আপনি যা বর্ণনা করেছেন— প্রথম দিন সকালে ভালো লাগা, আজকে ভালোও না লাগা খারাপও না লাগা, আজকের নির্ধারিত দিনে ছেলের না আসা, এবং আজ ইস্তিখারায় মন না সাওয়া — এই বিষয়ে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ:
ক. ‘ভালো লাগা বা না লাগা’ ইস্তিখারার ফলাফল নয়। আপনার প্রথম দিনের ভালো লাগা ছিল স্বাভাবিক মানসিক অবস্থা, যা প্রতিটি মানুষের জাগতিক অনুভূতি হতে পারে। শাইখ আল-আলবানী রহিমাহুল্লাহ বলেন:
“ইস্তিখারার সাথে ‘মন ভালো লাগা’ বা ‘স্বপ্ন’ দেখার কোনো সম্পর্ক নেই। বরং ইস্তিখারা মানে আল্লাহর কাছে দু‘আ করা— যদি বিষয়টি কল্যাণকর হয় তবে তিনি তা সহজ করুন, আর অকল্যাণকর হলে তা সরিয়ে দিন। সহজতা বা বাধাই ফল।” (সিফাতু সালাতিন নবী ﷺ টীকা; তামামুল মিন্নাহ: ২৬৯)
খ. ছেলের না আসা একটি ‘বাস্তব বাধা’— এটি ইস্তিখারার আলামত হতে পারে। আপনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করেছিলেন: “যদি মঙ্গল না হয়, তবে সে যেন দেখতে না আসে।” আল্লাহর কুদরতে সেই নির্ধারিত দিনে সে আসেনি। এটি আপনার দু‘আর সাথে মিলে যায়। তবে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবেন না— আগে জানার চেষ্টা করুন, সে কেন আসেনি? কোনো বৈধ ওজর (অসুস্থতা, জরুরি কাজ) থাকলে, তা ভিন্ন কথা। কারণ রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
وَمَنْ يَسْتَخِرْ لَمْ يَنْدَمْ
“যে ব্যক্তি ইস্তিখারা করে, সে অনুতপ্ত হয় না।” (তাবরানী, আল-মু‘জামুল আওসাত: ৩২১; সিলসিলা সহীহাহ: ১০৫৭)
গ. আজ ইস্তিখারায় মন না চাওয়া শয়তানের প্ররোচনা হতে পারে। শয়তান মানুষকে ‘ইবাদত থেকে বিরত রাখতে চায়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
إِنَّ الشَّيْطَانَ يَقْعُدُ لِابْنِ آدَمَ بِأَطْرُقِهِ
“নিশ্চয়ই শয়তান আদম সন্তানের পথে ওঁৎ পেতে থাকে...” (মুসনাদ আহমাদ: ২৮৬৪; সহীহুল জামি‘: ১৭০১)
তাই ইবাদতের নিয়মিততা বজায় রাখুন। ইস্তিখারা শুধু “ফলাফল পাওয়ার” জন্য নয়, বরং এটি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক ও তাওয়াক্কুলের একটি ইবাদত।
৪. এখন কী করবেন— ব্যবহারিক নির্দেশনা
১. ইস্তিখারা চালিয়ে যান: প্রতিদিন ফজরের পর বা যেকোনো সময় দুই রাক‘আত নফল পড়ে উক্ত দু‘আ পড়ুন। তবে শুধু মুখে পড়াই যথেষ্ট নয়— অন্তর থেকে আল্লাহর উপর ভরসা করুন। আল্লাহ বলেন:
وَمَن يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ
“যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।” (সূরা আত-তালাক: ৩)
২. ছেলেপক্ষের না আসার কারণ জানুন: কোনো বৈধ কারণ (অসুস্থতা, গাড়ি সমস্যা, জরুরি প্রবলেম) থাকলে সেটা ইস্তিখারার ফল নয়; বরং তারা আবার এলে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিন। যদি কোনো কারণ ছাড়াই এড়িয়ে যায়, তবে সেটিকে ইস্তিখারার ইতিবাচক ফল হিসেবে নিতে পারেন— আল্লাহ আপনার দু‘আ কবুল করেছেন।
৩. আত্মীয়-অভিভাবক ও বিজ্ঞজনের পরামর্শ নিন: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
الْمُسْتَشِيرُ مُعَانٌ
“যে পরামর্শ করে, তাকে (আল্লাহ) সাহায্য করেন।” (আবু দাউদ: ৫১২৮; হাসান— সিলসিলা সহীহাহ: ১৮৬৬)
অভিভাবক ও দ্বীনদার বয়োজ্যেষ্ঠদের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করুন। ইস্তিখারা হলো দু‘আ, আর পরামর্শ হলো বাস্তব জ্ঞান— দুটোই প্রয়োজন।
৪. অতিরিক্ত সংশয় ও উদ্বিগ্নতায় থাকবেন না: ইস্তিখারার পর অনেকে “আমি তো কিছু বুঝলাম না” বলে সংশয়ে ভোগে। শাইখ ইবনে উসাইমীন বলেন:
“পরামর্শ ও ইস্তিখারার পর যদি মনে কোনো রকম প্রবণতা কাজ করে, তবে সেটাই ইস্তিখারার ফলাফল। আর যদি কিছুই বুঝতে না পারেন, তবে আপনি মূল সিদ্ধান্তেই অটল থাকুন— কেননা ইস্তিখারার উদ্দেশ্য হলো সংশয় দূর করা, সিদ্ধান্তহীনতায় থাকা নয়।” (শারহুল মুমতে‘: ৪/১২১)
৫. সর্বোত্তম কাজ— দু‘আ ও পরামর্শের পর আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে সিদ্ধান্ত নেওয়া। নবী ﷺ-এর হাদীস:
مَا خَابَ مَنِ اسْتَخَارَ، وَلَا نَدِمَ مَنِ اسْتَشَارَ
“ইস্তিখারাকারী ব্যর্থ হয় না এবং পরামর্শকারী অনুতপ্ত হয় না।” (তাবরানী: ২২/১৮৩; সহীহ আল-জামি‘: ৫৭৩৭)
৬. বিয়ের জন্য নিয়মিত এই দু‘আ করুন:
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
“হে আমার রব! তুমি আমার প্রতি যে কল্যাণ নাযিল করো, আমি তার মুখাপেক্ষী।” (সূরা আল-কাসাস: ২৪)
এছাড়া কুরআনের দু‘আ:
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
“হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী-সন্তানদের মাধ্যমে আমাদের চোখ শীতল করুন এবং আমাদের মুত্তাকীদের ইমাম বানান।” (সূরা আল-ফুরকান: ৭৪)
৫. সংক্ষিপ্ত ফয়সালা
- ইস্তিখারার ফলাফল ‘মনে ভালো লাগা’ দিয়ে নয়, বরং বিষয়টি সহজ হওয়া বা বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার মাধ্যমে বুঝতে হয়।
- আপনার ক্ষেত্রে ঐ দিন ছেলেপক্ষের না আসা একটি বাস্তব ঘটনা— আল্লাহর কাছে আপনি দু‘আ করেছিলেন, যদি মঙ্গল না হয় তবে সে না আসুক। আল্লাহ সে দু‘আ কবুল করেছেন বলে মনে হতে পারে। তবে কারণ জানা জরুরি— ইচ্ছাকৃত এড়িয়ে যাওয়া না বৈধ ওজর।
- আজ ইস্তিখারা করতে মন না চাওয়া— শয়তানের পক্ষ থেকে হতে পারে কিংবা অন্তরের প্রবণতা। তবে এটি নিয়ে অস্থির না হয়ে, আরও কিছুদিন ইস্তিখারা ও পরামর্শ চালিয়ে যান। এরপর যা-ই সিদ্ধান্ত নিন, আল্লাহর উপর ভরসা রেখে নিন।
- আপনি যে দু‘আগুলো করেছেন— “কল্যাণ হলে সহজ করুন, অকল্যাণ হলে সরিয়ে দিন”— এটি হুবহু নবী ﷺ-এর শেখানো দু‘আর সাথে মিলে যায়। আল্লাহর দরবারে আপনার দু‘আ কবুলের উপযুক্ত ছিল। দু‘আ ও ইস্তিখারার পর যে অবস্থা তৈরি হয়েছে, তাকে সম্মান করুন।
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ বলেন:
“বান্দা যখন ইস্তিখারা, পরামর্শ এবং সংকল্পের পর আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে, তখন আল্লাহ তার কল্যাণকেই তার জন্য সহজ করে দেন।” (মাজমু‘উল ফাতাওয়া: ১০/৫৩৯)
আল্লাহ তা‘আলা আপনার জন্য যা কল্যাণকর তা নির্ধারণ করুন, এবং তাতে সন্তুষ্টি দান করুন। আমীন।