রাগের সময় স্ত্রীকে ‘উল্টো পাল্টা কথা’ বলার কারণে তালাক হবে কি?
Marriage and Divorce · Ahle Hadith / Salafi
Question No:
3021
Questioner:
saddam hossain
Question Asked:
23 Jul 2026, 10:37 AM
Reviewed & Published:
23 Jul 2026, 11:11 AM
Views:
14
Tokens:
4,958
This answer is according to the 'Ahle Hadith / Salafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by
.
Question
আসসালামুয়ালাইকুম হুজুর,
স্ত্রীর সঙ্গে প্রচণ্ড পরিমাণে তর্ক বিতর্ক হচ্ছিলো , স্ত্রী এত বাজে কথা বলছে মাথা গরম করে দিচ্ছিল। তাই আমি রেগে বলেছি ,
***(মনে কেনায়া বা তালাক সংক্রান্ত কথার ভাবনা ছিল)
***তুমি এই ভাবে আমাকে রাগিয়ে দিচ্ছ, মাথা গরম করে দিচ্ছ এর জন্যই আমার মুখ দিয়ে উল্টো পাল্টা বেরিয়ে জাই । ( এর আগে একবার তালাক সংক্রান্ত সমস্যা হয়েছিল । তাই বোঝানোর জন্য বলেছি )
***এইভাবে রাগলে মাথা গরম করে দিলে মুখ দিয়ে খারাপ বা উল্টো পাল্টা কথা বেরিয়ে যাবে।
হুজুর তালাক বা শর্ত তালাক হবে?? হুজুর একটু ভালো করে দেখে আমাকে নিশ্চিন্ত করুন ।
স্ত্রীর সঙ্গে প্রচণ্ড পরিমাণে তর্ক বিতর্ক হচ্ছিলো , স্ত্রী এত বাজে কথা বলছে মাথা গরম করে দিচ্ছিল। তাই আমি রেগে বলেছি ,
***(মনে কেনায়া বা তালাক সংক্রান্ত কথার ভাবনা ছিল)
***তুমি এই ভাবে আমাকে রাগিয়ে দিচ্ছ, মাথা গরম করে দিচ্ছ এর জন্যই আমার মুখ দিয়ে উল্টো পাল্টা বেরিয়ে জাই । ( এর আগে একবার তালাক সংক্রান্ত সমস্যা হয়েছিল । তাই বোঝানোর জন্য বলেছি )
***এইভাবে রাগলে মাথা গরম করে দিলে মুখ দিয়ে খারাপ বা উল্টো পাল্টা কথা বেরিয়ে যাবে।
হুজুর তালাক বা শর্ত তালাক হবে?? হুজুর একটু ভালো করে দেখে আমাকে নিশ্চিন্ত করুন ।
Answer
উত্তর:
وعلیکم السلام ورحمة الله وبرکاته
প্রশ্নে বর্ণিত পরিস্থিতি এবং আপনার বলা কথাগুলো বিশ্লেষণ করে আমরা নিম্নোক্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হচ্ছি:
১. আপনি যা বলেছেন তার ভাষ্যগত বিশ্লেষণ:
- আপনি বলেছেন: "তুমি এভাবে আমাকে রাগিয়ে দিচ্ছ, মাথা গরম করে দিচ্ছ, এর জন্যই আমার মুখ দিয়ে উল্টো পাল্টা বেরিয়ে যায়" এবং "এইভাবে রাগলে মাথা গরম করে দিলে মুখ দিয়ে খারাপ বা উল্টো পাল্টা কথা বেরিয়ে যাবে"।
- আপনার নিজের বক্তব্য অনুযায়ী, আপনি তালাকের স্পষ্ট শব্দ (সারীহ) যেমন "আমি তোমাকে তালাক দিলাম" বা "তুমি তালাক" বলেননি। বরং আপনি ভবিষ্যতে এমন কিছু ঘটতে পারে বলে সতর্ক করছেন।
সুতরাং এক্ষেত্রে তালাক পতিত হবেনা।
রেফারেন্স:
- ইবন তাইমিয়্যাহ, মাজমু’ ফাতাওয়া (৩২/২৩৯)
- ইবনুল কাইয়িম, ই’লামুল মুওয়াক্কি’ঈন (৩/৩০)
- শাইখ ইবন বায, ফাতাওয়া আল-মর্আহ (২/৭৪)
- শাইখ আলবানী, আস-সহীহাহ (হাদীস: ১১৮৯)