প্রেম ও বিবাহ তালাকের পর অনৈতিক সম্পর্ক, পিতামাতার জোর করে বিয়ে, টাকার লোভে ব্ল্যাকমেইল — ইসলামী সমাধান

Marriage and Divorce · Hanafi

Question No: 2999
Questioner: pppppp
Question Asked: 22 Jul 2026, 12:39 PM
Reviewed & Published: 22 Jul 2026, 12:51 PM
Views: 13
Tokens: 8,606
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম।
একটু বিস্তারিত উত্তর দেয়ার অনুরোধ।

একটা ছেলের সাথে সম্পর্ক ৬বছরের।অনৈতিক সম্পর্কে কন্টিনিউয়াসলি জড়িয়ে যায়।গুনাহর ভয়ে বিয়ে করে।কিন্তু পরে ছেলের ভুলের কারনে তালাকে রজয়ী হয়ে যায়।কিন্তু তারপরেও সম্পর্ক চালিয়ে যায় তারা।সম্পর্ক এরকম যে পরবর্তীতে যদি দুইজনের ভিন্ন জায়গায় বিয়েও হয় তাহলেও দুইজনের দ্বারা ফেতনা সংঘটিত হওয়ার আশংকা অনেক অনেক বেশি।মেয়েও ছেলের আশায় আশায় ছিল।

সমস্যা হচ্ছে ছেলের বাবা মা উচ্চাকাঙ্খী। তারা তাদের ছেলেকে উচ্চবিত্ত মেয়ের সাথে বিয়ে ঠিক করছে টাকার লোভে।এবং এখানেই বিয়ের জন্য জোর ও ব্ল্যাক মেইল করছে ছেলেকে।ছেলে যদিও আলেম

এখন প্রশ্ন হচ্ছে

১/ এই অবস্থায় ছেলের করনীয় কি??
২/মেয়ের কি করনীয়
৩/ যদি ছেলে অন্য কোথাও বিয়ে করে নেয়,তাহলে কি ছেলের কোন গুনাহ হবে?এক্টা হচ্ছে জেনার গুনাহ তো উভয়েরই হয়েছে এর বাদেও।
৪/ ছেলে যদি বাবা মায়ের বাইরে গিয়্র বিয়ে করে সাবেক স্ত্রীকে তাহলে ছেলের গুনাহ হবে?(যদিও ছেলের জন্য যে মেয়ে দেখছে সে মেয়ে ছেলের পছন্দ না)
৫/ ছেলের বাবা মায়ের কি গুনাহ হবে কোনো?

Answer

প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রশ্নকারী একটি দীর্ঘমেয়াদী অবৈধ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেছেন। অতঃপর গুনাহের ভয়ে বিবাহ করেন এবং পরে তালাকে রজ‘ঈ (প্রত্যাবর্তনযোগ্য) হয়ে যায়। কিন্তু তালাকের পরেও তারা সম্পর্ক বজায় রাখেন। এখন ছেলের পিতামাতা উচ্চাকাঙ্ক্ষী হয়ে ধনী মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে চান, ছেলেকে ব্ল্যাকমেইল ও জোর করছেন। ছেলেটি নিজে আলেম। মেয়েটি এখনও ছেলের আশায় আছে। প্রশ্নগুলো হলো:

  1. এই অবস্থায় ছেলের করণীয় কী?
  2. মেয়ের করণীয় কী?
  3. ছেলে যদি অন্য কোথাও বিয়ে করে, তাহলে তার কী গুনাহ হবে? (পূর্বের গুনাহ তো রয়েছেই)
  4. ছেলে যদি পিতামাতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে সাবেক স্ত্রীকে (প্রথম মেয়ে) ফিরিয়ে নেয়, তাহলে তার গুনাহ হবে? (পিতামাতার পছন্দের মেয়েটি ছেলের পছন্দ নয়)
  5. ছেলের পিতামাতার গুনাহ হবে কি?

উত্তর

وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

প্রথমেই বলে রাখা প্রয়োজন যে, অবৈধ সম্পর্ক (যিনা বা ব্যভিচার) কবীরা গুনাহ। এমন সম্পর্ক থেকে তওবা করা ফরয। পরে বিবাহ করলেও গুনাহ মাফ হয় না যতক্ষণ না সঠিক তওবা করা হয়। তাখাছ ছহীহ তওবা না হলে দুনিয়া ও আখিরাতে শাস্তি রয়েছে।

তালাকে রজ‘ঈ ও পরবর্তী সম্পর্ক:
তালাকে রজ‘ঈ হলে ইদ্দত (৩ হায়য বা ৩ মাস) পর্যন্ত স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক বহাল থাকে। ইদ্দতের মধ্যে স্বামী যদি স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয় (মৌখিকভাবে বা সহবাসের মাধ্যমে), তাহলে তালাক বাতিল হয়ে যায় এবং নিকাহ পুনরায় বহাল থাকে। কিন্তু প্রশ্নে বলা হয়েছে “তালাকের পরেও সম্পর্ক চালিয়ে যায়” – যদি তারা সহবাস করে থাকে, তাহলে উক্ত সহবাস রজ‘আত (প্রত্যাবর্তন) গণ্য হবে এবং তাদের নিকাহ বহাল থাকবে। কিন্তু যদি কেবল কথাবার্তা, আবেগ-অনুরাগ থাকে (সহবাস ব্যতীত), তাহলে রজ‘আত হয়নি এবং তারা পরকীয়া/যিনা করছে। এ অবস্থা অত্যন্ত মারাত্মক।

ছেলে আলেম হওয়ায় তার দায়িত্ব আরও বেশি। শরী‘আতের বিধান জেনে আমল করা ওয়াজিব। পিতামাতার কথা অমান্য করা জায়েয, যদি তারা জোর করে অবৈধ বা অপছন্দের বিয়ে দেয়। কেননা পিতামাতার আনুগত্য ওয়াজিব শুধু মাকরুহ নয় বা গুনাহের কাজে নয়।

নিম্নে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর হানাফী ফিক্বহের কিতাব ও মাশায়েখদের ফাতাওয়ার আলোকে প্রদান করা হলো।


১. ছেলের করণীয় কী?

১. তওবা করা: পূর্বের সমস্ত অবৈধ সম্পর্ক, তালাকের পরও সম্পর্ক বজায় রাখা (যদি বৈধ পুনর্বিবাহ না হয়) – এসব থেকে নসূহতাপূর্ণ তওবা করতে হবে। আর কখনো এ ধরনের পাপে ফিরে যাওয়া যাবে না।
২. নিকাহের অবস্থা পরিষ্কার করা: তালাকের পর সহবাস হলে রজ‘আত গণ্য হবে। তাই তখন নিকাহ বহাল আছে। এমতাবস্থায় স্ত্রীকে (প্রথম মেয়ে) বৈধভাবে রাখা ও তার হক আদায় করা আবশ্যক।
৩. পিতামাতার জোরের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো: যদি পিতামাতা তাকে এমন মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে বাধ্য করেন যা ছেলের পছন্দ নয় এবং যা ফিতনার কারণ হয়, তাহলে ছেলের জন্য তাদের কথা মানা জায়েয নয়। হাদীসে এসেছে: “পিতামাতার আনুগত্য শুধু ভালো কাজে, গুনাহের কাজে নয়।” (মুসলিম)
৪. সাবেক স্ত্রীর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত: নিকাহ বহাল থাকলে অন্য বিয়ে করা জায়েয, তবে প্রথম স্ত্রীর প্রতি ইনসাফ করতে হবে। আর নিকাহ ভেঙে গেলে (ইদ্দত শেষ) পুনরায় বিয়ে করতে চাইলে তা তার ইচ্ছাধীন। তবে পিতামাতার ইচ্ছা পূরণের জন্য প্রথম স্ত্রীকে বর্জন করা বা তালাক দেওয়া জুলুম ও গুনাহ হবে, যদি তার প্রতি যুলম হয়।
৫. বিয়ে সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত: ছেলে আলেম হওয়ার কারণে তার নিজস্ব মতামত প্রাধান্য পাবে। পিতামাতা যদি ব্ল্যাকমেইল ও জোর করে, তাহলে তাদের থেকে পৃথক হয়ে যাওয়াও জায়েয হতে পারে (যদি প্রয়োজন হয়)।

হানাফী রেফারেন্স:

  • আল-হিদায়া (كتاب الطلاق): তালাকে রজ‘ঈ ও রজ‘আতের বিধান।
  • রদ্দুল মুহতার (৫/২৭৮): “রজ‘ঈ তালাকের ইদ্দতের মধ্যে সহবাস করলে তা রজ‘আত গণ্য হবে এবং তালাক বাতিল হয়ে যাবে।”
  • ফাতাওয়া উসমানী (২/৪২০): “পিতামাতার জোর করে বিয়ে দেওয়া জায়েয নয়; পুরুষের নিজের পছন্দ করা অধিকার।”
  • ইমদাদুল ফাতাওয়া (২/৩০৫): “পিতামাতার আনুগত্য ওয়াজিব নয় যদি তা নাফরমানির কারণ হয়।”

২. মেয়ের করণীয় কী?

১. তওবা করা: পূর্বের সকল পাপ থেকে তওবা করা ফরয। বিশেষত তালাকের পরও (যদি নিকাহ বহাল না থাকে) সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়া ব্যভিচার। তাৎক্ষণিকভাবে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে।
২. ইদ্দত পালন করা: তালাকের পর ইদ্দত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্যত্র বিয়ে করা জায়েয নয়। ইদ্দতের মধ্যে স্বামী ফিরিয়ে নিলে মেনে নেওয়া উচিত। আর ফিরিয়ে না নিলে ইদ্দত শেষে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
৩. আশা-ভরসা করা থেকে বিরত থাকা: মেয়েটি এখনও ছেলের আশায় আছে। এটি সবচেয়ে বিপজ্জনক। শরী‘আত বলে, ব্যভিচার থেকে তওবা করে পবিত্র জীবন শুরু করা এবং সৎ মুসলিমের সাথে বিয়ে করা উচিত। যদি ছেলের সাথে নিকাহ বহাল থাকে তবে তার সাথে থাকা যেতে পারে, অন্যথায় সম্পর্ক পুরোপুরি কেটে দিতে হবে।
৪. পরামর্শ নেওয়া: নিজের অভিভাবকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা ভাল। অন্যথায় অভিজ্ঞ আলেমের সাহায্য নিতে হবে।

হানাফী রেফারেন্স:

  • ফাতাওয়া আলমগীরী (১/৪৭৭): “ইদ্দতের মধ্যে নারী অন্য কোথাও বিয়ে করতে পারে না। ইদ্দত শেষ হলে সে স্বাধীন।”
  • বাহিষ্টি জেওর (বিবাহ অধ্যায়): “তালাকের পর নারীর জন্য ইদ্দত পালন ওয়াজিব।”

৩. ছেলে যদি অন্য কোথাও বিয়ে করে নেয়, তাহলে তার গুনাহ হবে? (পূর্বের গুনাহ আলাদা)

জবাব:
ছেলের পূর্বের গুনাহ তো থাকছেই, যার জন্য তওবা ও কাফফারা প্রযোজ্য। তবে নতুন বিয়ে নিজেই গুনাহ নয়—শর্তহীনভাবে। যদি সে নিম্নলিখিত অবস্থায় অন্য বিয়ে করে, তাহলে গুনাহ হবে:

  • যদি প্রথম স্ত্রীর সাথে নিকাহ বহাল থাকে (অর্থাৎ রজ‘আত হয়েছে) এবং তাকে তালাক না দিয়ে, তার হক বিনষ্ট করে অন্য বিয়ে করে—তবে তা নাজায়েয নয়, তবে ইনসাফ শর্ত। কিন্তু যদি তালাক না দিয়ে স্ত্রীকে ফেলে রাখে ও তার ভরণপোষণ না দেয়, তাহলে গুনাহ হবে।
  • যদি প্রথম স্ত্রীকে জুলুম করে, যেমন: তার অনুমতি ছাড়া বিয়ে বা তার প্রতি অবিচার।
  • যদি পিতামাতার জোরের কারণে বিয়ে করে আর এতে ফেতনা ও পাপ বৃদ্ধি পায়, যেমন জোর করে মেয়ের সাথে বিয়ে করে তাকে জুলুম করা, তাহলে এই বিয়েও গুনাহ হবে।

মূল কথা: গুনাহ শুধু বিয়ে করার কারণে হবে না, বরং বিয়েতে অন্যায় ও পূর্বের সম্পর্কের অপরাধ ধারাবাহিক থাকলে গুনাহ হবে। তবে পিতামাতার আনুগত্যের অজুহাতে অবৈধ সম্পর্ক থেকে বিরত না হওয়া আরও বড় গুনাহ।

রেফারেন্স:

  • ইমদাদুল ফাতাওয়া (২/২৩০): “কোনো নারীকে জোর করে বিয়ে করা জায়েয নয়; যদি ছেলে পিতামাতার চাপে অন্যায় বিয়ে করে, তাহলে সে নিজেও গুনাহগার হবে।”

৪. ছেলে যদি বাবা-মায়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে সাবেক স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয় (অথবা তাকে বিয়ে করে), তাহলে তার গুনাহ হবে?

জবাব:
না, বরং এটি সওয়াবের কাজ হবে, যদি নিম্নোক্ত শর্তগুলি পূরণ করে:

  • প্রথম স্ত্রীর সাথে নিকাহ যদি এখনও বহাল থাকে (রজ‘আতের কারণে), তাহলে তাকে ফিরিয়ে রাখা তার দায়িত্ব। এটি পিতামাতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও গুনাহ নয়, কারণ পিতামাতার আনুগত্য শুধু বৈধ কাজে। এখানে স্ত্রীর হক আদায় করা ওয়াজিব।
  • যদি নিকাহ শেষ হয়ে যায় (ইদ্দত অতিক্রান্ত) এবং পুনরায় বিয়ে করতে চায়, তাহলে এটিও বৈধ। পিতামাতা যদি অপছন্দ করেন তবুও ছেলের জন্য তা জায়েয, তবে পিতামাতার সাথে উত্তম ব্যবহার বজায় রাখা উচিত।
  • পিতামাতার পছন্দের মেয়েটি ছেলের পছন্দ নয় বলে জোর করে বিয়ে করা জায়েয নয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে নারীর সাথে তার পছন্দ ছাড়া বিয়ে দেয়া হয়, তার বিয়ে বাতিল।” (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)

গুনাহের প্রশ্ন: ছেলের উপর পিতামাতার অবাধ্যতার গুনাহ হবে না, কারণ এখানে পিতামাতা অন্যায়ের উপর জোর দিচ্ছেন। তবে পিতামাতার সাথে দুর্ব্যবহার করা, তাদের ঘৃণা করা বা সম্পর্ক ছিন্ন করা জায়েয নয়। বরং ভদ্রভাবে বোঝাতে হবে এবং এড়িয়ে চলা উচিত।

হানাফী রেফারেন্স:

  • রদ্দুল মুহতার (৩/১৮৩): “পিতামাতার কথা মেনে নিতে হবে যতক্ষণ তা গুনাহের কাজ না হয়। গুনাহের কাজে আনুগত্য জায়েয নয়।”
  • ফাতাওয়া উসমানী (২/৪২২): “যদি পিতা-মাতা অন্যায়ভাবে বিয়ে দিতে চান, সন্তানের জন্য তাদের কথা না মানাই উচিত।”

৫. ছেলের বাবা-মায়ের কি গুনাহ হবে?

জবাব:
হ্যাঁ, তাদের গুনাহ হবে, যদি তারা নিম্নোক্ত কারণে দোষী হন:

  • জোর করে বিয়ে দেওয়া: তারা ছেলেকে ব্ল্যাকমেইল ও জোর করছে। শরী‘আতে জোর করে বিয়ে দেওয়া নাজায়েয, বিশেষত পছন্দ না থাকা সত্ত্বেও। আল্লাহ বলেন: “তোমরা নারীদেরকে জোর করে উত্তরাধিকারসূত্রে গ্রহণ করো না।” (সূরা নিসা ৪:১৯)
  • টাকার লোভে বিয়ে দেওয়া: সম্পদের লোভে ধার্মিকতা ও সতীত্বের পরিবর্তে ধনী পরিবার পছন্দ করা গুনাহ। হাদীসে এসেছে: “যে ব্যক্তি সম্পদের কারণে নারীকে বিয়ে করে, আল্লাহ তার কল্যাণ কমিয়ে দেন।” (বুখারী)
  • পুত্রকে পাপে উৎসাহিত করা: ছেলেকে পূর্বের সম্পর্ক থেকে ফিরিয়ে না এনে বরং নতুন একজনকে জোর করে বিয়ে দিয়ে ফিতনা সৃষ্টি করা।
  • ছেলের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করা: এটি অত্যাচার। পিতামাতা চাইলে শুধু পরামর্শ দিতে পারেন, জোর করতে পারেন না।

যদি তারা তাদের অন্যায় সম্পর্কে সচেতন না হন, তাহলে তাদের জন্য অজ্ঞতার কারণে গুনাহ কম হতে পারে। কিন্তু একবার জানার পরও যদি তারা জোরাজুরি চালিয়ে যান, তাহলে গুনাহ স্পষ্ট।

রেফারেন্স:

  • মা‘আরিফুল কুরআন (সূরা নিসা ১৯-এর তাফসীর)
  • ফাতাওয়া শামী (৩/৫৪): “পিতা-মাতার জন্য সন্তানকে গুনাহের কাজে বাধ্য করা হারাম।”
  • ইমদাদুল ফাতাওয়া (২/২২০): “টাকার লোভে বিয়ে দেওয়া নিন্দনীয়।”

সংক্ষিপ্ত উপদেশ:

  • ছেলের কর্তব্য: পূর্বের পাপের জন্য তওবা, বৈধভাবে স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক স্থির করা (যদি নিকাহ বহাল থাকে), পিতামাতার অন্যায় জোরের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো, এবং নিজের স্ত্রীকে জুলুম না করা।
  • মেয়ের কর্তব্য: তওবা, ইদ্দত পালন (যদি প্রযোজ্য), এবং সম্পর্ক অবৈধ হলে তা কেটে দেওয়া।
  • পিতামাতার কর্তব্য: সন্তানের ইচ্ছাকে সম্মান দেওয়া, ধন-সম্পদের লোভ না করা, এবং গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকা।

আল্লাহ তাআলা সবাইকে হিদায়াত দান করুন।

والله أعلم بالصواب


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.