পীরের ভক্তরা বা মুরীদরা যে ফকিরি করে সেগুলো কি শরীয়ত সম্মত? তাছাড়া মিলাদ-কিয়াম, শুধু ইল্লাল্লাহ এর জিকির, এবং পাকপাঞ্জতন কি গ্রহণযোগ্য?

Sunnah and Bid'ah · Hanafi

Question No: 4912
Questioner: Salhana Rahman Oyshi
Question Asked: 03 Sep 2026, 08:24 PM
Reviewed & Published: 03 Sep 2026, 09:35 PM
Views: 16
Tokens: 6,315
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

পীরের ভক্তরা বা মুরীদরা যে ফকিরি করে সেগুলো কি শরীয়ত সম্মত এছাড়াও যে মিলাদ,কিয়াম করে সেগুলো কি করা উচিত। তারা বলে আমরা নবীর দূরদ বসে পড়ি আর তারা দাঁড়িয়ে পড়ে নবী আমাদের চেয়ে বড় এইজন্য নাকি সম্মান জানাতে নবীর দূরদ দাড়িয়ে পড়ে।গজল বা নাত গাওয়া কি সওয়াবের কাজ? আর জিকির বলতে ওরা অনেক জন একসাথে বসে বিভিন্ন কিছু পড়ে আর মাঝে মাঝে আল্লাহু,আল্লাহু বা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ও বলে এগুলো কি আসলে জিকিরের মধ্যে পড়ে? রাসুলের শান গাওয়া সম্পর্কে ও জানতে চাই।শুধু ইল্লাল্লাহ,ইল্লাল্লাহ বলা কি ঠিক?পাকপাঞ্জতন জিনিসটা কি?

Answer

ফকিরি, মিলাদ, কিয়াম, গজল ও জিকির সম্পর্কে ইসলামি নির্দেশনা

প্রশ্নের সারসংক্ষেপ

আপনি জানতে চেয়েছেন: ১. পীরের ভক্তদের "ফকিরি" করা শরীয়তসম্মত কিনা ২. মিলাদ ও কিয়াম করা উচিত কিনা ৩. দাঁড়িয়ে দরুদ পড়ার বিধান ৪. গজল বা নাত গাওয়া সওয়াবের কাজ কিনা ৫. সম্মিলিত জিকিরের বিধান ৬. রাসূলের শান গাওয়া সম্পর্কে ৭. "ইল্লাল্লাহ, ইল্লাল্লাহ" বলা ঠিক কিনা ৮. পাকপাঞ্জতন কী


১. ফকিরি সম্পর্কে

ফকিরি শব্দটি সাধারণত আধ্যাত্মিক চর্চা বা তাসাওউফের একটি পদ্ধতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ইসলামি পরিভাষায় ফকিরি বলতে দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি ও আল্লাহর প্রতি সম্পূর্ণ সমর্পণকে বোঝায়। তবে বর্তমানে কিছু পীর-মুরিদের মধ্যে যে বিশেষ পদ্ধতির ফকিরি প্রচলিত আছে, তা শরীয়তসম্মত কিনা তা নির্ভর করে তার পদ্ধতির উপর।

মৌলিক নীতি: ইসলামে যেকোনো আমল বা ইবাদত তখনই গ্রহণযোগ্য যখন তা কুরআন ও সুন্নাহসম্মত হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন:

وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا "রাসূল যা দেন তা গ্রহণ কর এবং যা থেকে নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক।" (সূরা আল-হাশর: ৭)

ইমাম মালিক (রহ.)-এর বিখ্যাত উক্তিটি এখানে প্রণিধানযোগ্য:

مَنْ تَعَبَّدَ بِغَيْرِ مَا جَاءَ بِهِ الْفِقْهُ فَهُوَ مُبْتَدِعٌ "যে ব্যক্তি ফিকহ (শরীয়ত) যা নিয়ে এসেছে তা ছাড়া অন্য পদ্ধতিতে ইবাদত করে, সে বিদ'আতী।"

হানাফি ফিকহের দৃষ্টিভঙ্গি: ফকিরি বা তাসাওউফের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জন। ইমাম আবু হানিফা (রহ.) নিজেও আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব দিয়েছেন। কিন্তু শরীয়তের স্পষ্ট বিধান লঙ্ঘন করে কোনো পদ্ধতি অবলম্বন করা জায়েয নয়।


২. মিলাদ ও কিয়াম করা

মিলাদ মাহফিল

মিলাদ অর্থ জন্মদিন স্মরণ। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জন্ম ও জীবনী আলোচনার জন্য মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা যদি নিম্নোক্ত শর্তে হয়, তবে তা জায়েয:

১. এতে কুরআন ও হাদিসসম্মত বিষয় আলোচনা করা হয় ২. রাসূল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা হয় ৩. কোনো গুনাহের কাজ বা বিদ'আতী পদ্ধতি না থাকে

হানাফি পণ্ডিতদের মত: মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) এবং মুফতি তাকি উসমানি (দামাত বারাকাতুহুম) মিলাদ মাহফিলকে জায়েয বলেছেন যদি তা শরীয়তসম্মত পদ্ধতিতে হয়। তবে তারা সতর্ক করেছেন যে, মিলাদকে যদি ওয়াজিব বা সুন্নত মনে করা হয় অথবা এমন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় যা শরীয়তে নেই, তবে তা বিদ'আত হবে।

কিয়াম (দাঁড়িয়ে দরুদ পড়া)

মিলাদ মাহফিলে রাসূল (সা.)-এর জন্মের সময় দাঁড়িয়ে দরুদ পড়া বা "কিয়াম" করার বিষয়ে আলেমদের মতভেদ আছে।

যারা জায়েয বলেন তাদের দলিল:

  • রাসূল (সা.)-এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ভালো কাজ
  • সাহাবায়ে কেরাম রাসূল (সা.)-কে সম্মান করতে দাঁড়িয়ে যেতেন

যারা জায়েয বলেন না তাদের দলিল:

  • রাসূল (সা.) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার জন্য দাঁড়ায় (অন্যকে দাঁড় করানোর উদ্দেশ্যে), সে জাহান্নামে তার স্থান তৈরি করে নেয়।" (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৫২২৯)
  • হাদিসে আছে, রাসূল (সা.)-এর সময় সাহাবারা তাঁর জন্য দাঁড়াতেন না, কারণ তিনি তা পছন্দ করতেন না।

হানাফি ফিকহের দৃষ্টিভঙ্গি: ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে, কোনো ব্যক্তিকে সম্মান দেখাতে দাঁড়ানো মাকরুহ। তবে যদি কিয়াম এমনভাবে করা হয় যে, তাতে রাসূল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান প্রকাশ পায় এবং একে ইবাদত মনে না করা হয়, তবে অনেক হানাফি আলেম একে জায়েয বলেছেন। কিন্তু যদি একে আবশ্যক বা সুন্নত মনে করা হয়, তবে তা বিদ'আত হবে।

মুফতি তাকি উসমানি (দামাত বারাকাতুহুম)-এর মত: তিনি বলেন, মিলাদ মাহফিলে দাঁড়ানো যদি রাসূল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান প্রকাশের জন্য হয় এবং একে ইবাদত মনে না করা হয়, তবে তা জায়েয। কিন্তু যদি কেউ মনে করে এটি সুন্নত, মুস্তাহাব বা ওয়াজিব, তবে তা ভুল।


৩. গজল বা নাত গাওয়া

গজল বা নাত বলতে রাসূল (সা.)-এর প্রশংসায় কবিতা বা গান গাওয়াকে বোঝায়।

শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি: রাসূল (সা.)-এর প্রশংসায় কবিতা বলা বা শোনা জায়েয। স্বয়ং রাসূল (সা.) তাঁর প্রশংসায় কবিতা শুনেছেন এবং কবি হাসসান বিন সাবিত (রা.)-কে উৎসাহিত করেছেন।

عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَضَعُ لِحَسَّانَ مِنْبَرًا فِي الْمَسْجِدِ يَقُومُ عَلَيْهِ يَفْخَرُ بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ "আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) হাসসানের জন্য মসজিদে একটি মিম্বর রাখতেন, যাতে তিনি দাঁড়িয়ে রাসূল (সা.)-এর প্রশংসা করতেন।" (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৫৩৫)

শর্ত: তবে নাত বা গজল গাওয়ার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত শর্তগুলো থাকতে হবে: ১. এতে রাসূল (সা.)-এর শানে কোনো প্রকার অতিরঞ্জন বা শিরকী কথা না থাকে ২. বাদ্যযন্ত্র না থাকে (হানাফি মতে বাদ্যযন্ত্র হারাম) ৩. নারীর কণ্ঠ না থাকে (পুরুষদের সামনে) ৪. গানের সুর এমন না হয় যা গুনাহের কাজে উৎসাহিত করে

হানাফি ফিকহের দৃষ্টিভঙ্গি: ফাতাওয়া আলমগিরীতে উল্লেখ আছে যে, কবিতা বলা বা শোনা জায়েয যদি তা সত্য ও ভালো বিষয়ে হয়। তবে যদি তাতে মিথ্যা, গিবত বা অশ্লীলতা থাকে তবে তা হারাম।


৪. সম্মিলিত জিকির

জিকিরের গুরুত্ব

আল্লাহ তাআলা বলেন:

الَّذِينَ آمَنُوا وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللَّهِ ۗ أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ "যারা ঈমান এনেছে এবং যাদের হৃদয় আল্লাহর জিকির দ্বারা শান্তি পায়। জেনে রাখ, আল্লাহর জিকিরেই হৃদয় শান্তি পায়।" (সূরা আর-রাদ: ২৮)

সম্মিলিত জিকিরের বিধান

সম্মিলিতভাবে জিকির করা জায়েয, তবে শর্ত হলো: ১. এতে কোনো বিদ'আতী পদ্ধতি না থাকে ২. উচ্চৈঃস্বরে এমনভাবে জিকির না করা যা অন্য মুসল্লিদের জন্য কষ্টের কারণ হয় ৩. জিকিরের সময় কোনো গুনাহের কাজ না হয়

হানাফি ফিকহের দৃষ্টিভঙ্গি: ইমাম আবু হানিফা (রহ.) ও তার অনুসারীদের মতে, উচ্চৈঃস্বরে সম্মিলিত জিকির মসজিদে মাকরুহ, কারণ এতে নামাজরত বা অন্য মুসল্লিদের বিরক্ত হতে পারে। তবে মসজিদের বাইরে বা বিশেষ মাহফিলে জিকির করা জায়েয।

মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.)-এর মত: তিনি বলেন, জিকিরের জন্য নির্ধারিত সময় ও পদ্ধতি নেই। তবে যে পদ্ধতিতে জিকির করা হোক না কেন, তা যেন শরীয়তের সীমার মধ্যে থাকে। তিনি সম্মিলিত জিকিরকে জায়েয বলেছেন যদি তাতে শরীয়তবিরোধী কোনো বিষয় না থাকে।

"আল্লাহু, আল্লাহু" বা "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু" বলা

এগুলো জিকিরের অন্তর্ভুক্ত। "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" বলা সবচেয়ে উত্তম জিকির। রাসূল (সা.) বলেছেন:

أَفْضَلُ الذِّكْرِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ "সর্বোত্তম জিকির হলো 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'।" (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৩৮৩)

তবে শুধু "ইল্লাল্লাহ, ইল্লাল্লাহ" বলা সম্পূর্ণ বাক্য "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" না বলে - এটি সঠিক নয়। কারণ "ইল্লাল্লাহ" শব্দটি অর্থহীন যখন এটি "লা ইলাহা" ছাড়া বলা হয়। "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" মানে "আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই" - এই সম্পূর্ণ বাক্যটিই জিকির হিসেবে বলা উচিত। শুধু "ইল্লাল্লাহ" বলা বা "আল্লাহু আল্লাহু" বলা - যদিও আল্লাহর নাম স্মরণ করা জায়েয, তবে উত্তম হলো কুরআন ও হাদিসে বর্ণিত পদ্ধতিতে জিকির করা।


৫. রাসূলের শান গাওয়া

রাসূল (সা.)-এর শান বা মর্যাদা বর্ণনা করা জায়েয, তবে শর্ত হলো: ১. কুরআন ও সহিহ হাদিসে যা বর্ণিত আছে তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা ২. অতিরঞ্জন না করা ৩. এমন কোনো বিষয় না বলা যা শিরকের পর্যায়ে পৌঁছে যায়

আল্লাহ তাআলা বলেন:

وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ "আমি আপনার স্মরণকে সমুন্নত করেছি।" (সূরা আল-ইনশিরাহ: ৪)

তবে রাসূল (সা.) নিজেই সতর্ক করেছেন:

لَا تُطْرُونِي كَمَا أَطْرَتْ النَّصَارَى ابْنَ مَرْيَمَ فَإِنَّمَا أَنَا عَبْدُهُ فَقُولُوا عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ "তোমরা আমার প্রশংসায় এমন অতিরঞ্জন করো না যেমন খ্রিস্টানরা মারিয়াম-পুত্রের (ঈসা আ.) ব্যাপারে করেছিল। আমি তো তাঁর বান্দা। সুতরাং বলো, আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।" (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৪৪৫)

হানাফি ফিকহের দৃষ্টিভঙ্গি: রাসূল (সা.)-এর শান বর্ণনা করা জায়েয, কিন্তু তাকে আল্লাহর গুণাবলিতে ভূষিত করা বা এমন কিছু বলা যা তাকে আল্লাহর সমকক্ষ করে তোলে - তা সম্পূর্ণ হারাম ও শিরক।


৬. পাকপাঞ্জতন

"পাকপাঞ্জতন" একটি ফার্সি শব্দ, যার অর্থ "পবিত্র পাঁচজন"। এটি শিয়া মতবাদের একটি পরিভাষা, যা দ্বারা নিম্নোক্ত পাঁচজনকে বোঝানো হয়: ১. রাসূলুল্লাহ (সা.) ২. আলী (রা.) ৩. ফাতিমা (রা.) ৪. হাসান (রা.) ৫. হুসাইন (রা.)

আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের দৃষ্টিভঙ্গি: আহলে সুন্নত এই পাঁচজনকে অত্যন্ত সম্মান করে এবং ভালোবাসে। তবে "পাকপাঞ্জতন" শব্দটি ও এর সাথে সম্পর্কিত কিছু শিয়া বিশ্বাস (যেমন: ইমামতের বিশেষ ধারণা, ইসমত বা নিষ্পাপত্বের বিশেষ ব্যাখ্যা) আহলে সুন্নতের বিশ্বাস থেকে ভিন্ন।

আহলে সুন্নত বিশ্বাস করে যে, রাসূল (সা.)-এর পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত সম্মানিত ও মর্যাদাবান। তাদের ভালোবাসা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ। কিন্তু তাদেরকে নবী বা ইমাম হিসেবে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া বা তাদের সম্পর্কে এমন বিশ্বাস পোষণ করা যা কুরআন-সুন্নাহতে নেই - তা গ্রহণযোগ্য নয়।

হানাফি ফিকহের দৃষ্টিভঙ্গি: আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের বিশ্বাস অনুযায়ী, রাসূল (সা.)-এর আহলে বাইত (পরিবার) সকলের চেয়ে সম্মানিত। তাদের ভালোবাসা ঈমানের অংশ। কিন্তু তাদেরকে গায়েব জানা বা তাদের কাছে দোয়া চাওয়া বা তাদেরকে আল্লাহর গুণাবলিতে ভূষিত করা - সবই শিরক ও বিদ'আত।


সারসংক্ষেপ ও পরামর্শ

১. ফকিরি: যদি শরীয়তসম্মত পদ্ধতিতে আত্মশুদ্ধির জন্য হয় তবে জায়েয, কিন্তু শরীয়তবিরোধী পদ্ধতি জায়েয নয়।

২. মিলাদ: শরীয়তসম্মত পদ্ধতিতে মিলাদ মাহফিল করা জায়েয, তবে একে ইবাদত মনে করা বা বিদ'আতী পদ্ধতি অবলম্বন করা ঠিক নয়।

৩. কিয়াম: দাঁড়িয়ে দরুদ পড়া - যদি রাসূল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের জন্য হয় এবং একে ইবাদত না মনে করা হয়, তবে অনেক আলেম জায়েয বলেছেন। তবে উত্তম হলো দাঁড়ানোর বিশেষ পদ্ধতিকে লেজিম না করা।

৪. গজল/নাত: রাসূল (সা.)-এর প্রশংসায় কবিতা বলা জায়েয, তবে বাদ্যযন্ত্র ও অশ্লীলতা থেকে মুক্ত হতে হবে।

৫. সম্মিলিত জিকির: জায়েয, তবে মসজিদে উচ্চৈঃস্বরে জিকির করা মাকরুহ।

৬. "ইল্লাল্লাহ, ইল্লাল্লাহ" বলা: সম্পূর্ণ "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" বলা উত্তম। শুধু "ইল্লাল্লাহ" বলা সঠিক নয়।

৭. পাকপাঞ্জতন: আহলে বাইতকে ভালোবাসা ঈমানের অংশ, তবে শিয়া মতবাদের বিশেষ বিশ্বাসগুলো আহ


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.