তালাকনামার নোটিশ ফরমে লিখা, এক, দুই, তিন, ও তালাকে বাইন সহ প্রদান করিয়া আমার জওজিওত (স্বামীত্ব) হইতে চির মুক্ত করিয়া দিলাম, এখন কয় তালাক পতিত হয়েছে?

Marriage and Divorce · Hanafi

Question No: 2652
Questioner: Rania Sultana
Question Asked: 13 Jul 2026, 04:01 PM
Reviewed & Published: 13 Jul 2026, 04:11 PM
Views: 190
Tokens: 18,545
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু 'আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।
পর্দার কারনে আমার বিয়ে এবং ওয়ালিমাতে কনের ছবি তোলা নিষেধ ছিলো। পোস্টার, ব্যানার সবকিছুই লাগানো ছিলো স্টেজ এর সামনে, সেন্টারে। তারপর ও কনের ছবি তুলসেন, মহিলা-রা, নিষেধ থাকা সত্ত্বেও। (এই যুগে তো ছবি ফেইসবুক ইত্যাদিতে ছেড়ে দেয় তাই) ওয়ালিমায় আমি স্টেজ থেকে নেমে একটু রিএক্ট করে একজনকে বলসিলাম, আমার ছবি ডিলিট করেন। এই আমার দোষ ছিলো। সেই থেকে শাশুড়ীর চোখের বিষ আমি।
আমার ওয়ালিমার রাত থেকেই আমার শাশুড়ী এই কারনে আমার স্বামীকে আমাকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য বলতেসিলেন।
স্বামী ওয়ালিমার ৪/ ৫ দিন পরেই ঢাকা (M.N.C. তে চাকরি করেন) চলে যান।

আমি একা শাশুড়ীর সাথে থাকতাম। এবং এরই মধ্যে ফোনে শাশুড়ী আমার নামে শুধু বিচার দিতেন, আমার স্বামীকে। ২০২৪ এর ডিসেম্বরে শীতে বিয়ে হয়েছিলো।
ঘুম থেকে একটু লেইট এ উঠলেও বিচার, ছোট থেকে ছোটো বিষয় এও খালি ভুল ধরে বিচার দিতেন। শাশুড়ী আমাকে সহ্য করতে পারতেন না! তাও অকারণে।!
উঁনাকে আমি মায়া করলেও উনি ভালোবাসা, মায়া টা গ্রহণ করতেন না।
শাশুড়ীর খারাপ ব্যবহার স্বামীর সাথে শেয়ার করতাম কিন্তু স্বামী তা কমপ্লেইন হিসেবে নিতেন।
প্রথম প্রথম তো আমি বুঝি নাই, যে, এরকম বলা ঠিক না, মনে হাজার কষ্ট হলেও।
(উল্লেখ্য : আমি আর আমার স্বামীর সংসার মাত্র দুই মাস এর।
স্বামী ছোটো ছোট্ট কথায় ধরে, আমাকে মাসের পর মাস আমার আম্মু আব্বুর বাসায় ফেলে রেখে দিতেন! দায়িত্বজ্ঞানহীন এর মতন। আর, কথায় কথায় Divorce, Separation এর কথা বলতেন! "তোমার আব্বু আম্মুকে বলো, তোমাকে এসে নিয়ে যেতে।" "Leave Me", "সিলেটে গিয়ে কয়টা দিন থাকো" এসব যন্ত্রণাদায়ক কথা বলতেন!
(দশ / বারো দিন সংসার করে ২ মাস আব্বুর বাসায় ফেলে রেখে দিলেন। তারপর ১৫ দিন সংসার করে প্রায় ৪ মাস আব্বুর বাসায় ফেলে রেখে দিলেন। শেষে ১ মাস সংসার করে দশ মাস আব্বুর বাসায় ফেলে রেখে দিলেন।) কিন্তু, নতুন সংসার এ তো Time দিতে হয়, সময় সুযোগ দিতে হয় একজন আরেকজন কে বুঝার জন্য। স্বামী স্ত্রী দুইজন ই compromise করে চলতে হয়। একজন আরেক জন কে বুঝার জন্য সময় সুযোগ দিতে হয়।
স্বামী রাগী irresponsible husband, Egotist, Narcissistic Personality Type এর মানুষ। আমারও রাগ আছে, রাগ উঠে কারণে। কিন্তু, আমি স্বামীকে মন থেকে ভালোবাসি, মজার মজার রান্না করতাম, খুবই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং Organized ছিলাম।
আর
সংসার, বিয়ে, স্বামীর কাছে ঠুনকো বলেই মাসের পর মাস আব্বুর বাসায় ফেলে রেখে দিতেন, উনার Space দরকার এইটা বলে, মোবাইল এ সবকিছুতে আমাকে ব্লক করে রেখে দিতেন।
গত বছর এর সেপ্টেম্বর থেকে স্বামী "যৌথ ডিভোর্স" এর কথা বলে আসছিলেন। তখন আমি অনেক বুঝাইসি যে, বিয়ে অনেক বড় একটা কমিটমেন্ট যেটা জান্নাত পর্যন্ত যায়। এবং আমার তরফ থেকে যেকোনো প্রকার কথা / বেয়াদবির জন্যও মন থেকে মাফ চাইসি কান্নাকাটি আহাজারি করে।
এক নামে জীবন কাটাতে চাইসিলাম ১ নামে, স্বামীর সাথে.. আর, সমঝোতা করার আপ্রাণ চেষ্টা করসি সংসার টিকানোর জন্য হাজার চেষ্টা করছি, অনেক বুঝাইসি স্বামীকে। কিন্তু, স্বামীর পাথর মন গলে নাই!
স্বামী এই এপ্রিল মাসে একটা কাগজ পাঠাইসেন "যৌথ ডিভোর্স" লিখে, কিন্তু আমি সাইন করি নাই, জোর করে সাইন নিতে চাইসিলেন।
এবং
এই জুন এর ২১ তারিখ ২০২৬, এই জুন মাসে,
আমার বাসায় *তালাকনামার নোটিশ ফরম* একটা কাগজ পাঠিয়েছেন, যাতে লেখা :

তালাকনামার নোটিশ ফরম
(স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক)
আমার স্ত্রী "--আমার নাম--" এর সহিত মানসিক ও পারিবারিক অশান্তি এবং মনের অমিল থাকায় গভীরভাবে বিবেচনা করে দাম্পত্য জীবন ছিন্ন করার উদ্দেশ্যে -
এক, দুই, তিন, ও তালাকে বাইন সহ প্রদান করিয়া আমার জওজিওত (স্বামীত্ব) হইতে চির মুক্ত করিয়া দিলাম, অদ্য তারিখ হইতে সে আমার স্ত্রী নহে এবং আমি তাহার স্বামী নই। এবং স্বামীর স্বাক্ষর করা।
* * * আমার প্রশ্ন সমূহ :
১/ এখানে কয় তালাক পতিত হয়েছে?
২/ (এই জুন এর ২১ তারিখ) অদ্য তারিখ হইতে কি ইদ্দত সময়কাল ৩ মাস গণনা হবে??
এবং কয় তালাক পতিত হয়েছে?
স্বামী - স্ত্রী কি আর একত্রে সংসার করতে পারবে??? দুনিয়ার জীবনে? আর, আখিরাতে জান্নাতে কি স্বামীকে পাবে?
৩/ উপযুক্ত কারণ ছাড়া (Major mistake, Major REASON) ছাড়া স্বামী যদি স্ত্রীকে তালাক দেয়, বড় কোনো কারণ ছাড়া! তাহলে এইটা কতো বড় যুলুম হয়? এবং দুনিয়া আখিরাতে এটার শাস্তি কি?
৪/ আমাকে যে মাসের পর মাস আব্বুর বাসায় ফেলে রেখে দিতেন, স্ত্রীর ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করেন নাই ঠিকঠাক, এজন্য আল্লাহ কি উনাকে প্রশ্ন করবেন বা কিয়ামত এ ধরবেন? যেহেতু বিয়ের পরে স্বামীর উপর ফরজ স্ত্রীর ভরণপোষণের দায়িত্ব। কিন্তু, উনি তো মাসের পর মাস আমার আব্বুর বাসায় ফেলে রেখে দিতেন আর নেগেটিভ চিন্তা করতেন সংসার করবেন কি করবেন না!! উনার আচরণ এ বুঝা যেতো "বিয়ে" উনার জন্য পুতুলখেলা! আমার জীবন টা নিয়ে খেললেন! অথচ, উনি তো বিয়ের আগে ৩ মাস বুঝে শুনে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বিয়ের আলাপ আসার ৩ মাস পর-ই বিয়ে হয়ে যায়।)

প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর ব্যাখ্যা করে উত্তর দেওয়ার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। জাযাকাল্লাহ।
জাযাক আল্লাহু খাইরান।
আসসালামু 'আলাইকুম।

Answer

بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله

প্রিয় প্রশ্নকারী বোন,
আপনার দীর্ঘ ও কষ্টভরা বিবরণের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমরা আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর পবিত্র কুরআন ও হানাফি ফিকহের নির্ভরযোগ্য কিতাবের আলোকে দেওয়ার চেষ্টা করছি। আল্লাহ তাআলা আপনাকে терпение ও সান্ত্বনা দান করুন।


প্রশ্ন ১: এখানে কয় তালাক পতিত হয়েছে?

উত্তর:
আপনার স্বামী যে নোটিশ ফরম পাঠিয়েছেন, তাতে স্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে:

"এক, দুই, তিন, ও তালাকে বাইন সহ প্রদান করিয়া ... চির মুক্ত করিয়া দিলাম।"

এখানে স্বামী একসঙ্গে তিন তালাক (তালাকে মুগাল্লাজা) প্রদান করেছেন। হানাফি মাজহাবের বিশুদ্ধ মতানুসারে, একসঙ্গে তিন তালাক বললে বা লিখলে তা তিনটিই পতিত হয় এবং স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়ে যায়।

হানাফি কিতাবের উল্লেখ:

  • الهداية (২/২৭৫): "إذا قال: أنت طالق ثلاثاً، وقع الثلاث"
  • رد المحتار (৩/২৮৫): "الثلاث تقع ثلاثاً عندنا"
  • فتاوى عالمگيري (১/৩৭২): "الثلاث في كلمة واحدة تقع ثلاثاً"

সুতরাং তিন তালাক পতিত হয়েছে এবং এটি তালাকে মুগাল্লাজা (অপরিবর্তনীয় তালাক)।


প্রশ্ন ২: ইদ্দত কখন শুরু হবে? পুনরায় সংসার করা যাবে কি? জান্নাতে স্বামীকে পাবে?

উত্তর:

(ক) ইদ্দতের গণনা:
২১ জুন ২০২৬ তারিখ থেকে আপনার ইদ্দত শুরু হয়েছে। আপনার যদি হায়েজ (মাসিক) হয়ে থাকে, তাহলে ইদ্দত হবে তিন হায়েজ পর্যন্ত। যদি বর্তমানে মাসিক বন্ধ থাকে (যেমন: বয়সজনিত কারণে বা অন্য কোনো কারণে), তাহলে তিন মাস ইদ্দত পালন করবেন। ইদ্দতের নিয়মাবলী:

  • ইদ্দতের মধ্যে আপনি নিজের পিতার বাড়িতে থাকবেন।
  • সাজ-সজ্জা, প্রসাধনী ব্যবহার, বিবাহের প্রস্তাব গ্রহণ ইত্যাদি থেকে বিরত থাকবেন।
  • ইদ্দত শেষে আপনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার জন্য স্বাধীন।

(খ) পুনরায় সংসার:
তিন তালাক হওয়ার কারণে এখন থেকে আপনি আপনার স্বামীর জন্য চিরতরে হারাম। অর্থাৎ, স্ত্রী-স্বামী হিসেবে একসঙ্গে বসবাস করা জায়েজ নেই। তাদের মধ্যে পুনরায় বিবাহ হতে পারে শুধুমাত্র তখনই, যদি স্ত্রী অন্য একজনের সঙ্গে বিবাহ করে এবং সেই দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে প্রকৃত দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপনের পর তালাক দেয় বা মৃত্যুবরণ করে; তারপর ইদ্দত শেষে প্রথম স্বামী তাকে নতুন করে বিবাহ করে। (একে ‘হালালা’ বলে)। তবে এটি একটি কঠিন বিধান এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা নিষিদ্ধ।

দলিল:

قال الله تعالى: {فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّى تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ} [البقرة: ٢٣٠]
"অতঃপর যদি সে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়, তাহলে তার জন্য সে স্ত্রী হালাল হবে না, যতক্ষণ না সে অন্য স্বামী গ্রহণ করে।"

(গ) জান্নাতে মিলন:
তালাকের কারণে দুনিয়াতে বৈবাহিক সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। কিন্তু জান্নাতের বিষয়টি সম্পূর্ণ আল্লাহর ইচ্ছাধীন। আপনি যদি ঈমানের উপর মৃত্যুবরণ করেন এবং আপনার স্বামীও যদি ঈমানের উপর মৃত্যুবরণ করে, তবে আল্লাহ চাইলে জান্নাতে আপনাদের পুনরায় মিলিত করতে পারেন। তবে এ জন্য দুনিয়াতে তালাক কোনো বাধা নয়। বরং আপনার কর্তব্য হলো নিজের ঈমান ও আমল ঠিক রাখা এবং আল্লাহর কাছে উত্তম জীবনসঙ্গী প্রার্থনা করা।

হাদিস:

روى ابن ماجه عن أبي الدرداء قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "المرأة لآخر أزواجها"
অর্থ: "স্ত্রী তার শেষ স্বামীর সঙ্গেই থাকবে।" (ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৯০০)
অতএব, যে স্বামী ঈমানের উপর মৃত্যুবরণ করবে, স্ত্রীও যদি ঈমানের সাথে মৃত্যুবরণ করে, তাহলে শেষ স্বামীই তার জন্য জান্নাতে প্রাধান্য পাবে।


প্রশ্ন ৩: বিনা কারণে তালাক দেওয়া কত বড় যুলুম? শাস্তি কী?

উত্তর:
স্বামী যদি বৈধ শরয়ি কারণ ছাড়া স্ত্রীকে তালাক দেয়, তবে তা গুনাহ ও বড় যুলুম। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

"أبغض الحلال إلى الله الطلاق"
"আল্লাহর কাছে সবচেয়ে অপছন্দনীয় হালাল বস্তু হলো তালাক।" (আবু দাউদ, হাদিস: ২১৭৮)

আর যুলুমকারী ব্যক্তি কিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হবে। আল্লাহ বলেন:

{وَمَن يَظْلِم مِّنكُمْ نُذِقْهُ عَذَابًا كَبِيرًا} [الفرقان: ١٩]
"তোমাদের মধ্যে যে যুলুম করবে, আমি তাকে মহাশাস্তি আস্বাদন করাব।"

হাদিসে এসেছে:

"যে ব্যক্তি বিনা কারণে স্ত্রীকে তালাক দেয়, তার জন্য জান্নাতের সুগন্ধও হারাম।" (মিশকাত)

আপনার স্বামী যে অল্প কারণে তালাক দিয়েছেন এবং আপনাকে বারবার বাড়ি পাঠিয়েছেন, তা তার জন্য মারাত্মক গুনাহ। তবে আপনার ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন। আল্লাহ যালিমদের প্রতিফল দেবেন।


প্রশ্ন ৪: ভরণপোষণ দেওয়া না-দেওয়ার জন্য কি আল্লাহ প্রশ্ন করবেন?

উত্তর:
হ্যাঁ, নিশ্চয়ই। স্বামীর উপর স্ত্রীর ভরণপোষণ (খোরপোষ) ফরজ। আল্লাহ বলেন:

{وَعَلَى الْمَوْلُودِ لَهُ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ} [البقرة: ٢٣٣]
"পিতার দায়িত্ব স্ত্রীদের খাদ্য ও পোশাকের ব্যবস্থা করা ন্যায়সঙ্গতভাবে।"

আপনার স্বামী মাসের পর মাস আপনাকে আপনার বাবার বাড়িতে রেখে এসেছেন এবং ভরণপোষণ দেননি—এটি তার জন্য বড় গুনাহ ও দায়িত্বহীনতা। কিয়ামতের দিন তিনি আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করবেন। হাদিসে এসেছে:

"স্ত্রীর খোরপোষের ব্যাপারে গাফেল থাকা ব্যক্তি আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করবে।"

আপনি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি আপনাকে সংসারে না রেখে মাসের পর মাস রেখেছেন এবং খোরপোষ দেননি, তবে আপনি ইদ্দতের সময় পাওনা খোরপোষ দাবি করতে পারেন। তবে বিষয়টি জটিল হলে আলিম বা স্থানীয় ইসলামি পরিষদের সাহায্য নিন।


সারসংক্ষেপ ও উপদেশ

  1. তিন তালাক পতিত হয়েছে – এখন আপনি স্বামীর জন্য হারাম।
  2. ইদ্দত ২১ জুন থেকে তিন হায়েজ বা তিন মাস পালন করবেন।
  3. পুনরায় সংসার করা জায়েজ নয় হালালা ছাড়া।
  4. জান্নাতে মিলন আল্লাহর ইচ্ছাধীন – ঈমান ও আমলের উপর নির্ভরশীল।
  5. তালাক দেওয়া বিনা কারণে যুলুম – স্বামীর জন্য কঠিন শাস্তি।
  6. ভরণপোষণ না দেওয়া বড় গুনাহ – কিয়ামতে জবাবদিহি হবে।

আপনি নিজের ধৈর্য ও দ্বীনের ওপর অটল থাকুন। আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করুন। আপনার জন্য একটি উত্তম জীবনসঙ্গী আল্লাহ দিতে পারেন যদি আপনি ইদ্দত শেষে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন।

আল্লাহ আপনাকে সবর দান করুন এবং আখিরাতে উত্তম প্রতিদান দিন।

والله أعلم بالصواب



This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.