স্বামী গুরুত্ব না দিলে করনীয়।
Family Life · Ahle Hadith / Salafi
Question
আমার আর আমার হাসবেন্ড এর বয়সের পাথ্যক ৯ বছর। আমার এখন বয়স ২৫।
আমার সামি আলহামদুলিল্লাহ ভালো। সমস্যা হলো আমাদের ২ জনের মনের চাওয়া আলাদা। আমার চাওয়া আমার সামি অনেক অনেক অনেক ভালোবাসবে। ভালোবাসে কিন্তু প্রকাশ করেনা, মনে মনে। আমি চাই উনি অফিস থেকে এসে আমাকে একটু জড়িয়ে ধরুক, একসাথে একটু গল্প করি। কাজের ফাকে ফাকে না দেখতে পাইলে আমার একটু খোজ নেক, কি করতেছ আসো। ঘুমানোর সময় একটু কাছে নিয়ে ঘুমাক। অসুস্থ হলে একটু সেবা করুক।
উনি যেমন : এসে চুপচাপ, কোন কথা বলার থাকলে বলবে, ফোন নিয়ে বসে পড়ে। আমি মারা গেলেও উঁকি দিবেনা যে আমি নেই। ঘুম ধরলে একা ঘুমিয়ে যায়, ঘুমের ভিতরে আমাকে একটু জড়িয়েও ধরেনা, আমি যদি নাও ঘুমাই সারা রাত পার করে দিবে তাও খোজ নিবেনা যে আমি ঘুমাইতে আসি নি কেন। নামাজ পড়ে বাসায়, একটু ইসলামিক সম্পুন না। উনার যখন শারীরিক সম্পক করার প্রয়োজন তখন জাস্ট কাছে আসেন।
আমি যা করি : সারাদিন উনার কাছা কাছি থাকি। সব কাজ কম আগেই সারে ফেলি উনি আসলে উনার সাথে জানো সময় দিতে পারি। সব সময় একটু পর পর কাছে যাই, মাঝে মাঝে সেজেগুজে থাকি। ঘুমের সময় আমিই কাছে গিয়ে জড়িয়ে ধরে থাকি। উনার এসব এ তেমন কোন সমস্যা নেই, আমি এমন জালায় উনি খুশিই হোন। আমার কথা হলো মাসে ৩০ দিনের ভিতর ২৮ দিন ই আমি কাছে যাই উনাকে সময় দেই, ২ দিন যদি কাছে না যাই উনি একটু ও কাছে আসেন না। মন খারাপ করে থাকি যদি কোন কথায়,উনি বোঝেন যে রাগ করেছি তবু খোজ ও নিতে আসেন না, যুগ চলে যাবে তাও কাছে নিয়ে বলবেনা যে কি হয়েছে মন খারাপ করো না... যদি আমার মন খারাপ হয় তাহলে আমি যত দিন কথা বলবোনা আমার সাথে কথা বলবেনা, কিছু লাগলে জাস্ট বলবে। একাই ঘুমাবে। আমার কাছে নিজ থেকে আসবেনা। আমি যদি নিজে মন খারাপ ভেজ্ঞে যাই, জালায় কিছু বলবেও না। একদম নরমাল। যদি বলি আমাকে জড়িয়ে ধরেন, ধরবে বাট নিজ থেকে কিছু করবেনা।
এই নিয়ে অনেক ঝগড়া হয়। আমার খুব কান্না আসে। আমি অসুস্থ হলে যদি বলি আজ ভাত টা রাইস কুকার এ দেন বলবে যখন তুমি সুস্থ হবা তখন দিও। জীবন এ এক গাস ভাত ও খাওয়ায় নি৷ এমন না যে আমি অসুন্দর বা উনার পছন্দ না। আমাকে উনার খুব পছন্দ আর এমন করি উনি এসব ও চান৷ আমার কথা আমিও তো চাই। উনিও এমন করুক৷ নরমাল দিন না করুক বাদ দিলাম যখন আমি মন খারাপ করি তখন তো মন ভাজ্ঞানোর চেস্টা করবে। জাস্ট বলে ভালো হয়ে যাও, চলো ঘুমাই গিয়ে ঘুমাবে শেষ । আর বলবে সামির অনুগত করা ফরজ, মন খারাপ করা তোমার উচিত না। শয়তান ধরে। ভালো হয়ে যাও, দূর থেকে বলবে জাস্ট শেষ৷ একটু কাছে আসে একটু আদর দিয়ে বললেই কিন্তু আমি ভালো হয়ে যায় কিন্তু তা কখনোই করবেনা।
আর এইসব আমি মেনে একদম ই নিতে পারিনা, আমি কোন কাজে মনোযোগ দিতে পারিনা, আমার মন আরো বেশিই খারাপ হয়ে যায়। যদি চাই যে থাক মন খারাপ করবোনা, তখন আরো বেশিই খারাপ হয় কারন মনে হয় আমি তো সব সময় কাছে যাই আমার একটু মন খারাপ হয়েছে কেনো সে আসবেনা। যদি বলি মন ভালো করেন দূর থেকে জাস্ট বলবে ভালো হয়ে যাও শেষ ।
উনার কাছে ভালোবাসা মানে জাস্ট শারীরিক সম্পক, আর কিছু না৷ আমি দিন দিন ডিপ্রেশন এর ভিতর যাচ্ছি। আমাদের একটা ছেলে বাবু আছে ৩ বছর বয়স।।
অনেক আমি বুঝিয়েছি বোঝেনা, একটাই কথা সামির অনুগত কর।
এখন করনীয় কি, ইসলাম এইখানে কি বলে। কোরআন আর হাদিস সারা কোন কিছু বিশাস করেন না, রেফারেন্স ছাড়া। যদি বলি মন ভালো করা সুন্নত বলবে কোথায় বলা আছে।।
কার সমস্যা, আর এইটা থেকে মুক্তির উপাই কি জানাবেন ইনশাআল্লাহ
Answer
উত্তর:
وَعَلَيْكُمُ السَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ
প্রথমেই বলব, আপনার সমস্যা একেবারেই অবাস্তব বা অমূলক নয়। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে আবেগ, ভালোবাসা, যত্ন ও আন্তরিকতা ইসলামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক। আপনি যে অনুভূতিগুলো প্রকাশ করছেন, তা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং ইসলাম তা স্বীকৃতি দেয়। আপনার স্বামীকে যেমন শারীরিক চাহিদা পূরণের অধিকার আছে, তেমনি আপনারও আবেগীয় ও মানসিক যত্ন পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
১. ইসলামে স্বামীর দায়িত্ব: সদ্ব্যবহার ও ভালোবাসা প্রদর্শন
আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ
"আর তোমরা স্ত্রীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো।" (সূরা আন-নিসা ৪:১৯)
আরও বলেন:
وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً
"আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে হলো যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদেরই জাতি থেকে স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও, এবং তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া স্থাপন করেছেন।" (সূরা আর-রুম ৩০:২১)
এই আয়াতে স্পষ্ট যে مودة (মাহাব্বত/ভালোবাসা) এবং رحمة (দয়া/কোমলতা) বিবাহের মূল ভিত্তি। শুধু শারীরিক সম্পর্ক নয়, বরং আবেগীয় সংযোগও বিবাহের উদ্দেশ্য।
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবন দৃষ্টান্ত:
- তিনি তাঁর স্ত্রীদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টা করতেন, তাদের প্রতি স্নেহ দেখাতেন।
- আয়েশা (রাঃ) বলেন: "রাসূলুল্লাহ ﷺ আমার সঙ্গে (খেলার ছলে) দৌড় প্রতিযোগিতা করতেন।" (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, সহিহ)
- তিনি ঘরে এসে স্ত্রীদের জিজ্ঞেস করতেন: "কেমন আছো? কী করছো?" (বুখারি)
- তিনি স্ত্রীদের অসুস্থতায় সেবা করতেন। (বুখারি, মুসলিম)
শায়খ ইবনে উসাইমীন (রহঃ) বলেন:
"স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা ও সদ্ব্যবহার করা স্বামীর ওপর ওয়াজিব। শুধু শারীরিক চাহিদা পূরণ করাই যথেষ্ট নয়, বরং কথায় ও কাজে স্নেহ প্রকাশ করা জরুরি।" (লিকা’শ শাহরী, ২০/৩২)
শায়খ বিন বাজ (রহঃ) বলেন:
"স্বামীকে তার স্ত্রীর প্রতি নরম ও দয়ালু হতে হবে। তাকে সময় দিতে হবে, তার অনুভূতির যত্ন নিতে হবে, কারণ এটি বিবাহের স্থায়িত্ব ও সুখের মূল চাবিকাঠি।" (মাজমু’ ফাতাওয়া, ২২/২৩৭)
২. স্ত্রীর প্রতি ইমোশনাল কেয়ার: ইসলাম কী বলে?
আপনার স্বামী যেভাবে আচরণ করছেন—“ফোন নিয়ে বসে থাকা, আপনার খোঁজ না নেওয়া, অসুস্থতায় সেবা না করা, ঘুমের সময় জড়িয়ে না ধরা”—এটি ইসলামের শিক্ষার বিপরীত।
রাসূল ﷺ বলেন:
خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لِأَهْلِهِ، وَأَنَا خَيْرُكُمْ لِأَهْلِي
"তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সেই, যে তার পরিবারের কাছে সর্বোত্তম। আর আমি আমার পরিবারের কাছে সর্বোত্তম।" (তিরমিযি, ইবনে মাজাহ, সহিহ)
ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) বলেন:
"স্বামীর জন্য ওয়াজিব হলো স্ত্রীর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা, তাকে কষ্ট না দেওয়া, এবং তার অনুভূতির প্রতি খেয়াল রাখা। যদি স্ত্রী মন খারাপ করে, তাহলে তাকে সান্ত্বনা দেওয়া এবং তার মন ভালো করার চেষ্টা করা স্বামীর কর্তব্য।" (মাজমু’ ফাতাওয়া, ৩২/২১৫)
শায়খ সালেহ আল-ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন:
"যে স্বামী কেবল শারীরিক প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে যায়, কিন্তু তার মনোযোগ, সময়, ও স্নেহ দেয় না, সে তার দায়িত্বে অবহেলা করে। এটা ইসলামের দৃষ্টিতে নিন্দনীয়।" (আল-মুনতাকা, ৩/২৮৪)
৩. "স্বামীর অনুগত হওয়া ফরজ, মন খারাপ করা উচিত নয়"—এ কথার জবাব
স্ত্রীর জন্য স্বামীর আনুগত্য ফরজ, কিন্তু তা মা’রুফ (সদ্ব্যবহার)-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। যদি স্বামী নিজেই সদ্ব্যবহার না করে, তাহলে স্ত্রীর পক্ষে সবসময় অনুকূল থাকা সম্ভব নয়।
আল্লাহ বলেন:
فَإِنْ أَطَعْنَكُمْ فَلَا تَبْغُوا عَلَيْهِنَّ سَبِيلًا
"যদি তারা তোমাদের আনুগত্য করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোন পথ খোঁজো না।" (সূরা আন-নিসা ৪:৩৪)
অর্থাৎ, স্ত্রী যদি বৈধ বিষয়ে স্বামীর আনুগত্য করে, তাহলে স্বামী তার ওপর বাড়াবাড়ি করতে পারে না। যদি স্বামী আবেগীয় দিক থেকে অবহেলা করে, তাহলে স্ত্রীর মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক—একে শয়তানের কাজ বলা ঠিক নয়, বরং স্বামীর দায়িত্বের ঘাটতি।
শায়খ আল-আলবানী (রহঃ) বলেন:
"স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি উদাসীন থাকে, তাহলে স্ত্রীর অভিযোগ করা জায়েয। বরং ইসলাম স্ত্রীকে তার অধিকার চাইতে উৎসাহিত করে।" (সিলসিলাহ সহিহাহ, ২/২৯৮)
৪. "মন ভালো করা সুন্নত, কোথায় আছে?"—প্রমাণ
রাসূল ﷺ বলেছেন:
لَا يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يَهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلَاثٍ
"কোনো মুসলিমের জন্য জায়েয নেই যে, সে তার ভাইকে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন করবে।" (বুখারি, মুসলিম)
যদি কোনো সাধারণ মুসলিম ভাইয়ের জন্য এই নির্দেশ, তবে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক তো আরও গুরুত্বপূর্ণ। স্বামীর উচিত স্ত্রীকে অভিমান করলে তার কাছে গিয়ে মাফ চাওয়া, সান্ত্বনা দেওয়া, জড়িয়ে ধরা।
রাসূল ﷺ নিজেও তা করতেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন:
"যদি রাসূল ﷺ-এর কিছু ঘাটতি হতো, তাহলে আমি তাতে অভিমান করতাম। তখন তিনি আমার কাছে এসে আমার সন্তুষ্টির চেষ্টা করতেন।" (ইবনে হিব্বান, সহিহ)
ইবনে কাইয়িম (রহঃ) বলেন:
"স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদের সময় স্বামীর কর্তব্য হলো, স্ত্রীর মন জয় করার চেষ্টা করা। এটি সুন্নতের অংশ।" (যাদুল মা’আদ, ৪/২১০)
৫. আপনাদের করণীয়
ক. ধৈর্য ধারণ ও দুআ
ধৈর্য ধরে আল্লাহর কাছে দুআ করুন। নবী ইউনুস (আঃ)-এর দুআ পড়তে পারেন:
لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
খ. মধ্যস্থতাকারী (পরামর্শদাতা)
একজন বিজ্ঞ আলিম বা পরিবারের সিনিয়র সদস্য (যে উভয়ের কল্যাণ কামনা করেন) দিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন। রাসূল ﷺ বলেন:
وَالصُّلْحُ خَيْرٌ
"সন্ধি (আপোস) উত্তম।" (সূরা আন-নিসা ৪:১২৮)
গ. স্বামীর সঙ্গে দ্বীনি শিক্ষা
স্বামীকে ইসলামে স্ত্রীর হক সম্পর্কে জানান—কিন্তু বিনয় ও ভালোবাসা দিয়ে। আপনি বোঝাতে পারেন:
- "আপনি যদি আমাকে একটু সময় দেন, তাহলে আমাদের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে, যা আল্লাহর নৈকট্য এনে দেবে।"
- নবী ﷺ-এর সুন্নত উল্লেখ করুন: তিনি স্ত্রীদের প্রতি কেমন ছিলেন।
ঘ. নিজের যত্ন নিন
- আপনার ইবাদতে মন দিন। নামাজ, দুআ, কুরআন তিলাওয়াত করুন।
- আপনার জন্য একটি রুটিন তৈরি করুন—স্বামীর অবহেলা সত্ত্বেও নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।
- প্রয়োজনে একজন ডাক্তার বা কাউন্সেলরের সাহায্য নিন, কারণ ডিপ্রেশন গুরুতর বিষয়।
ঙ. তালাকের প্রয়োজন নেই, তবে চরম পর্যায়ে বিচ্ছেদ বৈধ
তালাক একেবারে শেষ বিকল্প। তবে যদি স্বামী সম্পূর্ণরূপে আপনার অধিকার অস্বীকার করে এবং আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে খোলা (স্ত্রীর পক্ষ থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ) নেওয়া জায়েয। কিন্তু আগে পরামর্শ ও সাবধানতা জরুরি।
৬. সংক্ষিপ্ত উপসংহার
- আপনার সমস্যাটি আপনার স্বামীর আবেগীয় ও মানসিক উদাসীনতা।
- ইসলামের দৃষ্টিতে এটি স্বামীর অপরাধ—তাকে তার কর্তব্য পালন করতে হবে।
- আপনার দায়িত্ব ধৈর্য ধরা, আল্লাহর ওপর ভরসা করা, এবং সুন্দরভাবে বিষয়টি বোঝাতে চেষ্টা করা।
- মুক্তির উপায় হলো: একসঙ্গে দ্বীনি জ্ঞান অর্জন, মধ্যস্থতাকারী, বেশি বেশি দুআ, এবং আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ।
শেষ কথা:
আপনি যদি মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করেন তবুও আপনার স্বামী যদি না বদলায়, তবে আপনি নিরপরাধ। কিন্তু আল্লাহর হুকুম হলো—তোমরা সর্বাবস্থায় সদ্ব্যবহার করবে। আপনি আপনার অধিকার চাইতে পারেন এবং উচিত উপায়ে তা দাবি করতেও পারেন।
اللهم أصلح بينهما واجعل بينهما مودة ورحمة
রেফারেন্স:
- সূরা আন-নিসা ৪:১৯
- সূরা আর-রুম ৩০:২১
- বুখারি, মুসলিম (রাসূলের ব্যবহার)
- তিরমিজি: "খায়রুকুম লি-আহলিহি"
- ইবনে তাইমিয়া, মাজমু’ ফাতাওয়া
- ইবনে উসাইমীন, লিকাউশ শাহরি
- শায়খ বিন বাজ, ফাতাওয়া
- ইবনে কাইয়িম, যাদুল মা’আদ
আল্লাহ আপনাকে ধৈর্য ও সমাধান দান করুন। আমীন।