সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ

Family Life · Ahle Hadith / Salafi

Question No: 29
Questioner: Hazi Emdadullah
Question Asked: 09 May 2026, 05:58 PM
Reviewed & Published: 09 May 2026, 06:13 PM
Views: 68
Tokens: 997
This answer is according to the 'Ahle Hadith / Salafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

মহিলাদের তিন মাসের ইঞ্জেকশন লাগানো জায়েজ আছে কিনা?

Answer

মহিলাদের তিন মাসের গর্ভনিরোধক ইঞ্জেকশন (যেমন ডেপো-প্রোভেরা) ব্যবহার করা জায়েজ কি না, তা নির্ভর করে কিছু শর্তের ওপর। ইসলামী শরিয়তে সন্তান জন্মনিয়ন্ত্রণের অনুমতি আছে, তবে সেটা স্থায়ী বন্ধ্যাকরণের জন্য নয়, বরং অস্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে এবং নির্দিষ্ট কারণ সাপেক্ষে।

সালাফি/আহলে হাদীস মতে নির্দেশিকা:

১. স্থায়ী বন্ধ্যাকরণ নয়: এই ইঞ্জেকশন অস্থায়ীভাবে গর্ভধারণ বন্ধ করে, যা পরবর্তীতে আবার স্বাভাবিক হতে পারে। তাই এটি স্থায়ী বন্ধ্যাকরণের (নাসবন্দী) পর্যায়ে পড়ে না, যা সাধারণত হারাম।

২. স্বামীর অনুমতি প্রয়োজন: স্ত্রীর জন্য স্বামীর অনুমতি ছাড়া জন্মনিয়ন্ত্রণের কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করা জায়েজ নয়, কারণ সন্তান ধারণের অধিকার উভয়েরই রয়েছে। তাই স্বামীর সম্মতি আবশ্যক।

৩. উদ্দেশ্য ও প্রয়োজন: যদি চিকিৎসাগত কারণে (যেমন মায়ের স্বাস্থ্যঝুঁকি, দীর্ঘ ব্যবধানে সন্তান নেওয়ার প্রয়োজন) বা পরিবারের সীমিত সামর্থ্যের মতো বৈধ কারণে ব্যবহার করা হয়, তবে তা জায়েজ হতে পারে। অবৈধ কারণে (যেমন সন্তানের ভয় বা স্বার্থপরতা) ব্যবহার করা অনুচিত।

৪. স্বাস্থ্যগত ক্ষতি: যদি এই ইঞ্জেকশনের কারণে নারীর স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তা ব্যবহার করা জায়েজ হবে না। কারণ ইসলামে শরীরের ক্ষতি করা নিষিদ্ধ।

সারসংক্ষেপ: বৈধ প্রয়োজন, স্বামীর অনুমতি, এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি না থাকলে তিন মাসের ইঞ্জেকশন ব্যবহার করা জায়েজ হতে পারে। তবে শুধু সন্তান না চাওয়ার কারণে বা স্বামীর অজান্তে এটি ব্যবহার করা হারামের কাছাকাছি।

(সূত্র: ইসলামিক ফিকাহ একাডেমি ও সালাফি স্কলারদের মতামতের ভিত্তিতে, যেমন শায়খ ইবনে বাজ, শায়খ ইবনে উসাইমিন রাহিমাহুমুল্লাহ)


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.