বিয়ে হয়েছে কিনা
Marriage and Divorce · Hanafi
Question
এখন প্রশ্ন তাহলে কি করবে মেয়েটার বিয়ে হয়ে সংসার করছে অনেক দিন
তাহলে কি বর্তমান বিয়েটা বৈধ কি ?
ছেলেটা আবার জিজ্ঞাসা করে যে সে কি কবুল বলেছিল ছেলেটা বলে না বলে মেয়ে কি কবুল বলে ছিল ছেলে বলে না হাসছিল। ছেলেটা কে জিজ্ঞাসা করা হয় যে কোনো ছেলে ছিল ছেলে বলে না ।
মেয়েটি যে ছেলেটা কে বলেছিল যে আমাকে তালাক দে বলে আমি তোকে তালাক দিলে ফের তোর বর কে বিয়ে করতে হবে এই কথা টা শুনে চুপ করে গিয়েছিল মেয়ে টি । এই কথার কারণে কি বর্তমান বিয়ের কোনো ক্ষতি হবে?
বিয়ে হয়েগিয়েছিল সন্দেহে ছেলেটার বলে তালাক দে ছেলেটা বলে কি বলতে হবে মেয়েটা বলে বল তোকে তালাকে বায়েন দিলাম ছেলেটা হাসতে হাসতে বলে ।
ছেলে টা তালাক দেওয়ার কারণে কি মেয়েটার বর্তমান বিয়ে কোনো ক্ষতি হবে?
ছেলেটার বুবু মেয়েটি বান্ধবী ওর কাছে মেয়েটা সব কিছু বলে তাই বলে জানিস যার যার পিছনে লাগতাম তার তার বলব যে তোরা আমার তালাক দে তাদের কাছ থেকে তালাক নিয়ে আমার বরের সঙ্গে আবার বিয়ে করব
এই সব কথা বলার জন্য কি আমার বরের সঙ্গে আমার সম্পর্কের কোনো ক্ষতি হবে ?
2।একটা মেয়ে তার থেকে 3 বছরের বড় একটা ছেলেকে বিয়ে কর না আমার বা বিয়ে করবি আমার তখন ছেলেটা বলেছিল হ্যাঁ তাহলে ঘুঁটে চাপরা দিতে হবে ।
আবার মেয়েটা ছেলে তার বলত কাজকাম না করলে আমার আব্বা তোর সঙ্গে বিয়ে দেবে না।
একদিন ছেলেটার মা মেয়েটাকে তুমি তুমি করে বলে বলেছে যে শাশুড়ি হয় তো বা বলেছে হবে তো তাই তুমি তুমি করে আর কারোর করে না
এই সব কথাই কি বিয়ে হয়ে যায় ?
3।একটা ছেলে অনেক বা একটা মেয়ের সামনে বসে একটা মেয়েকে বলে যে বিয়ে করোনা খাই তখন মেয়েটা বলে চল তোর সঙ্গে বিয়ে করব তখন ছেলেটা বলে ঠিক আছে ।
আবার ছেলেটা একদিন বলে ছিল বিয়ে করে আসি তখন মেয়েটা বলে যে তোর আব্বার বল তারপর
এর দ্বারা কি কোনো বিয়ে হলো
Answer
বিয়ে হয়েছে কিনা — বিস্তারিত ফিকহি জবাব
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন, ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা সাইয়্যিদিল মুরসালিন, আম্মা বাদ:
প্রশ্নটি দীর্ঘ এবং একাধিক ঘটনা-পরম্পরা সংবলিত। তাই প্রথমে শরীয়তের মূলনীতি (নিকাহর শর্ত ও আরকান) স্পষ্ট করে নেওয়া জরুরি, তারপর প্রশ্নের প্রতিটি অংশের পৃথক জবাব দেওয়া হবে।
প্রথমে মূলনীতি: হানাফি মাযহাবে নিকাহ সহিহ হওয়ার শর্তসমূহ
হানাফি ফিকহ অনুযায়ী নিকাহ (বিয়ে) সহিহ হওয়ার জন্য নিম্নলিখিত শর্তগুলো অপরিহার্য:
১. ইজাব ও কবুল (প্রস্তাব ও সম্মতি) — একই মজলিসে (সভা/বৈঠকে)। ২. দুইজন পুরুষ বা একজন পুরুষ ও দুইজন মহিলা সাক্ষী উপস্থিত থাকা — যারা ইজাব-কবুল শুনবে। ৩. সাক্ষীদের সামনে ইজাব-কবুল উচ্চারিত হওয়া। ৪. মজলিস এক হওয়া — ইজাব ও কবুল একই বৈঠকে হতে হবে। ৫. তামাসুখ/হাসি-ঠাট্টা বর্জিত হওয়া — অর্থাৎ ইজাব-কবুল যদি ঠাট্টা-মশকরা হিসেবে হয়, তবে তা নিকাহ সাব্যস্ত করে না।
আল-হিদায়া গ্রন্থে ইমাম বুরহানুদ্দিন আল-মারগিনানি (রহ.) বলেন: "وَيَنْعَقِدُ النِّكَاحُ بِالْإِيجَابِ وَالْقَبُولِ... وَلَا يَنْعَقِدُ بِالْهَزْلِ" অর্থাৎ নিকাহ ইজাব-কবুল দ্বারা সম্পন্ন হয়, আর ঠাট্টা-মশকরা দ্বারা সম্পন্ন হয় না। — আল-হিদায়া, কিতাবুন নিকাহ, বাবু আরকানিন নিকাহ
রাদ্দুল মুহতার (ইবনে আবিদিন শামি)-এ উদ্ধৃত: "لَوْ قَالَ أَحَدُهُمَا هَازِلًا لَا يَنْعَقِدُ النِّكَاحُ بِلَا خِلَافٍ" অর্থাৎ উভয়ের একজনও যদি ঠাট্টা করে বলে, তবে নিকাহ সাব্যস্ত হবে না — এতে কোনো মতভেদ নেই। — রাদ্দুল মুহতার, কিতাবুন নিকাহ, ৩/২২
ফাতাওয়া আলমগিরি-তে: "النِّكَاحُ لَا يَنْعَقِدُ بِالْهَزْلِ وَاللَّعِبِ" — ফাতাওয়া আলমগিরি, কিতাবুন নিকাহ, ১/২৭৬
ফাতাওয়া উসমানি (মুফতি তাকি উসমানি)-তে: "نکاح کے لیے ایجاب و قبول کا سنجیدگی سے ہونا ضروری ہے، ہنسی مذاق سے نکاح منعقد نہیں ہوتا" — ফাতাওয়া উসমানি, কিতাবুন নিকাহ, ২/৩২১
সারকথা: ঠাট্টা-মশকরা, হাসি-তামাশা, বা "বিয়ে করবি" ধরনের কথাবার্তা দ্বারা নিকাহ কখনোই সাব্যস্ত হয় না — এমনকি যদি কেউ ভুলে "কবুল" শব্দও বলে ফেলে, তবুও যেহেতু তা মজলিসে ঠাট্টা হিসেবে হয়েছে এবং সাক্ষী ও পূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া হয়েছে, সেহেতু নিকাহ হয়নি।
১ম প্রশ্নের জবাব: "আম গাছের ছাল, জাম গাছের ছাল..." — এই ধরনের ইয়ার্কি দ্বারা কি বিয়ে হয়েছে?
উত্তর: না, কখনোই বিয়ে হয়নি। নিম্নলিখিত কারণে:
(ক) এটি ছিল সম্পূর্ণ ঠাট্টা-মশকরা (হাযল)
প্রশ্নেই স্পষ্ট — "সবাই মিলে ইয়ার্কি করতে করতে বলে... বলো কবুল"। এটি স্পষ্টতই হাযল (ঠাট্টা)। আর হানাফি মাযহাবে হাযল দ্বারা নিকাহ সাব্যস্ত হয় না — এটি সর্বসম্মত।
শরহু মাআনিল আসার (ইমাম তহাবি)-তে: "لَا نِكَاحَ فِي الْهَزْلِ" — শরহু মাআনিল আসার, কিতাবুন নিকাহ
(খ) সাক্ষীর শর্ত পূর্ণ হয়নি
প্রশ্নে বলা হয়েছে — "সঙ্গে অনেক মেয়ে ছিল ছেলে ছিল কি মনে পড়ে না"। অর্থাৎ সাক্ষীদের উপস্থিতি ও তাদের ইজাব-কবুল শ্রবণ নিশ্চিত নয়। সাক্ষী ছাড়া নিকাহ সহিহ হয় না।
আল-হিদায়া: "وَلَا يَنْعَقِدُ النِّكَاحُ إِلَّا بِشَاهِدَيْنِ" — আল-হিদায়া, কিতাবুন নিকাহ
(গ) মেয়েটি নিজেই নিশ্চিত নয় যে সে "কবুল" বলেছিল কিনা
প্রশ্নে স্পষ্ট — "কবুল বলে ছিল কিনা মনে নেই কারণ সে বাচ্ছা মত বলে"। সন্দেহের ভিত্তিতে নিকাহ সাব্যস্ত হয় না — ইয়াকিন (নিশ্চয়তা) প্রয়োজন।
ইসলামি মূলনীতি (কাওয়াইদ ফিকহিয়্যা): "الْيَقِينُ لَا يَزُولُ بِالشَّكِّ" অর্থাৎ নিশ্চিত বিষয় সন্দেহ দ্বারা দূর হয় না।
(ঘ) ছেলেটির বয়স ছিল মাত্র ১৪-১৫ বছর এবং সে "হ্যাঁ" বলেনি
প্রশ্নে স্পষ্ট — ছেলেটি বলে "আমি তো কখনো হ্যাঁ বলিনি বা মন থেকে সম্মতি ছিলাম না"। ছেলের পক্ষ থেকে কোনো ইজাবই হয়নি। ইজাব ছাড়া নিকাহ অসম্ভব।
(ঙ) মেয়েটির বর্তমান বিয়ে সম্পূর্ণ বৈধ
যেহেতু পূর্বের ঘটনায় কোনো সহিহ নিকাহই সংঘটিত হয়নি, সেহেতু মেয়েটির বর্তমান বিয়ে (যা পূর্ণ শর্তসহ সম্পন্ন হয়েছে) সম্পূর্ণ সহিহ ও বৈধ। এতে কোনো সন্দেহ নেই।
ইমদাদুল ফাতাওয়া (আশরাফ আলী থানভি)-তে: "ہنسی مذاق میں کہی گئی نکاح کی بات سے نکاح منعقد نہیں ہوتا، پس ایسی صورت میں عورت کا بعد میں ہونے والا نکاح معتبر ہوگا" — ইমদাদুল ফাতাওয়া, কিতাবুন নিকাহ, ২/১৪৫
"তালাক দে" — এই কথার কারণে কি বর্তমান বিয়ের ক্ষতি হবে?
উত্তর: না, কোনো ক্ষতিই হবে না। কারণ:
(ক) তালাক তখনই কার্যকর হয় যখন সহিহ নিকাহ বিদ্যমান থাকে
তালাক হলো নিকাহ বন্ধনের অবসান। যেখানে নিকাহই হয়নি, সেখানে তালাকের প্রশ্নই আসে না।
রাদ্দুল মুহতার: "الطَّلَاقُ لَا يَقَعُ إِلَّا فِي نِكَاحٍ صَحِيحٍ" — রাদ্দুল মুহতার, কিতাবুত তালাক, ৩/২৩০
(খ) ছেলেটি হাসতে হাসতে বলেছে — এটি হাযল
প্রশ্নে স্পষ্ট — "ছেলেটা হাসতে হাসতে বলে"। হাসি-ঠাট্টার সাথে বলা তালাকও হানাফি মাযহাবে কার্যকর হয় না (যদিও তালাকের ক্ষেত্রে হাযল নিয়ে মতভেদ আছে, তবে এখানে মূল বিষয় হলো নিকাহই নেই)।
আল-হিদায়া: "وَلَا يَقَعُ الطَّلَاقُ بِالْهَزْلِ عِنْدَ أَبِي حَنِيفَةَ" — আল-হিদায়া, কিতাবুত তালাক
(গ) মেয়েটির "তালাক দে" বলা এবং ছেলের "তালাক দিলাম" বলা — সবই অকার্যকর
যেহেতু নিকাহ ছিল না, সেহেতু এসব কথার কোনো শরয়ি মূল্য নেই। মেয়েটির বর্তমান স্বামীর সাথে সম্পর্ক সম্পূর্ণ অক্ষত ও হালাল।
(ঘ) "তুই তালাক দিলে ফের তোর বরকে বিয়ে করতে হবে" — এই কথারও কোনো প্রভাব নেই
এটি ছিল শুধু কথার কথা, কোনো শরয়ি বিধান নয়। এতে বর্তমান নিকাহে কোনো ক্ষতিই হয় না।
"যার যার পিছনে লাগতাম, তার তার কাছে গিয়ে বলব তালাক দে..." — এই কথার কারণে কি স্বামীর সাথে সম্পর্কের ক্ষতি হবে?
উত্তর: না, কোনো ক্ষতিই হবে না। কারণ:
১. এগুলো শুধু মুখের কথা — কোনো শরয়ি কার্য নয়। ২. তালাক তখনই পতিত হয় যখন সহিহ নিকাহর অধীনে স্বামী তালাক দেয় — এখানে তো কোনো নিকাহই ছিল না। ৩. কোনো অপরিচিত ব্যক্তিকে "তালাক দে" বললেও তালাক পতিত হয় না — কারণ তালাকের অধিকার শুধু স্বামীর। ৪. মেয়েটির বর্তমান স্বামীর সাথে সম্পর্ক সম্পূর্ণ হালাল ও বৈধ।
ফাতাওয়া উসমানি: "نکاح کے بغیر طلاق کا کوئی تصور نہیں، اور ایسی صورت میں طلاق کے الفاظ کا کوئی اثر نہیں ہوتا" — ফাতাওয়া উসমানি, কিতাবুত তালাক, ২/৪৫৬
বেহেশতি জেওর (আশরাফ আলী থানভি)-তে: "جس عورت کا نکاح نہ ہوا ہو، اس پر طلاق واقع نہیں ہوتی" — বেহেশতি জেওর, কিতাবুন নিকাহ
২য় প্রশ্নের জবাব: "বিয়ে করবি? — হ্যাঁ, তাহলে ঘুঁটে চাপড়া দিতে হবে" — এই ধরনের কথা দ্বারা কি বিয়ে হয়?
উত্তর: না, কখনোই বিয়ে হয় না। কারণ:
(ক) এটি স্পষ্টতই ঠাট্টা-মশকরা
"ঘুঁটে চাপড়া দিতে হবে" — এটি একটি প্রবাদ/ঠাট্টার কথা। এতে কোনো ইজাব-কবুলের সিরিয়াসনেস নেই।
(খ) সাক্ষী নেই
প্রশ্নে কোনো সাক্ষীর উল্লেখ নেই। সাক্ষী ছাড়া নিকাহ হয় না।
(গ) "আমার আব্বা তোর সঙ্গে বিয়ে দেবে না" — এটি শর্ত, নিকাহ নয়
এটি ভবিষ্যতের সম্ভাবনার কথা, নিকাহর ইজাব-কবুল নয়।
(ঘ) "শাশুড়ি হয় তো" — এটি শুধু সম্বোধন
ছেলের মা মেয়েটিকে "তুমি" বলে সম্বোধন করেছে — এটি শুধু কথাবার্তা, নিকাহ নয়। শাশুড়ি-বউমার সম্পর্ক নিকাহ ছাড়া সাব্যস্ত হয় না।
রাদ্দুল মুহতার: "لَا يَثْبُتُ النَّسَبُ وَلَا الْمُصَاهَرَةُ إِلَّا بِنِكَاحٍ صَحِيحٍ" — রাদ্দুল মুহতার, কিতাবুন নিকাহ, ৩/২২
সারকথা: ২য় প্রশ্নের সমস্ত কথাবার্তা শুধু কথার কথা — এতে কোনো নিকাহ সাব্যস্ত হয়নি।
৩য় প্রশ্নের জবাব: "বিয়ে করোনা খাই" — "চল তোর সঙ্গে বিয়ে করব" — "ঠিক আছে" — এতে কি বিয়ে হলো?
উত্তর: না, কোনো বিয়েই হয়নি। কারণ:
(ক) এটি স্পষ্টতই ঠাট্টা-মশকরা
"বিয়ে করোনা খাই" — এটি রসিকতার কথা। "চল তোর সঙ্গে বিয়ে করব" — এটিও ঠাট্টা। "ঠিক আছে" — এটিও ঠাট্টার উত্তর।
(খ) সাক্ষী নেই
কোনো সাক্ষীর উল্লেখ নেই।
(গ) "তোর আব্বার বল" — এটি শর্ত, নিকাহ নয়
এটি ভবিষ্যতের কথা — "আব্বার অনুমতি নে" — এটি নিকাহর ইজাব-কবুল নয়।
(ঘ) মজলিস এক নয়
প্রশ্নে স্পষ্ট — "আবার ছেলেটা একদিন বলে ছিল বিয়ে করে আসি" — এটি ভিন্ন দিনের কথা। ইজাব-কবুল একই মজলিসে হতে হবে।
আল-হিদায়া: "وَيُشْتَرَطُ اتِّحَادُ الْمَجْلِسِ" — আল-হিদায়া, কিতাবুন নিকাহ
ফাতাওয়া আলমগিরি: "لَوْ أَوْجَبَ أَحَدُهُمَا فِي مَجْلِسٍ وَقَبِلَ الْآخَرُ فِي مَجْلِسٍ آخَرَ لَا يَنْعَقِدُ" — ফাতাওয়া আলমগিরি, কিতাবুন নিকাহ, ১/২৭৭
সারকথা: ৩য় প্রশ্নের সমস্ত কথাবার্তা শুধু ঠাট্টা — এতে কোনো নিকাহ সাব্যস্ত হয়নি।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত (খুলাসা)
| প্রশ্ন | জবাব | |--------|------| | ১ম ঘটনার ইয়ার্কি দ্বারা কি বিয়ে হয়েছিল? | না — হাযল, সাক্ষীহীন, সন্দেহপূর্ণ, ছেলের ইজাব নেই | | মেয়েটির বর্তমান বিয়ে বৈধ কি? | হ্যাঁ, সম্পূর্ণ বৈধ ও সহিহ | | "তালাক দে" কথার কারণে ক্ষতি? | না — নিকাহই ছিল না, তালাক অকার্যকর | | "তালাক দিলাম" (হাসতে হাসতে) — ক্ষতি? | না — নিকাহ নেই, হাযল | | "তোর বরকে বিয়ে করতে হবে" — ক্ষতি? | না — শুধু কথার কথা | | "যার পিছনে লাগতাম তাকে বলব তালাক দে" — ক্ষতি? | না — কোনো শরয়ি প্রভাব নেই | | ২য় ঘটনার কথাবার্তা দ্বারা বিয়ে? | না — ঠাট্টা, সাক্ষীহীন | | ৩য় ঘটনার কথাবার্তা দ্বারা বিয়ে? | না — ঠাট্টা, সাক্ষীহীন, মজলিস ভিন্ন |
আল্লাহ ভালো জানেন।