আমার ঈমান বিবাহিত জীবন ঠিক আছে কিনা। আপনাদের উত্তর এর উপর আমল করলাম। আল্লাহ না করুক কোনো সমস্যা হলে আপনারা দায়ী থাকবেন। কারন আমি বার বার প্রশ্ন করে বিস্তারিত বলেছি।
Faith and Belief · Hanafi
Question No:
7554
Questioner:
Sadika
Question Asked:
29 Oct 2026, 04:26 PM
Reviewed & Published:
29 Oct 2026, 04:57 PM
Views:
12
Tokens:
13,243
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by
.
Question
১)আমার আল্লাহ নবীকে নিয়ে মনে মনে বাজে কথা চলে আসে। তখন আমি নখ কামড়াতে কামড়াতে বলি, মানে চিন্তা করতে থাকি, বাজে কথা আসলেই আমি বলি আল্লাহ মহান। আবার নবীকে নিয়ে আসলে তখন বলি নবী মহান। পরে আমি এক সময় হঠাৎ বলে ফেলি তারা দুইজন ই ভালো। এখন আমি শুধু ভালো বলছিলাম নাকি ভালো মানুষ বলছিলাম আমার মনে পড়ে না। আমি আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ে মাফ চাইছি। এখন আমার ঈমানে কি কোনো সমস্যা হবে?
২) ভালো বলছি নাকি মানুষ ও বলছি মানে তারা দুইজন এ ভালো / নাকি ভালো মানুষ ও বলছি,
এটা যদি মুখে উচ্চারণ করে বলে ফেলি তাহলে কোনো সমস্যা হবে?
৩) মানুষ তো সবাইকে বলা যায় না। এই জন্যই আমার টেনশন হচ্ছে। যদি আমি মুখে উচ্চারণ করে মানুষ ও বলে থাকি তাহলে কি আমার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?
৪) আল্লাহর ক্ষেত্রে" মানুষ বলা "এটা তো আমি বিশ্বাস করি না। তাই যদি ভুলে মুখে উচ্চারণ করে বলে ফেলি। বলে থাকি। তাহলে আমার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?
৫) এখানে দুইজন কেই মহান বললাম এই জন্য ঈমানে কোনো সমস্যা হবে? আল্লাহর সাথে তো কারোর তুলনা হয় না।
৬) আপনারা আমাকে বেশ কয়েকবার উত্তর দিয়েছেন আমার ঈমান ঠিক আছে। বিয়ে ঠিক আছে। আমি আরো দুইজন মুফতি থেকে সিউর হয়েছি, তারাও সেইম কথা বলেছেন। কিন্তু আমার মন মানছে না। উত্তর দিলে কিছুক্ষন ঠিক থাকি। এর পরে সব ভুলে যাই। আবার শুরু হয় টেনশন। সব সময় মনের মধ্যে একটাই টেনশন কাজ করে আমার ঈমান বিয়ে ঠিক আছে কিনা? আমি এখন কি করবো? কিভাবে মন কে বুঝাবো?
৭) শুধু মনে হয় সেদিন কি বলেছিলাম। যদি ঈমানে কোনো সমস্যা হয়, বিয়েতে কোনো সমস্যা হয় আল্লাহ না করুক। তাহলে হাসবেন্ড এর সাথে নরমাল দাম্পত্য রিলেশন রাখবো কিভাবে। হাসবেন্ড এর কাছে গেলেই মনে হইতেছে আমি কি কিছু উচ্চারণ করে বলেছিলাম। আমি আসলে কি বলেছিলাম। ঈমান বিয়ে কি ঠিক আছে? এই ভয়ে হাসবেন্ড থেকে দুরে দুরে থাকি। এখন আমি কি করবো?
৮) ওসওয়াসা তে আক্রান্ত কিনা তাও তো বুঝি না। কারন আমি সারাদিন নরমাল কাজ করি। খাই, সংসার এর কাজ করি। মনে হয় সব তো আমি ইচ্ছা করেই করতেছি। সেদিন ও মনে হয় আমি ইচ্ছা করেই বলেছিলাম সব। কিন্তু আমার মনে শয়তান এর প্ররোচনা প্রতিহত করতে আমি এভাবে বলে ফেলি। উপরে ১-৫ যা বলছি। আমার উদ্দেশ্য ছিল যেহেতু খারাপ কথা আসতেছে ভালো বলে রিপ্লেস করা।
কিন্তু হাসবেন্ড কে দেখলেই ভয় লাগে, মনের মধ্যে চাপ লাগে আমার ঈমান ঠিক আছে তো, বিয়ে ঠিক আছে তো। আমি চাই আমার হাসবেন্ড এর সাথে নরমাল রিলেশন রাখতে। এসব যাতে মনে না আসে আমার। কিন্তু আমি পারছি না।
৯) বার বার আপনাদের একই প্রশ্ন করতে ভালো লাগে না। আপনারাও বিরক্ত হোন। কিন্তু আমি যে কোনো উত্তর এই শান্তি পাচ্ছি না। সংসারে মন দিতে পারছি না। হাসবেন্ড থেকে দুরে দুরে থাকি। মনে হয় মুফতি সাহেব রা আমার প্রশ্ন না বুঝেই উত্তর দিতেছে। এখন আমি কি করবো?
১০) আপনারা আমাকে উত্তর দেন এভাবে যে আপনি যদি ইচ্ছাকৃত বিশ্বাস নিয়ে কিছু বলেন তাহলে ঈমানের জন্য বিপদজনক। আমি তো ইচ্ছাকৃত বলতে চাই নাই। কারন আমার উদ্দেশ্য ছিল সব ভালো বলা। তার পরেও এই উত্তর কেন দেন। দিয়ে তো আমাকে আরো টেনশন এ ফেলেন। যে আমি কি ইচ্ছাকৃত বললাম নাকি অনিচ্ছাকৃত।
১১) দয়া করে এ আই উত্তর না দিয়ে একটু বলে দিন আমার ঈমান বিবাহিত জীবন ঠিক আছে কিনা?
২) ভালো বলছি নাকি মানুষ ও বলছি মানে তারা দুইজন এ ভালো / নাকি ভালো মানুষ ও বলছি,
এটা যদি মুখে উচ্চারণ করে বলে ফেলি তাহলে কোনো সমস্যা হবে?
৩) মানুষ তো সবাইকে বলা যায় না। এই জন্যই আমার টেনশন হচ্ছে। যদি আমি মুখে উচ্চারণ করে মানুষ ও বলে থাকি তাহলে কি আমার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?
৪) আল্লাহর ক্ষেত্রে" মানুষ বলা "এটা তো আমি বিশ্বাস করি না। তাই যদি ভুলে মুখে উচ্চারণ করে বলে ফেলি। বলে থাকি। তাহলে আমার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে?
৫) এখানে দুইজন কেই মহান বললাম এই জন্য ঈমানে কোনো সমস্যা হবে? আল্লাহর সাথে তো কারোর তুলনা হয় না।
৬) আপনারা আমাকে বেশ কয়েকবার উত্তর দিয়েছেন আমার ঈমান ঠিক আছে। বিয়ে ঠিক আছে। আমি আরো দুইজন মুফতি থেকে সিউর হয়েছি, তারাও সেইম কথা বলেছেন। কিন্তু আমার মন মানছে না। উত্তর দিলে কিছুক্ষন ঠিক থাকি। এর পরে সব ভুলে যাই। আবার শুরু হয় টেনশন। সব সময় মনের মধ্যে একটাই টেনশন কাজ করে আমার ঈমান বিয়ে ঠিক আছে কিনা? আমি এখন কি করবো? কিভাবে মন কে বুঝাবো?
৭) শুধু মনে হয় সেদিন কি বলেছিলাম। যদি ঈমানে কোনো সমস্যা হয়, বিয়েতে কোনো সমস্যা হয় আল্লাহ না করুক। তাহলে হাসবেন্ড এর সাথে নরমাল দাম্পত্য রিলেশন রাখবো কিভাবে। হাসবেন্ড এর কাছে গেলেই মনে হইতেছে আমি কি কিছু উচ্চারণ করে বলেছিলাম। আমি আসলে কি বলেছিলাম। ঈমান বিয়ে কি ঠিক আছে? এই ভয়ে হাসবেন্ড থেকে দুরে দুরে থাকি। এখন আমি কি করবো?
৮) ওসওয়াসা তে আক্রান্ত কিনা তাও তো বুঝি না। কারন আমি সারাদিন নরমাল কাজ করি। খাই, সংসার এর কাজ করি। মনে হয় সব তো আমি ইচ্ছা করেই করতেছি। সেদিন ও মনে হয় আমি ইচ্ছা করেই বলেছিলাম সব। কিন্তু আমার মনে শয়তান এর প্ররোচনা প্রতিহত করতে আমি এভাবে বলে ফেলি। উপরে ১-৫ যা বলছি। আমার উদ্দেশ্য ছিল যেহেতু খারাপ কথা আসতেছে ভালো বলে রিপ্লেস করা।
কিন্তু হাসবেন্ড কে দেখলেই ভয় লাগে, মনের মধ্যে চাপ লাগে আমার ঈমান ঠিক আছে তো, বিয়ে ঠিক আছে তো। আমি চাই আমার হাসবেন্ড এর সাথে নরমাল রিলেশন রাখতে। এসব যাতে মনে না আসে আমার। কিন্তু আমি পারছি না।
৯) বার বার আপনাদের একই প্রশ্ন করতে ভালো লাগে না। আপনারাও বিরক্ত হোন। কিন্তু আমি যে কোনো উত্তর এই শান্তি পাচ্ছি না। সংসারে মন দিতে পারছি না। হাসবেন্ড থেকে দুরে দুরে থাকি। মনে হয় মুফতি সাহেব রা আমার প্রশ্ন না বুঝেই উত্তর দিতেছে। এখন আমি কি করবো?
১০) আপনারা আমাকে উত্তর দেন এভাবে যে আপনি যদি ইচ্ছাকৃত বিশ্বাস নিয়ে কিছু বলেন তাহলে ঈমানের জন্য বিপদজনক। আমি তো ইচ্ছাকৃত বলতে চাই নাই। কারন আমার উদ্দেশ্য ছিল সব ভালো বলা। তার পরেও এই উত্তর কেন দেন। দিয়ে তো আমাকে আরো টেনশন এ ফেলেন। যে আমি কি ইচ্ছাকৃত বললাম নাকি অনিচ্ছাকৃত।
১১) দয়া করে এ আই উত্তর না দিয়ে একটু বলে দিন আমার ঈমান বিবাহিত জীবন ঠিক আছে কিনা?
Answer
ওয়া আলাইকুম আসসালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
জবাব
আপনার বাস্তব কোনো সমস্যা হয়নি। আপনি নিশ্চিন্তে থাকুন। আল্লাহ আপনার কল্যাণ করুক।আমীন।