- স্বামীর স্বভাব চরিত্র ঠিক না থাকলে কি তালাকের চিন্তা করা যাবে?

Family Life · Hanafi

Question No: 6035
Questioner: Maria0045
Question Asked: 27 Sep 2026, 10:51 PM
Reviewed & Published: 28 Sep 2026, 03:37 AM
Views: 9
Tokens: 7,930
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম
হঠাৎ করে আমার অমতেই বলা যায় আমার বিয়ে হয়েছে। দেখতে এসেই বিয়ে হয়েছে। পাত্র দ্বীনদার না। পাত্রের পরিবার, শিক্ষাগত যোগ্যতা কোনোকিছুই আমার পছন্দ হয়নি। কুফু মেলেনি। আমি সম্পূর্ণ না করেছিলাম। কিন্তু ছেলের মায়ের কান্নাকাটি, ছেলের খালুর চালাকির কারনে দেখতে এসেই বিয়ে হয়ে যায়। তাদের কোনোদিকই আমার পছন্দ ছিল না। আর কিভাবে যে মুহুর্তের মধ্যে আমি রাজি হয়েছিলাম আমি নিজেও জানি না।
ছেলের প্রফেশন ( মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভ) আমার পছন্দ না।

এখন বিয়ের পরে আমার মানিয়ে নিতে পারছি না। তার ব্যবহার ও আমার ভালো লাগছে না। আমি দৃঢ় ছিলাম দীনদার ছাড়া কাউকে বিয়ে করবো না। এখন এই সংসারে আমি কিছুতেই মন দিতে পারছি না।
এরা আমাদের সাথে প্রতারণা ও করেছে। কথার সাথে কাজের মিল নেই।
আমি আল্লাহ ও রাসুল (স.) কে পাওয়ার জন্য দীনদার কাউকে চেয়েছিলাম।

ছেলের আচরণ দেখে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে ও টেনশনে আছি।উত্তম সন্তানের মা হতে চেয়েছিলাম সে ইচ্ছে ও আর নেই। আমার স্বামী চায় আমি চাকরি করি। সন্তান নানী,দাদী কেউ না কেউ লালন পালন করবেই। এসব ব্যবহার আমি মানতে পারছি না।

এমতাবস্থায় আমার করনীয় কি?
ডিভোর্সের চিন্তা করা উচিত কি না?

Answer

পরামর্শ: অনিচ্ছাকৃত বিবাহ ও দাম্পত্য জীবনের সমস্যা

উত্তর (সংক্ষেপে):
প্রথমেই বলতে হয়—আপনার বিবাহটি শরীয়তের দৃষ্টিতে সহীহ (বৈধ) হয়েছে, যদি তা দুজন মুসলিম সাক্ষীর উপস্থিতিতে এবং পাত্র-পাত্রীর সম্মতিতে (ইজাব-কবুল) সম্পন্ন হয়ে থাকে। ইসলামে জবরদস্তি করে বিবাহ দেওয়া নাজায়েজ; কিন্তু আপনি বলছেন যে ওই মুহূর্তে আপনি রাজি হয়েছিলেন—যদিও তা ছিল চাপ, কান্নাকাটি ও চালাকির প্রভাবে। শরীয়তে বাহ্যিক সম্মতি থাকলে বিবাহ বহাল থাকে; পরে অনুতপ্ত হওয়া বা অপছন্দ হওয়া নিজে নিজে বিবাহ ভঙ্গ করে না।

তবে আপনার বর্ণনা অনুযায়ী আপনি কুফু (সমানতা), দ্বীনদারিতা ও পারিবারিক সম্মতির বিষয়ে প্রতারিত হয়েছেন। এমতাবস্থায় তালাকের সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে নেওয়া উচিত নয়। প্রথমে ইসলামী শরীয়তের নির্দেশিত ধাপগুলো অনুসরণ করুন—সালিশ, বুঝানো, ধৈর্য, দুআ, ইস্তেখারা। যদি সবকিছুর পরেও সংসার টিকিয়ে রাখা কষ্টকর ও ক্ষতিকর হয়, তবে শরীয়ত তালাকের অনুমতি দিয়েছে; কিন্তু তা শেষ অবলম্বন।


বিস্তারিত উত্তর

১. আপনার বিবাহ কি সহীহ হয়েছে?

হাদীসে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

«لَا نِكَاحَ إِلَّا بِوَلِيٍّ وَشَاهِدَيْ عَدْلٍ»
“অভিভাবক ও দুজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী ছাড়া কোনো বিবাহ নেই।”
— সুনানে তিরমিযী: ১১০১; সুনানে আবু দাউদ: ২০৮৫; মুসনাদে আহমাদ: ১৯৪৯০ (হাসান)

আরও ইরশাদ হয়েছে:

«أَيُّمَا امْرَأَةٍ نَكَحَتْ بِغَيْرِ إِذْنِ وَلِيِّهَا فَنِكَاحُهَا بَاطِلٌ»
“যে নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করে, তার বিবাহ বাতিল।”
— সুনানে আবু দাউদ: ২০৮৩; সুনানে তিরমিযী: ১১০২

হানাফী ফিকহ অনুযায়ী:
প্রাপ্তবয়স্কা নারী নিজে বিবাহের চুক্তি করতে পারেন, তবে কুফু (সমানতা) রক্ষা করা ওয়াজিব। অভিভাবক যদি অনিচ্ছুক হন এবং কুফু না মেলে, তবে অভিভাবকের আপত্তির অধিকার থাকে।
— রাদ্দুল মুহতার (ইবনে আবিদীন): ৩/৫৫–৫৬; আল-হিদায়া: ১/১৯৪; ফাতাওয়া আলমগীরী: ১/২৮৩

আপনার ক্ষেত্রে যেহেতু আপনি নিজেই রাজি হয়েছিলেন (যদিও চাপে), এবং সম্ভবত সাক্ষী ও ইজাব-কবুল হয়েছে, তাই বিবাহ সহীহ হয়েছে। এখন শুধু “পছন্দ না হওয়া” বা “প্রতারিত হওয়া” বলে বিবাহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভেঙে যায় না।

তবে যদি প্রমাণ হয় যে জবরদস্তি করা হয়েছিল এবং আপনি অন্তরে রাজি ছিলেন না, তাহলে হানাফী মাযহাবে ইখতিয়ার (অপশন) বা ফাসখের বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে—তবে তা কাযী/মুফতীর মাধ্যমে প্রমাণসাপেক্ষ।
— রাদ্দুল মুহতার: ৩/৫৭; ফাতাওয়া উসমানী: ২/২৯৭


২. কুফু (সমানতা) না মেলা কি তালাকের কারণ?

হানাফী মাযহাবে কুফু বিবেচ্য, বিশেষত:

  • দ্বীনদারিতা
  • পেশা
  • পারিবারিক সম্মান
  • শিক্ষা ও চরিত্র

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

«إِذَا جَاءَكُمْ مَنْ تَرْضَوْنَ دِينَهُ وَخُلُقَهُ فَأَنْكِحُوهُ»
“যখন তোমাদের কাছে এমন ব্যক্তি আসে যার দ্বীন ও চরিত্রে তোমরা সন্তুষ্ট, তখন তাকে বিবাহ দাও।”
— সুনানে তিরমিযী: ১০৮৪

কিন্তু কুফু না মেলা নিজে নিজে তালাকের বৈধ কারণ নয়। এটি অভিভাবকের আপত্তির কারণ হতে পারে বিবাহের আগে। বিবাহ হয়ে যাওয়ার পর কুফু না মেলা শুধু তালাকের কারণ হিসেবে গণ্য হয় না।
— রাদ্দুল মুহতার: ৩/৫৫; ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ১/২৮৩


৩. প্রতারণা ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি

যদি পাত্রপক্ষ মিথ্যা তথ্য দিয়ে, যেমন—দ্বীনদার, শিক্ষিত, ভালো পরিবার ইত্যাদি বলে প্রতারণা করে, তাহলে তা গুনাহ ও হারাম।
কুরআনে আল্লাহ বলেন:

«إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْخَائِنِينَ»
“নিশ্চয়ই আল্লাহ বিশ্বাসঘাতকদের পছন্দ করেন না।”
— সূরা আনফাল: ৫৮

«وَلَا تَأْكُلُوا أَمْوَالَكُمْ بَيْنَكُمْ بِالْبَاطِلِ»
“তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে খেয়ো না।”
— সূরা বাকারা: ১৮৮

তবে এই প্রতারণা বিবাহ বাতিল করে না; বরং পাত্রপক্ষ গুনাহগার হবে।


৪. এখন আপনার করণীয়

(ক) ধৈর্য ও দুআ

আল্লাহ বলেন:

«وَاصْبِرُوا إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّابِرِينَ»
“তোমরা ধৈর্য ধারণ করো; নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।”
— সূরা আনফাল: ৪৬

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

«عَجَبًا لِأَمْرِ الْمُؤْمِنِ، إِنَّ أَمْرَهُ كُلَّهُ خَيْرٌ»
“মুমিনের সব কাজই আশ্চর্যজনকভাবে কল্যাণকর।”
— সহীহ মুসলিম: ২৯৯৯

প্রতিদিন সালাতুল হাজত, ইস্তেখারা, এবং সূরা ত্বহা, সূরা ইয়াসিন, সূরা ওয়াকিয়া পড়ুন। বিশেষ করে:

  • সূরা ত্বহা: ২৫–২৮ (মূসা আ.-এর দুআ)
  • সূরা ফুরকান: ৭৪ (সৎ সঙ্গী ও সন্তানের দুআ)
  • সূরা তাহরীম: ৮ (তাওবা ও পরিবার)

(খ) স্বামীর সাথে সরাসরি কথা

আপনার অনুভূতি, প্রতারণা, দ্বীনদারিতা, সন্তান লালন-পালন, চাকরি—এসব বিষয়ে শান্তভাবে ও সম্মানের সাথে কথা বলুন। রাগ, অভিযোগ বা তালাকের হুমকি দিয়ে নয়।
আল্লাহ বলেন:

«وَقُولُوا لِلنَّاسِ حُسْنًا»
“মানুষের সাথে সদালাপ করো।”
— সূরা বাকারা: ৮৩

(গ) সালিশ (মধ্যস্থতা)

কুরআনে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন:

«وَإِنْ خِفْتُمْ شِقَاقَ بَيْنِهِمَا فَابْعَثُوا حَكَمًا مِنْ أَهْلِهِ وَحَكَمًا مِنْ أَهْلِهَا»
“যদি তাদের মধ্যে বিরোধের আশঙ্কা করো, তবে এক মধ্যস্থকারী তার পরিবার থেকে এবং এক মধ্যস্থকারী তার পরিবার থেকে পাঠাও।”
— সূরা নিসা: ৩৫

অভিজ্ঞ, দ্বীনদার, নিরপেক্ষ দুইজন মুরুব্বি (একজন আপনার পক্ষ থেকে, একজন তার পক্ষ থেকে) নিয়োগ করুন। তারা উভয়ের সমস্যা শুনে সমাধানের চেষ্টা করবেন।

(ঘ) দ্বীনি শিক্ষা ও পারিবারিক পরামর্শ

স্থানীয় নির্ভরযোগ্য হানাফী মুফতী/আলেমের সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করুন। অনলাইনে নয়, সরাসরি। কারণ আপনার বিষয়টি ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল।

(ঙ) সন্তান বিষয়ে

সন্তান লালন-পালন নিয়ে আপনার দুশ্চিন্তা বৈধ। তবে ইসলামে সন্তানের লালন-পালন পিতা-মাতার দায়িত্ব, দাদী-নানীর নয়।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

«كُلُّ مَوْلُودٍ يُولَدُ عَلَى الْفِطْرَةِ»
“প্রত্যেক সন্তান ফিতরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে।”
— সহীহ বুখারী: ১৩৮৫; সহীহ মুসলিম: ২৬৫৮

সন্তানকে দ্বীনদার বানানোর দায়িত্ব আপনার ও স্বামীর। দাদী-নানীর উপর ছেড়ে দেওয়া ঠিক নয়। এ বিষয়ে স্বামীকে বোঝান।

(চ) চাকরি বিষয়ে

ইসলামে স্ত্রীর ভরণপোষণ (নফকা) স্বামীর দায়িত্ব। স্ত্রী চাকরি করতে বাধ্য নয়।
আল্লাহ বলেন:

«وَعَلَى الْمَوْلُودِ لَهُ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ»
“সন্তানের পিতার দায়িত্ব হলো তাদের খাদ্য ও পোশাকের ব্যবস্থা করা।”
— সূরা বাকারা: ২৩৩

তবে স্ত্রী স্বামীর অনুমতি নিয়ে চাকরি করতে পারেন, যদি পরিবার, পর্দা ও দ্বীনি দায়িত্ব ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
— রাদ্দুল মুহতার: ৩/৫৭২; ফাতাওয়া উসমানী: ২/৪৪৫


৫. তালাকের চিন্তা করা উচিত কি?

সরাসরি উত্তর: এখনই তালাকের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। কারণ:

  1. তালাক ইসলামে অপছন্দনীয়।
    রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

    «أَبْغَضُ الْحَلَالِ إِلَى اللَّهِ الطَّلَاقُ»
    “আল্লাহর কাছে সবচেয়ে অপছন্দনীয় হালাল বস্তু হলো তালাক।”
    — সুনানে আবু দাউদ: ২১৭৮; ইবনে মাজাহ: ২০১৮ (হাসান)

  2. আপনার সমস্যাগুলো সমাধানযোগ্য হতে পারে—সালিশ, বুঝানো, দ্বীনি শিক্ষা, ধৈর্য, দুআ।

  3. তালাকের পর সামাজিক, পারিবারিক, মানসিক ও দ্বীনি পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে।

  4. আপনি নিজেই বলেছেন—আপনি দ্বীনদার স্বামী চেয়েছিলেন। এখন যদি স্বামী দ্বীনদার না হন, তবে তাকে দ্বীনের পথে আনার চেষ্টা করুন। এটি আপনার জন্য সদকায়ে জারিয়া হতে পারে।

তবে কিছু ক্ষেত্রে তালাক জায়েজ, যেমন:

  • স্বামী দ্বীন থেকে দূরে, ফরজ ইবাদত ত্যাগ করে
  • শারীরিক/মানসিক নির্যাতন
  • নফকা না দেওয়া
  • চরম অশ্লীলতা বা হারাম কাজে লিপ্ত থাকা
  • দাম্পত্য অধিকার আদায় না করা

এমতাবস্থায় ইসলামী আদালত/মুফতীর পরামর্শে খুলা বা তালাক নেওয়া যেতে পারে।
— রাদ্দুল মুহতার: ৩/৪৪১; ফাতাওয়া উসমানী: ২/৩৮৯; ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ১/৫০০


৬. ধাপে ধাপে করণীয় (সারসংক্ষেপ)

| ধাপ | করণীয় | |------|--------| | ১ | প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত সালাত, কুরআন তিলাওয়াত, ইস্তেগফার | | ২ | ইস্তেখারা ও সালাতুল হাজত পড়ে দুআ | | ৩ | স্বামীর সাথে শান্তভাবে কথা, অনুভূতি প্রকাশ | | ৪ | দুই পরিবারের নিরপেক্ষ মুরুব্বি দিয়ে সালিশ | | ৫ | স্থানীয় হানাফী মুফতীর সাথে সরাসরি পরামর্শ | | ৬ | স্বামীকে দ্বীনের পথে আনার চেষ্টা, ভালো ব্যবহার | | ৭ | সব ব্যর্থ হলে শরীয়তসম্মত উপায়ে খুলা/তালাকের চিন্তা | | ৮ | তালাকের আগে ইদ্দত, হক, সন্তানের অধিকার সম্পর্কে জেনে নিন |


৭. বিশেষ সতর্কতা

  • অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বা জবরদস্তিমূলক বিবাহ ইসলামে নিষিদ্ধ। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়িয়ে চলুন।

  • তালাকের সিদ্ধান্ত একা নেবেন না; পরিবার, মুফতী ও শরীয়তের পরামর্শ নিন।

  • আত্মহত্যা, আত্মঘাতী চিন্তা বা পালিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ হারাম ও কবিরা গুনাহ।
    আল্লাহ বলেন:

    «وَلَا تَقْتُلُوا أَنْفُسَكُمْ إِنَّ اللَّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًا»
    “নিজেদের হত্যা করো না; নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়ালু।”
    — সূরা নিসা: ২৯

  • ধৈর্য ও দুআ ছাড়া কোনো সমাধান নেই। আল্লাহ বলেন:

    «وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا»
    “যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য উত্তরণের পথ করে দেন।”
    — সূরা তালাক: ২


উপসংহার

আপনার বিবাহ শরীয়তের দৃষ্টিতে সহীহ হয়েছে। এখন তালাকের চিন্তা করা এখনই উচিত নয়। প্রথমে সালিশ, বুঝানো, দুআ, ধৈর্য ও দ্বীনি পরামর্শের মাধ্যমে সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করুন। যদি স্বামী দ্বীনদার না হন, তবে তাকে দ্বীনের পথে আনার চেষ্টা করুন—এটি আপনার জন্য বড় সওয়াব। যদি চরম নির্যাতন, দ্বীন ত্যাগ, নফকা না দেওয়া বা হারাম কাজে লিপ্ত থাকার প্রমাণ থাকে, তবে শরীয়তসম্মত উপায়ে খুলা বা তালাক নেওয়ার অনুমতি আছে; তবে তা অবশ্যই স্থানীয় হানাফী মুফতীর পরামর্শে।

আল্লাহ আপনার সমস্যার সহজ সমাধান দান করুন। আমিন।



This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.