স্ত্রীকে মানসিক নির্যাতন করলে ইসলামী বিধান কি?
Marriage and Divorce · Hanafi
Question No:
4675
Questioner:
Khadiza Rini
Question Asked:
31 Aug 2026, 05:42 PM
Reviewed & Published:
31 Aug 2026, 05:47 PM
Views:
9
Tokens:
11,896
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by
.
Question
আসসালামু আলাইকুম......
আমার বড় বোনের বিয়ে হয়েছে ২.৫ বছর। ছেলে আগে ডিভোর্সি,ইউরোপ প্রবাসী। তার আচরণ কোনো সুস্থ মানুষের মধ্যে পরে না। এত বাজে, অকথ্য ভাষায় সবসময় গালি দেয়, বাপের বাড়ি যেতে দেয়না, গেলেও ২-৩ দিনের বেশি থাকলে বলে কার সাথে রাত্রি যাপন করছে(এমন আরও ভয়াবহ খারাপ কথা সবসময় বলে)। তাই বাপের বাড়িও আসেনা...বাপের বাড়ির কেউ যায়ও না তার বাসায়। বাপের বাড়ির সব মানুষকেও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে,অথচ জীবনে কথাও হয় না তাদের সাথে। মাঝে মাঝে কলই দেয় না, আবার বলে রাখছে বিদেশে কারও সাথে কন্টাক্ট করলে (মানে তার খোঁজ নেয়ার জন্য) তালাক হয়ে যাবে। তার ১ম বউ বিয়ের এক বছর পরই অন্য ছেলের সাথে চলে যায়,সেখানেও তার ১ টি মেয়ে আছে, ১ম বউ বাচ্চাকে দেয় না,বলে ভিক্ষা করে খাবে তাও তার মতো মানুষের কাছে দিবে না। এতকিছুর পরেও ১ম বউ-বাচ্চার আফসোস করে,১ম বউয়ের সব গুনগান করে। মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। তার বয়স ২৭, ওজন ৩৫। ভয়াবহ অবস্থা। দেখলেই মনে হবে ক্যান্সার পেশেন্ট। একটা মেয়ে আছে ২ বছরের। মেয়েটাকেও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে।। বলে তার চেহারা নাকি তার মতো না,তার মায়ের মতোই, দেখতে সুন্দর না। আসলে দেখতে পুরা বাবার মতো,কিন্তু সে মানতে রাজি না। মায়া বলতে কিছু নাই।
এদিকে ওর একাউন্টে ৪০ লাখের মতো টাকা রাখছে( তার কারন নিজের একাউন্টে টাকার এমাউন্ট বেশি হলে নাকি তার ঝামেলা হবে,তাই বউকে দিয়ে একাউন্ট খোলায়)। প্রতি ট্রানজেকশনের প্রমাণ ও রাখছে...ইভেন তার বাড়ির সবাইকে বলে রাখছে এ টাকার কথা। প্রায়ই টাকা একাউন্টে ঢুকতে টাইম লাগে,কিন্তু সে নিজের একাউন্ট থেকে ট্রান্সপারের পরই বলে তাকে স্ক্রিনশট দিতে, সে দিতে পারে না,কারন টাকা ঢুকতে টাইম লাগায় মেসেজ দেরিতে আসে.....শুরু হয়ে যায় অকথ্য ভাষায় গালি দেয়া....রাতে তো বকাবকির মাধ্যমে চলে যায়....সকালেই বলে ব্যাংকে যেতে। এদিকে সব ব্যাংক একাউন্ট বাপের বাড়ির কাছাকাছি। মেয়েকে নিয়ে চলে আসে, ব্যাংকে যায়, ওদের সাথে কথা বলিয়ে দেয়,তারপর বিশ্বাস করে।
আজ তাকে বলে, তার ওপর দিয়ে যদি ট্রাকও যায় তার নাকি কোনো মায়া হবে না। তার আগের বউই ভলো ছিল,হেনতেন কতকিছু। এমতাবস্থায় তার সিকিউরিটি বলতে আসলে কিছু নেই। বোন তাকে বলে দেখেন আপনার এতগুলো টাকা আমার কাছে আছে,আমি ভালো দেখেই এখনো আছি,আগেরটার মতো চলে যাইনি। ইভেন তাকে মান্থ খরচ ১৫ হাজারের মতো দেয়। বাসাবাড়ির যাবতীয় খরচসহ মা মেয়ে ওতে চলে, কখনো প্রয়োজনে এক্সট্রা চাইলে শুরু করে দেয় গালি,পুর বাপমা তুলে.....
এখন প্রশ্ন হলো বোনের কি করা উচিত, প্রথমতো বাবার বাড়ি থেকে কিছুই করবে না তার জন্য। ইভেন ডিভোর্স হয়ে গেলেও কোনো সাপোর্ট দিবে না,কারন অলরেডি একজন ডিভোর্সি বোন সাফার করছে তাদের অসতর্কতার অভাবে বিয়ে করে। আবার ছেলে দেশে এসেই টাকা সব নিয়ে নিবে.....তার ভয় টাকা থাকাকালীনই এমন কুকুরের মতো বিহেইভ করে, টাকাগুলো নেয়ার পর কি করবে? সব মিলিয়ে কোনো সিকিউরিটি নাই। ছেলেকে বুঝিয়েও লাভ নেই,সে তার কোনো কথাই শোনে না, তার মায়ের কথা শোনে.....বউকে শত্রু মনে করে। অনেক বুঝাইছে কিন্তু তারপরও তার ব্যাবহার পরিবর্তন হয় না.....একটা ২৭ বছরের মেয়ের, ২ বছরের বেবি আছে, তার ওজন ৩৫ কেজি, এতেই বুঝতে পারবেন সে কতটা মানসিক ভাবে বিদ্ধস্ত। সে খুব করে চায় সংসার করতে....কিন্তু এমন অমানুষিক টর্চারে শেষ হয়ে যাচ্ছে।
পুরো লেখাটি একটু ভালোভাবে পড়ে তার জন্য কোনো পরামর্শ দিবেন দয়া করে।
আমার বড় বোনের বিয়ে হয়েছে ২.৫ বছর। ছেলে আগে ডিভোর্সি,ইউরোপ প্রবাসী। তার আচরণ কোনো সুস্থ মানুষের মধ্যে পরে না। এত বাজে, অকথ্য ভাষায় সবসময় গালি দেয়, বাপের বাড়ি যেতে দেয়না, গেলেও ২-৩ দিনের বেশি থাকলে বলে কার সাথে রাত্রি যাপন করছে(এমন আরও ভয়াবহ খারাপ কথা সবসময় বলে)। তাই বাপের বাড়িও আসেনা...বাপের বাড়ির কেউ যায়ও না তার বাসায়। বাপের বাড়ির সব মানুষকেও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে,অথচ জীবনে কথাও হয় না তাদের সাথে। মাঝে মাঝে কলই দেয় না, আবার বলে রাখছে বিদেশে কারও সাথে কন্টাক্ট করলে (মানে তার খোঁজ নেয়ার জন্য) তালাক হয়ে যাবে। তার ১ম বউ বিয়ের এক বছর পরই অন্য ছেলের সাথে চলে যায়,সেখানেও তার ১ টি মেয়ে আছে, ১ম বউ বাচ্চাকে দেয় না,বলে ভিক্ষা করে খাবে তাও তার মতো মানুষের কাছে দিবে না। এতকিছুর পরেও ১ম বউ-বাচ্চার আফসোস করে,১ম বউয়ের সব গুনগান করে। মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। তার বয়স ২৭, ওজন ৩৫। ভয়াবহ অবস্থা। দেখলেই মনে হবে ক্যান্সার পেশেন্ট। একটা মেয়ে আছে ২ বছরের। মেয়েটাকেও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে।। বলে তার চেহারা নাকি তার মতো না,তার মায়ের মতোই, দেখতে সুন্দর না। আসলে দেখতে পুরা বাবার মতো,কিন্তু সে মানতে রাজি না। মায়া বলতে কিছু নাই।
এদিকে ওর একাউন্টে ৪০ লাখের মতো টাকা রাখছে( তার কারন নিজের একাউন্টে টাকার এমাউন্ট বেশি হলে নাকি তার ঝামেলা হবে,তাই বউকে দিয়ে একাউন্ট খোলায়)। প্রতি ট্রানজেকশনের প্রমাণ ও রাখছে...ইভেন তার বাড়ির সবাইকে বলে রাখছে এ টাকার কথা। প্রায়ই টাকা একাউন্টে ঢুকতে টাইম লাগে,কিন্তু সে নিজের একাউন্ট থেকে ট্রান্সপারের পরই বলে তাকে স্ক্রিনশট দিতে, সে দিতে পারে না,কারন টাকা ঢুকতে টাইম লাগায় মেসেজ দেরিতে আসে.....শুরু হয়ে যায় অকথ্য ভাষায় গালি দেয়া....রাতে তো বকাবকির মাধ্যমে চলে যায়....সকালেই বলে ব্যাংকে যেতে। এদিকে সব ব্যাংক একাউন্ট বাপের বাড়ির কাছাকাছি। মেয়েকে নিয়ে চলে আসে, ব্যাংকে যায়, ওদের সাথে কথা বলিয়ে দেয়,তারপর বিশ্বাস করে।
আজ তাকে বলে, তার ওপর দিয়ে যদি ট্রাকও যায় তার নাকি কোনো মায়া হবে না। তার আগের বউই ভলো ছিল,হেনতেন কতকিছু। এমতাবস্থায় তার সিকিউরিটি বলতে আসলে কিছু নেই। বোন তাকে বলে দেখেন আপনার এতগুলো টাকা আমার কাছে আছে,আমি ভালো দেখেই এখনো আছি,আগেরটার মতো চলে যাইনি। ইভেন তাকে মান্থ খরচ ১৫ হাজারের মতো দেয়। বাসাবাড়ির যাবতীয় খরচসহ মা মেয়ে ওতে চলে, কখনো প্রয়োজনে এক্সট্রা চাইলে শুরু করে দেয় গালি,পুর বাপমা তুলে.....
এখন প্রশ্ন হলো বোনের কি করা উচিত, প্রথমতো বাবার বাড়ি থেকে কিছুই করবে না তার জন্য। ইভেন ডিভোর্স হয়ে গেলেও কোনো সাপোর্ট দিবে না,কারন অলরেডি একজন ডিভোর্সি বোন সাফার করছে তাদের অসতর্কতার অভাবে বিয়ে করে। আবার ছেলে দেশে এসেই টাকা সব নিয়ে নিবে.....তার ভয় টাকা থাকাকালীনই এমন কুকুরের মতো বিহেইভ করে, টাকাগুলো নেয়ার পর কি করবে? সব মিলিয়ে কোনো সিকিউরিটি নাই। ছেলেকে বুঝিয়েও লাভ নেই,সে তার কোনো কথাই শোনে না, তার মায়ের কথা শোনে.....বউকে শত্রু মনে করে। অনেক বুঝাইছে কিন্তু তারপরও তার ব্যাবহার পরিবর্তন হয় না.....একটা ২৭ বছরের মেয়ের, ২ বছরের বেবি আছে, তার ওজন ৩৫ কেজি, এতেই বুঝতে পারবেন সে কতটা মানসিক ভাবে বিদ্ধস্ত। সে খুব করে চায় সংসার করতে....কিন্তু এমন অমানুষিক টর্চারে শেষ হয়ে যাচ্ছে।
পুরো লেখাটি একটু ভালোভাবে পড়ে তার জন্য কোনো পরামর্শ দিবেন দয়া করে।
Answer
উত্তর: وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
আপনার বোনের অবস্থা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে এবং বাস্তব প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে নিম্নোক্ত পরামর্শ প্রদান করা হলো:
১. স্বামীর আচরণ শরীয়তের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ অন্যায় ও গুনাহের কাজ:
- ইসলামে স্ত্রীর সাথে সদ্ব্যবহার করা স্বামীর উপর ফরজ। আল্লাহ তাআলা বলেন: "আর তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) সাথে সদ্ব্যবহার করো।" (সূরা আন-নিসা: ১৯)
- রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে সেই উত্তম ব্যক্তি, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।" (তিরমিজি: ৩৮৯৫)
- গালিগালাজ করা, অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করা, স্ত্রীকে তার পিতা-মাতার সাথে দেখা করতে না দেওয়া, মানসিক নির্যাতন করা—এসব সম্পূর্ণ হারাম ও কবিরা গুনাহ। হাদিসে গালি দেওয়াকে ফাসিকের কাজ বলা হয়েছে। (সহিহ বুখারি: ৪৮)
২. স্ত্রীর উপর স্বামীর অধিকার ও কর্তব্য:
- স্বামীর জন্য স্ত্রীর ভরণপোষণ (খোরপোষ) দেওয়া ফরজ। তবে এখানে স্ত্রীকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অন্যায়।
- স্ত্রীকে তার পিতা-মাতার সাথে সাক্ষাৎ করতে না দেওয়া ইসলামসম্মত নয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। (সহিহ বুখারি: ৫৯৮৮)
৩. তালাকের বিধান ও স্ত্রীর করণীয়:
- যদি স্বামী এতটাই নিষ্ঠুর হয় যে, তার সাথে সংসার করা অসম্ভব হয়ে পড়ে এবং স্ত্রী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, তবে ইসলামে স্ত্রীর জন্য খুলা (স্ত্রীর পক্ষ থেকে তালাক) এর সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ, স্ত্রী স্বামীকে কিছু অর্থ (মোহর বা অন্যান্য) ফিরিয়ে দিয়ে তালাক নিতে পারে। (সূরা আল-বাকারা: ২২৯)
- তবে সন্তানের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে প্রথমে সব ধরনের চেষ্টা করা উচিত। পারিবারিক সালিশ (দুই পরিবারের মুরুব্বিগণ) মিলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা জরুরি। (সূরা আন-নিসা: ৩৫)
৪. টাকা-পয়সার হিসাব ও নিরাপত্তা:
- স্ত্রীর নামে থাকা ৪০ লাখ টাকা শরীয়তের দৃষ্টিতে স্ত্রীর সম্পদ। স্বামী চাইলে তা ফেরত নিতে পারবে না, যদি না এটি প্রমাণিত হয় যে, টাকাটি আসলে স্বামীর এবং স্ত্রী শুধু নামে রেখেছে। তবে এখানে স্বামী নিজেই টাকাটি স্ত্রীর নামে রেখেছে এবং ট্রানজেকশনের প্রমাণ রাখছে—এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়।
- গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ: স্ত্রীর উচিত টাকার বিষয়ে আইনি সুরক্ষা নেওয়া। টাকাটি যেন তার নামে থাকে এবং স্বামী তা তুলে নিতে না পারে, সেজন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। তবে শরীয়তের দৃষ্টিতে, স্বামী যদি প্রমাণ করতে পারে যে টাকাটি তার, তাহলে তা ফেরত দেওয়া জরুরি। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে স্ত্রী যদি মনে করে টাকাটি তার প্রাপ্য (যেমন: মোহর, খোরপোষ বাবদ), তাহলে সে তা রাখতে পারবে।
৫. মানসিক স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা:
- আপনার বোনের ওজন ৩৫ কেজি এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়া—এটি অত্যন্ত গুরুতর। তার মানসিক ও শারীরিক চিকিৎসা এখনই প্রয়োজন। পরিবারের উচিত তাকে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ানো এবং তার পাশে থাকা।
৬. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:
- যদি স্বামীর আচরণ একেবারেই অপরিবর্তনীয় হয় এবং তার মধ্যে কোনো সংশোধনের আশা না থাকে, তাহলে খুলার মাধ্যমে বিচ্ছেদ হওয়াই উত্তম। কারণ, এমন নিষ্ঠুর স্বামীর সাথে সংসার করা স্ত্রীর জন্য ধ্বংসাত্মক।
- তবে সন্তানের কথা চিন্তা করে, সন্তানের ভরণপোষণ ও অভিভাবকত্বের বিষয়টি শরীয়ত ও আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে। ইসলামী আইনে সন্তানের ভরণপোষণ পিতার উপর ফরজ, এমনকি তালাকের পরও। (সূরা আত-তালাক: ৬-৭)
৭. পরিবারের করণীয়:
- পরিবারের উচিত বোনকে সম্পূর্ণ সাপোর্ট দেওয়া। তাকে একা না ফেলে তার পাশে থাকা।
- স্বামীকে শাসানোর জন্য বা সমঝোতার জন্য এলাকার ইমাম, মসজিদের মুতাওয়াল্লি বা সম্মানিত আলেমদের মাধ্যমে চেষ্টা করা যেতে পারে। যদি সে না শোনে, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
- আপনার বোনের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনে থানায় সাধারণ ডায়েরি (GD) করা যেতে পারে।
৮. দোয়া ও ধৈর্য:
- আপনার বোনকে ধৈর্য ধরতে এবং বেশি বেশি দোয়া করতে বলুন। আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "জেনে রাখো, ধৈর্যের মাধ্যমেই বিজয় আসে।" (মুসনাদ আহমাদ: ২৮০৩)
সারসংক্ষেপ:
- প্রথমে পারিবারিক সালিশ ও আলেমদের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন।
- যদি স্বামী না শোনে এবং তার আচরণ অপরিবর্তনীয় থাকে, তাহলে খুলার মাধ্যমে বিচ্ছেদ আপনার বোনের জন্য উত্তম।
- টাকার বিষয়ে আইনি সুরক্ষা নিন।
- আপনার বোনের মানসিক ও শারীরিক চিকিৎসা করান।
- আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। আল্লাহ কখনো জালিমকে ছাড় দেন না।
আল্লাহ তাআলা আপনার বোনকে এই সংকট থেকে উত্তরণের তাওফিক দান করুন। আমিন।