পায়খানার পর টিস্যু ব্যবহার ও পানি দিয়ে ধোয়ার সময় পানির ছিটা শরীরের অন্য জায়গায় লাগলে, করণীয় কি?

Taharah Purity · Hanafi

Question No: 4345
Questioner: Ranma
Question Asked: 23 Aug 2026, 11:51 AM
Reviewed & Published: 23 Aug 2026, 12:09 PM
Views: 16
Tokens: 9,776
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম।

১. পায়খানার পর বেশ কয়েকবার টিস্যু ব্যবহার করেছিলাম, কিন্তু নিশ্চিত ছিলাম না যে পুরোপুরি টিস্যু দিয়ে মোছা হয়েছে কিনা। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলি।

পানি দিয়ে ধোয়ার সময় মনে হচ্ছিল যে আদৌ কি ঠিক মতো টিস্যু দিয়ে মোছা হয়েছিল কিনা।

টিস্যু ব্যবহারের পর পানি দিয়ে ধোয়ার সময় পানির ছিটা যদি এক্ষেত্রে শরীরের অন্যান্য জায়গায় লাগে, শরীরের ওই জায়গা গুলো কি নাপাক হয়ে যাবে?

২. মনে করুন নাপাকি যদি থেকেও থাকে টিস্যু দিয়ে মোছার পর, এরপর পানি দিয়ে ধোয়ার সময় সেই পানির ছিটা যদি শরীরের অন্যান্য জায়গায় পড়ে নিশ্চিতভাবে, তাহলে কি শরীরের সেই জায়গায় আঙুল দিয়ে পানির অবস্থা (গন্ধ, রং ইত্যাদি) খতিয়ে দেখতে হবে?

৩. কোনো কাপড়ে বা বস্তুতে যদি আগে নিশ্চিতভাবেই প্রস্রাবের ছিটা লাগে, কিন্তু ঠিক কোথায় লেগেছে নিশ্চিত না, তখন কি দাগ বা গন্ধ আছে কিনা দেখতে হবে? যদি দাগ ও গন্ধ না পাই তখন কি পাক বলে ধরে নিবো?

যেমন কমোডের সিটে যদি পড়ে, তাহলে কি কাছে গিয়ে গন্ধ আছে কিনা দেখতে হবে? আমি প্রতিদিন গোসলের আগে কমোডের সিট ধুই, এটি এখন একটু খারাপ ও কষ্টকর লাগছে।

কাপড়ের বিষয়টা তো অদৃশ্যমান নাপাকি এর মধ্যে পড়ে, কাপড়ের ক্ষেত্রে আর কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে কি নিয়ম একই হবে?

৪. কোনো বস্তুতে যদি প্রস্রাবের ছিটা পড়ে, কোনো কিছুর দাগ যদি দেখতে পাই, কিন্তু নিশ্চিত না হই যে এটা কি প্রস্রাবের দাগ কিনা তখন কি নাপাক ধরে নিবো?

৫. আগে যদি কোনো কিছু দ্বারা নাপাক হয়, পরে যদি দাগ দেখতে পাই, তাহলে কি কাছে গিয়ে গন্ধ আছে কিনা দেখতে হবে?

৬. প্রস্রাবের পর টিস্যু ব্যবহার করলে টিস্যুর অপর প্রান্ত যদি ভিজে যায়, কিন্তু এতটা ভেজা না যে টপ টপ করে প্রস্রাব আঙুলে লাগছে, তখন কি আঙুল নাপাক হবে?

একই প্রশ্ন লিঙ্গের কোনো অংশ যদি প্রস্রাব লেগে যায়, কিন্তু টিস্যু ব্যবহারের কারণে শুকনো থেকে কিন্তু সেই জায়গা আঙুলে লাগে, তখন কি নাপাক হবে আঙুল?

৭. নাপাক ভেজা হাতে যদি দরজার হাতল ধরি, কিন্তু পরিষ্কার করতে ভুলে যাই, পরে ভেজা হাতে ধরলে কি নাপাক হয়ে যাবো?

Answer

নাপাকি সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর


প্রশ্ন ১: পায়খানার পর টিস্যু ব্যবহার ও পানি দিয়ে ধোয়ার সময় পানির ছিটা শরীরের অন্য জায়গায় লাগলে

উত্তর: পায়খানার পর টিস্যু দিয়ে মোছার পর পানি দিয়ে ধোয়ার সময় যে পানি ব্যবহৃত হয়, তা যদি নাপাকির সাথে মিশে থাকে (অর্থাৎ নাপাকি দূর করার পরও পানি যদি নাপাকির চিহ্ন বহন করে), তবে সেই পানির ছিটা শরীরের অন্য জায়গায় লাগলে সেই জায়গা নাপাক হবে। কিন্তু যদি পানি দিয়ে ধোয়ার পর নাপাকির কোনো চিহ্ন (গন্ধ, রং) না থাকে, তাহলে সেই পানি পাক হিসেবে গণ্য হবে এবং তার ছিটা লাগলে শরীর নাপাক হবে না।

ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে, নাপাকি দূর করার পর ধোয়ার পানি যদি নাপাকির কোনো চিহ্ন না রাখে, তাহলে তা পাক। কিন্তু ইমাম আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মদ (রহ.)-এর মতে, অল্প পরিমাণ পানি নাপাকির সংস্পর্শে এলে তা নাপাক হয়ে যায়। হানাফি ফিকহে বিশুদ্ধ মত হলো, নাপাকি দূর করার পানি যদি তিনবার ধোয়ার পরও নাপাকির চিহ্ন না থাকে, তাহলে তা পাক। তবে এখানে মূল বিষয় হলো, আপনি যদি নিশ্চিত না হন যে টিস্যু দিয়ে পুরোপুরি মোছা হয়েছে কিনা, তাহলে পানি দিয়ে ধোয়ার সময় সেই পানি নাপাকির সংস্পর্শে এসেছে বলে ধরে নেওয়া উচিত এবং সেই পানির ছিটা শরীরের অন্য জায়গায় লাগলে সেই জায়গা ধুয়ে ফেলা উচিত।

কিতাবের উল্লেখ:

  • রদ্দুল মুহতার (ইবনে আবিদীন), ১/৩৩৪
  • ফাতাওয়া হিন্দিয়া, ১/২৭

প্রশ্ন ২: নাপাকি থাকা অবস্থায় পানি দিয়ে ধোয়ার সময় পানির ছিটা শরীরে লাগলে আঙুল দিয়ে খতিয়ে দেখা

উত্তর: যদি আপনি নিশ্চিত হন যে টিস্যু দিয়ে মোছার পরও নাপাকি থেকে গিয়েছিল এবং সেই অবস্থায় পানি দিয়ে ধোয়ার সময় পানির ছিটা শরীরের অন্য জায়গায় পড়েছে, তাহলে সেই জায়গাটি নাপাক হবে। তবে আঙুল দিয়ে গন্ধ বা রং খতিয়ে দেখা জরুরি নয়। বরং যদি পানিতে নাপাকির কোনো চিহ্ন (গন্ধ, রং) দৃশ্যমান থাকে, তাহলে সেটি নাপাক। যদি চিহ্ন না থাকে, তাহলে পাক বলে গণ্য হবে।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ওয়াসওয়াসা (সন্দেহ) থেকে বাঁচার জন্য ইসলাম সহজতা দিয়েছে। সাধারণত পানি দিয়ে ধোয়ার পর পানির ছিটা শরীরে লাগলে তা নাপাক হবে না, যদি না নাপাকির চিহ্ন স্পষ্ট দেখা যায়।

কিতাবের উল্লেখ:

  • রদ্দুল মুহতার, ১/৩৩৫
  • ফাতাওয়া উসমানি, ১/২৪৫

প্রশ্ন ৩: কাপড়ে বা বস্তুতে প্রস্রাবের ছিটা লাগার সন্দেহ হলে করণীয়

উত্তর: কোনো কাপড়ে বা বস্তুতে প্রস্রাবের ছিটা লাগার নিশ্চিত খবর থাকলে কিন্তু ঠিক কোথায় লেগেছে জানা না থাকলে, সেক্ষেত্রে দাগ বা গন্ধ খোঁজা জরুরি। যদি দাগ বা গন্ধ না পাওয়া যায়, তাহলে সেই কাপড় বা বস্তু পাক বলে ধরে নেওয়া যাবে। কারণ, নাপাকির অস্তিত্ব সন্দেহের উপর নির্ভর করে না।

ইমাম ইবনে আবিদীন (রহ.) লিখেছেন: "যখন কোনো বস্তুতে নাপাকি লাগার বিষয়ে সন্দেহ হয়, তখন মূলনীতি হলো পবিত্রতা। যতক্ষণ না নাপাকির অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ বস্তুটি পাকই থাকবে।" (রদ্দুল মুহতার, ১/৩৩৬)

কমোডের সিটের ক্ষেত্রে: আপনি প্রতিদিন গোসলের আগে কমোডের সিট ধোয়ার যে অভ্যাস করেছেন, এটি ওয়াসওয়াসার কারণে হয়েছে। ইসলামি নিয়ম হলো, যদি নাপাকির কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন (দাগ, গন্ধ) না থাকে, তাহলে কমোডের সিট পাক। প্রতিদিন ধোয়ার প্রয়োজন নেই। ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচতে এই অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি।

কাপড় ও অন্যান্য বস্তুর নিয়ম একই: হ্যাঁ, কাপড় এবং অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে নিয়ম একই। নাপাকির চিহ্ন (দাগ, গন্ধ, রং) না থাকলে বস্তুটি পাক।

কিতাবের উল্লেখ:

  • রদ্দুল মুহতার, ১/৩৩৬
  • ফাতাওয়া উসমানি, ১/২৪৬
  • ইমদাদুল ফাতাওয়া, ১/১২৩

প্রশ্ন ৪: প্রস্রাবের দাগ দেখতে পেলে কিন্তু নিশ্চিত না যে সেটি প্রস্রাবের দাগ কিনা

উত্তর: কোনো বস্তুতে দাগ দেখতে পেলে কিন্তু নিশ্চিত না যে সেটি প্রস্রাবের দাগ কিনা, তাহলে সেই দাগকে নাপাক বলে ধরে নেওয়া যাবে না। কারণ, দাগটি অন্য কিছু (যেমন: পানি, চা, রং ইত্যাদি) থেকেও হতে পারে। নাপাকি প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত বস্তুটি পাকই থাকবে।

তবে যদি দাগটি এমন জায়গায় থাকে যেখানে সাধারণত প্রস্রাবের ছিটা পড়তে পারে এবং দাগের রং বা গন্ধ প্রস্রাবের মতো হয়, তাহলে সেটি নাপাক বলে ধরে নেওয়া উচিত।

কিতাবের উল্লেখ:

  • রদ্দুল মুহতার, ১/৩৩৬
  • আল-আশবাহ ওয়ান-নাযাইর (ইবনে নুজাইম), ১/৬০

প্রশ্ন ৫: আগে নাপাক হওয়ার পর দাগ দেখতে পেলে গন্ধ খোঁজা

উত্তর: যদি কোনো বস্তু আগে নাপাক হয়ে থাকে এবং পরে সেখানে দাগ দেখা যায়, তাহলে সেই দাগটি নাপাকির দাগ কিনা তা যাচাই করার জন্য গন্ধ বা রং দেখতে হবে। যদি গন্ধ বা রং নাপাকির মতো হয়, তাহলে বস্তুটি নাপাক। যদি গন্ধ বা রং না থাকে, তাহলে বস্তুটি পাক বলে ধরে নেওয়া যাবে।

তবে এখানে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে: যদি বস্তুটি এমন জায়গায় থাকে যেখানে নাপাকি লাগার সম্ভাবনা নেই, তাহলে দাগ দেখলেও গন্ধ খোঁজার প্রয়োজন নেই। বরং সেটি অন্য কিছু বলে ধরে নেওয়া যাবে।

কিতাবের উল্লেখ:

  • রদ্দুল মুহতার, ১/৩৩৭
  • ফাতাওয়া হিন্দিয়া, ১/২৮

প্রশ্ন ৬: টিস্যুর অপর প্রান্ত ভিজে গেলে আঙুল নাপাক হবে কিনা

উত্তর: প্রস্রাবের পর টিস্যু ব্যবহার করলে টিস্যুর অপর প্রান্ত যদি ভিজে যায়, কিন্তু এতটা ভেজা না যে টপ টপ করে প্রস্রাব আঙুলে লাগছে, তাহলে আঙুল নাপাক হবে না। কারণ, টিস্যুর ভেজা অংশ আঙুলে না লাগলে আঙুল নাপাক হওয়ার কোনো কারণ নেই।

তবে যদি টিস্যুর ভেজা অংশ আঙুলে লাগে এবং সেই ভেজা অংশে প্রস্রাবের অস্তিত্ব থাকে, তাহলে আঙুল নাপাক হবে।

লিঙ্গের অংশ প্রস্রাব লেগে শুকিয়ে গেলে: লিঙ্গের কোনো অংশে প্রস্রাব লেগে থাকার পর টিস্যু দিয়ে মোছার কারণে যদি সেটি শুকনো হয়ে যায়, তাহলে সেই জায়গা আঙুলে লাগলে আঙুল নাপাক হবে না। কারণ, শুকনো অবস্থায় নাপাকি স্থানান্তরিত হয় না। নাপাকি স্থানান্তরিত হওয়ার জন্য ভেজা অবস্থা প্রয়োজন।

কিতাবের উল্লেখ:

  • রদ্দুল মুহতার, ১/৩৩৮
  • ফাতাওয়া উসমানি, ১/২৪৮

প্রশ্ন ৭: নাপাক ভেজা হাতে দরজার হাতল ধরলে এবং পরে ভেজা হাতে ধরলে

উত্তর: নাপাক ভেজা হাতে দরজার হাতল ধরলে দরজার হাতল নাপাক হয়ে যাবে। এরপর যদি সেই হাতল ভেজা হাতে ধরেন, তাহলে আপনার হাতও নাপাক হয়ে যাবে। কারণ, নাপাকি ভেজা অবস্থায় স্থানান্তরিত হয়।

তবে যদি হাতলটি শুকনো থাকে এবং আপনি শুকনো হাতে ধরেন, তাহলে হাত নাপাক হবে না। কারণ, শুকনো অবস্থায় নাপাকি স্থানান্তরিত হয় না।

সমাধান: দরজার হাতল নাপাক হয়ে গেলে তা ধুয়ে ফেলতে হবে। যদি ভুলে যান এবং পরে ভেজা হাতে ধরেন, তাহলে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি: যদি আপনি নিশ্চিত না হন যে হাতলটি নাপাক হয়েছে কিনা, তাহলে হাতলটি পাকই থাকবে। কারণ, নাপাকি প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত পবিত্রতাই মূলনীতি।

কিতাবের উল্লেখ:

  • রদ্দুল মুহতার, ১/৩৩৯
  • ফাতাওয়া হিন্দিয়া, ১/২৯

ওয়াসওয়াসা (সন্দেহ) থেকে বাঁচার উপায়

আপনার প্রশ্নগুলো থেকে মনে হচ্ছে আপনি ওয়াসওয়াসায় (সন্দেহ-প্রবণতায়) ভুগছেন। ইসলামে ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচার জন্য নিম্নোক্ত নির্দেশনা রয়েছে:

১. পবিত্রতাই মূলনীতি: যতক্ষণ না নাপাকির অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ সবকিছু পাক বলে ধরে নিতে হবে।

২. সন্দেহ উপেক্ষা করা: নিশ্চিতভাবে জানা না থাকলে সন্দেহকে গুরুত্ব দেওয়া যাবে না। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যদি নামাজে সন্দেহ করে যে তার ওযু নষ্ট হয়েছে কিনা, তবে সে যেন সন্দেহ ত্যাগ করে এবং নিশ্চিত অবস্থার উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয়।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৩৬১)

৩. অতিরিক্ত সতর্কতা পরিহার: ওয়াসওয়াসার কারণে অতিরিক্ত সতর্কতা (যেমন: প্রতিদিন কমোডের সিট ধোয়া) পরিহার করা উচিত। কারণ, এটি শয়তানের কাজ।

৪. ইস্তিঞ্জার সহজ নিয়ম: পায়খানা বা প্রস্রাবের পর সাধারণত তিনবার পানি দিয়ে ধুলে বা টিস্যু দিয়ে মুছে পানি দিয়ে ধুলে পবিত্রতা অর্জিত হয়। এর বেশি চেষ্টা করা ওয়াসওয়াসার লক্ষণ।

কিতাবের উল্লেখ:

  • ফাতাওয়া উসমানি, ১/২৫০
  • ইমদাদুল ফাতাওয়া, ১/১২৫
  • বেহেশতি জেওর (আশরাফ আলী থানভী), ১/৪৫

সংক্ষিপ্ত উত্তর

| প্রশ্ন | উত্তর | |--------|--------| | ১. টিস্যুর পর পানি দিয়ে ধোয়ার ছিটা শরীরে লাগলে | নাপাকির চিহ্ন থাকলে নাপাক, না থাকলে পাক | | ২. পানির অবস্থা খতিয়ে দেখা | জরুরি নয়, চিহ্ন স্পষ্ট না হলে পাক | | ৩. কাপড়ে প্রস্রাবের ছিটা লাগার সন্দেহ | দাগ/গন্ধ না পেলে পাক; কমোডের সিট প্রতিদিন ধোয়া জরুরি নয় | | ৪. দাগ দেখলে কিন্তু নিশ্চিত না | নাপাক ধরে নেওয়া যাবে না | | ৫. আগে নাপাক হওয়ার পর দাগ দেখলে | গন্ধ/রং দেখে নিশ্চিত হতে হবে | | ৬. টিস্যুর অপর প্রান্ত ভেজা কিন্তু আঙুলে না লাগলে | আঙুল নাপাক হবে না; শুকনো নাপাকি স্থানান্তরিত হয় না | | ৭. নাপাক ভেজা হাতে হাতল ধরলে | হাতল নাপাক হবে; পরে ভেজা হাতে ধরলে হাতও নাপাক হবে |


আল্লাহই সর্বজ্ঞ।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.