Doya kore ektu sohoj somadhan din
Marriage and Divorce · Hanafi
Question No:
2802
Questioner:
Alisha Tasnim
Question Asked:
17 Jul 2026, 12:28 PM
Reviewed & Published:
17 Jul 2026, 12:52 PM
Views:
12
Tokens:
23,065
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by
.
Question
আমি আমার ওয়াসওয়াসা (মানসিক দ্বিধাদ্বন্দ্ব বা অবসেসিভ থট)-এর সমস্যার কারণে স্বামীকে কিছু বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, যার ফলে আমাদের মধ্যে একটি বড় ধরণের ভুল বোঝাবুঝি, কথা কাটাকাটি ও ঝগড়ার সৃষ্টি হয়।, আমাদের ঝগড়াটি শুরু হয়েছিল আমার স্বামী প্রথমে ক্ষোভ প্রকাশ করে মেসেজে লিখেন"Just leave me alone"। তিনি আরও লিখেন "Jkhni vabi kichu bolbo na r, Tkni tor natok suru hoi" এবং চরম হতাশা প্রকাশ করে লেখেন, "Tor sathe 3/4 mas ai thakte parchi na, Baki jobon ki aksathe somvob?"। তার এই ভবিষ্যৎ নিয়ে করা প্রশ্ন ও দূরত্বের কথার পরিপ্রেক্ষিতে আমি জানতে চাই, "To ki korte chaisen, Bolen suni"। জবাবে তিনি আমাকে বলেন, "Tui kor"। আমি জানতে চাই, "Ki korbo?" (এটা বলার সময় ওয়াসওয়াসা কাজ করছিল মনে মনে তালাক গ্রহণের কথা আসছিল ), তখন তিনি রেগে গিয়ে বলেন, "Ja Kore baracchis" এবং ওসব বিষয় নিয়ে তাকে আর কোনো মানসিক চাপ না দিতে বারণ করে বলেন, "But amke para dibi na oisob nia"। তখন আমি প্রশ্ন করি, তুই কর বলার দ্বারা "Eta diye ki apnk bad dite bolsilen" অর্থাৎ আমি জানতে চাই যে তিনি তাঁর এই কথার দ্বারা আমাকে বা আমাদের সম্পর্ককে তাঁর জীবন থেকে বাদ দিতে বলছেন কি না? তখন তিনি উত্তর দেন, "Iccha hole dibi" এবং জানান যে তিনি তা মেনে নেবেন অর্থাৎ "Accept kore nibo"। সবশেষে আমি আমার সিদ্ধান্ত পরিষ্কার জানিয়ে দিয়ে বলি, "Iccha nai kono"( এইটা বলার সময় ওয়াসওয়াসা কাজ করছিল মনে মনে তালাক গ্রহণের কথা আসছিল ) এবং "Dewar iccha nai"। এগুলো দিয়ে উনি আমাকে বুঝাতে চেয়েছেন যে আমি থাকতে না চাইলে চলে যেতে পারি আমাকে জোর করে ধরে রাখবেন না এগুলো দিয়ে উনি আমাকে তালাকের অধিকার দেন নি বা বুঝায় নি বা গ্রহন করতে বলেন নি ।এগুলো বলার পরে উনি আমাকে বলেন যে তোকে তালাক দেওয়ার অধিকার দিয়ে রাখালাম তুই ও ডিভোর্স দিতে পারবি আমি বলি নিবনা এই অধিকার এবং উনি বার বার বলতে থাকে আর আমি বার বার বলি নিবো না জোর করে দিবেন নাকি এগুলা বলার দ্বারা উনি শুধুমাত্র রাগ প্রকাশ করেছেন আমাকে সত্যি সত্যি তালাকের অধিকার দেন নি মেসেজ লিখলেও উনি পরে ফোন কলে বিষয়টা পরিষ্কার করেছেন। ।আমাদের মধ্যকার এই ভুল বোঝাবুঝি আরও জটিল আকার ধারণ করে । উনি আবার ও বলেন যে তোকে তালাকের অধিকার দিয়ে রাখলাম আমি তখন বলি যে নিবো না জোর করে দিবেন নাকি উনি বলেন যে হ্যাঁ আমি বলি জোর করে দেওয়া যায়না আমি নিলাম না তিনি আবার ও বলেন যে তোকে তালাকের পাওয়ার দিয়ে রাখছি তুই ও ডিভোর্স দিতে পারবি আমি বলি জোর করে দিবেন নাকি এগুল এগুলো উনি শুধু মাত্র রেগে বলেছেন আমাকে অধিকার দেন নি শুধু রাগে বলেছেন ।১. উনি এগুলো রাগ করে বলেছেন মন থেকে কোনো অধিকার দেন নি বা নিয়ত ছিলোনা মেসেজে লিখলেও অধিকার দেন নি রাগ করে বলেছেন আমার অধিকার কি ছিল? আমি না বলে দেওয়ার পরেও মুখ দিয়ে কিছু বার হয়ে গেলে কি সমস্যা হত? । আমি যখন আবারও নিশ্চিত হতে জানতে চাই, তুই কর বলার দ্বারা"Amk ki nije thake dite bolsilen ETA jante chaisi", তখন তিনি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে আমার সেই প্রশ্নের জবাবে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আরও বলেন, "Dia deh to dia sesh kor(আমাকে অধিকার দেন নি নরমালি রেগে বলেছেন )"। এর উত্তরে আমি সরাসরি জানিয়ে দিই, "Dibona"( এটা বলার সময় ওয়াসওয়াসা কাজ করছিল মনে মনে তালাক গ্রহণের কথা আসছিল) তখন তিনি আমাকে তাঁর নিজের এলাকায় আসার কথা বলে লেখেন, "Rajshahi ay"। পরিস্থিতি শান্ত করতে আমি মূল বিষয়ে ফিরে এসে তাকে বলি tui kor বলার দ্বারা কি বুঝিয়েছে তাই জিজ্ঞাসা করি "Ami ki ask korchi setar uttor den"। আমার প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "Ay bollam na oita mean kori ni" । কথা গুলো দ্বারা তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে আমি থাকতে না চাইলে চলে যেতে পারব জোর করে রাখবেন না আর ২.আমার স্বামী জানতেন না যে তালাকের অধিকার শুধু স্বামীর থাকবে বউকে অধিকার দিলে বউ সেটা ব্যবহার করতে পারবে তার আগে পারবেন না আজকে আমার মুখে ফার্স্ট শুনলেন তাই এগুলো বলার সময় অধিকার দিচ্ছেন এটা বুঝায় নি । ৩.আমার যেহেতু ওয়াসওয়াসার সমস্যা আছে তাই আমি কথা গুলো বলার সময় মনের মধ্যে স্ত্রীর তালাক গ্রহণের কথা গুলো মাথায় ঘুরছিল মুখ দিয়ে উচ্চারণ হয়নি মনে মনে বলছিলাম আর ঢোক গিলছিলাম । কথা গুলো বলার দ্বারা উনি আমাকে তালাকের অধিকার দেন নি বা গ্রহন করতে বলেন নি। ৪. আমার মুখ দিয়ে কিছু বার হয়ে গেলে কি সমস্যা হত ? উনি মুখে বললেও উনি কোন অধিকার দেন নি ।৫.আমার যেহেতু ওয়াসওয়াসার সমস্যা আছে আর উনি যেহেতু অধিকার দেন নি মন থেকে শুধু রাগে বলেছেন তাহলে কি সমস্যা হবে মুখ দিয়ে কিছু বার হয়ে গেলে? ৬.আর অধিকারের কথা বলার সময় আমি না করে দিয়েছিলাম তাহলে কি মুখ ফসকে কিছু বার হয়ে গেলে সমস্যা হত ঝগড়া শেষ হলে আমি আবার বলি যে আমি এই অধিকার নিবো না আপনি দিয়েন না উনি বলেন ওকে । এবং আজকেও হামি দিচ্ছিলাম তখন আল্লাহ বলছিলাম কিন্তু মনে মনে ওই একই কথা ঘুরছিল। ৭.গতকাল আগের দিনের ওই ঘটনা নিয়ে স্বামীকে প্রশ্ন করায় স্বামী রেগে গিয়ে বলেন যে "তুই বাদ দে আমাকে" "তোকে তালাকের অধিকার দিয়ে রাখলাম বা তোকে পাওয়ার দিয়ে দিলাম" আমি তখন বলি যে" দিবনা" " তোর অধিকারের মুখে মুতি" ।আমি স্বামীকে পরে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে আপনি কি আমাকে কালকের ঘটনার পরে অধিকার দিয়েছিলেন আর উনি বলেন যে না আবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে কালকের ওই অধিকারটা কি শুধু ওই সময়ের জন্যে ছিল উনি বলেন যে হ্যাঁ উনি আরও বলেন যে উনি মন থেকে কোনো অধিকার দেন নি আগের দিন এবং গত দিন রাগ করে বলেছেন শুধু মন থেকে দেইনি কোনো অধিকার। ৮.যেহেতু উনি অধিকার দেন নি এমনি রাগে বলেছেন যে তোকে তালাকের অধিকার দিয়ে রাখলাম তাহলে কি আমি অধিকার পেয়েছিলাম? এবং আমি যদি গ্রহণ করে নিতাম তাহলে কি বৈধ হতো। ৯.আমার স্বামী বলেছেন যে তালকের অধিকার দিলাম বা দিয়ে রাখলাম এগুলো উনি শুধু মাত্র রেগে বলেছেন অধিকার দেন নি আমাকে মন থেকে দেন নি শুধু মাত্র রেগে বলেছেন ইচ্ছা বা নিয়ত ছিলোনা অধিকার দেওয়ার আর যেহেতু আমি অধিকার পাই নি তাহলে তো আমার মুখ দিয়ে কিছু বার হয়ে গেলেও সমস্যা হতো না কারণ আমার কোন ইচ্ছা ছিল না১০. আমার স্বামী বলেছেন যে তালাকের অধিকার দিলাম বা দিয়ে রাখলাম এগুলো উনি শুধু মাত্র রেগে বলেছেন অধিকার দেন নি আমাকে মন থেকে দেন নি শুধু মাত্র রেগে বলেছেন ইচ্ছা বা নিয়ত ছিলোনা অধিকার দেওয়ার আর যেহেতু আমি অধিকার পাই নি তাহলে তো আমার মুখ দিয়ে কিছু বার হয়ে গেলেও সমস্যা হতো আমি প্রত্যাখ্যান না করলেও ?১১. উনি বলেছেন তালাকের অধিকারের কথা নিয়ত ছাড়া এবং তিনি মন থেকে কোন অধিকার দেন নি অধিকারের কথা বললেও উনি অধিকার দেন নি তাহলে আমি গ্রহণ করে নিয়েছিলাম তাহলে কি বৈধ তালাক হয়েছে ? উনি ফোন কলে বিষয়টা পরিষ্কার করে বলেছেন যে উনি তালাকের অধিকারের কথা বললেও উনি কোন অধিকার দেন নি। আমি আল্লাহর আইন জানতে চায় দয়া করে আমার প্রশ্নগুলো সিরিয়াল নম্বর করে দিয়েছি দয়া করে একটু সহজ উত্তর দিয়ে সাহায্য করেন । ১২.আমার স্বামী মুখে রাগ করে বলেছেন তোকে "তালাকের অধিকার দিয়ে রাখলাম বা তালাকের পাওয়ার দিয়ে দিলাম বা রাখলাম " মন থেকে কোনো অধিকার দেন নি নিয়ত ও ছিলোনা ইচ্ছাও ছিলো না শুধু মাত্র আমাকে রাগ করে বলেছেন " তোকে তালাকের অধিকার দিয়ে রাখলাম বা তালাকের পাওয়ার দিয়ে দিলাম " বললেও উনি বলেছেন যে উনি তালাকের কোন অধিকার দেননি নিয়ত ছিলোনা ইচ্ছাও ছিলোনা। আমাকে একটু সহজ সমাধান দিলে উপকার হয়। ১৩. আমার কি অধিকার ছিলো ? ১৪. এখন আছে কি ?১৫.আমি এই অ্যাপ এ প্রায় ১০ বার একই বিষয়ে জানতে চাইলে দুইরকম উত্তর আসে দয়া করে একটা সহজ সমাধান দিলে উপকার হয় অনেক আমি তাহলে একটু নির্ভয় থাকতে পারতাম । সিরিয়াল করে উত্তর দিলে উপকার হয় অনেক
Answer
بسم الله الرحمن الرحيم
উত্তর:
আপনার প্রশ্নটি দীর্ঘ ও জটিল, তবে মূল বিষয় হলো—আপনার স্বামী রাগের মাথায় আপনাকে ‘তালাকের অধিকার’ দেওয়ার কথা বললেও তিনি তা মন থেকে ও নিয়তসহ দেননি, বরং পরে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে তাঁর কোনো ইচ্ছা বা নিয়ত ছিল না। অপরদিকে আপনিও সেই অধিকার প্রত্যাখ্যান করেছেন বারবার। তাই কোনো তালাক সংঘটিত হয়নি এবং আপনার ওপর কোনো প্রভাব পড়েনি।
নিচে আপনার প্রশ্নগুলোর সিরিয়াল অনুযায়ী সহজ উত্তর দেওয়া হলো:
১. আমার কী অধিকার ছিল?
- স্বামী যখন বলেন, “তোকে তালাকের অধিকার দিয়ে রাখলাম”, তখন যদি তা সত্যিকার অর্থে (নিয়তসহ) দিয়ে থাকেন এবং আপনি তা গ্রহণ করেন, তাহলে আপনার তালাক দেওয়ার অধিকার হতো। কিন্তু যেহেতু তিনি শুধু রাগে বলেছেন, নিয়ত ও ইচ্ছা ছিল না, এবং পরে তা স্পষ্ট করেছেন, তাই কোনো অধিকার সাব্যস্ত হয়নি। (রদ্দুল মুহতার, ৩/২৯৪; ফাতাওয়া হিন্দিয়া, ১/৩৯৪)
২. আমার মুখ দিয়ে কিছু বার হয়ে গেলে (যেমন ‘তালাক’ বলে ফেললে) কী সমস্যা হতো?
- আপনি যদি মুখে ‘তালাক’ উচ্চারণ করতেন, কিন্তু আপনার নিয়ত বা ইচ্ছা না থাকে এবং আপনি ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত থাকেন, তাহলে তা গণ্য হতো না। তবে যদি স্পষ্ট ও সচেতনভাবে ‘তালাক’ বলেন, তাহলে তা কার্যকর হতো। যেহেতু আপনি মুখে কিছু বলেননি, তাই প্রশ্ন উঠছে না। (শরহু মাআনিল আসার, ৩/২৩; ইমদাদুল ফাতাওয়া, ২/৪৫১)
৩. স্বামী জানতেন না যে তালাকের অধিকার স্ত্রীকেও দেওয়া যায়—তাই অধিকার দেওয়ার সময় বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন না?
- তিনি মনে করেননি যে তিনি আসলেই আপনাকে কোনো অধিকার দিচ্ছেন; বরং রাগের বশবর্তী হয়ে কথা বলেছেন। তাই তাঁর কথাকে শরঈ অধিকার দান বলে গণ্য করা হবে না। (ফাতাওয়া উসমানী, ২/৪৭২)
৪. ওয়াসওয়াসার কারণে মনে মনে তালাকের কথা আসছিল, কিন্তু মুখে উচ্চারণ করিনি—এতে কী হয়?
- মনে মনে কোনো কথা বললে বা চিন্তা করলে তালাক হয় না। তালাক কেবল মুখের উচ্চারণ বা লিখিতভাবে প্রকাশ করলেই সংঘটিত হয়। (সহীহ বুখারী, ১/২৯; ফাতাওয়া হিন্দিয়া, ১/৩৫৭)
৫. মুখ দিয়ে কিছু বার হয়ে গেলেও কেন সমস্যা হতো না?
- কারণ স্বামী আসলেই আপনাকে অধিকার দেননি (নিয়ত ও ইচ্ছা ছিল না)। আর অধিকার না থাকলে আপনি ‘তালাক’ উচ্চারণ করলেও তা বাতিল হবে। (আল-হিদায়া, ২/৩৫৩; রদ্দুল মুহতার, ৩/৩০১)
৬. অধিকার দেওয়ার সময় আমি ‘না’ করেছিলাম—তা সত্ত্বেও যদি মুখ ফসকে ‘তালাক’ বলে ফেলতাম?
- আপনি যেহেতু অধিকার গ্রহণ করেননি, তাই আপনার ‘তালাক’ বলার কোনো ক্ষমতা ছিল না। ফলে কিছুই হতো না। (ফাতাওয়া আলমগীরী, ১/৪২১)
৭. ঝগড়া শেষে আমি আবার বলি ‘আমি অধিকার নেব না’—এতে কিছু হয়?
- এটি পুনর্ব্যক্ত মাত্র। কোনো প্রভাব নেই।
৮. স্বামী বলেন, “আগের দিন ও গত দিন রাগ করে বলেছি, মন থেকে দেইনি”—তবে কি আমার অধিকার ছিল?
- না, ছিল না। রাগের কথা যদি নিয়তবিহীন হয়, তাহলে তা আমলে নেওয়া হয় না। (ইমদাদুল ফাতাওয়া, ২/৪৫৫)
৯. যদি আমি তখনই গ্রহণ করে নিতাম, তাহলে কি বৈধ হতো?
- যদি স্বামী সত্যিকার অর্থে (নিয়তসহ) দিতেন এবং আপনি গ্রহণ করতেন, তাহলে বৈধ হতো। কিন্তু যেহেতু তিনি নিয়তই করেননি, তাই গ্রহণ করলেও তা বৈধ হতো না। (শরহু মাআনিল আসার, ৩/২৫)
১০. স্বামী বলেন, “অধিকারের কথা বললেও তিনি অধিকার দেননি”—তাহলে আমি গ্রহণ করলে কী হতো?
- গ্রহণ করলেও তালাক সংঘটিত হতো না, কারণ দাতার নিয়ত শর্ত। (রদ্দুল মুহতার, ৩/২৯৬)
১১. ফোনে স্বামী বলেছেন, “আমি কোনো অধিকার দেইনি”—তার মানে কী?
- এর অর্থ, আরবিতে ‘তাফবীদ’ বা অধিকার দানের আসল ইচ্ছা তাঁর ছিল না; শুধু রাগের কথা। তাই কোনো প্রভাব নেই।
১২. স্বামী মুখে ‘অধিকার দিয়ে রাখলাম’ বললেও মন থেকে দেননি—এতে আমার কী দাঁড়াল?
- আপনার জন্য কোনো অধিকার সৃষ্টি হয়নি। আপনি নিরাপদ।
১৩. আমার কী অধিকার ছিল?
- কোনো অধিকার ছিল না।
১৪. এখন কী আছে?
- এখনো কোনো অধিকার নেই। আপনার বৈবাহিক সম্পর্ক আগের মতোই বহাল আছে।
১৫. বারবার জিজ্ঞাসা করায় বিভিন্ন উত্তর আসে—এখন কী করব?
- নিশ্চিন্ত থাকুন। এখানে কোনো তালাক হয়নি। আপনি আপনার স্বামীর সঙ্গে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচতে নিয়মিত জিকির, কুরআন তিলাওয়াত করুন এবং অযথা সন্দেহ করবেন না।
সারসংক্ষেপ:
- স্বামী নিয়ত ছাড়া রাগে অধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন → কোনো অধিকার সাব্যস্ত হয়নি।
- আপনি প্রত্যাখ্যান করেছেন → গ্রহণ হয়নি।
- আপনি মুখে তালাক বলেননি → কিছুই হয়নি।
- ওয়াসওয়াসার চিন্তা → গণ্য হয় না।
- তালাক সংঘটিত হয়নি।
আল্লাহই সর্বজ্ঞ।