অনিচ্ছাকৃত মনে মনে নিয়ত করলে কি তা আল্লাহ কবুল করেন?

Faith and Belief · Hanafi

Question No: 1727
Questioner: Paoskk Qpwlwk
Question Asked: 17 Jun 2026, 01:41 PM
Reviewed & Published: 17 Jun 2026, 01:44 PM
Views: 30
Tokens: 16,691
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারকাতুহ উস্তায।

রসূলুল্লহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিয়্যাতের উপরই কাজের ফলাফল নির্ভরশীল। মানুষ তার নিয়্যাত অনুযায়ী ফল পাবে।
উস্তায, আমার সমস্যা হলো না চাইতেও আমার মনে একেক অনাকাঙ্ক্ষিত নিয়ত চলে আসে।
কোনো একটি কাজ আমি ভাবি ৫বার করতে হবে।
১বার করলে মনেহয় ঠিক হয়নি।

২ বার করলে মনেহয় ২বার করলে অমুক কাজটি হবে। যা একদমই আমার কাল্পনিক তাও নিয়ত হয়ে যায়। যেমন এই কাজটি আমি ২বার করেছি মানে ওমুক মারা যাবে অথবা এটা বা ওটা হবে৷ বা কিছু ঘটবে এই ২বার করার কারনে। মাথায় এসব আসে। তখন ভাবি এটা নিয়ত করে ফেললাম। (না চাইতেও)।

৩বার করলে মনেহয় এতে তালাক হয়।

৪বার করলে মনেহয় এটাতে কোনো দূর্ঘটনা হতে পারে কারন ৪ তারিখ আমার জন্য একটা খারাপ দিন ছিলো এরপর থেকে কোনো কাজ ৪ বার হলে আমার অসস্তি লাগে এরপর ৫ বার পূর্ণ করি বা তার বেশি।

আমি জানি এগুলো আমার মনের ভ্রান্ত ধারণা। কিন্তু আমি এর থেকে বের হতে পারিনা।

কারন আমি ভাবি নিয়্যাতের উপরই কাজের ফলাফল নির্ভরশীল। মানুষ তার নিয়্যাত অনুযায়ী ফল পাবে।

এর থেকে বের হওয়ার জন্য আমি সবটা আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিতে যাই। যে ২বার বা ৩বার করার কিছু নেই। এটা আমার মনের ভুল। আল্লাহ ভরসা।

ঠিক ওই মুহুর্তে আমার মনেহয় যে আসলে এটা আমি নিয়ত করে ফেলছি যে ২বার করলে এটা হবে, ৩বার করলে এটা হবে, ৪বার করলে এটা হবে। মনেহয় যে এটা নিয়ত করে ফেলছি প্রতিবার।
তখন আবার ভাবি যে, যে যেমন নিয়ত করে তার সাথে তেমনটাই হয়।
তাই আমার হয়তো এটা নিয়ত হয়ে গেছে যে ২বার করলে এটা হবে ৩বার করলে এটা হবে ৪ বার করলে এটা হবে। তাই এই নিয়ত ভাঙার জন্য আমি ৫ বার বা ১০বার এক কাজই বার বার করি। ভাবি যে আমার ভাবনাটা নিয়ত হয়ে গেছে। এখন আল্লাহ হয়তো কবুল করে নিবে। না চাইলেও নিয়ত হয়ে যায়। মনে মনে ভাবি যে এটা নিয়ত করলাম। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আমি তা চাইনা।

১। উপরে উল্লেখিত এমন অনিচ্ছাকৃত নিয়ত কি আল্লাহ কবুল করে নেন?

২। কোনো কাজের ক্ষেত্রেও কোনো বিষয়ের দিকে তাকালে মনেহয় আমি এইদিকে তাকিয়েছি তখন অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো নিয়ত মাথায় চলে আসে। যেমন আমি ফোনে একটা ছবি দেখলাম যেকোনো কিছুর। দেখার পর ভাবি এই ছবিটা দেখলাম তাহলে এখন এই জন্য এটা হবে। তাই আমাকে এখন অন্য আরেকটি ছবি দেখতে হবে। তখন আবার অন্য একটি ছবি (যেকোনো ছবি যেমন প্রাকৃতিক ছবি) দেখি।

আবার কোনো একটা ছবি দেখে ফোনের স্ক্রিন অফ করলে ভাবি এটা দেখে অফ করলে এটা হবে তাই মাথায় পজিটিভ চিন্তা না আসা পর্যন্ত লক করা অর্থাৎ স্ক্রিন অফ করা যাবেনা। (অনিচ্ছাকৃত নিয়ত চলে আসে যে এটা করলে ওটা হবে, ওটা করলে সেটা হবে এমন নিয়ত চলে আসে।) - এমন নিয়ত কি আল্লাহ কবুল করেন?

এসব নিয়ত কি কবুল হয়?

৩। অনেক সময় অনেক কাজ এর ক্ষেত্রে বা কিছু করার ক্ষেত্রে মনে হয় যে এটা করলে এটা হবে, ওটা করলে ওটা হবে। এক্ষেত্রেও অনিচ্ছাকৃত নিয়ত চলে আসে। যেমন কোনো কাজ করতে গেলে ভাবি এই কাজটা করলে আমার ক্যান্সার হবে। ওই কাজের সাথে ক্যান্সারের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু মাথায় এমন নিয়ত না চাইতে চলে আসে।

এমন নিয়ত করে ফেলি যা আসলে আমি চাইনা। তাও নিয়ত হয়ে যায়। এমন নিয়ত কি আল্লাহ কবুল করেন?

৪। কোনো কাজ ৩বার করলে ভাবি তালাক হবে। ৪ বার করলে আবার অন্য কিছু হবে ভাবি। অকল্যাণ চিন্তা করলে কি অকল্যাণ হয়ে যায়?এগুলো না চাইতে নিয়ত হলেকি কবুল হয়ে যাবে?

৫। নিয়ত আর ওয়াসওয়াসা ২টাইতো অন্তর থেকে আসে। বুঝবো কীভাবে যে কোনটা নিয়ত হয়ে গেলো আর কোনটা ওয়াসওয়াসা? ওয়াসওয়াসা বার বার নিয়তে পরিনত হতে চাইলে বা না চাইতেও নিয়ত হয়ে গেলে করনীয় কি?

৬। এসব থেকে বাঁচার উপায় কি উস্তায?

৭। খাবারের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে গেলে খাবারের মাঝে মনে হলে তখন বলতে হয় 'বিসমিল্লাহি আউওয়ালাহু ওয়া আখিরহ'।
কিন্তু খাবার ব্যতিত অন্য কোনো কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে গেলে তখন কি করতে হবে? তখন কি ওই কাজটি আবার পুনরায় বিসমিল্লাহ বলে প্রথম থেকে শুরু করতে হবে? নাকি কি করতে হবে?

আফওয়ান উস্তায প্রশ্ন এতো বড় হওয়ার জন্য।
জাযাকাল্লহু খইরন উস্তায।

Answer

উত্তর:

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।

প্রথমত, আপনার প্রশ্নের দীর্ঘতা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। বরং আপনি আপনার সমস্যা খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন, যা প্রশংসনীয়।

আপনার সমস্যার মূল কারণ হলো ওয়াসওয়াসা (শয়তানের প্ররোচনা) এবং অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার (OCD) -এর মতো একটি মানসিক অবস্থা। আপনি যা বর্ণনা করছেন, তা ইসলামী পরিভাষায় "ওয়াসওয়াসা" বলে গণ্য হবে, যা ইচ্ছাকৃত নিয়ত নয়।

১. অনিচ্ছাকৃত নিয়ত কি আল্লাহ কবুল করেন?

না, আল্লাহ তাআলা অনিচ্ছাকৃত, অপ্রীতিকর বা শয়তানের প্ররোচনাজনিত মনে উদিত হওয়া খেয়াল বা ধারণাকে নিয়ত হিসেবে গণ্য করেন না এবং তার জন্য কোনো প্রতিফল দেন না।

প্রমাণ:

  • রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

    "إِنَّ اللَّهَ تَجَاوَزَ لِي عَنْ أُمَّتِي مَا حَدَّثَتْ بِهِ أَنْفُسُهَا مَا لَمْ تَعْمَلْ أَوْ تَتَكَلَّمْ"
    "নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার উম্মতের মনের কথা (চিন্তা-ভাবনা) মাফ করে দিয়েছেন, যতক্ষণ না তারা তা কাজে পরিণত করে বা কথা বলে প্রকাশ করে।"
    (সহীহ বুখারী: ২৫২৮, সহীহ মুসলিম: ১২৭)

  • আপনি যখন মনে মনে ভাবেন "২ বার করলে অমুক হবে, ৩ বার করলে তালাক হবে"— এটি আপনার স্বেচ্ছাকৃত নিয়ত নয়, বরং শয়তানের পক্ষ থেকে আসা একটি ভ্রান্ত ধারণা বা ওয়াসওয়াসা। আপনি আসলে তা চান না। তাই এটি কোনো শরয়ী প্রভাব ফেলবে না এবং আল্লাহ তা কবুল করবেন না।

২. ছবি দেখা ও স্ক্রিন অফ করার ক্ষেত্রে অনিচ্ছাকৃত নিয়ত

এটিও ওয়াসওয়াসা। আপনি যদি ছবি দেখার পর মনে করেন "এই ছবি দেখার কারণে অমুক ঘটনা ঘটবে"— এটি একটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ধারণা। ইসলামে ছবি দেখার সাথে কোনো ঘটনা ঘটার সম্পর্ক নেই। আপনি যদি নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এসব চিন্তা করে ফেলেন, তবে এর কোনো প্রভাব নেই।

হানাফি ফিকহের নির্দেশনা:

  • ইমাম আবু হানিফা (রহ.) ও তার শিষ্যদের মতে, নিয়তের জন্য ইচ্ছা ও সংকল্প জরুরি। অজান্তে বা জোরপূর্বক মনে উদিত হওয়া চিন্তা নিয়ত নয়। (রাদ্দুল মুহতার: ১/৪৬৪)

৩. ক্যান্সার বা অকল্যাণের চিন্তা

এটিও ওয়াসওয়াসা। রোগ বা বিপদ আল্লাহর ইচ্ছা ও তাকদির অনুযায়ী ঘটে, আপনার মনের খেয়ালের কারণে নয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"وَاعْلَمْ أَنَّ الْأُمَّةَ لَوِ اجْتَمَعَتْ عَلَى أَنْ يَنْفَعُوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يَنْفَعُوكَ إِلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ لَكَ، وَإِنِ اجْتَمَعُوا عَلَى أَنْ يَضُرُّوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يَضُرُّوكَ إِلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَيْكَ"
"মনে রেখো, সমগ্র উম্মত যদি তোমার কোনো উপকারের জন্য একত্র হয়, তবে আল্লাহ যা তোমার জন্য লিখে রেখেছেন তা ছাড়া তারা তোমার কোনো উপকার করতে পারবে না। আর যদি তোমার কোনো ক্ষতি করার জন্য একত্র হয়, তবে আল্লাহ যা তোমার জন্য লিখে রেখেছেন তা ছাড়া তারা তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।"
(সুনান তিরমিজি: ২৫১৬)

৪. কাজ ৩ বা ৪ বার করলে তালাক বা দূর্ঘটনা হবে—এমন চিন্তা

এটি সম্পূর্ণ কুসংস্কার ও ওয়াসওয়াসা। তালাক একটি নির্দিষ্ট শরয়ী প্রক্রিয়া, যা মুখে উচ্চারণ বা স্পষ্ট ইচ্ছার মাধ্যমে হয়। কাজের সংখ্যার সাথে তালাকের কোনো সম্পর্ক নেই। আপনি যদি মুখে "তালাক" না বলেন এবং দৃঢ়ভাবে তালাকের ইচ্ছা না করেন, তবে কোনো তালাক পতিত হবে না।

প্রমাণ:

  • ইমাম কাসানী (রহ.) বলেন: "তালাক কেবল স্পষ্ট উচ্চারণ বা ইশারা দ্বারা পতিত হয়, যা তালাকের ইচ্ছা প্রমাণ করে।" (বাদায়েউস সানায়ে: ৪/১৬৬)

৫. নিয়ত ও ওয়াসওয়াসার পার্থক্য

নিয়ত: এটি সচেতন ও ইচ্ছাকৃত সংকল্প, যা কাজ করার জন্য অন্তরে দৃঢ় হয়। যেমন: আমি নামাজ পড়ার ইচ্ছা করছি।
ওয়াসওয়াসা: এটি অনৈচ্ছিক, শয়তানের পক্ষ থেকে আসা খেয়াল, যা আপনি চান না এবং প্রকৃত ইচ্ছার বিরুদ্ধে।

পার্থক্য বুঝার উপায়:

  • আপনি যদি চিন্তাটি অপছন্দ করেন এবং তা বাস্তবায়নে আগ্রহী না হন, তবে তা ওয়াসওয়াসা।
  • আপনি যদি চিন্তাটি পছন্দ করেন এবং তা বাস্তবায়নে প্রস্তুত থাকেন, তবে তা নিয়ত।

আপনার ক্ষেত্রে:
আপনি এসব চিন্তা অপছন্দ করেন এবং এর পরিণামে ভীত হন। তাই এগুলো ওয়াসওয়াসা, নিয়ত নয়।

৬. এগুলো থেকে বাঁচার উপায়

(ক) ওয়াসওয়াসাকে গুরুত্ব না দেওয়া:
এগুলো এলে মনে মনে বলেন: "আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করছি। এগুলো শয়তানের প্ররোচনা, এর কোনো প্রভাব নেই।"

(খ) বেশি বেশি দোয়া পড়া:

  • "بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ"
  • "أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ"

(গ) আমল:

  • রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

    "لَا يَزَالُ النَّاسُ يَتَسَاءَلُونَ حَتَّى يُقَالَ: هَذَا خَلَقَ اللَّهُ الْخَلْقَ فَمَنْ خَلَقَ اللَّهَ؟ فَمَنْ وَجَدَ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا فَلْيَقُلْ: آمَنْتُ بِاللَّهِ"
    "মানুষ প্রশ্ন করতে থাকবে, এমনকি বলা হবে: আল্লাহ সৃষ্টি জগৎ সৃষ্টি করেছেন, তাহলে আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে? তোমাদের কারো মনে যদি এরূপ খেয়াল আসে, তবে সে যেন বলে: আমি আল্লাহর ওপর ঈমান এনেছি।"
    (সহীহ মুসলিম: ১৩৪)

  • অর্থাৎ ওয়াসওয়াসা এলে গুরুত্ব না দিয়ে “আমানতু বিল্লাহি ওয়া রুসুলিহি” বলা উত্তম।

(ঘ) পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ:
এটি OCD–এর লক্ষণ হতে পারে। একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা সাইকোথেরাপিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

৭. খাবার ছাড়া অন্য কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ ভুলে গেলে করণীয়

  • খাবারের ক্ষেত্রে: ভুলে গেলে মাঝপথে মনে পড়লে বলবেন:

    "بِسْمِ اللَّهِ أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ"
    (সুনান আবু দাউদ: ৩৭৬৭)

  • অন্য যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে (যেমন: গাড়ি চালানো, লেখা ইত্যাদি):
    বিসমিল্লাহ বলা একটি মুস্তাহাব (পছন্দনীয়) কাজ। যদি ভুলে যান, তবে মাঝপথে মনে পড়লে “بِسْمِ اللَّهِ” পড়ে নিন। পুরো কাজ পুনরায় শুরু করার প্রয়োজন নেই। কারণ বিসমিল্লাহ শুরুতে না পড়লে কাজটি বাতিল হয় না, বরং এর বরকত কম হয়। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ৫/৩৫১)

সারসংক্ষেপ

১. আপনার অনিচ্ছাকৃত চিন্তাগুলো ওয়াসওয়াসা, নিয়ত নয়। তাই আল্লাহ তা কবুল করবেন না এবং এর কোনো শরয়ী প্রভাব নেই।
২. ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচতে মনে মনে "আমানতু বিল্লাহি ওয়া রুসুলিহি" বলুন এবং গুরুত্ব দিন আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখুন।
৩. নিজেকে বোঝান যে "আমি যদি তা না চাই, তবে তা কোনো নিয়ত নয়।"
৪. এসব চিন্তা আসলে পুনরায় কাজ করা (যেমন: ৫ বার বা ১০ বার করা) থেকে বিরত থাকুন, কারণ এতে ওয়াসওয়াসা বাড়ে।
৫. প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন।

আল্লাহ তাআলা আপনাকে ওয়াসওয়াসা থেকে হেফাজত করুন এবং শান্তি দান করুন।

জাযাকাল্লাহু খাইরান।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.