হুরমতে স্পর্শ কাতর জায়গায় হাতালে অনুভূতি মনে না থাকলে কি ধরাবো?

Marriage and Divorce · Hanafi

Question No: 1575
Questioner: Shariar Alam Siam
Question Asked: 13 Jun 2026, 03:30 PM
Reviewed & Published: 13 Jun 2026, 03:42 PM
Views: 46
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আমি একবার আম্মুর সাথে ঘুমাই তো ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার হাত আম্মুর জামার ভিতরে। তখন আমার মধ্যে কোন যৌন উত্তেজনা ছিলো না খারাপ চিন্তাও ছিলো না। আগে কখনো স্তন হাতাই নাই৷ তাই কৌতুহল সহ ভয়ে ভয়ে হাতাই। তীব্র আকর্ষন এর কারনে হাতাই। কোন যৌন উত্তেজনা পাই নাই। সারা গায়ে নাভির নিচে কোন উত্তেজনা ই পাই নাই। শুধু আটার গোল্লা / নরম বল ধরলে যেমন লাগছে তেমন লাগছে। সেক্সুয়াল অনুভূতি বুঝতে অল্প হইলেও যা বুঝি তাই পাই নাই৷ শুধু একটা বস্তু আছে সেটা বুচ্ছি।

এই যে উপরে যা বললাম ঘটনা সত্য তবে এই যে উত্তেজনা কেমন ছিলো যা যা বলছি সব প্রবল ধারনার প্রবল অনুমান এর ভিত্তিতে বলা। মানে অনুভূতি রিলেটেড যা বলছি তা প্রবল ধারনার ভিত্তিতে ।

তখন আমি -- সাবালক ছিলাম ঠিক, মনে তীব্র আকর্ষন ছিলো স্তনের প্রতি ঠিক, তবে ভয় ও ছিলো কখন উনি জাইগা যায়, উনাকে জিজ্ঞেস করছি উনি বলছে তার অনুভূতি ছিলো না৷
এখন যেহেতু আমার উত্তেজনা / শর্তের কথা কিছুই মনে নাই। আর জানি সন্দেহের ভিত্তিতে হুরমত ধরে না।
এখন অনেকে বলতে পারে স্পর্শ এর জায়গা টা যেহেতু স্তন স্পর্শ কাতর তাই হুরমত ধরে নিতে হবে? নাকি না ধরলেও হবে কারন প্রবক ধারনা হলো ভয় আর উত্তেজনা এক সাথে আসে না, আবার প্রবল ধারনা যে আম্মুর প্রতি যৌন কামনা থাকা সম্ভব না শ্রদ্ধার চোখে দেখি।

Answer

উত্তর:
প্রশ্নে বর্ণিত ঘটনায় হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হয়নি।

শরীয়তের বিধান মতে,কোনো ব্যাক্তি নিজ মায়ের সাথে যিনা করলে বা কামভাব নিয়ে উত্তেজনার সাথে আবরণ ছাড়া স্পর্শ করলে,বা তার লজ্জাস্থানের ভিতরের অংশ উত্তেজনার সাথে দেখলে নিজ বাবা মার বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভেঙ্গে যায় এবং তার মা তার বাবার জন্যে চিরতরে হারাম হয়ে যায়।

এক্ষেত্রে ছেলের বালেগ হওয়া শর্ত।

তাই ছেলে বালেগ (সাধারণত কমপক্ষে ১২ বছর) হয়ে গেলে তাকে স্পর্শ করার ক্ষেত্রে মায়ের খুবই সর্তক থাকা উচিৎ।

ই'লাউস সুনান গ্রন্থে বর্ণিত হাদীস শরীফে এসেছে

أخبرنا أبوحنیفة، عن حماد، عن إبراهیم، قال: إذا قبل الرجل أم أمرأته أو لمسها من شهوةٍ حرمت علیه امرأته، أخرجه محمد في الحجج ورجاله ثقات (إعلاء السنن: ۱۱/۱۳۱)

যার সারমর্ম হলো কেহ যদি তার শাশুড়িকে চুম্বন করে,অথবা উত্তেজনার সাথে স্পর্শ করে,তাহলে স্ত্রী তার উপর চিরজীবনের জন্য হারাম হয়ে যাবে।

অন্যত্রে এসেছে

أخبرنا إسماعیل بن عیاض، حدثنا سعید بن أبی عروبة، من قیس بن سعید، عن مجاهد في الرجل یفجر بالمرأة قال: إذا نظر إلی فرجها فلا یحله له أمها ولا بنتها، أخرجه محمد في الحجج أیضًا ورجاله ثقات (إعلاء السنن: ۱۱/۱۳۲

যার সারমর্ম হলো যদি কেহ কোনো মহিলার লজ্জাস্থানের দিকে দৃষ্টিপাত করে,তাহলে সেই মহিলার মেয়ে বা তার মাকে সে কোনোদিন বিবাহ করতে পারবেনা।

لما في ردالمحتار،ج:٣-ص:٣٣ (نسخة شاملة) ويشترط وقوع الشهوة عليها لا على غيرها لما في الفيض لو نظر إلى فرج بنته بلا شهوة فتمنى جارية مثلها فوقعت له الشهوة على البنت تثبت الحرمة، وإن وقعت على من تمناها فلا

অর্থাৎ- যাকে স্পর্শ করা হচ্ছে,তাকে নিয়ে কামভাব থাকতে হবে।কেননা বর্ণিত রয়েছে,কেউ যদি তার মেয়ের লজ্জাস্থানের দিকে কামভাব ছাড়া দৃষ্টি দেয়,এবং কল্পনায় অন্য কোনো নারীকে সে সঙ্গী হিসেবে চায়,কিন্তু তৎক্ষণাৎ তার মেয়ের দিকে তার কামভাব জাগ্রত হয়ে যায়,তাহলে তখন হুরমতে মুসাহারা সাব্যস্ত হয়ে যাবে(তথা তার বিবি তার জন্য হারাম হয়ে যাবে)তবে যদি তার কামভাব কল্পিত সে নারীর উপরই থাকে তাহলে হুরমতে মুসাহারাহ সাব্যস্ত হবে না।ফাতাওয়ায়ে শামী-৩/৩৩(শামেলা) খালি গায়ে স্পর্শ হতে হবে বা এমন পাতলা কাপড়ের উপর দিয়ে স্পর্শ হতে হবে যে, কাপড় থাকার পরও শরীরের স্পন্দন অনুভূত হয়।

★সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে হুরমতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হয়নি।

আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.