খৃষ্টান বা আহলে কিতাবিদের দ্বারা জবাইকৃত পশুর মাংস খাওয়া জায়েজ হবে কি?
Food and Drink · Hanafi
Question
সেই আলেম উত্তর দিয়েছেন খৃষ্টান কিংবা আহলে কিতাবীদের দ্বারা জবাইকৃত মাংস খাওয়া হালাল হবে। তাই আমেরিকা কিংবা এমন খৃষ্টান কোন দেশে গিয়ে এসব ফাস্টফুড খাওয়া হালাল হবে।
আমি জানতে চাই, আসলেই কি এমন? যদি হানাফি ফিকহে এটা হালাল না হয় অন্য কোন মাজহাবে কি এটা জায়েজ? আর এভাবে যেকোন খৃষ্টান দেশ বললে তো বিষয়টা ব্যাপক হয়ে যায়। সবাই তো আর খৃষ্টান হলেও বা আহলে কিতাবি হলেও আল্লাহ্র নামে জবাই করে না।
কোন পশু হালাল হওয়ার মূল শর্ত সহ আমার প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর চাই।
Answer
খৃষ্টান বা আহলে কিতাবীদের দ্বারা জবাইকৃত পশুর মাংস খাওয়া কি জায়েজ?
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আমেরিকা, ইউরোপ বা পশ্চিমা অমুসলিম দেশগুলোতে ফাস্টফুডের দোকান ও রেস্তোরাঁর গোশত (চিকেন, বিফ ইত্যাদি) খাওয়া এবং 'আহলে কিতাবীদের জবীহাহ' (জবাইকৃত পশু) সংক্রান্ত বিষয়ে ফিকহে হানাফী, জুমহুর ফকীহগণের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ও প্রামাণ্য ফাতাওয়া কিতাবসমূহের আলোকে ভলিউম ও পৃষ্ঠা নম্বর সহ বিস্তারিত ও সুনির্দিষ্ট শরঈ ফয়সালা নিচে তুলে ধরা হলো:
১. পশু হালাল হওয়ার ৩টি মৌলিক শর্ত (Core Conditions for Halal Zabiha):
ইসলামী শরী'আতে কোনো পশুর গোশত হালাল হওয়ার জন্য ৩টি মৌলিক শর্ত পূরণ হওয়া আবশ্যক। এর যেকোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে ওই পশুর গোশত খাওয়া সম্পূর্ণ হারাম [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩২০; বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৭৩]:
- জবেহকারীর যোগ্যতা (Ahl-az-Zabh): জবেহকারীকে অবশ্যই একজন মুসলিম অথবা প্রকৃত আহলে কিতাব (ইহুদী বা খৃষ্টান) হতে হবে [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩২০; বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৯০; ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ২৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১১৭]। কোনো নাস্তিক, ধর্মনিরপেক্ষ (Secular), কমিউনিস্ট, হিন্দু, বৌদ্ধ বা অন্য কোনো পৌত্তলিকের জবাইকৃত পশু খাওয়া সম্পূর্ণ হারাম [বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৯০; ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ২৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১১৮]।
- শরঈ পদ্ধতিতে রক্ত প্রবাহিত করা (Cutting the Throat Vessels): পশুকে জবেহে ইখতিয়ারী (স্বাভাবিক জবাই)-এর ক্ষেত্রে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলার শ্বাসনালী, খাদ্যনালী এবং প্রধান রক্তনালী দুটি (অডাজ) কাটতে হবে, যাতে প্রচুর রক্ত প্রবাহিত হয় [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩২০; বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৭৩, ৩৭৮]। পশুকে শ্বাসরোধ করে মারা (المنخنقة), মাথায় আঘাত করে বা পিটিয়ে মারা (الموقوذة), উপর থেকে ফেলে মারা বা উচ্চমাত্রার ইলেকট্রিক শকে জবেহের আগেই মেরে ফেলা পশুর গোশত 'মাইতাহ' (মৃত পশু) হিসেবে কুরআন মজিদের স্পষ্ট আয়াতে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে [সূরা মায়িদাহ: ৩; দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৭৮, ৩৮০; বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৭৮]।
- আল্লাহর নাম নেওয়া (Tasmiyah / Bismillah): জবেহের সময় জবেহকারী কর্তৃক আল্লাহর নাম (যেমন: বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার) পাঠ করা ফরয [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩২০; বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৭৩, ৩৯১]। জবেহের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে বিসমিল্লাহ ত্যাগ করলে বা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নাম (যেমন: ঈসা আ. বা পিতা-পুত্র-পবিত্র আত্মা) জপলে ওই পশুর গোশত হারাম হয়ে যায় [সূরা আনআম: ১২১; দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩২০; বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৯১; ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৮শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৫, ৩৭]।
২. প্রশ্ন ১: ভিডিওর আলেমের বক্তব্য কি সঠিক? হানাফী ফিকহে এটি হালাল কিনা?
উত্তর: না, ভিডিওতে উক্ত আলেমের ঢালাও বক্তব্য মোটেও সঠিক নয়। হানাফী ফিকহ এবং চার মাযহাবের জুমহূর ফকীহগণের দৃষ্টিতে আমেরিকা বা ইউরোপের সাধারণ ফাস্টফুড শপের গোশত খাওয়া সম্পূর্ণ নাজায়েয ও হারাম [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩২১–৩২৫; বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৪২৪; ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ২৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১০৫]।
কারণ ও হানাফী ফিকহের রূপরেখা:
- আহলে কিতাবের জবীহাহ্র শরঈ সীমা: কুরআন মজিদে আহলে কিতাবের খাবার হালাল হওয়ার যে ঘোষণা এসেছে (সূরা মায়িদাহ: ৫), তার অর্থ হলো— একজন প্রকৃত ইহুদী বা খৃষ্টান যদি শরঈ নিয়ম মেনে ধারালো ছুরি দিয়ে আল্লাহর নাম নিয়ে পশু জবেহ করে, তবে তা মুসলিমদের জন্য হালাল [বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৯০; ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ২৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১০৫, ১১৭]।
- আধুনিক কসাইখানার বাস্তবতা: আমেরিকা ও ইউরোপের বাণিজ্যিক ফাস্টফুড চেইনগুলোর গোশত আসে বিশাল আধুনিক কারখানা থেকে, যেখানে: ১. জবেহের পূর্বে উচ্চমাত্রার বিদ্যুৎ (Electric Shock) দেওয়া হয়, যার ফলে অনেক পশু জবেহের পূর্বেই মারা যায় [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩২৩, ৩৭৮, ৩৮০]। ২. স্বয়ংক্রিয় ঘুরন্ত ব্লেড দিয়ে কাটা হয়, যেখানে প্রতি পশুর জন্য 'বিসমিল্লাহ' পাঠ করা হয় না [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩২১, ৩২৩]। ৩. কারখানার শ্রমিকদের একটি বড় অংশ নাস্তিক, ধর্মহীন বা অনির্দিষ্ট আকিদার লোক [বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৪২৪–৪২৫]।
- সুতরাং এসব দেশের সাধারণ ফাস্টফুডের গোশত শরঈ জবেহের শর্ত পূরণ না করায় তা খাওয়া হানাফী ফিকহে সম্পূর্ণ নাজায়েয [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩২১–৩২৫; ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ২৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১০৫]।
৩. প্রশ্ন ২: অন্য কোনো মাযহাবে কি এটি জায়েয? (বিভ্রান্তি নিরসন)
উত্তর: না, হানাফী, মালেকী, শাফে'ঈ ও হানবালী—চার মাযহাবের কোনো স্বীকৃত মাযহাবেই শ্বাসরোধকৃত, বিসমিল্লাহ ছাড়া কিংবা নাস্তিকের হত্যা করা পশুর গোশত খাওয়া হালাল নয় [বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৯১–৩৯২]।
কাজী ইবনুল আরাবী (রহ.)-এর উদ্ধৃতি সংক্রান্ত বিভ্রান্তি: কিছু আধুনিক বক্তা হাকীমুল উম্মত কাজী ইবনুল আরাবী মালেকী (রহ.)-এর একটি বিচ্ছিন্ন কথা (শায ক্বওল) উদ্ধৃত করে দাবি করেন যে— "খৃষ্টানরা যেভাবে মারে সেটাই নাকি আমাদের জন্য হালাল।"
- বাস্তব সত্য ও খণ্ডন: আল্লামা মুফতী তাকী উসমানী (হাফি.) প্রামাণ্য কিতাবে প্রমাণ করেছেন যে, কাজী ইবনুল আরাবী (রহ.)-এর নিজের কিতাব আহকামুল কুরআনে এ বিষয়ে মারাত্মক স্ববিরোধী বক্তব্য রয়েছে। একই কিতাবে এক পৃষ্ঠা পূর্বে তিনি স্পষ্ট লিখেছেন:
“খৃষ্টানরা যদি শ্বাসরোধ করে বা মাথায় আঘাত করে পশু হত্যা করে, তবে তা 'মাইতাহ' (মৃতদেহ) হওয়ায় সম্পূর্ণ হারাম। তারা তা খেলেও আমরা খেতে পারব না, যেমন শুকর তাদের ধর্মে খাদ্য হলেও আমাদের জন্য হারাম” [বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৯১–৩৯২]।
- সুতরাং চার মাযহাবের সর্বসম্মত ফতোয়া হলো— আহলে কিতাবের জবীহাহ হালাল হওয়ার জন্য শরঈ জবেহের শর্তসমূহ বজায় রাখা বাধ্যতামূলক [বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৯১–৩৯২]।
৪. প্রশ্ন ৩: "যেকোনো খৃষ্টান দেশ" বললে কি বিষয় ব্যাপক ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, আপনার আশঙ্কাটি শতভাগ বাস্তব ও ফিকহসম্মত। কেবল কোনো দেশের নাম "খৃষ্টান দেশ" বা অমুসলিম দেশ হলেই সেখানকার সব গোশত হালাল হয়ে যায় না [বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৪২৪; ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ২৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১০৫, ১৩৩]।
শরঈ ও বাস্তব কারণসমূহ: ১. নাস্তিকতা ও সেক্যুলারিজম: পশ্চিমা অধিকাংশ দেশের সংবিধানে বা পরিচয়ে খৃষ্টান বলা হলেও সেখানকার জনসংখ্যার বড় অংশ নাস্তিক (Atheist) বা অগ্নোস্টিক (Agnostic), যারা খোদা বা আসমানী কিতাবে বিশ্বাস করে না। তাদের হাত দিয়ে পশুর মৃত্যু ঘটলে তা সর্বসম্মতভাবে হারাম [বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৪২৪]। ২. পশুর মাংসের মূল শরঈ নীতি (الأصل في اللحوم الحرمة): ইসলামী ফিকহের সর্বসম্মত মূলনীতি হলো— "যেকোনো পশুর রক্ত ও গোশতের মূল বিধান হলো তা হারাম, যতক্ষণ না শরঈ উপায়ে জবেহ হওয়া নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়" [বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৯০, ৪২৪]। ৩. হালাল ও হারামের মিশ্রণ (إذا اجتمع الحلال والحرام غلب الحرام): যখন কোনো শহরের গোশতে শরঈ জবেহ ও অ-শরঈ হত্যার মিশ্রণ ঘটে বা সংশয় তৈরি হয়, তখন ফিকহী মূলনীতি অনুযায়ী হারামের দিকটি প্রাধান্য পায় এবং ওই গোশত বর্জন করা ওয়াজিব হয় [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ২৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১৩৩; বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৪২৪]।
খুলাসা ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:
আমেরিকা বা ইউরোপে গিয়ে সাধারণ ফাস্টফুড শপ (যেমন: McDonald's, KFC, Burger King ইত্যাদি, যদি না নির্দিষ্ট আউটলেটটি 'হালাল সার্টিফাইড' হয়) থেকে চিকেন বা বিফ ফাস্টফুড খাওয়া সম্পূর্ণ হারাম ও নাজায়েয [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩২১, ৩২৫; বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৪২৪]।
সেসব দেশে অবস্থানকালে কেবল মুসলিমদের পরিচালিত নির্ভরযোগ্য 'হালাল সার্টিফাইড' (Halal Certified) দোকান থেকে গোশত খাওয়া যাবে, অথবা মাছ, ডিম, শাকসবজি ও নিরামিষ ফাস্টফুড গ্রহণ করতে হবে।
সংযুক্ত কিতাবের বিবরণ (ভলিউম ও পৃষ্ঠা নম্বর সহ):
- দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড):
- পৃষ্ঠা: ৩২০–৩২৫ (অধ্যায়: 'কুরবানী ও আকীকা — মুরগি ড্রেসিং, যান্ত্রিক জবেহ ও শরীআতসম্মত জবেহের আবশ্যকীয় শর্তাবলী') [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩২০, ৩২১, ৩২৩, ৩২৫]।
- পৃষ্ঠা: ৩৭৮, ৩৮০ (অধ্যায়: 'ইলেকট্রিক পদ্ধতিতে প্রাণী হত্যার ফিকহী বিধান ও পশুর মৃত্যুর কারণ') [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৭৮, ৩৮০]।
- বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা (১ম খণ্ড):
- পৃষ্ঠা: ৩৭৩, ৩৭৮ (অধ্যায়: 'আহকামুয জাবাইহ ওয়াল লুহুমিল মুস্তাওরাদা — শরঈ জবেহের তিন উপাদান') [বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৭৩, ৩৭৮]।
- পৃষ্ঠা: ৩৯০–৩৯২ (অধ্যায়: 'যবীহাতু আহলিল কিতাব — আহলে কিতাবের জবীহাহ্র শর্তাবলী ও ইবনুল আরাবীর শায ক্বওলের খণ্ডন') [বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৯০, ৩৯১, ৩৯২]।
- পৃষ্ঠা: ৪২৪–৪২৫ (অধ্যায়: 'আহকামুল লুহুমিল মুস্তাওরাদা — ইউরোপ-আমেরিকার গোশত হারাম হওয়া এবং الأصل في اللحوم الحرمة মূলনীতি') [বুহুস ফি কাযায়া ফিকহিয়্যাহ মুয়াসারা ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৪২৪, ৪২৫]।
- ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া (১৮শ খণ্ড):
- পৃষ্ঠা: ৩৫–৩৭ (অধ্যায়: 'বাবুল আক্ল ওয়াশ শুরব — আহলে কিতাবের খাদ্য ও জবেহ সংক্রান্ত তাফসীরি ও ফিকহী মাসআলা') [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৮শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৫, ৩৭]।
- ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া (২৪শ খণ্ড):
- পৃষ্ঠা: ১০৫, ১১৭, ১১৮ (অধ্যায়: 'কিতাবুজ জাবাইহ — আমেরিকা ও ইউরোপের আহলে কিতাব এবং যান্ত্রিক জবেহের শরঈ হুকুম') [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ২৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১০৫, ১১৭, ১১৮]।
- পৃষ্ঠا: ১৩৩ (অধ্যায়: 'কুরবানী ও জবেহ — যদি হালাল ও হারাম মিশ্রিত হয় তবে হারামের প্রাধান্য') [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ২৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১৩৩]।
আল্লাহ ভালো জানেন।