পরিবারের যারা গীবতে লিপ্ত তাদের এসব কার্যকলাপ নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করা যাবে কি? তা কি 'গীবত' হবে?

Family Life · Hanafi

Question No: 7746
Questioner: NUSRAT JAHAN
Question Asked: 01 Nov 2026, 08:38 PM
Reviewed & Published: 01 Nov 2026, 08:59 PM
Views: 13
Tokens: 11,866
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহ

আমাদের পরিবারে এমন দুজন মানুষ আছেন। যারা সবার কোন সমস্যা বা ঘটনায় সবসময় নাক গলাতে চায়। তারা আমার শাশুড়ী ( খালা ও হয়) এবং নানু শাশুড়ী বা নানু। তারা দুজন মিলে আলোচনা করে কোন কিছুহলে কে কাকে কি বলবেন। দুজন মিলে প্লানিং করে। যেমন আমার ছোট মামা বিদেশ থাকে।দেশে আসার সময় আমার শাশুড়ী নানুকে বলে আপনার ছেলেকে বলবেন আমাদের এটা লাগবে বা দেশে আসলে দাওয়াত দিতে হবে। বউকে বেশি আশকারা না দিতে, কিছু না কিনে দিতে, আমার ক্ষেত্রে ও এগুলো। অন্যজনের বাড়ি গিয়ে আমার নামে বদনাম করে আসে আমার সাশুড়ি। আমার নানুকে বললে তিনি বলে শাশুড়ী রা এইরকম একটু করেই। অথচ তার নিজের মেয়ে কিছুই বলেনা। তিনি আর তার বড় মেয়ে (আমার শাশুড়ী) মিলে অন্য যে কাউকে হাতের মুঠোয় রাখতে চান,তারা যা বলবে সবাইকে তাই করতে হবে এমন অবস্থা,আমার আম্মুকেও অনেক কথা বলে কস্ট দেয়। আমার নানু এখন একটা জমি কিছু টাকার বিনিময়ে তার বড় মেয়েকে( আমার শাশুড়ী) দান /হেবা করে দিয়েছেন অন্য ছেলেমেয়েদের না জানিয়ে। তাদের ব্যাপার এ বলতে গেলে " এমন কোন নিন্ম কাজ নেই যা তারা করার চেষ্টা করেনি"।আমার আম্মু আমাকে কিছু কিনে দিলে তারা বলে এসব ঢং।অথচ আমার শাশুড়ী তার মেয়ের অনেক দামি ফারনিচার কিনেছেন। ভালো ভালো খাবার খাওয়ান। আর আমাকে খাবার দিতে গেলে উনার কস্ট হয় মনে হয়। আমাকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে চান। সবসময় আমার মামা মামিদের নিয়ে কটু কথা,তাদের দোষ খুঁজে বেড়ান।আমার ক্ষেত্রেও।তারা সবাকে মানসিক কষ্ট দিয়ে কথা বলে। আমার ছোট মামিকে একবার চোর বানিয়ে দিয়েছেন। অথচ অই জিনিস তাদের ঘরেই খুজে পাওয়া গেছে। তাও তারা দমেনি।লাগাতার এসব চক্রান্ত করেই যাচ্ছে কার পিছনে কি বলবে।কার কোথায় দোষ আছে সেটা খুজে বের করে। বাইরের কোন মেয়ের কে কালো কে সাদা কে বেটে কে লম্বা। আমার শাশুড়ী তার বড় ছেলে মানে আমার হাজবেন্ড এর খোজ খবর নেন্না খুব একটা। কারন তিনি এখনও ইনকাম করেনা।আর তার মেঝ নাকি খুব ভালো। রান্না করে খাওয়ার কারন তার কাছে টাকা আছে।মানে বলতে গেলে তারা এমন নিম্ন লেভেল চিন্তা ভাবনা সবসময় মনে পুষে রাখে। আমার নানুও একই। অন্যের পিছনে লেগে থাকেন। এছাড়াও আরো অনেক কিছু আছে বলে শেশ করা জাবেনা।

*প্রশ্ন 1:*
এমতাবস্থায় আমরা তাদের এসব কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনা করতে পারব কিনা?

*প্রশ্ন 2:*
আলোচনা করলে সেটি কি গিবত হবে?
*প্রশ্ন 3:*
আমাদের বাকিদের কি করা উচিত?
*প্রশ্ন 4:*
তাদের এগুলো কিভবে কমানো যায়? তাদের কে সুন্দর ব্যবহার দিয়ে অনেক বুঝানো হয়েছে কিন্তু কাজ হচ্ছেনা। আমার শাশুড়ী তার হাজবেন্ড কে তেমন আনুগত্য করেনা।

Answer

وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

জবাব

আপনার পারিবারিক উদ্বেগ ও কষ্টের বিবরণটি অত্যন্ত স্পষ্ট ও অনুবেদনীয়। পরিবারে শাশুড়ী ও নানু শাশুড়ীর এ জাতীয় অনভিপ্রেত আচরণ, চক্রান্ত, বৈষম্য এবং মানসিক যন্ত্রণা দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।

আপনার উত্থাপিত ৪টি প্রশ্নের হানাফী ফিকহ ও প্রামাণ্য কিতাবসমূহের আলোকে ভলিউম ও পৃষ্ঠা নম্বর সহ বিস্তারিত শরঈ সমাধান নিচে তুলে ধরা হলো:


প্রশ্ন ১ ও ২: তাদের এসব কার্যকলাপ নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করা যাবে কি? তা কি 'গীবত' হবে?

উত্তর: নিজেদের আত্মরক্ষা, অন্যায়ের প্রতিরোধ, সত্য উন্মোচন কিংবা সমাধানের সঠিক পথ খোঁজার উদ্দেশ্যে ভুক্তভোগী ও প্রয়োজনীয় স্বজনদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে আলোচনা করা শরী'আতের বিচারে হারাম 'গীবত' হবে না; বরং তা জায়েয ও বৈধ [দরসুল ফিকহ ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৬০; ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১৩২]।

ফিকহী কারণ ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা: ১. গীবতের সাধারণ হুকুম: কারো অনুপস্থিতিতে তার এমন কোনো সত্য অপকর্ম বা স্বভাবের কথা বলা যা শুনলে সে কষ্ট পাবে, তাকে শরীআতে 'গীবত' বলা হয়, যা সাধারণ অবস্থায় কবিরা গোনাহ ও হারাম [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১০৩; ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১১০]। ২. গীবতের শরঈ ব্যতিক্রম (জুলুম ও আত্মরক্ষা): ফিকহে হানাফীর প্রামাণ্য মূলনীতি অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যদি অনবরত ষড়যাত্ৰ, গীবত-চোগলখুরী, মিথ্যা অপবাদ (যেমন: ছোট মামিকে চোর বানানো) বা মানসিক নির্যাতন চালিয়ে যায়, তবে তাদের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বেঁচে থাকার জন্য বা অন্যায়ের প্রতিকার খুঁজতে আলোচনা করা জায়েয [দরসুল ফিকহ ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৬০; ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১৩২]। মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন: “আল্লাহ তাআলা মন্দ কথার প্রচার পছন্দ করেন না; তবে যার ওপর জুলুম করা হয়েছে তার কথা আলাদা” (সূরা নিসা: ১৪৮)। ৩. পরামর্শ ও সতর্কীকরণের বৈধতা: পরিবারের ছোট মামা, আম্মু বা অন্যান্য ভুক্তভোগীদের তাদের চক্রান্ত ও কুপ্রভাব থেকে বাঁচাতে নিজেদের মধ্যে কৌশল নির্ধারণ বা বিজ্ঞ অভিভাবক/মুফতী সাহেবের কাছে পরামর্শ চাওয়ার জন্য ঘটনা বলা গীবতের অন্তর্ভুক্ত নয় [দরসুল ফিকহ ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৬০]।

আবশ্যকীয় ৩টি শর্ত:

  • সীমা না বাড়ানো: যা ঘটে গেছে তার সাথে বানিয়ে অতিরিক্ত বা মিথ্যা কিছু বলা যাবে না [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১৩২]।
  • নিয়ত পরিচ্ছন্ন রাখা: নিছক চাটুকারিতা বা কাউকে হেয় করে মজা নেওয়ার জন্য নয়; বরং আত্মরক্ষা, সত্য প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিকর চক্রান্ত এড়ানোর নিয়তে আলোচনা করতে হবে [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১০৩]।
  • সীমাবদ্ধতা রাখা: অপ্রাসঙ্গিক বাইরের মানুষ বা সাধারণ মজলিসে এটি ছড়ানো যাবে না; কেবল ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগী সদস্যদের মধ্যেই আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখতে হবে [দরসুল ফিকহ ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৬০]।

প্রশ্ন ৩: আপনাদের বাকিদের এখন কী করা উচিত?

উত্তর: পরিবারের বাকি সদস্যদের জন্য শরীআতের আলোকে করণীয়গুলো হলো:

১. মিথ্যা ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করা (আম্র বিল মারূফ ও নাহী আনিল মুনকার):

  • যখন তারা কাউকে অন্যায়ভাবে দোষী সাব্যস্ত করে বা অপবাদ দেয় (যেমন: ছোট মামিকে চোর বানানো বা কারও নামে বদনাম করা), তখন বাকিদের দায়িত্ব হলো বিনম্র কিন্তু স্পষ্টভাষায় সত্যটা তুলে ধরে নির্দোষ ব্যক্তির সম্মান রক্ষা করা [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৪১৮–৪১৯; ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৮৩]। ২. অন্যায় দাবিতে সায় না দেওয়া:
  • শাশুড়ী বা নানু শাশুড়ীর কোনো অন্যায্য আবদার বা কাউকে হেয় করার ষড়যাত্ৰে অংশ নেওয়া যাবে না। কারণ অন্যায়ে সহযোগিতা করা শরীআতে গোনাহ [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৯শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৯৯]। ৩. আত্মীয়তার হক রক্ষা বনাম অন্যায়ের বিরোধিতা:
  • তারা যেহেতু শাশুড়ী ও নানু (ঘনিষ্ঠ আত্মীয়া), তাই তাদের সাথে গালিগালাজ বা অভদ্রতা করা যাবে না; তাদের ন্যূনতম সম্মান বজায় রাখতে হবে, তবে তাদের অন্যায়কে মেনে নেওয়া যাবে না [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১৩২; ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৯শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৯৬]। ৪. সম্পত্তি হেবা/দানের মাসআলা:
  • নানু শাশুড়ী জীবদ্দশায় অন্যান্য ছেলেমেয়েদের না জানিয়ে এক মেয়েকে জমি দান (হেবা) করে দিলে এবং কবজা (দখল) বুঝিয়ে দিলে ফিকহী বিচারে দানটি কার্যকর হয়ে যায় [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ২৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৬৩]। তবে অহেতুক অন্য সন্তানদের বঞ্চিত করে এক সন্তানকে প্রাধান্য দেওয়ার কারণে দাতা আল্লাহর দরবারে গোনাহগার হবেন [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ২৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৬৩]।

প্রশ্ন ৪: তাদের এসব অন্যায় কার্যকলাপ কীভাবে কমানো যায়?

উত্তর: যেহেতু সুন্দর ব্যবহারে তারা শুধরাচ্ছেন না এবং শাশুড়ী তার স্বামীর আনুগত্যও করেন না, সেহেতু কৌশলগত ও শরঈভাবে নিচের ৪টি পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে:

১. তথ্য নিয়ন্ত্রণ ও গোপনীয়তা বজায় রাখা (Information Control):

  • তারা যে বিষয়গুলো নিয়ে কানাকানি বা চক্রান্ত করেন (যেমন: কে কী কিনল, বিদেশ থেকে ছোট মামা কী আনবে, কে কী উপহার দিল), সেসব ব্যক্তিগত তথ্য বা খবর তাদের কাছে পৌঁছানো পুরোপুরি বন্ধ করে দিন [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৯শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১০২]। ২. প্রতিক্রিয়া না দেখানো (Ignore Strategy):
  • তারা যখন উসকানিমূলক কথা বা কটূক্তি বলবেন, তখন তাদের কথার মুখোমুখি তর্কে না জড়িয়ে সম্পূর্ণ উপেক্ষা (Ignore) করুন। তারা যখন দেখবে যে তাদের কথায় আপনারা বিচলিত হচ্ছেন না, তখন চক্রান্তের তীব্রতা অনেকাংশে কমে আসবে [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৯শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৯২, ১০৩]। ৩. প্রভাবশালী মুরুব্বী বা আলেম দ্বারা নসীহত করানো:
  • পরিবারের এমন কোনো মুরুব্বী বা আত্মীয় যার কথা তারা কিছুটা হলেও মানেন বা সমীহ করেন, তার মাধ্যমে তাদেরকে অন্যায়ের ভয়াবহতা ও পরকালের জবাবদিহিতা সম্পর্কে নসীহত করার ব্যবস্থা করুন [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৪১৯–৪২০; ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৯শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৯৬]। ৪. আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা ও ইস্তিগফার:
  • তাদের হেদায়াত ও মন নরম হওয়ার জন্য রবের কাছে বেশি বেশি দোয়া করুন এবং নিজেদের সুরক্ষার জন্য নিয়মিত মাসনূন দোয়া ও ইস্তিগফার পাঠ করুন [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৯শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১০৩]।

সংযুক্ত কিতাবের বিবরণ (ভলিউম ও পৃষ্ঠা নম্বর সহ):

  • দরসুল ফিকহ (২য় খণ্ড): পৃষ্ঠা: ৩৬০ (অধ্যায়: 'গীবত ও অন্যের গোপনীয়তা প্রকাশ — আত্মরক্ষা, জুলুমের প্রতিবাদ ও ইস্তিশারার প্রয়োজনে আলোচনা বৈধ হওয়ার ফিকহী মূলনীতি') [দরসুল ফিকহ ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৬০]।
  • দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড): পৃষ্ঠা: ৪১৮–৪২১ (অধ্যায়: 'আম্র বিল মারূফ ও নাহী আনিল মুনকার — অন্যায়ের প্রতিবাদ ও হেকমতপূর্ণ রূপরেখা') [দরসুল ফিকহ ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৪১৮, ৪২০, ৪২১]।
  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া (৬ষ্ঠ খণ্ড): পৃষ্ঠা: ১০৩ (অধ্যায়: 'গীবত ও চোগলখুরীর শরঈ হুকুম') [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১০৩]।
  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া (১৪শ খণ্ড): পৃষ্ঠা: ৮৩, ১০৩, ১১০ ও ১৩২ (অধ্যায়: 'বাবুল হুদূদ ও তাতযীর — মিথ্যা অপবাদ প্রতিরোধ, অন্যায়ের প্রতিবাদ ও গীবতের সীমা') [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৮৩, ১০৩, ১১০, ১৩২]।
  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া (৪র্থ খণ্ড): পৃষ্ঠা: ১৩২ (অধ্যায়: 'صله رحمی / আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা ও অন্যায়ের সীমানা') [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১৩২]।
  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া (১৯শ খণ্ড): পৃষ্ঠা: ৯২, ৯৬, ৯৯ এবং ১০২–১০৩ (অধ্যায়: 'باب حقوق الوالدين وغيرهما — শ্বশুর-শাশুড়ী ও জ্যেষ্ঠ স্বজনদের অন্যায্য দাবি, দুর্ব্যবহারের ধৈর্য এবং সংশোধনের নিয়ম') [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ১৯শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৯২, ৯৬, ৯৯, ১০২]।
  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া (২৪শ খণ্ড): পৃষ্ঠা: ৬৩ (অধ্যায়: 'কিতাবুল হিবা — জীবনদ্দশায় সন্তানদের সম্পত্তি দান ও বৈষম্যের শরঈ বিধান') [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া ২৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৬৩]।

আল্লাহ ভালো জানেন।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.