ফেসবুক মনিটাইজেশন থেকে আয় করা হালাল নাকি হারাম—এ বিষয়ে শরিয়াহসম্মত সঠিক সিদ্ধান্ত জানতে চাই।

Halal and Haram · Hanafi

Question No: 7414
Questioner: Mahima Akter
Question Asked: 26 Oct 2026, 08:33 PM
Reviewed & Published: 27 Oct 2026, 03:33 PM
Views: 45
Tokens: 12,196
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

আমি ফেসবুক মনিটাইজেশন থেকে আয় করা হালাল নাকি হারাম—এ বিষয়ে শরিয়াহসম্মত সঠিক সিদ্ধান্ত জানতে চাই।

আমার বোন AI-এর সাহায্যে শিশুদের পুষ্টিকর খাবার, কীভাবে খাবার তৈরি করলে শিশুদের স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন বাড়তে পারে, শিশুদের জন্য কোন খাবার উপকারী—এ ধরনের বিষয় নিয়ে ভিডিও তৈরি করে ফেসবুক পেজে আপলোড করে। ভিডিওগুলোতে কোনো মানুষের বাস্তব মুখ ব্যবহার করা হয় না। প্রতিটি রিলস সাধারণত প্রায় ১০ সেকেন্ডের হয়।

সে এখন ফেসবুক পেজে মনিটাইজেশন চালু করে আয় করতে চায়। কিন্তু মনিটাইজেশন থেকে পাওয়া অর্থ হালাল হবে কি না, তা নিয়ে আমাদের মনে প্রশ্ন রয়েছে।

আমি অনলাইনে কিছুটা গবেষণা করে জেনেছি, ফেসবুকে দর্শকদের কাছে কী ধরনের বিজ্ঞাপন দেখানো হবে, তা সব সময় ক্রিয়েটর নিজে নির্ধারণ করতে পারেন না। রান্না ও খাবারবিষয়ক পেজে সম্ভাব্য বিজ্ঞাপনের মধ্যে থাকতে পারে:

১. রান্নার ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি—যেমন ব্লেন্ডার, ওভেন, রাইস কুকার ও এয়ার ফ্রায়ার।
২. রান্নার সরঞ্জাম ও বাসনকোসন।
৩. ফুড ডেলিভারি ও অনলাইন গ্রোসারি সার্ভিস—যেমন Foodpanda, Pathao Food ও Chaldal।
৪. দুধ, মাখন, চিজ, নুডলস, পাস্তা এবং অন্যান্য প্যাকেটজাত খাবার।
৫. Daraz-এর মতো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন।
৬. এ ছাড়া অন্য ধরনের বিজ্ঞাপনও দেখানো হতে পারে। সব বিজ্ঞাপনের ধরন আগে থেকে নিশ্চিতভাবে জানা সম্ভব হচ্ছে না।

আমার প্রশ্নগুলো হলো:

১. AI দিয়ে তৈরি শিশুদের পুষ্টিকর খাবারবিষয়ক ভিডিও থেকে ফেসবুক মনিটাইজেশনের মাধ্যমে আয় করা শরিয়াহ অনুযায়ী হালাল হবে কি?
২. ভিডিওতে কোনো বাস্তব মানুষের মুখ ব্যবহার না করলে, শুধু AI দিয়ে তৈরি ভিডিও হওয়ায় কি আয়ের হুকুমে কোনো পার্থক্য হবে?
৩. ফেসবুকের বিজ্ঞাপনে যদি হালাল ও হারাম—উভয় ধরনের পণ্যের বিজ্ঞাপন আসার সম্ভাবনা থাকে এবং সব বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হয়, তাহলে সেই মনিটাইজেশন আয় কি হালাল হবে?
৪. কোনো বিজ্ঞাপনে সুদভিত্তিক ব্যাংকিং, জুয়া, মদ বা শরিয়াহবিরোধী অন্য কোনো পণ্যের প্রচার থাকলে, সেই বিজ্ঞাপনের কারণে কি পুরো আয় হারাম হয়ে যাবে, নাকি শুধু সংশ্লিষ্ট অংশের বিষয়ে আলাদা বিধান রয়েছে?
৫. এ ক্ষেত্রে আয় হালাল রাখার জন্য কী কী শর্ত মেনে চলতে হবে এবং কোন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্লক বা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি?

কুরআন-সুন্নাহ ও নির্ভরযোগ্য ফিকহি দলিলের আলোকে, সম্ভব হলে হানাফি মাজহাবের মতামতসহ বিষয়টি বুঝিয়ে বললে উপকৃত হব। বিশেষ করে, আমার বোনের বর্ণিত পরিস্থিতিতে মনিটাইজেশন চালু করা জায়েজ হবে কি না, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা কামনা করছি।

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।

Answer

وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

আপনার বোনের তৈরি শিশুদের পুষ্টিকর খাবার ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কন্টেন্ট এবং ফেসবুক মনিটাইজেশন থেকে অর্জিত আয়ের ফিকহী বিধান সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর বিস্তারিত শরঈ সমাধান নিচে পর্যায়ক্রমে ফিকহে হানাফীর প্রামাণ্য কিতাব থেকে ভলিউম ও পৃষ্ঠা নম্বর সহ প্রদান করা হলো:


১) AI দিয়ে তৈরি শিশুদের পুষ্টিকর খাবারবিষয়ক ভিডিও থেকে মনিটাইজেশনের আয় হালাল হবে কি না?

উত্তর: ভিডিওর মূল কনটেন্ট (শিশুদের পুষ্টিকর খাবার, স্বাস্থ্যসম্মত রান্না ও স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস) যেহেতু হালাল, শিক্ষণীয় ও জনকল্যাণমুখী, তাই এ ধরনের ভিডিও তৈরি ও পেজে আপলোড করা সম্পূর্ণ জায়েয।

তবে ফেসবুক মনিটাইজেশন থেকে প্রাপ্ত আয় মূলত ভিডিওতে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনের পারিশ্রমিক/ফি। ফলে মনিটাইজেশনের আয়ের হুকুম নির্ভর করবে ভিডিওতে দেখানো বিজ্ঞাপন (Advertisement)-এর ধরনের ওপর:

  • হালাল বিজ্ঞাপন: বিজ্ঞাপনে যদি ব্লেন্ডার, ওভেন, চাল, ডাল, দুধ বা অন্যান্য শরী'আতসম্মত পণ্যের প্রচার করা হয়, তবে তা থেকে অর্জিত মনিটাইজেশন আয় সম্পূর্ণ হালাল।
  • হারাম বিজ্ঞাপন: কিন্তু বিজ্ঞাপনে যদি অশালীন, অনৈসলামিক বা হারাম কোনো বস্তুর প্রচার করা হয়, তবে তার বিনিময় গ্রহণ করা নাজায়েয।

সংযুক্ত কিতাব ও পৃষ্ঠা নম্বর:

  • ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী: ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১১৫–১১৬ (অধ্যায়: ইজারা, 'কাজের পারিশ্রমিক ও শ্রমের বিনিময়'); এবং ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১৬–১৯।
  • দরসুল ফিকহ (২য় খণ্ড): পৃষ্ঠা: ২০০–২০২ (অনুচ্ছেদ: 'পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত আয়ের ফিকহী হুকুম'); এবং পৃষ্ঠা: ৩৮৪–৩৮৬ (ডিজিটাল মাধ্যমে কনটেন্ট ও প্রযুক্তির উপার্জনের শরঈ বিধান)।
  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া: ১৭তম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৮–৩৯ ও ৫৮ (অধ্যায়: 'কাজের মজুরি ও উপার্জনের নিয়ম')।

২) বাস্তব মানুষের মুখ ব্যবহার না করে কেবল AI ভিডিও তৈরি করার শরঈ প্রভাব:

উত্তর: হ্যাঁ, বাস্তব মানুষের মুখমণ্ডলী বা চেহারা ব্যবহার না করার কারণে ভিডিওটি কন্টেন্ট তৈরির দিক থেকে আরও বেশি শরীয়াহসম্মত ও নিরাপদ হয়েছে।

শরঈ ব্যাখ্যা: ইসলামী শরীয়তে প্রাণীর ছবি বা চেহারা রূপায়ণ ও প্রদর্শন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হলেও নির্জীব বা জড়বস্তুর (যেমন: খাবার, শাকসবজি, ফলমূল, রান্নার হাড়ি-পাতিল বা তৈজসপত্র) চিত্র বা গ্রাফিক্স তৈরি ও প্রদর্শন ফিকহে হানাফীর সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সম্পূর্ণ বৈধ। আপনার বোন যেহেতু মানুষের মুখ ব্যবহার না করে কেবল নির্জীব বস্তু ও খাবারের গ্রাফিক্স/AI কন্টেন্ট তৈরি করছেন, তাই ভিডিওটি প্রাণীর ছবির শর'ঈ নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত ও শতভাগ জায়েয।

সংযুক্ত কিতাব ও পৃষ্ঠা নম্বর:

  • ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী: ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১১৫; এবং ৫ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৫৭–৩৫৮ (কিতাবুল ক্বরাহিয়্যাহ, ৯opt পরিচ্ছেদ: 'প্রাণীর ছবি ও নির্জীব বস্তুর ছবির পার্থক্য')।
  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া: ১৯তম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ২৭০–২৭৪ (অধ্যায়: 'বাবুস সূরাতু ওয়াল মালাহী' — নির্জীব বস্তু ও খাদ্যদ্রব্যের চিত্র প্রদর্শনের বৈধতা)।
  • দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড): পৃষ্ঠা: ৪৩১ ও ৪৩৪–৪৩৫ (ডিজিটাল মিডিয়া ও প্রাণীর ছবির ফিকহী সিদ্ধান্ত)।
  • আহলে হক্ব বাংলা মিডিয়া সার্ভিস: নিবন্ধ: "চেহারা না দেখিয়ে নারীর ভিডিও তৈরি ও ইউটিউব থেকে আয়ের শরঈ বিধান"।

৩) বিজ্ঞাপনে হালাল ও হারাম উভয় আসার সম্ভাবনা থাকলে এবং নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আয়ের বিধান:

উত্তর: যদি ফেসবুক মনিটাইজেশনে হালাল ও হারাম উভয় ধরনের পণ্যের বিজ্ঞাপন আসার সুনিশ্চিত বা প্রবল আশঙ্কা থাকে এবং কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের পক্ষ থেকে হারাম বিজ্ঞাপনগুলো ফিল্টার বা ব্লকিং করার কোনো ব্যবস্থা না থাকে (বা তা সম্পূর্ণ অনিয়ন্ত্রিত হয়), তবে উক্ত মনিটাইজেশন চালু করা ও তা থেকে আয় করা ফিকহের দৃষ্টিতে জায়েয হবে না।

শরঈ ব্যাখ্যা: ফিকহে হানাফীর মূলনীতি হলো— "যখন কোনো বিষয়ে হালাল ও হারাম একত্রিত হয়ে যায় এবং পৃথক করার উপায় থাকে না, তখন হারাম অংশটি প্রাধান্য পায় এবং তা পরিহার করা ওয়াজিব হয়" (إذا اجتمع الحلال والحرام غلب الحرام)। অনৈসলামিক বা হারাম পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করা মূলত পাপের কাজে সহায়তা করা (ই'আনাত আলাল মা'ছিয়াহ), যা শরীয়তে নিষিদ্ধ।

সংযুক্ত কিতাব ও পৃষ্ঠা নম্বর:

  • কাওয়াইদুল ফিক্বহ: পৃষ্ঠা: ১৮৯ (ফিকহী কায়দা: 'ইযাতামা আল-হালাল ওয়াল হারাম গালিবা আল-হারাম')।
  • ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী: ৫ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৪৭–৩৪৮; এবং পৃষ্ঠা: ৩৪৯ (অন্যায় ও পাপাচারের প্রচারে সহায়তা করার নিষেধাজ্ঞা)।
  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া: ১৬তম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১০৩–১০৬ (অধ্যায়: 'বিউয়ে মাকরূহ ও অন্যায়ের প্রচারে উপার্জন'); এবং ১৭তম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১১১১–১১২।
  • দরসুল ফিকহ (২য় খণ্ড): পৃষ্ঠা: ১৭৫–১৮০ ও ১৯৮–২০২ (মিশ্রিত আয়ের ফিকহী বিধান)।

৪) সুদী ব্যাংক, জুয়া বা হারাম পণ্যের বিজ্ঞাপনের কারণে কি পুরো আয় হারাম হবে?

উত্তর: শরঈ দৃষ্টিকোণ থেকে মূলত ওই নির্দিষ্ট হারাম বিজ্ঞাপনের বাবদ প্রাপ্ত অংশটুকুই সরাসরি হারাম।

তবে ডিজিটাল পে-আউটে যেহেতু হালাল ও হারাম বিজ্ঞাপনের টাকা আলাদা না হয়ে একসাথে সংমিশ্রিত হয়ে অ্যাকাউন্টে জমা হয় এবং কোন টাকা হালাল বিজ্ঞাপনের আর কোনটি হারাম বিজ্ঞাপনের তা নিখুঁতভাবে পৃথক করার কোনো উপায় থাকে না, তাই সংমিশ্রণের কারণে পুরো পে-আউটের টাকাই সন্দেহজনক ও নাজায়েয হয়ে পড়ে।

শরঈ সমাধান: যদি ইতোমধ্যেই এমন মিশ্রিত আয় চলে এসে থাকে, তবে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে যে পরিমাণ টাকা হারাম বিজ্ঞাপনের হতে পারে, তা সওয়াবের নিয়ত ছাড়া স্রেফ আত্মমুক্তির উদ্দেশ্যে কোনো অভাবী ফকীর-মিসকীনকে সদকা (দান) করে দিয়ে নিজের বাকি উপার্জনকে পবিত্র করতে হবে।

সংযুক্ত কিতাব ও পৃষ্ঠা নম্বর:

  • দরসুল ফিকহ (২য় খণ্ড): পৃষ্ঠা: ২০২ ও ২০৭–২০৯ (অনুচ্ছেদ: 'হারাম সম্পদ থেকে অর্জিত আয় ও তা থেকে মুক্ত হওয়ার উপায় / সদকার মাসরিফ')।
  • ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী: ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১৮৯–১৯০ (অধ্যায়: সদকা ও অমালিকানাধীন হারাম মালের বিধান)।
  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া: ১৫শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৯২–৯৫ ও ১০১–১০২ (অধ্যায়: 'হারাম ও মিশ্রিত মালের সমাধান')।

৫) আয় হালাল রাখার জন্য আবশ্যকীয় শর্তাবলী ও নির্দেশিকা:

উত্তর: মনিটাইজেশন থেকে উপার্জিত আয় শতভাগ হালাল রাখতে হলে আপনার বোনকে নিম্নোক্ত শর্ত ও নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে:

১. ক্যাটাগরি ফিল্টারিং ও ব্লকিং (Ad Control): ফেসবুকের মেটা বিজনেস সুইটের (Meta Business Suite) এড ব্লকিং অপশনে গিয়ে নিম্নোক্ত ক্যাটাগরিগুলো সম্পূর্ণ ব্লক করে দিতে হবে:

  • সুদী ব্যাংক, ঋণ ও ফিন্যান্সিয়াল স্কিম।
  • জুয়া, ক্যাসিনো, বেটিং বা লটারি অ্যাপ।
  • মদ, বিয়ার বা যেকোনো তামাকজাত দ্রব্য।
  • মিউজিক, গান-বাজনা ও বিনোদন সংক্রান্ত অ্যাপ/সার্ভিস।
  • অশালীন পোশাক, ডেটিং অ্যাপস বা অনৈসলামিক সংস্কৃতি প্রচারকারী এড। ২. অপ্রত্যাশিত হারাম আয়ের সদকা করা: ফিল্টার করার পরও যদি অসাবধানতাবশত কোনো অনৈসলামিক বিজ্ঞাপন চলে আসে, তবে তার আনুমানিক অংশ সওয়াবের আশা ছাড়া গরীবদের মাঝে দান করে দিতে হবে।
  1. উত্তম ও নিরাপদ বিকল্প (Recommended): ফেসবুকের সাধারণ এডসেন্স মনিটাইজেশনের অনিশ্চিত বিজ্ঞাপনের ওপর নির্ভর না করে পেজের জনপ্রিয়তা ব্যবহার করে বিকল্প হালাল উপায়ে আয় করা অনেক বেশি নিরাপদ ও উত্তম। যেমন:
    • আফিলিয়েট মার্কেটিং: ভালো মানের অর্গানিক ফুড, ব্লেন্ডার বা রান্নার সরঞ্জাম প্রচার করে কমিশন নেওয়া।
    • ব্র্যান্ড স্পন্সরশিপ: সরাসরি কোনো হালাল ফুড ব্র্যান্ডের সাথে চুক্তি করে ভিডিওতে তাদের পণ্য তুলে ধরা।
    • নিজের তৈরি পণ্য বা ফুড সার্ভিস বিক্রি করা।

সংযুক্ত কিতাব ও পৃষ্ঠা নম্বর:

  • দরসুল ফিকহ (২য় খণ্ড): পৃষ্ঠা: ৩৮৫–৩৮৬ (অনলাইন মনিটাইজেশন ও প্রযুক্তিগত উপার্জনের ফিকহী শর্তাবলী)।
  • ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া: ১৭তম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৫৮ (হালাল উপার্জনের মূলনীতি ও তা গ্রহণের নিয়ম)।

সুনির্দিষ্ট শরঈ নির্দেশনা অনুযায়ী সতর্কতার সাথে ফেসবুক পেজ পরিচালনা করলে আপনাদের উপার্জন হালাল ও বরকতময় হবে, ইনশাআল্লাহ।


আল্লাহ সর্বজ্ঞ।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.