"কোনো অন্য পুরুষকে খুঁজে নাও" — এই কিনায়া বাক্যে কত তালাক হয়?

Marriage and Divorce · Hanafi

Question No: 6845
Questioner: Ibrahim
Question Asked: 13 Oct 2026, 03:50 PM
Reviewed & Published: 13 Oct 2026, 07:27 PM
Views: 16
Tokens: 18,285
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম।

এই ফতওয়ার ভাষা গুলো আমার বোধগম্য না হবার কারণে বিস্তারিত অর্থ ও ব্যাখ্যা জানায় বাধিত করবেন

انتظار نمبر : ۳۶۱۳/ السلام علیکم ورحمۃ اللہ وبر کاتہ

عنوان: ایک استعاراتی جملہ طلاق اور بار بار پید اہونے والی نیت کے بارے میں رہنمائی سوال: میں اسلامی شریعت کی روشنی میں ازدواجی زندگی کے ایک نہایت حساس مسئلے کے بارے میں قطعی اور واضح شرعی حکم (فتوی) معلوم کرنا چاہتا ہوں۔

(نوٹ : شوہر اور بیوی دونوں حنفی فقہ / حنفی مذہب کی سختی سے پیروی کرتے ہیں۔ )

براہ کرم، شوہر کی شدید جذباتی کیفیت، جھگڑے کی شدت، اور واقعہ کے دوران اس کی نیت کے مسلسل اور بار بار دل میں پیدا ہونے کی کیفیت کو تفصیل

سے ملحوظ رکھتے ہوئے مسئلے پر غور فرمائیں۔ واقعہ اور حالات کی تفصیل:

شوہر اور بیوی کے درمیان گھر کے ایک معاملے پر شدید اور سخت جھگڑا ہوا۔ انتہائی غصے کی حالت میں شوہر نے اپنی بیوی کو طلاق کے لیے ایک مخصوص کنایه (استعاراتی ) جملہ صرف ایک مرتبہ کہا۔ وہ جملہ یہ تھا: "کسی اور مرد کو تلاش کر لو۔"

نیت اور ذہنی کیفیت کی تفصیل:

1۔ جملہ کہنا: شوہر کو مکمل یقین ہے کہ اس نے یہ جملہ صرف ایک مرتبہ کہا تھا۔ اس نے زبانی طور پر یہ جملہ دوبارہ نہیں دہرایا۔

2- تعداد کی نیت: جس وقت اس نے یہ جملہ کہا، اس وقت اس کے ذہن میں تین (3) کی بالکل کوئی نیت یا تصور نہیں تھا۔ وہ تین طلاق یا آخری طلاق کے بارے میں نہیں سوچ رہا تھا۔

3۔ طلاق کی نیت : البتہ اس کے ذہن میں طلاق کی نیت مکمل طور پر موجود تھی، اور یہ نیت اس کے دل میں بار بار پیدا ہورہی تھی۔

بنیادی الجھن : جھگڑے کی شدت کی وجہ سے طلاق کی وہ ایک ہی نیت بہت تیزی سے بار بار اس کے ذہن میں آتی رہی۔ یہ خیال صرف ایک مرتبہ اس کے ذہن میں آیا اور پھر ختم نہیں ہو گیا، بلکہ جملہ کل پہلے اور جملہ کہتے وقت بھی یہ نیت مسلسل اس کے ذہن میں گردش کرتی اور بار بار لوتی رہی۔

اس دوران اس کے ذہن میں نیت مسلسل دہرائی جارہی تھی، لیکن زبانی طور پر جملہ صرف ایک مرتبہ کہا گیا۔

موجودہ صورت حال: اس وقت شوہر اور بیوی دونوں اپنی غلطیوں کو محسوس کر چکے ہیں۔ وہ دل سے صلح کرنا اور شریعت کے مطابق مکمل طور پر جائز (حلال) طریقے سے اپنی ازدواجی زندگی جاری رکھنا چاہتے ہیں۔

لہذا، اسلامی فقہ کے صحیح اصولوں ، بالخصوص حنفی مذہب کے مطابق ، بر او کرم درج ذیل سوالات کے بارے میں ہماری رہنمائی فرمائیں:

ا۔ اس صورت حال میں کتنی طلاق واقع ہوئی ہے ؟ اور طلاق کی کون سی مخصوص قسم واقع ہوئی ہے ؟

2۔ کیا قطعی اور نا قابل رجوع علیحد گی یعنی تین طلاق واقع ہو گئی ہے ؟

3- کیانیت کا دل میں مسلسل بار بار دہرایا جاتا، طلاق کے الفاظ صرف ایک مرتبہ کہنے کے باوجود ، طلاقوں کی تعداد کو بڑھا یا متعدد کر سکتا ہے ؟

4۔ ان دونوں کے لیے شرعی طور پر درست طریقہ یا طریقہ کار کیا ہے جس کے ذریعے وہ دوبارہ صلح کر کے اپنی ازدواجی زندگی بحال کر سکتے ہیں ؟

5- کیا اس صورت حال میں شرعی حلالہ (کسی دوسرے شخص سے عارضی نکاح) ضروری ہے ؟ کیا حلالہ کے بغیر وہ دوبارہ آپس میں نکاح کر کے ازدواجی

زندگی شروع کر سکتے ہیں ؟

(نوٹ: یہ ان کی پوری ازدواجی زندگی میں پہلی مرتبہ علیحد گی یا اس قسم کا تنازع پیش آیا ہے۔ اس سے پہلے کبھی کوئی طلاق واقع نہیں ہوئی۔) براہ کرم، ہمارے تمام شکوک، اضطراب اور الجھن کو دور کرنے کے لیے اس مسئلے کا تفصیلی اور جامع شرعی حکم ( فتوئی) بیان فرمائیں۔

جزاکم اللہ خیر آ۔

تاریخ

عنوان

جواب نمبر : مروم اس / ۱۳۴۸

کتاب / باب


کسی اور مرد کو تلاش کر لو " کہنے کی صورت میں طلاق کا حکم

بسم اللہ الرحمن الرحیم، الجواب وباللہ التوفیق: (۱ تا ۵) سوال میں آپ نے جو تفصیل لکھی ہے کہ شوہر نے بیوی سے "کسی اور مرد کو تلاش کر لو " کہتے وقت تین طلاق کی نیت نہیں کی تھی، البتہ مطلق طلاق کی نیت کی تھی، تو صورت مسئولہ میں اس کے اس جملے سے صرف ایک طلاق بائن واقع ہوئی ہے، لہذا اگر وہ دونوں چاہیں تو عدت کے اندر یا عدت کے بعد باہمی رضامندی سے دوبارہ نکاح کر کے ازدواجی زندگی گزار سکتے ہیں، حلالہ شرعی کی ضرورت نہیں ہے۔ فالحالات ثلاث: رضا وغضب ومذاكرة والكنايات ثلاث ما يحتمل الرد أو ما يصلح للسب، أو لا ولا فنحو اخرجي واذهبي وقومي ) ...... (يحتمل ردا، ونحو خلية برية حرام بالن) .... يصلح سبا، ونحو اعتدي واستبرئي رحمك، أنت واحدة أنت حرة، اختاري أمرك بيدك سرحتك فارقتك لا يحتمل السب والرد، ففي حالة الرضا) أي غير الغضب والمذاكرة تتوقف الأقسام الثلاثة تأثيرا ( على نية) للاحتمال ..... ( وفي الغضب) توقف (الأولان) إن نوى وقع وإلا لا . (قوله توقف الأولان) أي : ما يصلح ردا وجوابا وما يصلح سبا وجوابا ولا يتوقف ما يتعين للجواب .... ( وفي مذاكرة الطلاق) يتوقف الأول فقط) ويقع بالأخيرين وإن لم ينو .... (و) يقع (بباقيها) أي باقي ألفاظ الكنايات المذكورة .... ( البائن إن نواها أو الثنتين لما تقرر أن الطلاق مصدر لا يحتمل محض العدد وثلاث إن نواه للواحدة الجنسية ولذا صح في الأمة نية الثنتين. [ حاشية ابن عابدين، كتاب الطلاق / باب الكتابات، ج : ٩ ، ص : ۳۱۰-۳۲۸، ط: مکتبة الاتحاد، دیوبند وقوله: تزوجي يحتمل الطلاق إذ لا يحل لها التزوج بزوج آخر إلا بعد الطلاق ويحتمل تزوجي إن طلقتك، وكذا قوله: ابتغي الأزواج بدائع الصنائع، كتاب الطلاق فصل في الكناية في الطلاق ، ج : ٤ ، ص : ٢٣٤ ، ط: دار المعارف، ديوبند - إذا كان الطلاق بائنا دون الثلاث فله أن يتزوجها في العدة وبعد انقضائها . الفتاوى ه

3/4

دیکھیں: [ امداد

الهندية، كتاب الطلاق، ج : ١ ، ص : ٥٠٦ ، ط: الأشرفية، دیوبند . مزید افتادی جدید : ۵ : ۲۳ زکریا دیوند ، فقط و ارتقای علم الیسا

Answer

বিস্তারিত ফতোয়া ও ব্যাখ্যা

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু

আপনার প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল। নিচে ফতোয়ার মূল আরবি অংশের অনুবাদ, ব্যাখ্যা এবং আপনার পাঁচটি প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর হানাফি ফিকহের প্রামাণ্য কিতাবের আলোকে প্রদান করা হলো।


প্রথমে ফতোয়ার মূল অংশের সহজ অনুবাদ

প্রশ্নের সারমর্ম: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র ঝগড়া হয়। রাগের চরম মুহূর্তে স্বামী স্ত্রীকে কেবল একবার একটি কিনায়া (ইঙ্গিতবাচক/অপ্রকাশ্য) বাক্য বলে: "কোনো অন্য পুরুষকে খুঁজে নাও।" স্বামীর নিয়ত ছিল তালাকের (তালাকের নিয়ত সম্পূর্ণ ছিল), কিন্তু তিন তালাকের কোনো নিয়ত বা কল্পনা ছিল না। তালাকের নিয়ত তার অন্তরে বারবার আসছিল, কিন্তু মুখে বাক্যটি একবারই বলা হয়েছে।

ফতোয়ার উত্তর:

“অন্য কোনো পুরুষ খুঁজে নাও”—এ কথা বলার ক্ষেত্রে তালাকের বিধান

بسم الله الرحمن الرحيم

উত্তর: আল্লাহই তাওফিকদাতা।

(১–৫) প্রশ্নে আপনি যে বিস্তারিত বিবরণ উল্লেখ করেছেন, তাতে বলা হয়েছে যে, স্বামী তাঁর স্ত্রীকে “অন্য কোনো পুরুষ খুঁজে নাও”—এ কথা বলার সময় তিন তালাকের নিয়ত করেননি; তবে সাধারণভাবে তালাক দেওয়ার নিয়ত করেছিলেন।

সুতরাং, প্রশ্নে বর্ণিত পরিস্থিতিতে স্বামীর এ কথার দ্বারা মাত্র এক তালাকে বায়েন (তালাকে বায়েন) সংঘটিত হয়েছে।

অতএব, স্বামী-স্ত্রী উভয়ে চাইলে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে ইদ্দতের মধ্যে অথবা ইদ্দত শেষ হওয়ার পর পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে শরিয়তসম্মত হালালার প্রয়োজন নেই।

★উত্তর সংক্ষেপেঃ- এই অবস্থায় কেবল এক তালাকে বায়েন (অপরিবর্তনীয় এক তালাক) সংঘটিত হয়েছে। তিন তালাক হয়নি। অতএব তারা উভয়ে চাইলে ইদ্দতের ভেতরে বা ইদ্দতের পরে পারস্পরিক সম্মতিতে নতুন করে নিকাহ করে দাম্পত্য জীবন চালিয়ে যেতে পারবেন। হালালা শরঈয়ের কোনো প্রয়োজন নেই।


আপনার পাঁচটি প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর

১. এই অবস্থায় কত তালাক সংঘটিত হয়েছে? কোন ধরনের তালাক?

উত্তর: কেবল এক তালাকে বায়েন সংঘটিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা: "কোনো অন্য পুরুষকে খুঁজে নাও" — এই বাক্যটি হানাফি ফিকহে কিনায়া তালাক (ইঙ্গিতবাচক তালাক)-এর অন্তর্ভুক্ত। কারণ এতে তালাকের স্পষ্ট শব্দ (সরীহ) নেই, বরং ইঙ্গিতে তালাক বোঝানো হয়েছে।

ইমাম ইবনে আবিদীন (রহ.) রাদ্দুল মুহতার-এ কিনায়া তালাকের শর্তাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে লিখেছেন:

"الكنايات ثلاث: ما يحتمل الرد أو ما يصلح للسب، أو لا ولا" অর্থ: কিনায়া শব্দ তিন প্রকার — (১) যা رد/জবাব হিসেবে সম্ভব, (২) যা গালি হিসেবে প্রযোজ্য, (৩) যা কোনোটিই নয়।

আর "কোনো অন্য পুরুষকে খুঁজে নাও" বা "ابتَغِي الأزواج" (স্বামী খুঁজে নাও) — ইমাম কাসানী (রহ.) বাদায়েউস সানায়ে-তে এ ধরনের শব্দকে কিনায়া তালাকের অন্তর্ভুক্ত বলেছেন:

"وكذا قوله: ابتغي الأزواج" (বাদায়েউস সানায়ে, কিতাবুত তালাক, ফাসল ফিল কিনায়া, ৪/২৩৪)

গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম: কিনায়া তালাক নিয়ত ছাড়া সংঘটিত হয় না। যেহেতু স্বামীর নিয়ত ছিল (তালাকের নিয়ত সম্পূর্ণ ছিল), তাই এক তালাকে বায়েন সংঘটিত হয়েছে।


২. কী তিন তালাক (অপরিবর্তনীয় চূড়ান্ত বিচ্ছেদ) সংঘটিত হয়েছে?

উত্তর: না, তিন তালাক সংঘটিত হয়নি।

কারণ:

  • স্বামী মুখে বাক্যটি কেবল একবার বলেছেন।
  • তিন তালাকের কোনো নিয়ত ছিল না।
  • কিনায়া তালাকে নিয়ত অনুযায়ী তালাক সংঘটিত হয় — এখানে নিয়ত ছিল এক তালাকের (মুতলাক তালাক), তিন তালাকের নয়।

ইবনে আবিদীন (রহ.) স্পষ্টভাবে লিখেছেন:

"البائن إن نواها أو الثنتين... وثلاث إن نواه" অর্থ: কিনায়া শব্দে যদি এক বা দুই তালাকের নিয়ত করে, তবে বায়েন (এক বা দুই) সংঘটিত হবে; আর তিন তালাকের নিয়ত করলে তিন তালাক সংঘটিত হবে।

যেহেতু এখানে তিন তালাকের নিয়ত ছিল না, তাই তিন তালাক সংঘটিত হয়নি।


৩. অন্তরে বারবার নিয়ত দোহরানো কি তালাকের সংখ্যা বাড়াতে পারে?

উত্তর: না, অন্তরের বারবার নিয়ত তালাকের সংখ্যা বাড়ায় না।

মূলনীতি: তালাক সংঘটিত হয় উচ্চারিত শব্দ বা লিখিত বাক্য দ্বারা — শুধু অন্তরের কল্পনা বা নিয়তের পুনরাবৃত্তি দ্বারা নয়।

ফিকহের মূলনীতি হলো:

"لا عبرة لحديث النفس" অর্থ: অন্তরের কল্পনা বা খেয়ালের কোনো প্রভাব নেই।

তবে হ্যাঁ, কিনায়া তালাকে নিয়তের উপস্থিতি জরুরি — কিন্তু নিয়ত একবার থাকলেই যথেষ্ট। বারবার নিয়ত দোহরালে তা একই নিয়ত হিসেবে গণ্য হবে, একাধিক তালাক হিসেবে নয়।

ইবনে আবিদীন (রহ.)-এর বরাতে স্পষ্ট:

"تتوقف الأقسام الثلاثة تأثيرا على نية" অর্থ: কিনায়া তালাকের তিন প্রকারই নিয়তের উপর নির্ভরশীল।

এখানে নিয়ত ছিল এক তালাকের — তাই এক তালাকই সংঘটিত হয়েছে। অন্তরে বারবার আসা সেই একই নিয়তের পুনরাবৃত্তি মাত্র, যা তালাকের সংখ্যা বাড়ায় না।


৪. দাম্পত্য জীবন পুনরায় শুরু করার শরঈ পদ্ধতি কী?

উত্তর: যেহেতু এক তালাকে বায়েন সংঘটিত হয়েছে, তাই পুনরায় একত্র হওয়ার পদ্ধতি হলো:

পদ্ধতি:

  1. ইদ্দতের ভেতরে (স্ত্রীর ইদ্দত চলাকালীন) উভয়ে সম্মত হলে নতুন নিকাহ করতে হবে — নতুন মোহর, নতুন প্রস্তাব ও গ্রহণ, দুই সাক্ষীসহ।
  2. ইদ্দত শেষ হওয়ার পরেও উভয়ে সম্মত হলে নতুন নিকাহ করতে পারবেন।

গুরুত্বপূর্ণ: তালাকে বায়েনে রুজু (ফিরিয়ে নেওয়া) শুধু মুখের কথায় হয় না — বরং নতুন নিকাহ করতে হয়।

ইমাম কাসানী (রহ.) লিখেছেন:

"إذا كان الطلاق بائنا دون الثلاث فله أن يتزوجها في العدة وبعد انقضائها" অর্থ: যদি তালাক বায়েন হয় (তিনের কম), তবে ইদ্দতের ভেতরে ও ইদ্দত শেষ হওয়ার পরে সে তাকে নিকাহ করতে পারবে। (বাদায়েউস সানায়ে, ৪/২৩৪)

শর্ত: ইদ্দতের ভেতরে নিকাহ করলে ইদ্দত গণনা চলবে; ইদ্দত শেষ হওয়ার পর নিকাহ করলে নতুন করে ইদ্দতের প্রয়োজন নেই।


৫. হালালা শরঈ (অন্য পুরুষের সাথে সাময়িক নিকাহ) কি এখানে জরুরি?

উত্তর: না, হালালা শরঈয়ের কোনো প্রয়োজন নেই।

কারণ: হালালা কেবল তিন তালাক (তালাকে মুগাল্লাজা) সংঘটিত হলে প্রয়োজন হয়। এখানে যেহেতু এক তালাকে বায়েন সংঘটিত হয়েছে, তাই হালালা ছাড়াই উভয়ে নতুন নিকাহ করে দাম্পত্য জীবন শুরু করতে পারবেন।

কুরআনের দলিল:

"فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ" "অতঃপর যদি সে তাকে তালাক দেয় (তৃতীয়বার), তবে সে তার জন্য হালাল হবে না — যতক্ষণ না সে অন্য স্বামীর সাথে নিকাহ করে।" (সূরা বাকারা: ২৩০)

এই আয়াত তৃতীয় তালাক সম্পর্কে — এখানে তৃতীয় তালাক হয়নি, তাই হালালা প্রযোজ্য নয়।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.