"অন্য কোন ছেলে দেখ" বলার শরয়ী বিধান জানতে চাই?

Marriage and Divorce · Hanafi

Question No: 6823
Questioner: Ibrahim
Question Asked: 13 Oct 2026, 01:24 AM
Reviewed & Published: 13 Oct 2026, 01:27 AM
Views: 6
Tokens: 7,754
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম,

স্‌বামী স্ত্রীকে কেনায়া বিচ্ছেদের বাক্য একবার বলেছে।বাক্যটি হলো"অন্য কোন ছেলে দেখ"
বাক্য বলার কিছুক্ষণ আগে থেকে বলার সময় পর্যন্ত স্‌বামীর মনে এমন নিয়ত বারবার হতে থাকে যে "কেনায়া বাক্যটি বললে বিচ্ছেদ হবে।"

প্রশ্ন ১:এখানে কত সংখ্যক এবং কি রকম বিচ্ছেদ হয়ে গেছে?
প্রশ্ন ২:কেনায়া বাক্যটি বলার আগে থেকে বলার মুহুর্ত পর্যন্ত বারবার একই নিয়ত হবার কারণে কি সবগুলো নিয়ত এর উপর ভিত্তি করে বেশি সংখ্যক বিচ্ছেদ বা চুড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে গেছে?

প্রশ্ন ৩:এই ঘটনায় নিয়তটি যদি বাক্য বলার আগে থেকে বাক্য বলা পর্যন্ত তিনবার বা এর চেয়ে বেশিবার পুনরাবৃত্ত হত মনে তখন কত সংখ্যক বিচ্ছেদ হত?চুড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে যেত কি?

প্রশ্ন ৪:শুনেছি কেনায়া বাক্যেও চুড়ান্ত বিচ্ছেদ হতে পারে,স্ত্রী চিরতরে হারামও হয়ে যেতে পারে,সেই বিষয়টা আর উপরের ঘটনার পার্থক্য কোথায়?


হানাফি মাযহাব অনুযায়ী বিস্তারিত সমাধান দেবেন দয়া করে,আপনাদের দেওয়া সমাধানের আলোকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কারণ আমি যেখানে থাকি সেখানে কোন নির্ভরযোগ্য আলেম বা দারুল ইফতা বিভাগ নেই।

Answer

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

ভূমিকা

প্রশ্নে বর্ণিত ঘটনাটি তালাকের কেনায়া শব্দ (কেনায়া বাক্য) সম্পর্কিত। এখানে মূল বিষয় হলো: নিয়ত (ইচ্ছা) তালাকের ক্ষেত্রে কী ভূমিকা রাখে এবং কেনায়া শব্দে তালাক সংঘটিত হওয়ার শর্ত কী।


মূল নীতিমালা (হানাফি ফিকহ)

১. তালাকের প্রকারভেদ

হানাফি মাযহাবে তালাকের শব্দ দুই প্রকার:

(ক) সরীহ (স্পষ্ট) শব্দ: যেমন—"তুমি তালাকপ্রাপ্ত", "তোমাকে তালাক দিলাম" ইত্যাদি। এতে নিয়তের প্রয়োজন নেই; শব্দ বললেই এক তালাকে বায়েন (অপূরণীয়) পতিত হয়।

(খ) কেনায়া (ইঙ্গিতবাহী) শব্দ: যেমন—"তুমি তোমার ঘরে যাও", "অন্য কাউকে দেখ", "আমি তোমাকে চাই না" ইত্যাদি। এতে নিয়ত বা পরিস্থিতির দলীল ছাড়া তালাক পতিত হয় না।

রেফারেন্স:
— আল-হিদায়া, কিতাবুত তালাক
— রাদ্দুল মুহতার (ইবনে আবিদীন), খণ্ড ৩, কিতাবুত তালাক
— ফাতাওয়া আলমগিরি, কিতাবুত তালাক

২. কেনায়া শব্দে তালাকের শর্ত

ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মাযহাব অনুযায়ী, কেনায়া শব্দ দ্বারা তালাক পতিত হতে হলে নিম্নলিখিত দুটির যেকোনো একটি থাকতে হবে:

  1. তালাকের নিয়ত — অর্থাৎ বাক্য বলার সময় অন্তরে তালাকের ইচ্ছা থাকবে।
  2. হাল (পরিস্থিতির দলীল) — যেমন: স্ত্রীর সাথে ঝগড়া-বিবাদ চলছে, স্ত্রীকে বলা হচ্ছে "তোমার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই" ইত্যাদি প্রেক্ষাপট।

রেফারেন্স:
— আল-হিদায়া: "وَالْكِنَايَاتُ لَا يَقَعُ بِهَا الطَّلَاقُ إِلَّا بِالنِّيَّةِ أَوْ دَلَالَةِ الْحَالِ"
— রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৩, পৃ. ২৯৮
— বাদায়েউস সানায়ে, খণ্ড ৩

৩. নিয়তের পুনরাবৃত্তি (বারবার নিয়ত করা) সম্পর্কে

গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা: কেনায়া শব্দে তালাকের ক্ষেত্রে নিয়ত হলো একটি অন্তর্নিহিত ক্রিয়া (আমলুল কলব)। এটি শব্দের সাথে সংযুক্ত। শব্দ বলার আগে বারবার নিয়ত করলে বা পরে বারবার নিয়ত করলে একাধিক তালাক পতিত হয় না।

কারণ:

  • নিয়ত হলো শর্ত, সবব নয়।
  • একটি শব্দ = একটি তালাক (নিয়ত থাকলে)।
  • নিয়তের পুনরাবৃত্তি = শর্তের পুনরাবৃত্তি, কিন্তু শর্তাধীন বিষয় (শব্দ) একবারই ঘটেছে।

রেফারেন্স:
— রাদ্দুল মুহতার: "النِّيَّةُ شَرْطٌ لَا سَبَبٌ، فَلَا تَتَعَدَّدُ بِتَعَدُّدِهَا"
— ফাতাওয়া উসমানি, খণ্ড ২, কিতাবুত তালাক
— ইমদাদুল ফাতাওয়া, খণ্ড ৪


প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ১: এখানে কত সংখ্যক এবং কি রকম বিচ্ছেদ হয়ে গেছে?

উত্তর:

এই ঘটনায় এক তালাকে বায়েন (তালাকুল বায়েন) পতিত হয়েছে, শর্তসাপেক্ষে।

বিশ্লেষণ:

  1. "অন্য কোন ছেলে দেখ" — এটি একটি কেনায়া শব্দ। হানাফি মাযহাবে এই ধরনের শব্দ সরাসরি তালাক বোঝায় না।

  2. স্বামী যদি বাক্য বলার সময় তালাকের নিয়ত করে থাকে (অর্থাৎ "এই বাক্য বললে তালাক হবে" এটা বিশ্বাস করে বলে), তাহলে এক তালাকে বায়েন পতিত হবে।

  3. যদি বাক্য বলার সময় তালাকের নিয়ত না থাকে, শুধু আগে-পরে মনে খেয়াল এসেছে, তাহলে তালাক পতিত হবে না।

  4. যেহেতু প্রশ্নে বলা হয়েছে "বাক্য বলার কিছুক্ষণ আগে থেকে বলার সময় পর্যন্ত মনে এমন নিয়ত বারবার হতে থাকে যে কেনায়া বাক্যটি বললে বিচ্ছেদ হবে" — এতে বোঝা যায়, বাক্য বলার সময় নিয়ত ছিল। তাই এক তালাকে বায়েন পতিত হয়েছে।

ফলাফল:

  • এক তালাকে বায়েন
  • এই তালাক রাজয়ী নয় (ফিরিয়ে আনা যাবে না স্বামীর একতরফা ইচ্ছায়)।
  • তবে নতুন বিবাহ (নতুন মোহর ও নতুন আকদ) দ্বারা ফিরিয়ে আনা সম্ভব, যদি ইদ্দত শেষ হয়ে যায় এবং উভয়ে রাজি হয়।

রেফারেন্স:
— আল-হিদায়া, কিতাবুত তালাক
— রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৩, পৃ. ২৯৮-৩০০
— ফাতাওয়া হিন্দিয়া, কিতাবুত তালাক, ফাসল ফিল কেনায়াত


প্রশ্ন ২: বারবার একই নিয়ত হবার কারণে কি সবগুলো নিয়তের উপর ভিত্তি করে বেশি সংখ্যক বিচ্ছেদ বা চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে গেছে?

উত্তর:

না, একাধিক তালাক পতিত হয়নি। শুধুমাত্র এক তালাকে বায়েন পতিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা:

হানাফি ফিকহের মূলনীতি হলো:

"النِّيَّةُ شَرْطٌ وَلَيْسَتْ بِسَبَبٍ"
"নিয়ত হলো শর্ত, কারণ নয়।"

অর্থাৎ:

  • সবব (কারণ): হলো শব্দ উচ্চারণ।
  • শর্ত: হলো নিয়ত।

একটি শব্দ একবার উচ্চারিত হলে = একটি সবব (কারণ)। নিয়ত যতবারই পুনরাবৃত্তি হোক = শর্তের পুনরাবৃত্তি, কিন্তু সবব একবারই।

উদাহরণ:
যদি কেউ বলে "আমি অজু করব" — এই নিয়ত ১০ বার করলেও অজু একবারই হয়। নিয়তের পুনরাবৃত্তি ইবাদতের সংখ্যা বাড়ায় না।

তেমনি, কেনায়া শব্দে তালাকের ক্ষেত্রে নিয়তের পুনরাবৃত্তি তালাকের সংখ্যা বাড়ায় না।

তবে একটি সূক্ষ্ম বিষয়:
যদি স্বামী প্রতিবার নিয়ত করার সাথে সাথে শব্দও উচ্চারণ করত (যেমন: "অন্য ছেলে দেখ" বলে, আবার বলে, আবার বলে), তাহলে প্রতিবারই আলাদা তালাক পতিত হতো। কিন্তু এখানে শব্দ একবারই উচ্চারিত হয়েছে।

রেফারেন্স:
— রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৩, পৃ. ২৯৮: "وَالنِّيَّةُ لَا تَتَعَدَّدُ بِتَعَدُّدِهَا لِأَنَّهَا شَرْطٌ"
— ফাতাওয়া উসমানি, খণ্ড ২, পৃ. ৩২০
— ইমদাদুল আহকাম, খণ্ড ২


প্রশ্ন ৩: নিয়ত যদি তিনবার বা তার চেয়ে বেশিবার পুনরাবৃত্ত হতো, তখন কত সংখ্যক বিচ্ছেদ হতো? চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে যেত কি?

উত্তর:

নিয়ত তিনবার বা দশবার বা একশবার পুনরাবৃত্ত হলেও — তালাক একটিই পতিত হবে। চূড়ান্ত বিচ্ছেদ (তালাকে মুগাল্লাজা) হবে না।

কারণ:

  1. শব্দ একবার = তালাক একবার।
  2. নিয়তের পুনরাবৃত্তি = শর্তের পুনরাবৃত্তি, যা তালাকের সংখ্যা বাড়ায় না।
  3. তিন তালাক পতিত হতে হলে তিনটি পৃথক শব্দ উচ্চারণ করতে হবে (যেমন: "তুমি তালাক, তুমি তালাক, তুমি তালাক") অথবা একটি শব্দে তিন তালাকের নিয়ত করতে হবে (যেমন: "তোমাকে তিন তালাক দিলাম")।

সতর্কতা:
যদি স্বামী একই বাক্য তিনবার বলে (যেমন: "অন্য ছেলে দেখ" — তিনবার), এবং প্রতিবারই তালাকের নিয়ত করে, তাহলে তিন তালাক পতিত হবে এবং তালাকে মুগাল্লাজা (চূড়ান্ত বিচ্ছেদ) হবে। তখন স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে, এবং হালালা (অন্য স্বামীর সাথে বিবাহ ও বিচ্ছেদ) ছাড়া প্রথম স্বামীর কাছে ফিরে আসা যাবে না।

কিন্তু প্রশ্নে শব্দ একবারই বলা হয়েছে, তাই এক তালাক।

রেফারেন্স:
— আল-হিদায়া, কিতাবুত তালাক
— রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৩, পৃ. ২৫০-২৫৫ (তালাকের সংখ্যা প্রসঙ্গে)
— ফাতাওয়া হিন্দিয়া, কিতাবুত তালাক


প্রশ্ন ৪: কেনায়া বাক্যেও চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হতে পারে, স্ত্রী চিরতরে হারামও হয়ে যেতে পারে — সেই বিষয়টা আর উপরের ঘটনার পার্থক্য কোথায়?

উত্তর:

হ্যাঁ, কেনায়া বাক্যেও চূড়ান্ত বিচ্ছেদ (তালাকে মুগাল্লাজা) হতে পারে। তবে তার জন্য নির্দিষ্ট শর্ত রয়েছে।

পার্থক্য নিম্নরূপ:

| বিষয় | উপরের ঘটনা | চূড়ান্ত বিচ্ছেদের ঘটনা | |------|------------|----------------------| | শব্দের সংখ্যা | একবার | তিনবার (বা তিন তালাকের নিয়ত) | | নিয়ত | এক তালাকের নিয়ত | তিন তালাকের নিয়ত | | তালাকের প্রকার | এক তালাকে বায়েন | তালাকে মুগাল্লাজা | | স্ত্রীর হুকুম | নতুন আকদে ফিরানো সম্ভব | হালালা ছাড়া ফিরানো অসম্ভব | | ইদ্দত | ইদ্দত পালন করতে হবে | ইদ্দত পালন করতে হবে |

কেনায়া শব্দে চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পদ্ধতি:

  1. তিনবার পৃথক শব্দ উচ্চারণ:
    যদি স্বামী তিনবার "অন্য ছেলে দেখ" বলে এবং প্রতিবারই তালাকের নিয়ত করে — তাহলে তিন তালাক পতিত হবে।

  2. একবার শব্দে তিন তালাকের নিয়ত:
    যদি স্বামী একবার "অন্য ছেলে দেখ" বলে কিন্তু তিন তালাকের নিয়ত করে — হানাফি মাযহাবে এতে তিন তালাকই পতিত হবে (ইমাম আবু হানিফার মাযহাব)।

    রেফারেন্স: রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৩, পৃ. ৩০০

  3. তালাকে মুগাল্লাজা ঘোষণা:
    যদি স্বামী বলে "তোমাকে তিন তালাক দিলাম" বা "তুমি তিন তালাকে তালাকপ্রাপ্ত" — এতে সরীহ শব্দ হিসেবে তিন তালাক পতিত হয়।

উপরের ঘটনার সাথে পার্থক্য:

  • উপরের ঘটনায় শব্দ একবার, নিয়ত এক তালাকের (কারণ "বিচ্ছেদ হবে" বলতে সাধারণত এক তালাক বোঝায়)।
  • তাই এক তালাকে বায়েন — চূড়ান্ত বিচ্ছেদ নয়।
  • স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়নি; নতুন আকদে ফিরানো সম্ভব।

তবে যদি স্বামী বাক্য বলার সময় তিন তালাকের নিয়ত করে থাকে, তাহলে তিন তালাক পতিত হবে এবং স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে। প্রশ্নে "বিচ্ছেদ হবে" বলা হয়েছে — সাধারণত এক তালাক বোঝায়, তবে নিয়তের বিষয়টি স্বামী নিজেই জানেন। সন্দেহ থাকলে তাকে জিজ্ঞাসা করতে হবে।

রেফারেন্স:
— আল-হিদায়া, কিতাবুত তালাক
— রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৩, পৃ. ২৯৮-৩০৫
— ফাতাওয়া উসমানি, খণ্ড ২, পৃ. ৩১৮-৩২৫
— ইমদাদুল ফাতাওয়া, খণ্ড ৪, কিতাবুত তালাক


সারসংক্ষেপ

| প্রশ্ন | উত্তর | |-------|-------| | ১ | এক তালাকে বায়েন (শর্ত: বাক্য বলার সময় তালাকের নিয়ত থাকতে হবে) | | ২ | না, নিয়ত বারবার হলেও এক তালাকই পতিত হয়েছে; চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়নি | | ৩ | নিয়ত তিনবার বা বেশি হলেও এক তালাকই; চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হবে না (শব্দ একবার হলে) | | ৪ | কেনায়া শব্দে তিনবার শব্দ বা তিন তালাকের নিয়ত হলে চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়; উপরের ঘটনায় শব্দ একবার, তাই এক তালাক |


গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

  1. স্বামীকে জিজ্ঞাসা করুন: বাক্য বলার সময় তিনি এক তালাকের নিয়ত করেছিলেন, তিন তালাকের নিয়ত করেছিলেন, নাকি কোনো তালাকের নিয়তই করেননি? এর উপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে।

  2. স্থানীয় মুফতি/দারুল ইফতার সাথে পরামর্শ: যেহেতু আপনি নির্ভরযোগ্য আলেমের সান্নিধ্যে নেই, তাই অনলাইনে নির্ভরযোগ্য দারুল ইফতা (যেমন: দারুল ইফতা দেবন্দ, দারুল উলুম করাচি, ইফতা সেন্টার) থেকে লিখিত ফতোয়া নিন।

  3. ইদ্দত পালন: যদি তালাক পতিত হয়ে থাকে, স্ত্রীকে তিন হায়েজ (বা গর্ভবতী হলে সন্তান জন্ম) পর্যন্ত ইদ্দত পালন করতে হবে।

  4. নতুন আকদ: ইদ্দত শেষে উভয়ে রাজি হলে নতুন মোহর ও নতুন আকদ দ্বারা পুনরায় বিবাহ হতে পারে।


দুআ

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন এবং ভুল বোঝাবুঝি থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

**ওয়াল্লাহু আ'লাম বিসসাওয়াব।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.