শুধু লিখিতভাবে নাম লেখা ও স্বাক্ষর করার মাধ্যমে নিকাহ সহিহ হয়?

Marriage and Divorce · Hanafi

Question No: 6487
Questioner: Ibrahim
Question Asked: 06 Oct 2026, 06:36 PM
Reviewed & Published: 06 Oct 2026, 07:28 PM
Views: 21
Tokens: 11,798
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

বিষয়: সাক্ষীদের উপস্থিতিতে শুধু লিখিতভাবে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয় ও স্বাক্ষর করার মাধ্যমে নিকাহ সংঘটিত হয়েছে কি না

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

হুজুর, নিম্নোক্ত ঘটনার শরয়ী হুকুম জানার জন্য বিস্তারিত ফতোয়া প্রার্থনা করছি।

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম ছেলে ও একজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম মেয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বিবাহের উদ্দেশ্যে একটি কাগজে নিজেদের নাম লেখে। কাগজে ছেলের নাম “স্বামী”-এর ঘরে এবং মেয়ের নাম “স্ত্রী”-এর ঘরে লেখা হয়।

এরপর ছেলে মেয়েকে শুধু বলে, “এখানে আসো, সাইন কর।” মেয়ে কোনো কথা না বলে সেই কাগজে স্বাক্ষর করে। এ সময় তাদের মধ্যে “আমি তোমাকে বিয়ে করলাম”, “আমি কবুল করলাম”, “তোমাকে গ্রহণ করলাম” ইত্যাদি কোনো ইজাব-কবুলের কথা উচ্চারিত হয়নি। ছেলে-মেয়ের পক্ষ থেকে এ ছাড়া আর কোনো কথা হয়নি।

উভয়ের মনে বিবাহের উদ্দেশ্য ছিল এবং সাক্ষীদের সামনে এই লিখিত কাজ ও স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসঙ্গে বসবাস করে এবং সহবাসও হয়।

এখন কয়েকটি বিষয়ে শরয়ী হুকুম জানতে চাই:

১. হানাফি মাযহাব অনুযায়ী, উভয় পক্ষ একই মজলিসে উপস্থিত থাকা অবস্থায় শুধু কাগজে “স্বামী” ও “স্ত্রী”-এর ঘরে নিজেদের নাম লেখা এবং উভয়ের স্বাক্ষর করার মাধ্যমে, কোনো মৌখিক ইজাব-কবুল ছাড়াই কি নিকাহ সহিহভাবে সংঘটিত হয়েছে?

২. ছেলের শুধু “এখানে আসো, সাইন কর” বলা এবং মেয়ের কোনো কথা না বলে স্বাক্ষর করা—এটি কি হানাফি ফিকহে ইজাব ও কবুল হিসেবে গণ্য হতে পারে?

৩. মেয়ের নীরবে স্বাক্ষর করাকে কি তার পক্ষ থেকে কবুল হিসেবে গণ্য করা হবে, নাকি মৌখিক ইজাব-কবুল আবশ্যক?

৪. সাক্ষীরা যদি পুরো ঘটনাটি দেখে থাকে, কিন্তু ছেলে-মেয়ের কাছ থেকে কোনো মৌখিক ইজাব-কবুল না শুনে থাকে, তাহলে তাদের উপস্থিতি কি নিকাহ সহিহ হওয়ার জন্য যথেষ্ট?

৫. পরবর্তীতে তাদের মধ্যে সহবাস সংঘটিত হওয়ার কারণে কি পূর্বের এই লিখিত কাজের মাধ্যমে কোনোভাবে নিকাহ সাব্যস্ত হবে, নাকি যদি ইজাব-কবুল না হয়ে থাকে তাহলে সহবাসের কারণে নিকাহ সৃষ্টি হবে না?

৬. যদি হানাফি মাযহাব অনুযায়ী এইভাবে নিকাহ সংঘটিত না হয়ে থাকে, তাহলে পরবর্তীতে সহবাস করার কারণে তাদের ওপর কী শরয়ী হুকুম প্রযোজ্য হবে?

৭. এই অবস্থায় মেয়েটি কি অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে নতুন করে শরয়ী নিকাহ করতে পারবে? নাকি পূর্বের ঘটনা, লিখিত স্বামী-স্ত্রী পরিচয় ও সহবাসের কারণে আগে কোনো বিশেষ শরয়ী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা আবশ্যক?

৮. যদি নিকাহ সহিহ না হয়ে থাকে, তাহলে বর্তমান অবস্থায় তাদের করণীয় কী? নতুন করে নিকাহ পড়ানো কি যথেষ্ট হবে?

দয়া করে হানাফি মাযহাব অনুযায়ী বিস্তারিত উত্তর প্রদান করবেন।

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।

Answer

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

ভূমিকা

নিকাহ ইসলামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র চুক্তি। হানাফি মাযহাব অনুযায়ী নিকাহ সহিহ হওয়ার জন্য ইজাব (প্রস্তাব) ও কবুল (সম্মতি) অপরিহার্য। শুধু লিখিতভাবে নাম লেখা ও স্বাক্ষর করাকে ফকিহগণ ইজাব-কবুল হিসেবে গণ্য করেন না, যদি না তা স্পষ্ট শব্দ বা লিখিত বাক্যের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। নিচে আপনার প্রশ্নগুলোর ধারাবাহিক উত্তর প্রদান করা হলো।


প্রশ্ন ১: শুধু কাগজে "স্বামী" ও "স্ত্রী" ঘরে নাম লেখা এবং স্বাক্ষর করার মাধ্যমে, কোনো মৌখিক ইজাব-কবুল ছাড়াই কি নিকাহ সহিহ হয়েছে?

উত্তর: না, এভাবে নিকাহ সহিহ হয়নি।

হানাফি ফিকহে নিকাহ সহিহ হওয়ার জন্য ইজাব ও কবুল মৌখিকভাবে উচ্চারণ করা বা লিখিতভাবে স্পষ্ট বাক্যে প্রকাশ করা আবশ্যক। শুধু "স্বামী" ও "স্ত্রী" কলামে নাম লেখা এবং স্বাক্ষর করা ইজাব-কবুলের শর্ত পূরণ করে না। কারণ:

  • ইজাব-কবুল এমন শব্দ বা বাক্য দ্বারা হতে হবে যা বিবাহের ইচ্ছা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে।
  • শুধু নাম লেখা বা স্বাক্ষর করা কোনো ইজাব-কবুলের শব্দ নয়; এটি কেবল একটি লিখিত দলিল তৈরি করা।

দলিল:

আল্লাহ তাআলা বলেন:

"তোমরা নারীদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হও..." (সূরা নিসা: ৪)

আল্লাহ তাআলা আরও বলেন:

"...তোমরা তাদের সাথে বিবাহের চুক্তি করলে..." (সূরা নিসা: ২৪)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:

"তোমরা নারীদেরকে তাদের অভিভাবকদের অনুমতিক্রমে বিবাহ করো।" (সুনানে আবু দাউদ: ২০৮৫)

ইমাম সারাখসি (রহ.) বলেন:

"নিকাহ ইজাব ও কবুল দ্বারা সংঘটিত হয়, যা মৌখিকভাবে বা লিখিতভাবে স্পষ্ট শব্দে প্রকাশ পেতে হবে।" (আল-মাবসুত: ৫/৯)

ইবনে আবিদিন (রহ.) বলেন:

"নিকাহর জন্য ইজাব ও কবুল শর্ত। শুধু লিখিত নাম বা স্বাক্ষর ইজাব-কবুল হিসেবে গণ্য হবে না, যদি না তা স্পষ্ট বাক্যে লেখা হয়।" (রাদ্দুল মুহতার: ৩/৯)


প্রশ্ন ২: ছেলের শুধু "এখানে আসো, সাইন কর" বলা এবং মেয়ের কোনো কথা না বলে স্বাক্ষর করা—এটি কি ইজাব ও কবুল হিসেবে গণ্য?

উত্তর: না, এটি ইজাব-কবুল হিসেবে গণ্য নয়।

  • "এখানে আসো, সাইন কর" — এটি বিবাহের প্রস্তাব (ইজাব) নয়; এটি কেবল একটি নির্দেশ।
  • মেয়ের নীরব স্বাক্ষর — এটি কবুলের স্পষ্ট ঘোষণা নয়।

হানাফি ফিকহে ইজাব-কবুলের জন্য স্পষ্ট শব্দ আবশ্যক। ইশারা, নীরবতা বা কেবল স্বাক্ষর দ্বারা নিকাহ সংঘটিত হয় না।

দলিল:

ইমাম কাসানি (রহ.) বলেন:

"নিকাহ ইজাব ও কবুল দ্বারা সংঘটিত হয়। ইজাব হলো প্রস্তাব, কবুল হলো সম্মতি। উভয়ই স্পষ্ট শব্দে হতে হবে।" (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৩০)

ইবনে আবিদিন (রহ.) বলেন:

"নিকাহর ইজাব-কবুল মৌখিকভাবে বা লিখিতভাবে স্পষ্ট শব্দে হতে হবে। ইশারা বা নীরবতা যথেষ্ট নয়।" (রাদ্দুল মুহতার: ৩/১০)


প্রশ্ন ৩: মেয়ের নীরবে স্বাক্ষর করাকে কি তার পক্ষ থেকে কবুল হিসেবে গণ্য করা হবে, নাকি মৌখিক ইজাব-কবুল আবশ্যক?

উত্তর: নীরব স্বাক্ষর কবুল হিসেবে গণ্য হবে না। মৌখিক বা লিখিত স্পষ্ট ইজাব-কবুল আবশ্যক।

হানাফি মাযহাবে নিকাহর জন্য স্পষ্ট ইজাব-কবুল শর্ত। নীরবতা বা ইশারা দ্বারা নিকাহ হয় না। তবে যদি মেয়ে লিখিতভাবে স্পষ্ট বাক্যে লেখে যে "আমি এই বিবাহে সম্মত আছি" বা "আমি কবুল করলাম", তাহলে তা কবুল হিসেবে গণ্য হতে পারে।

দলিল:

ইমাম হাসকাফি (রহ.) বলেন:

"নিকাহ ইজাব ও কবুল দ্বারা সংঘটিত হয়। উভয়ই স্পষ্ট শব্দে হতে হবে।" (আদ-দুররুল মুখতার: ৩/৯)


প্রশ্ন ৪: সাক্ষীরা যদি পুরো ঘটনাটি দেখে থাকে, কিন্তু ছেলে-মেয়ের কাছ থেকে কোনো মৌখিক ইজাব-কবুল না শুনে থাকে, তাহলে তাদের উপস্থিতি কি নিকাহ সহিহ হওয়ার জন্য যথেষ্ট?

উত্তর: না, শুধু সাক্ষীদের উপস্থিতি যথেষ্ট নয়।

নিকাহ সহিহ হওয়ার জন্য দুটি শর্ত:

  1. ইজাব-কবুল (স্পষ্ট শব্দে)
  2. দুইজন সাক্ষী (পুরুষ বা এক পুরুষ ও দুই নারী)

সাক্ষীরা যদি ইজাব-কবুল না শুনে থাকে, তাহলে তারা নিকাহর সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবে না। কারণ সাক্ষীদের ইজাব-কবুল শোনা আবশ্যক।

দলিল:

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:

"দুইজন সাক্ষী ছাড়া কোনো নিকাহ নেই।" (সুনানে তিরমিজি: ১১০৪)

ইমাম সারাখসি (রহ.) বলেন:

"সাক্ষীদের ইজাব-কবুল শোনা শর্ত। যদি তারা না শোনে, তাহলে নিকাহ সহিহ হবে না।" (আল-মাবসুত: ৫/১০)


প্রশ্ন ৫: পরবর্তীতে সহবাস সংঘটিত হওয়ার কারণে কি পূর্বের লিখিত কাজের মাধ্যমে নিকাহ সাব্যস্ত হবে?

উত্তর: না, সহবাসের কারণে নিকাহ সাব্যস্ত হবে না।

হানাফি ফিকহে সহবাস নিকাহর শর্ত নয়; বরং নিকাহ সহিহ হওয়ার পর সহবাস বৈধ হয়। যদি নিকাহ সহিহ না হয়, তাহলে সহবাস যিনা হিসেবে গণ্য হবে।

দলিল:

আল্লাহ তাআলা বলেন:

"তোমরা যিনার কাছেও যেয়ো না; নিশ্চয়ই তা অশ্লীল কাজ।" (সূরা বনী ইসরাইল: ৩২)

ইমাম কাসানি (রহ.) বলেন:

"সহবাস নিকাহর শর্ত নয়; বরং নিকাহ সহিহ হওয়ার পর সহবাস বৈধ হয়।" (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৩১)


প্রশ্ন ৬: যদি হানাফি মাযহাব অনুযায়ী এইভাবে নিকাহ সংঘটিত না হয়ে থাকে, তাহলে পরবর্তীতে সহবাস করার কারণে তাদের ওপর কী শরয়ী হুকুম প্রযোজ্য হবে?

উত্তর: যদি নিকাহ সহিহ না হয়ে থাকে, তাহলে সহবাস যিনা হিসেবে গণ্য হবে।

এক্ষেত্রে:

  • উভয়ের উপর তাওবা আবশ্যক।
  • যদি তারা বিবাহ চালু রাখতে চায়, তাহলে নতুন করে সহিহ নিকাহ করতে হবে।
  • যিনার কারণে কোনো হদ (শাস্তি) প্রযোজ্য হবে কি না, তা নির্ভর করে শরয়ী প্রমাণ ও শর্তের উপর। তবে সাধারণত গোপনীয়তায় থাকলে তাওবা করাই যথেষ্ট।

দলিল:

আল্লাহ তাআলা বলেন:

"তোমরা যিনার কাছেও যেয়ো না; নিশ্চয়ই তা অশ্লীল কাজ।" (সূরা বনী ইসরাইল: ৩২)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:

"যে ব্যক্তি যিনা করে, সে ঈমানদার অবস্থায় যিনা করে না।" (সহিহ বুখারি: ২৪৭৫)


প্রশ্ন ৭: এই অবস্থায় মেয়েটি কি অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে নতুন করে শরয়ী নিকাহ করতে পারবে?

উত্তর: হ্যাঁ, সে অন্য পুরুষের সঙ্গে নতুন করে শরয়ী নিকাহ করতে পারবে।

কারণ পূর্বের নিকাহ সহিহ হয়নি। তাই তার উপর কোনো নিকাহর বন্ধন নেই। তবে:

  • যদি সে পূর্বের ছেলের সাথে বিবাহ চালু রাখতে চায়, তাহলে নতুন করে সহিহ নিকাহ করতে হবে।
  • যদি অন্য পুরুষের সাথে বিবাহ করতে চায়, তাহলে ইদ্দত পালন করতে হবে কি না, তা নির্ভর করে সহবাস হয়েছে কি না তার উপর। যদি সহবাস হয়ে থাকে, তাহলে ইদ্দত পালন করা আবশ্যক।

দলিল:

আল্লাহ তাআলা বলেন:

"তোমরা নারীদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হও..." (সূরা নিসা: ৪)

ইমাম সারাখসি (রহ.) বলেন:

"যদি নিকাহ সহিহ না হয়, তাহলে নারীর উপর কোনো নিকাহর বন্ধন থাকে না। তবে সহবাস হলে ইদ্দত পালন করতে হবে।" (আল-মাবসুত: ৫/১১)


প্রশ্ন ৮: যদি নিকাহ সহিহ না হয়ে থাকে, তাহলে বর্তমান অবস্থায় তাদের করণীয় কী? নতুন করে নিকাহ পড়ানো কি যথেষ্ট হবে?

উত্তর: হ্যাঁ, নতুন করে সহিহ নিকাহ পড়ানোই যথেষ্ট হবে।

করণীয়:

  1. তাওবা করা (যদি সহবাস হয়ে থাকে)।
  2. নতুন করে সহিহ নিকাহ করা — অর্থাৎ:
    • মৌখিক বা লিখিত স্পষ্ট ইজাব-কবুল
    • দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতি
    • মেয়ের অভিভাবকের অনুমতি (যদি সে বালেগা হয় এবং স্বাধীনভাবে বিবাহ করতে চায়, তবে হানাফি মাযহাবে অভিভাবকের অনুমতি আবশ্যক নয়, তবে উত্তম)
  3. মোহর নির্ধারণ করা।
  4. ইদ্দত পালন করা (যদি সহবাস হয়ে থাকে এবং অন্য পুরুষের সাথে বিবাহ করতে চায়)।

দলিল:

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:

"দুইজন সাক্ষী ছাড়া কোনো নিকাহ নেই।" (সুনানে তিরমিজি: ১১০৪)

ইমাম হাসকাফি (রহ.) বলেন:

"নিকাহ ইজাব ও কবুল দ্বারা সংঘটিত হয়। উভয়ই স্পষ্ট শব্দে হতে হবে।" (আদ-দুররুল মুখতার: ৩/৯)


সারসংক্ষেপ

| প্রশ্ন | উত্তর | |--------|--------| | ১. শুধু লিখিত নাম ও স্বাক্ষরে নিকাহ? | না, সহিহ হয়নি | | ২. "সাইন কর" বলা ও নীরব স্বাক্ষর ইজাব-কবুল? | না | | ৩. নীরব স্বাক্ষর কবুল? | না, মৌখিক/লিখিত স্পষ্ট ইজাব-কবুল আবশ্যক | | ৪. সাক্ষীদের উপস্থিতি যথেষ্ট? | না, ইজাব-কবুল শোনা আবশ্যক | | ৫. সহবাসের কারণে নিকাহ সাব্যস্ত? | না | | ৬. সহবাসের হুকুম? | যিনা, তাওবা আবশ্যক | | ৭. অন্য পুরুষের সাথে নিকাহ? | হ্যাঁ, তবে ইদ্দত আবশ্যক (যদি সহবাস হয়ে থাকে) | | ৮. করণীয়? | নতুন করে সহিহ নিকাহ |


বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ

নিকাহ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক। শুধু কাগজে নাম লেখা বা স্বাক্ষর করাকে নিকাহ মনে করা ভুল। হানাফি মাযহাবে নিকাহ সহিহ হওয়ার জন্য স্পষ্ট ইজাব-কবুল ও দুইজন সাক্ষী অপরিহার্য। তাই যদি প্রশ্নে বর্ণিত ঘটনা সত্য হয়, তাহলে তাদের নতুন করে সহিহ নিকাহ করতে হবে।


দুআ

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সহিহভাবে নিকাহ করার তাওফিক দান করুন এবং যিনা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.