একজনের গুনাহের দায় ভার কি তার পিতা মাতা বহন করবে?

Marriage and Divorce · Hanafi

Question No: 6307
Questioner: Muhammad Ibrahim
Question Asked: 03 Oct 2026, 11:32 AM
Reviewed & Published: 03 Oct 2026, 12:25 PM
Views: 12
Tokens: 6,257
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

ছেলে এবং মেয়ে উভয়ে একই সাথে পড়াশোনা করে। পারিবারিক ভাবে তাদের বিয়ের কথা বার্তা চলছে। তবে এখনো কথা পাকা পাকি হয় নি। ছেলের পরিবার চায় পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে দিতে। এমন অবস্থায় তাদের মধ্যে নিয়মিত দেখা সাক্ষাত ও কথা বার্তা হচ্ছে, গুনাহ হচ্ছে। তারা চায় এখনি বিয়ে করে ফেলতে কিন্তু পরিবার তাতে রাজি নয় কিছুতেই। এমন অবস্থায় তাদের মধ্যে যে গুনাহ হচ্ছে তার দায় ভার কি পরিবারের উপর বর্তাবে? পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে তারা অনেক বেশি ক্লোজ হয়ে গেছে এবং অবাধে মিলামিশা করছে। এই অবস্থায় গুনাহ থেকে বাঁচতে তাদের গোপনে বিয়ে করে ফেলা ঠিক হবে কি?

Answer

ছেলে-মেয়ের গুনাহের দায় পরিবারের উপর বর্তাবে কি? গোপনে বিয়ে করা কি ঠিক?

প্রশ্নের সারসংক্ষেপ

এক ছেলে ও এক মেয়ে একসাথে পড়াশোনা করে। পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথা চলছে, তবে এখনো পাকা হয়নি। ছেলের পরিবার পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে দিতে চায়। কিন্তু ছেলে-মেয়ে ইতিমধ্যে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ ও কথা-বার্তা করছে, যা গুনাহ। তারা এখনই বিয়ে করতে চায়, কিন্তু পরিবার রাজি নয়। প্রশ্ন হলো—এই গুনাহের দায় পরিবারের উপর বর্তাবে কি? আর গুনাহ থেকে বাঁচতে গোপনে বিয়ে করা কি ঠিক হবে?


জবাবঃ- প্রশ্নের বিবরণ মতে এক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ের নিজেদের গুনাহের দায় ভার পিতা-মাতা উপর বর্তাবে।**

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,

من وُلِدَ لَهُ وَلَدٌ فَلْيُحْسِنِ اسْمَهُ وَأَدَبَهُ فَإِذَا بَلَغَ فَلْيُزَوِّجْهُ فَإِنْ بَلَغَ وَلَمْ يُزَوِّجْهُ فَأَصَابَ إِثْمًا فَإِنَّمَا إثمه على أَبِيه

তোমাদের মাঝে যার কোনো (পুত্র বা কন্যা) সন্তান জন্ম হয় সে যেন তার সুন্দর নাম রাখে এবং তাকে উত্তম আদব কায়দা শিক্ষা দেয়; যখন সে বালেগ অর্থাৎ সাবালক/সাবালিকা হয়, তখন যেন তার বিয়ে দেয়; যদি সে বালেগ হয় এবং তার বিয়ে না দেয় তাহলে, সে কোনো পাপ করলে উক্ত পাপের দায়ভার তার পিতার উপর বর্তাবে। (বাইহাকি ৮১৪৫)

عن محمد بن عمر بن علي بن أبي طالب، عن أبيه، عن علي بن أبي طالب، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له: " يا علي، ثلاث لاتؤخرها: الصلاة إذا آنت، والجنازة إذا حضرت، والأيم إذا وجدت لها كفئًا".

(1 / 320، باب ما جاء في الوقت الأول من الفضل، ابواب الصلوٰۃ، ط:شركة مكتبة ومطبعة مصطفى البابي الحلبي - مصر)

রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘হে আলী, তিন কাজে দেরি করবে না। সময় হয়ে গেলে নামাজ আদায়ে, জানাজা এসে গেলে জানাজার নামাজ পড়তে এবং কুফু মিলে গেলে বিবাহে বিলম্ব করবে না।’ (তিরমিজি, মিশকাত, হাদিস : ৬০৫)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:

كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ "তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল, এবং প্রত্যেকেই নিজ দায়িত্বের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে।" — (সহীহ বুখারী: ৭১৩৮; সহীহ মুসলিম: ১৮২৯)


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.