ঈমান
Faith and Belief · Hanafi
Question No:
6194
Questioner:
Umme Sabiha
Question Asked:
01 Oct 2026, 10:59 AM
Reviewed & Published:
01 Oct 2026, 03:34 PM
Views:
3
Tokens:
9,920
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by
.
Question
১- প্রশ্ন করার স্বার্থে কোন কুফরী বাক্য বললে বা লিখলে কি ঈমান ভাঙবে?
২- কেউ যদি বাস্তবজীবনে আল্লাহর প্রতিটি বিধানকেই সর্বশ্রেষ্ঠ বলে বিশ্বাস করে এবং সমস্ত হারামকেই হারাম বলে স্বীকার করে বিশ্বাস করে এবং এ ফায়সালার প্রতি সন্তুষ্টও থাকে । কিন্তু কল্পনায় নিজের মত একটা জগৎ সাজায় এবং সেখানে অনেক হারামকে হালাল চিন্তা করে বা কোন ফরজ বিধানকে সেখানে নাই বলে চিন্তা করে এতে কি তার ঈমান ভেঙে যাবে?
৩- কেউ যদি ইসলামের প্রতিটি বিধানের প্রতিই সন্তুষ্ট থাকে । কিন্তু নিজের মানসিক দুর্বলতার কারণে চিন্তা করে বা বলে " ইশ ইসলামে যদি এই এই বিধানগুলো না থাকত " , ইসলামে যদি এটি হারাম না হত " । এতে কি তার ঈমান ভেঙে যাবে?
৪- মানসিক দুর্বলতার কারণে তাকদিরের প্রতি অসন্তুষ্ট থাকলে অভিযোগ করলে । ঈমান ভেঙে যাবে?
অনেক খুব দুঃখের সময় বলে - আমার সাথে এমন কেন হলো ,কেন আমি তা পেলাম না,এ আল্লাহর কেমন বিচার এইসমস্ত কথা বলার কারণে কি ঈমান চলে যাবে?
৫- কেউ যদি আফসোস করে চিন্তা করে ও বলে "আমার জীবন এমন না হয়ে এমন হত " ," ইশ আমার কাছে এটা ওটা থাকত " " হায় ! আমি সে কাজটি না করতাম "। এমন চিন্তা ও কথার দ্বারা কি ঈমান চলে যাবে?
৬- একজন পর্দার প্রতি গভীর সম্মান রাখে । একদিন তার স্ত্রীকে নিকাব পরিহিত অবস্থায় দেখে সে মজা করে বললো তোমাকে নিনজা টার্টলের মত লাগছে । এক্ষেত্রে কি তার ঈমানের কোন ক্ষতি হবে?
৭ - কেউ যদি ইসলামের কোন বিষয়ের প্রতি মনে কোন বিদ্বেষ পোষণ না করে সন্তুষ্ট থাকে।তবে মাঝে অনেক বিষয় নিয়ে মজা করে যেমন চার বিয়ের বিধান নিয়ে বন্ধুরা একজন আরেকজনকে খোঁচা দিল । একজন বললো আমি আগে মরবো তখন অন্য জন বললো ঠিকাছে জাহান্নামের প্লট বুক করে নাও ।এসব কথার দ্বারা কি ঈমান চলে যাবে?
ইসলামের কোন বিধানের প্রতি অসন্তুষ্ট না হয়ে অস্বীকার না করে যদি কেউ এমনে মজা করে কিছু বলে এতে কি ঈমান চলে যাবে?
৮ - সংবাদ পাঠিকাদের বেতনের টাকা কি হালাল হবে ?
২- কেউ যদি বাস্তবজীবনে আল্লাহর প্রতিটি বিধানকেই সর্বশ্রেষ্ঠ বলে বিশ্বাস করে এবং সমস্ত হারামকেই হারাম বলে স্বীকার করে বিশ্বাস করে এবং এ ফায়সালার প্রতি সন্তুষ্টও থাকে । কিন্তু কল্পনায় নিজের মত একটা জগৎ সাজায় এবং সেখানে অনেক হারামকে হালাল চিন্তা করে বা কোন ফরজ বিধানকে সেখানে নাই বলে চিন্তা করে এতে কি তার ঈমান ভেঙে যাবে?
৩- কেউ যদি ইসলামের প্রতিটি বিধানের প্রতিই সন্তুষ্ট থাকে । কিন্তু নিজের মানসিক দুর্বলতার কারণে চিন্তা করে বা বলে " ইশ ইসলামে যদি এই এই বিধানগুলো না থাকত " , ইসলামে যদি এটি হারাম না হত " । এতে কি তার ঈমান ভেঙে যাবে?
৪- মানসিক দুর্বলতার কারণে তাকদিরের প্রতি অসন্তুষ্ট থাকলে অভিযোগ করলে । ঈমান ভেঙে যাবে?
অনেক খুব দুঃখের সময় বলে - আমার সাথে এমন কেন হলো ,কেন আমি তা পেলাম না,এ আল্লাহর কেমন বিচার এইসমস্ত কথা বলার কারণে কি ঈমান চলে যাবে?
৫- কেউ যদি আফসোস করে চিন্তা করে ও বলে "আমার জীবন এমন না হয়ে এমন হত " ," ইশ আমার কাছে এটা ওটা থাকত " " হায় ! আমি সে কাজটি না করতাম "। এমন চিন্তা ও কথার দ্বারা কি ঈমান চলে যাবে?
৬- একজন পর্দার প্রতি গভীর সম্মান রাখে । একদিন তার স্ত্রীকে নিকাব পরিহিত অবস্থায় দেখে সে মজা করে বললো তোমাকে নিনজা টার্টলের মত লাগছে । এক্ষেত্রে কি তার ঈমানের কোন ক্ষতি হবে?
৭ - কেউ যদি ইসলামের কোন বিষয়ের প্রতি মনে কোন বিদ্বেষ পোষণ না করে সন্তুষ্ট থাকে।তবে মাঝে অনেক বিষয় নিয়ে মজা করে যেমন চার বিয়ের বিধান নিয়ে বন্ধুরা একজন আরেকজনকে খোঁচা দিল । একজন বললো আমি আগে মরবো তখন অন্য জন বললো ঠিকাছে জাহান্নামের প্লট বুক করে নাও ।এসব কথার দ্বারা কি ঈমান চলে যাবে?
ইসলামের কোন বিধানের প্রতি অসন্তুষ্ট না হয়ে অস্বীকার না করে যদি কেউ এমনে মজা করে কিছু বলে এতে কি ঈমান চলে যাবে?
৮ - সংবাদ পাঠিকাদের বেতনের টাকা কি হালাল হবে ?
Answer
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
উত্তর
১. প্রশ্ন বা ইস্তিফতার স্বার্থে কুফরী বাক্য বলা বা লেখার হুকুম:
- শরয়ী ফায়সালা: কোনো বিষয় জানার উদ্দেশ্যে, মাসআলা অনুসন্ধানের জন্য (ইস্তিফতা) বা ঘটনা বর্ণনার স্বার্থে কুফরী বাক্য মুখে বললে বা খাতায়/মেসেজে লিখলে ঈমান ভেঙে যায় না এবং লোক কাফের হয় না [ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (৪র্থ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩২–৩৩, ৫৭–৫৮; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (২০শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১২০, ১৩০]।
- শরয়ী ব্যাখ্যা: ফিকহের অকাট্য নিয়ম অনুযায়ী, ঘটনার বিবরণ দেওয়া বা ফতোয়া নেওয়ার জন্য কুফরি শব্দের উদ্ধৃতি দিলে তা কুফর হিসেবে গণ্য হয় না।
২. কল্পনায় নিজের জগতে হারামকে হালাল ভাবা বা ফরজ নাই চিন্তা করার হুকুম:
- শরয়ী ফায়সালা: বাস্তব জীবনে ইসলামের প্রতিটি বিধান ও হারামকে সত্য মনে করে বিশ্বাস রাখলে, কেবল কল্পনার জগতে বা মনের খেয়ালে কোনো হারামকে হালাল ভাবলে বা ফরজ নেই চিন্তা করলে ঈমান ভেঙে যায় না [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১৪শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৭৭, ১১১; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৯৬]।
- শরয়ী ব্যাখ্যা: হাদিস শরীফে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন—আল্লাহ তা'আলা আমার উম্মতের মনের অন্তর্বর্তী চিন্তা ও ওয়াসওয়াসাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন, যতক্ষণ না তারা তা কার্যে পরিণত করে বা মুখে প্রকাশ করে। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে এমন অপবিত্র কল্পনা করা থেকে মনকে মুক্ত রাখা উচিত।
৩. মানসিক দুর্বলতার কারণে "ইশ! ইসলামে এটি হারাম না হলে ভালো হতো" বলার হুকুম:
- শরয়ী ফায়সালা: ইসলামের বিধানের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা সত্ত্বেও কেবল নফসের দুর্বলতা, ক্ষণিক কষ্ট বা অলসতার বশে যদি কেউ বলে "ইশ! ইসলামে যদি এই বিধান না থাকত" বা "যদি হারাম না হতো", তবে এর দ্বারা ঈমান ভেঙে যায় না; তবে এটি একটি চরম অনুচিত কথা ও গোনাহের কাজ [ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (৪র্থ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৫, ৯১; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (২০শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১২০–১২২]।
- শরয়ী ব্যাখ্যা: বিধানকে অস্বীকার বা বিদ্বেষবশত বললে কাফের হয়ে যেত। কিন্তু বিধানের সত্যতা স্বীকার করে কেবল নফসের অলসতায় আফসোস প্রকাশ করলে কুফরি হয় না, বরং তওবা করা আবশ্যক।
৪. দুঃখের সময় "আমার সাথে এমন কেন হলো, এ আল্লাহর কেমন বিচার" বলার হুকুম:
- শরয়ী ফায়সালা: তীব্র দুঃখ-কষ্টের মুহূর্তে আবেগের বশে বা অজ্ঞতাবশত "আমার সাথে এমন কেন হলো", "আল্লাহর কেমন বিচার" বললে ঈমান সরাসরি চলে যায় না; তবে তা সওয়াব বিনষ্টকারী কবিরা গোনাহ এবং অসন্তোষ প্রকাশের শামিল [ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (৪র্থ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৩, ৩৫; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৯৭–১৯৮]।
- শরয়ী ব্যাখ্যা: যদি কেউ আল্লাহর ইনসাফ ও হেকমতকে অনাচার বা জুলুম মনে করে বিশ্বাস রেখে বলে, তবে তা কুফরি। কিন্তু নিছক কষ্টের আতিশয্যে হা-হুতাশ করে বললে তা তওবাযোগ্য বড় গোনাহ, কুফর নয়।
৫. "আমার জীবন এমন না হয়ে এমন হতো", "হায় সে কাজটি না করতাম" আফসোস করার হুকুম:
- শরয়ী ফায়সালা: পার্থিব কোনো ক্ষতি বা বিষয়ে আফসোস করে "আমার জীবন এমন হতো", "হায় আমি যদি তা না করতাম" বললে ঈমান নষ্ট হয় না [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৯৬–১৯৮; ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (৪র্থ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৫]।
- শরয়ী ব্যাখ্যা: যদিও হাদিস শরীফে 'যদি' (লও) শব্দ ব্যবহার করে আফসোস করতে নিষেধ করা হয়েছে (কারণ এতে শয়তানের প্ররোচনার পথ খোলে), কিন্তু এতে ঈমানের কোনো ক্ষতি হয় না।
৬. স্ত্রীকে নিকাব পরিহিত অবস্থায় "নিনজা টার্টলের মতো লাগছে" বলার হুকুম:
- শরয়ী ফায়সালা: পর্দার প্রতি মনে গভীর শ্রদ্ধা থাকা সত্ত্বেও স্ত্রীর পোশাকের বিশেষ অবয়ব দেখে পরিহাসচ্ছলে এই কথা বললে ঈমান ভাঙবে না; তবে এটি একটি চরম বেআদবী ও মাকরূহ কথা [ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (৪র্থ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৮–৩৯, ৯১; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (২০শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৩০, ১৪০–১৪২]।
- শরয়ী ব্যাখ্যা: যদি পর্দার বিধান বা শরীয়তকে উপহাস করার নিয়তে বলা হতো, তবে কুফরি হতো। যেহেতু নিয়ত তা ছিল না, বরং স্ত্রীর দৃশ্য রূপ নিয়ে কৌতুক ছিল, তাই ঈমান নষ্ট হবে না; তবে এর জন্য আস্তাগফিরুল্লাহ পড়া উচিত।
৭. "জাহান্নামের প্লট বুক করে নাও" এবং চার বিয়ের বিধান নিয়ে মজা করার হুকুম:
- শরয়ী ফায়সালা:
১. "জাহান্নামের প্লট বুক করে নাও": আখেরাত ও জাহান্নামের মতো অকাট্য ঈমানী বিষয়কে তুচ্ছ জ্ঞান করে এই জাতীয় হালকা তামাশামূলক কথা বলা চরম ঈমানী হুমকিস্বরূপ এবং ফুকাহায়ে কেরামের মতে এটি কুফরীর অন্তর্ভুক্ত [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (২য় খণ্ড), পৃষ্ঠা: ২৫৯; ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (২০শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১২০, ১৩০; ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (৪র্থ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৪, ৩৮]। উক্ত বাক্যের উচ্চারণকারীকে অনতিবিলম্বে তওবা ও তাজদীদে ঈমান (পুনরায় কালেমা পড়া) করতে হবে।
২. চার বিয়ের বিধান নিয়ে খোঁচাখুঁচি: বিধানকে অস্বীকার বা বিদ্রূপ করার উদ্দেশ্য না থাকলে নিছক রসিকতায় কাফের হবে না, তবে দ্বীনের বিধান নিয়ে অনাবশ্যক কৌতুক করা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
৮. সংবাদ পাঠিকাদের (নারী নিউজ প্রেজেন্টার) বে头的 টাকা হালাল হওয়ার হুকুম:
- শরয়ী ফায়সালা: টিভিতে বা প্রকাশ্যে রূপ-সৌন্দর্য ও চেহারা প্রদর্শন করে সংবাদ পাঠ করা শরীয়তের পর্দা ও দৃষ্টি অবনত রাখার হুকুমের পরিপন্থী হওয়ায় নারীদের জন্য এই কাজ করা নাজায়েয [দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৪০০–৪০৫]। তবে সংবাদ পরিবেশনের বস্তুগত শ্রম দেওয়ার কারণে অর্জিত বেতন মৌলিকভাবে পুরোপুরি হারাম মালের অন্তর্ভুক্ত হয় না; বরং তা মাকরূহ ও গোনাহমিশ্রিত উপার্জন [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১৭শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১০২, ১১২, ১২৩–১২৪]।
- শরয়ী সমাধান: চেহারা আবৃত রেখে কেবল কণ্ঠ দিয়ে বা পর্দার শরয়ী সীমান্ত রক্ষা করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করা উচিত।
সংযুক্ত কিতাব, ভলিউম ও পৃষ্ঠা নম্বর:
১. ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (৪র্থ খণ্ড):
- পৃষ্ঠা: ৩২–৩৩ & ৫৭–৫৮: (মাসআলা জানার উদ্দেশ্যে বা উদ্ধৃতি হিসেবে কুফরী বাক্য বললে কাফের না হওয়ার মাসআলা) [ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (৪র্থ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩২, ৩৩, ৫৭, ৫৮]।
- পৃষ্ঠা: ৩৪, ৩৮, ৩৯, ৯১: (আখেরাত ও জাহান্নাম নিয়ে ঠাট্টা করায় কাফের হওয়া এবং নিয়ত ছাড়া ঠাট্টামূলক বাক্যের হুকুম) [ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (৪র্থ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৪, ৩৮, ৩৯, ৯১]।
- পৃষ্ঠা: ৩৩, ৩৫: (তাকদীরের কষ্ট ও দুঃখের সময় আপত্তিকর বাক্য উচ্চারণের শরয়ী ফায়সালা) [ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী (৪র্থ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৩৩, ৩৫]।
২. ফাতাওয়া মাহমুদিয়া:
- ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১৯৬–১৯৮: (ওয়াসওয়াসা, আফসোস ও মনস্তাত্ত্বিক চিন্তায় ঈমান অক্ষুণ্ণ থাকা) [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১৯৬, ১৯৭, ১৯৮]।
- ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা: ২৫৯: (জাহান্নাম নিয়ে অবহেলামূলক কৌতুক করায় কাফের হওয়ার ফতোয়া) [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (২য় খণ্ড), পৃষ্ঠা: ২৫৯]।
- ১৪শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৭৭, ১১১১: (হাদীসুন নাফস ও মনের কল্পনায় গোনাহ বা কাফের না হওয়া) [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১৪শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৭৭, ১১১]।
- ১৭শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১০২, ১১২, ১২৩–১২৪: (অশোভন বা মাকরূহ কাজের বিনিময়ে অর্জিত বেতনের শরয়ী হুকুম) [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১৭শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১০২, ১১২, ১২৩, ১২৪]।
- ২০শ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১২০, ১৩০, ১৪০–১৪২: (দ্বীনি বিদ্রূপের নিয়ত না থাকলে কাফের না হওয়া কিন্তু ইস্তিগফার জরুরি হওয়া) [ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (২০শ খণ্ড), পৃষ্ঠা: ১২০, ১৩০, ১৪০, ১৪১, ১৪২]।
৩. দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড):
- পৃষ্ঠা: ৪০০–৪০৫: (টিভি, মিডিয়া ও নারীদের চেহারা প্রদর্শনের শরয়ী ও ফিকহী রূপরেখা) [দরসুল ফিকহ (১ম খণ্ড), পৃষ্ঠা: ৪০০, ৪০১, ৪০২, ৪০৩, ৪০৪, ৪০৫]।
আল্লাহ সর্বজ্ঞ।