স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া

Marriage and Divorce · Hanafi

Question No: 5670
Questioner: Tasnime Nusrat Jui
Question Asked: 19 Sep 2026, 06:52 AM
Reviewed & Published: 19 Sep 2026, 11:03 AM
Views: 36
Tokens: 13,365
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আমাদের বিয়ে হয়েছে 4 মাস। কিন্তু এর মধ্যে খেয়াল করলাম তার মা বাবার প্রতি তার ব্যবহার অত্যন্ত বাজে, রাগ হয়ে গেলে বড় ছোট মানে না, এমনকি আমার বাবা মা কেও না।আমার কথা তো বাদ ই দিলাম।এমন এমন কথা বলবে ঘৃণা ধরে গেছে। কিন্তু যখন মেজাজ ঠিক থাকবে তখন সব কথা বললে শুনবে ঠিকই কিন্তু পরে আর মানবে না। ছোট একটা সুরার বই ধরিয়ে ওয়াদা করিয়েছিলাম যে আমি যা বলব তাই শুনবা, না শুনলে আল্লাহ আমাদের আলাদা করে দিবে। রাজি হয়ে ওয়াদা ও করেছে। ভেবেছিলাম হয়তো ভয় পেয়ে সব কথা শুনবে, কিন্তু কোনো কাজ ই হয়নি। উল্লেখ্য যে, সে বেকার।নামাজ পড়ে না, জোর করে মসজিদে পাঠানো হলে যায়, মাঝে মাঝে রেগে ও যায়।আমার সাথে এমন বাজে ব্যবহার করে, কথা ১৯ থেকে ২০ বিশ হলে আলাদা বিছানায় চলে যায়।আমার ছোট বোন 7 বছর, একটু দুষ্ট সহ্যই করতে পারে না। Even কোনো ছোট বাচ্চাকেই সহ্য করতে পারে না, নিজের আপন ভাতিজা তাকেই সহ্য করে না।তো আমার বাবা মাও সেজন্য একটু অসন্তুষ্ট তার উপর। কিন্তু এসব দেখে তার প্রতি আমার অনিহা চলে এসেছে, তাকে খাওয়ার সময় বলেছিলাম তাকিয়ে ভাত খাও নিজের দিক থেকে খাও, খুবলে খেও না, না খেয়ে উঠে চলে গেছে।তার বাবা মা কে 2 পয়সার সম্মান সে করে না, রাগারাগি হলে বাসার সবার সামনে অপমান করে।উল্লেখ্য যে আমাদের সম্পূর্ণ arrange marrige এবং আমরা দুইজনেই আলহামদুলিল্লাহ খুবই সচ্ছল family থেকে belong করি। ইসলামের জ্ঞান তার মধ্যে আছে কিন্তু বিন্দুমাত্র মানতে চায় না।তার মধ্যে problem solve করার mentality নেই সে সমস্যা face ই করতে চায় না avoid করে, victim mentality র; সবসময় victim role play করতে চায় যে আমার বাবা মা ভাই বোন আমার সাথে এটা এটা করছে ওটা ওরা করছে। এরপর চুপ করে বসে থাকবে নিজে কিছু আর করবে না, দোষ দেওয়া শেষ তার কাজ ও শেষ। সে শুধু physical হতে চায়, আর মোবাইল টিপবে। এগুলা ছাড়া আর কোনো কাজ নেই। বুয়া দারোয়ান বা আমাদের subordinate, water এমন মানুষদের সাথেও কি পরিমান বাজে ব্যবহার; এগুলা দেখে তাকে আর মানুষ মনে হয় না , ঘৃণা লাগে। আমি 5 ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার চেষ্টা করি, হয়ে উঠে কখনও হয় না, আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল আছে আমার, আমি প্রতিনিয়ত নিজের নফসের সাথে যুদ্ধ করে নামাজ আদায় করার চেষ্টা করি, করছি। তাকেও নামাজের দিকে ডাকছি কিন্তু কিছুতেই কোনো কাজ হচ্ছে না, কারণ তার family ultra modern. বাবা মা 5 ওয়াক্ত নামাজ পড়ে কিন্তু কোনো ছেলে মেয়েকে কখনোই বলে না নামাজ পড়তে। ডাকেও না। আমার তার প্রতি চরম অনিহা, ঘৃণা চলে এসেছে। আর আমি তাকে যে জন্য ওয়াদা করিয়েছিলাম , তাকে বলেছিলাম মা বাবার দোয়া ছাড়া তুমি সফলতার মুখ জীবনে দেখবা না, ভালো ব্যবহার করবা, তারা কিছু বললে আস্তে আস্তে বুঝায় বলবা এভাবে না সেভাবে চাচ্ছো।অবশ্যই শুনবে।কিন্তু ও অসভ্য মানুষের মত ব্যবহার করে চলে আসে।আমাকে আমার চরিত্র নিয়ে বারবার এমন এমন কথা বলে যে ঘৃণা ধরে গেছে।যদিও আমি তেমন কিছুই করিনি। আমার pcos, adhd আছে দিনে 8 ঘণ্টা ঘুম না হলে আমার মেজাজ খিটখিটে থাকে, আরো খিটখিটে থাকে আমি নিজের প্রয়োজনীয় হাত খরচ কারো থেকে পাচ্ছি না এখন, বাবার থেকেও চাইতে পারি না কারণ বিয়ে হয়ে গেছে, আর স্বামী তো বেকার ই।সারাদিন সে কোনো কথা বলবে না, খোঁজ নাই, রাতে ঠিকই তার physical হতে হবে।অসভ্য মানুষের মত ব্যবহারের পরও তার লাগবে। তখন আমার ঘৃণা লাগে।এরপর আমার sweating আর breathing এর সমস্যা অনেক বেশি।asthma আছে।সর চায় রাতে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ঘুমাতে, আমার suffocation এ আমি অস্থির হয়ে যাই, বোঝাতে পারি না তাকে আমার কেমন লাগে, সে তখনও আমার চরিত্র নিয়ে কথা বলে বিছানা আলাদা করে দেয়। এরপর আর মন চায় না ছুঁতে দিতে তাকে।আমার কি গুনাহ হচ্ছে?

Answer

প্রশ্নোত্তর: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যস্থলে ঝগড়া ও দাম্পত্য সমস্যা

সংক্ষিপ্ত উত্তর

আপনার প্রশ্নের সরাসরি উত্তর হলো: আপনার কোনো গুনাহ হচ্ছে না — বরং আপনি ধৈর্য ধরে নামাজ আদায়ের চেষ্টা করছেন, যা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয় আমল। তবে দাম্পত্য জীবনে চলমান এই সংকটে ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে কিছু বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন:

১. স্বামীর প্রতি আপনার ঘৃণা ও অনিহা — এটি আপনার ইচ্ছাকৃত অবাধ্যতা বা গুনাহ নয়; বরং তার দুর্ব্যবহার, দায়িত্বহীনতা ও আপনার প্রতি অসম্মানজনক আচরণের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। তবে ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক রক্ষার জন্য চেষ্টা করা কর্তব্য।

২. শারীরিক সম্পর্ক (physical intimacy) — ইসলামে স্ত্রীর উপর স্বামীর হক রয়েছে, তবে তা সহনশীলতা, সম্মান ও উভয়ের সম্মতির ভিত্তিতে হতে হবে। জোরপূর্বক বা অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় (যেমন শ্বাসকষ্ট, অসুস্থতা) সম্পর্ক স্থাপন ইসলামে নিষিদ্ধ। আপনার asthma ও suffocation-এর সমস্যা থাকলে তা স্বামীকে বোঝানো আপনার অধিকার।

৩. নামাজ না পড়া — স্বামীর নামাজ না পড়া তার নিজের গুনাহ, আপনার নয়। আপনি তাকে দাওয়াত দিচ্ছেন — এটাই আপনার দায়িত্ব। হেদায়াত আল্লাহর হাতে।

৪. তালাকের ওয়াদা — সুরার বই ধরে "না শুনলে আল্লাহ আলাদা করে দিবে" — এ ধরনের ওয়াদা ইসলামে তালাক হিসেবে গণ্য হয় না। এটি শুধু একটি শর্তমূলক ওয়াদা, যা শরিয়তে তালাকের বিধান বহন করে না। তাই আপনার বিয়ে এখনো বৈধ।


বিস্তারিত আলোচনা

১. স্বামীর দুর্ব্যবহার ও আপনার ঘৃণার বিধান

ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হলো মায়া, দয়া ও পারস্পরিক সম্মানের সম্পর্ক। আল্লাহ তাআলা বলেন:

وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً "আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করো; আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া স্থাপন করেছেন।" (সূরা আর-রূম: ২১)

স্বামীর দায়িত্ব হলো স্ত্রীর প্রতি সদাচরণ করা। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لِأَهْلِهِ، وَأَنَا خَيْرُكُمْ لِأَهْلِي "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে তার পরিবারের প্রতি সর্বোত্তম। আর আমি আমার পরিবারের প্রতি তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম।" (তিরমিজি: ৩৮৯৫)

আপনার স্বামী যদি তার পিতা-মাতার প্রতি, আপনার প্রতি, এমনকি ছোট বাচ্চাদের প্রতিও দুর্ব্যবহার করে — এটি তার চরিত্রের দুর্বলতা। আপনি তার প্রতি ঘৃণা অনুভব করছেন — এটি স্বাভাবিক মানবিক প্রতিক্রিয়া, তবে ইসলামে এর সমাধান হলো:

  • ধৈর্য ধারণ করা এবং আল্লাহর কাছে দুআ করা
  • সরাসরি কথা বলা — শান্তভাবে, একান্তে, সম্মানের সাথে
  • পরিবারের বড়দের মাধ্যমে মধ্যস্থতা করানো
  • প্রয়োজনে ইসলামি পরামর্শদাতা/মুফতির শরণাপন্ন হওয়া

২. শারীরিক সম্পর্কের বিধান

ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক উভয়ের সম্মতি ও সুস্থতার ভিত্তিতে হতে হবে। স্ত্রী যদি অসুস্থ হয়, ক্লান্ত হয়, বা শ্বাসকষ্টে ভুগে — তবে স্বামীর জোর করা ইসলামে নিষিদ্ধ। আল্লাহ বলেন:

وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ "আর তাদের (স্ত্রীদের) সাথে সদ্ভাবে জীবনযাপন করো।" (সূরা আন-নিসা: ১৯)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

لَا ضَرَرَ وَلَا ضِرَارَ "ক্ষতি করা যাবে না, ক্ষতিগ্রস্তও করা যাবে না।" (ইবনে মাজাহ: ২৩৪১)

আপনার asthma, PCOS, ADHD — এগুলো চিকিৎসাগত সমস্যা। এ অবস্থায় জোরপূর্বক সম্পর্ক আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আপনি স্বামীকে ভদ্রভাবে ও স্পষ্টভাবে বোঝানোর অধিকার রাখেন। যদি সে না বোঝে, তবে আলাদা বিছানায় ঘুমানো বা পরিবারের মাধ্যমে বোঝানো — এগুলো শরিয়তসম্মত পদক্ষেপ।

৩. নামাজ না পড়া প্রসঙ্গে

স্বামীর নামাজ না পড়া তার নিজের গুনাহ। আপনি তাকে দাওয়াত দিচ্ছেন — এটাই আপনার কর্তব্য। আল্লাহ বলেন:

إِنَّكَ لَا تَهْدِي مَنْ أَحْبَبْتَ وَلَٰكِنَّ اللَّهَ يَهْدِي مَن يَشَاءُ "নিশ্চয়ই আপনি যাকে ভালোবাসেন তাকে হেদায়াত দিতে পারবেন না; বরং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা হেদায়াত দেন।" (সূরা আল-কাসাস: ৫৬)

তাই আপনি দুআ করতে থাকুন, নরমভাবে দাওয়াত দিন, এবং নিজের নামাজ ও ইবাদত অব্যাহত রাখুন। আপনার ভালো আচরণই তাকে প্রভাবিত করতে পারে।

৪. তালাকের ওয়াদা প্রসঙ্গে

"সুরার বই ধরে ওয়াদা করিয়েছিলাম যে না শুনলে আল্লাহ আমাদের আলাদা করে দিবে" — এ ধরনের শর্তমূলক ওয়াদা বা দুআ ইসলামে তালাক হিসেবে গণ্য হয় না। তালাক হতে হলে স্পষ্ট শব্দে তালাকের ঘোষণা দিতে হয় (যেমন: "তালাক", "তোমাকে তালাক দিলাম")। তাই আপনার বিয়ে এখনো বৈধ এবং আপনি স্বামী-স্ত্রী হিসেবেই আছেন

তবে হ্যাঁ, যদি আপনি তালাক চান, তবে শরিয়তসম্মত পদ্ধতিতে (ইদ্দত, সাক্ষী, মুফতির পরামর্শ) তা করতে হবে।

৫. আপনার গুনাহ হচ্ছে কি?

না, আপনার গুনাহ হচ্ছে না — যদি আপনি:

  • নামাজ আদায়ের চেষ্টা করেন ✅
  • স্বামীকে দাওয়াত দেন ✅
  • তার দুর্ব্যবহারে ধৈর্য ধারণ করেন ✅
  • অসুস্থ অবস্থায় জোরপূর্বক সম্পর্কে বাধা দেন ✅ (এটি আপনার অধিকার)

তবে সতর্কতা: স্বামীর প্রতি অকারণ ঘৃণা বা সম্পূর্ণ সম্পর্ক ছিন্ন করা — এটি ইসলামে পছন্দনীয় নয়। যদি তার মধ্যে কোনো ভালো দিক থাকে, তবে তা খুঁজে বের করুন এবং সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করুন। যদি সম্পূর্ণ অসম্ভব হয়, তবে মুফতির পরামর্শে শরিয়তসম্মত পদক্ষেপ নিন।


করণীয় (ব্যবহারিক পরামর্শ)

| বিষয় | করণীয় | |------|--------| | স্বামীর দুর্ব্যবহার | শান্তভাবে একান্তে কথা বলুন; পরিবারের বড়দের মধ্যস্থতা | | নামাজ | নিজে পড়ুন, দুআ করুন, নরমভাবে দাওয়াত দিন | | শারীরিক সম্পর্ক | স্বাস্থ্যগত সমস্যা স্পষ্টভাবে জানান; জোর করলে পরিবারকে জানান | | আর্থিক সমস্যা | বাবার কাছে সাহায্য চাওয়া ইসলামে নিষিদ্ধ নয় (বিশেষত স্বামী বেকার হলে) | | মানসিক চাপ | ইসলামি পরামর্শদাতা/মুফতির শরণাপন্ন হোন | | তালাকের চিন্তা | মুফতির পরামর্শ ছাড়া কোনো পদক্ষেপ নেবেন না |


দুআ

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا "হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের থেকে আমাদের চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদের মুত্তাকীদের নেতা বানান।" (সূরা আল-ফুরকান: ৭৪)

اللَّهُمَّ أَصْلِحْ بَيْنَنَا، وَأَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِنَا، وَاهْدِنَا سُبُلَ السَّلَامِ "হে আল্লাহ! আমাদের মধ্যে সংশোধন দান করুন, আমাদের হৃদয়কে একত্রিত করুন এবং শান্তির পথে পরিচালিত করুন।"


উপসংহার

আপনার পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন, এবং আপনার অনুভূতি বৈধ। তবে ইসলামের শিক্ষা হলো ধৈর্য, দুআ ও সঠিক পদক্ষেপ। আপনার গুনাহ হচ্ছে না — বরং আপনি সঠিক পথে আছেন। তবে একা লড়াই করবেন না — পরিবারের বড়দের, ইসলামি পরামর্শদাতার, এবং প্রয়োজনে মুফতির সাহায্য নিন। আল্লাহ আপনার সমস্যার সমাধান করুন। আমিন।


রেফারেন্স:

  • সূরা আর-রূম: ২১
  • সূরা আন-নিসা: ১৯
  • সূরা আল-কাসাস: ৫৬
  • সূরা আল-ফুরকান: ৭৪
  • সহিহ তিরমিজি: ৩৮৯৫
  • সুনানে ইবনে মাজাহ: ২৩৪১
  • রাদ্দুল মুহতার (ইবনে আবিদিন) — কিতাবুন নিকাহ
  • ফাতাওয়া উসমানি — দাম্পত্য সম্পর্ক অধ্যায়
  • ইমদাদুল ফাতাওয়া — আশরাফ আলী থানভী
  • বেহেশতী জেওর — দাম্পত্য জীবনের বিধান
  • মা'আরিফুল কুরআন — মুফতি মুহাম্মদ শাফি

আল্লাহ সর্বজ্ঞ।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.