ছবি দেখা ও প্রতিবাদ করা

Miscellaneous Fiqh · Hanafi

Question No: 5482
Questioner: Amatullah Noor
Question Asked: 14 Sep 2026, 07:47 PM
Reviewed & Published: 14 Sep 2026, 07:54 PM
Views: 14
Tokens: 7,703
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত উস্তাদ।
আমি ফোন চালানোর বিষয় গুলো বিস্তারিত জানতে চাই। ফোনে ফেসবুক বা ইউটিউব স্ক্রল করার সময় যদি কোনো মানুষের ছবির উপর চোখ পড়ে তাহলে কি গুনাহ হবে,আর অনিচ্ছাকৃত মিউজিক কানে চলে আসলে কি গুনাহ হবে?
উস্তাদ যদি কোনো মেয়েকে শশুরবাড়ি থেকে বিনা অপরাধে কথা শোনায় তাহলে মেয়েটি কি প্রতিবাদ করতে পারবে?
যেমন:মেয়েটির ননদ থাকে ৩ তালায় মেয়েটি চার তালায় তো এই নিয়ে ৪ বার এর বেশি তার ননদ তার সাথে কথা বলা বন্ধ করেছে এমনকি সে গর্ভবতী থাকাকালীন সময়ে অনেক অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও তাকে কোনদিন দেখতে আসেনি,এখন কথা বলেনা মেয়েটির ছেলে অনেকদিন অসুস্থ ছিল তাও কোনদিন দেখতে আসেনি,ননদ,আর তার স্বামী হাজার অন্যায় করলেও দোষ নেই কোনো উল্টা শোনা লাগে যে তাদের মেয়েকে দেখেনা নাকি ছেলে,বউমা।
আবার বউমা বাসায় থাকে তাই সবাই কথা শোনায় কিন্তু ননদকে কেউ কিছু বলে না।
এখন মেয়েটিকে যদি কেউ কথা শোনায় তাহলে সেকি বলতে পারবে যে ননদ দেখতে আসেনা আর ননদওতো থাকে বাসায় তাকে কেউ কিচু বলেন না। এগুলো বলে কি মেয়েটি প্রতিবাদ করতে পারবে?

Answer

উত্তর (ফতোয়া নং: 5482)

بسم الله الرحمن الرحيم الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على أشرف الأنبياء والمرسلين، محمد وعلى آله وصحبه أجمعين، أما بعد:

ভূমিকা

প্রশ্নটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত। যথাক্রমে ফোন ব্যবহার, ছবি দেখা, অনিচ্ছাকৃত মিউজিক শোনা, এবং পারিবারিক বিরোধ ও প্রতিবাদের শরয়ী বিধান নিয়ে আলোচনা করা হবে। প্রতিটি বিষয়ে কুরআন, হাদীস ও হানাফী ফিকহের কিতাবের আলোকে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে।


১. ফোনে ফেসবুক/ইউটিউব স্ক্রল করার সময় ছবির উপর চোখ পড়লে কি গুনাহ হবে?

উত্তর: প্রথমেই জেনে রাখা আবশ্যক যে, ফেসবুক, ইউটিউব বা অনুরূপ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে সময় ব্যয় করা সাধারণত অপচয় ও গাফলতির কারণ। তবে প্রশ্নে উল্লেখিত অবস্থা অর্থাৎ অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো ছবির উপর চোখ পড়া এবং সাথে সাথে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেওয়া — এতে গুনাহ হবে না।

দলিল: আল্লাহ তা'আলা বলেন:

قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ۚ ذَٰلِكَ أَزْكَىٰ لَهُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ "মুমিনদেরকে বলুন, তারা তাদের দৃষ্টি সংযত রাখবে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে। এটাই তাদের জন্য অধিক পবিত্র। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে সম্যক অবগত।" (সূরা আন-নূর: ৩০)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

يَا عَلِيُّ، لَا تُتْبِعِ النَّظْرَةَ النَّظْرَةَ، فَإِنَّ لَكَ الْأُولَى وَلَيْسَتْ لَكَ الْآخِرَةُ "হে আলী! প্রথম দৃষ্টির পর দ্বিতীয় দৃষ্টি দিও না। কারণ প্রথম দৃষ্টি তোমার জন্য (ক্ষমাযোগ্য), কিন্তু দ্বিতীয়টি তোমার জন্য নয়।" (সুনানে আবু দাউদ: ২১৪৯, সুনানে তিরমিযী: ২৭৭৭)

হানাফী ফিকহের বিধান: ইমাম বদরুদ্দীন আইনী রহ. 'আল-বিনায়া' গ্রন্থে উল্লেখ করেন:

وَالنَّظْرَةُ الْأُولَى إِذَا وَقَعَتْ بِغَيْرِ اخْتِيَارٍ لَا تُؤَاخَذُ، لِأَنَّهَا لَيْسَتْ مِنْ فِعْلِهِ "প্রথম দৃষ্টি যখন অনিচ্ছাকৃতভাবে পড়ে, তখন তা গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ তা তার নিজের فعل নয়।" (আল-বিনায়া: ৫/২২৪)

ইমাম ইবনে আবিদীন শামী রহ. 'রাদ্দুল মুহতার'-এ বলেন:

وَالْحَرَامُ هُوَ النَّظَرُ إِلَى مَا لَا يَحِلُّ مَعَ الْقَصْدِ وَالِاسْتِمْرَارِ، أَمَّا النَّظْرَةُ الْعَارِضَةُ فَلَا إِثْمَ فِيهَا "হারাম হলো সেই দৃষ্টি যা ইচ্ছাকৃতভাবে এবং স্থায়ীভাবে কোনো নাজায়েয বস্তুর দিকে নিক্ষেপ করা হয়। আর আকস্মিক দৃষ্টিতে কোনো গুনাহ নেই।" (রাদ্দুল মুহতার: ৫/২৩৭)

সারসংক্ষেপ: অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টি পড়লে গুনাহ নেই, তবে সাথে সাথে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেওয়া ওয়াজিব। যদি ইচ্ছাকৃতভাবে বারবার দেখা হয় বা দৃষ্টি স্থির রাখা হয়, তাহলে গুনাহ হবে।


২. অনিচ্ছাকৃত মিউজিক কানে চলে আসলে কি গুনাহ হবে?

উত্তর: মিউজিক বা গান-বাজনা ইসলামে নাজায়েয। তবে অনিচ্ছাকৃতভাবে কানে পৌঁছালে গুনাহ হবে না, যদি না ইচ্ছাকৃতভাবে শোনা হয় বা শোনার জন্য কান পেতে রাখা হয়।

দলিল: আল্লাহ তা'আলা বলেন:

وَمِنَ النَّاسِ مَن يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَن سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ "আর মানুষের মধ্যে কেউ কেউ আছে যারা আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করার জন্য অজ্ঞতাবশতঃ অর্থহীন কথাবার্তা (গান-বাজনা) ক্রয় করে।" (সূরা লুকমান: ৬)

ইমাম ইবনে আবিদীন শামী রহ. বলেন:

وَالسَّمَاعُ إِنْ كَانَ بِغَيْرِ اخْتِيَارٍ لَا يُؤَاخَذُ بِهِ، كَمَا لَوْ مَرَّ بِمَجْلِسِ لَهْوٍ فَسَمِعَ "যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে শ্রবণ হয়, তবে তার জন্য পাকড়াও করা হবে না; যেমন কেউ কোনো গানের আসরের পাশ দিয়ে গেলে এবং শুনে ফেললে।" (রাদ্দুল মুহতার: ৬/৩৪৮)

সারসংক্ষেপ: অনিচ্ছাকৃতভাবে মিউজিক কানে আসলে গুনাহ নেই, তবে ইচ্ছাকৃতভাবে শোনা বা উপভোগ করা হারাম।


৩. শশুরবাড়ি থেকে বিনা অপরাধে কথা শোনালে মেয়েটি কি প্রতিবাদ করতে পারবে?

উত্তর: ইসলামে কারো উপর অন্যায়ভাবে কথা বলা বা জুলুম করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদি শশুরবাড়ির কেউ (ননদ, শাশুড়ি, স্বামী) বিনা অপরাধে মেয়েটিকে গালি দেয়, অপমান করে বা অন্যায়ভাবে কথা শোনায়, তাহলে মেয়েটির জন্য শরয়ী সীমার মধ্যে প্রতিবাদ করা জায়েয

দলিল: আল্লাহ তা'আলা বলেন:

وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَىٰ "কোনো বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না।" (সূরা আল-আনআম: ১৬৪)

إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالْإِحْسَانِ "নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচার ও সদাচরণের আদেশ দেন।" (সূরা আন-নাহল: ৯০)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

انْصُرْ أَخَاكَ ظَالِمًا أَوْ مَظْلُومًا "তোমার ভাইকে সাহায্য কর, সে জালিম হোক বা মাজলুম হোক।" (সহীহ বুখারী: ২৪৪৪)

হানাফী ফিকহের বিধান: ইমাম ইবনে আবিদীন শামী রহ. 'রাদ্দুল মুহতার'-এ উল্লেখ করেন:

وَلِلْمَظْلُومِ أَنْ يَدْفَعَ عَنْ نَفْسِهِ وَيَتَكَلَّمَ بِمَا يَرْفَعُ الظُّلْمَ عَنْهُ، وَلَا يَتَجَاوَزُ الْحَدَّ "মাজলুমের জন্য নিজের থেকে জুলুম প্রতিহত করা এবং তা দূর করার জন্য কথা বলা জায়েয, তবে সীমা অতিক্রম করা যাবে না।" (রাদ্দুল মুহতার: ৫/৩৫০)

সারসংক্ষেপ: মেয়েটি শরয়ী সীমার মধ্যে থেকে প্রতিবাদ করতে পারবে, যেমন: "আমাকে বিনা অপরাধে কথা শোনানো ঠিক নয়" বা "আমার প্রতি ইনসাফ করুন"। তবে গালি দেওয়া, অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করা বা প্রতিশোধমূলক আচরণ করা জায়েয নয়।


৪. ননদের বিরুদ্ধে মেয়েটির প্রতিবাদ: "ননদ দেখতে আসে না, তাকে কেউ কিছু বলে না" — এভাবে বলা কি জায়েয?

উত্তর: প্রশ্নে উল্লেখিত অবস্থা হলো: ননদ ৩ তালায়, মেয়েটি ৪ তালায়। ননদ ৪ বার এর বেশি কথা বলা বন্ধ করেছে, গর্ভাবস্থায় ও সন্তানের অসুস্থতায় দেখতে আসেনি। অথচ ননদ ও তার স্বামী হাজার অন্যায় করলেও তাদের দোষ নেই; বরং উল্টো মেয়েটিকে শোনানো হয়। বউমা বাসায় থাকায় সবাই তাকে কথা শোনায়, কিন্তু ননদকে কেউ কিছু বলে না।

এমতাবস্থায় মেয়েটির জন্য করণীয়:

১. সরাসরি প্রতিবাদ করা: মেয়েটি শরয়ী সীমার মধ্যে থেকে বলতে পারবে যে, "আমার প্রতি যে আচরণ করা হচ্ছে তা ইনসাফের পরিপন্থী। ননদও তো বাসায় থাকে, তাকে কেন কিছু বলা হয় না?" — এভাবে বলা জায়েয, কারণ এটি জুলুমের প্রতিবাদ।

২. অভিযোগ না করা: তবে ননদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো, গীবত করা বা অপ্রমাণিত অভিযোগ করা জায়েয নয়। আল্লাহ বলেন:

وَلَا يَغْتَب بَّعْضُكُم بَعْضًا "তোমরা একে অপরের গীবত করো না।" (সূরা আল-হুজুরাত: ১২)

৩. ধৈর্য ধারণ করা: যদি প্রতিবাদ করলে পরিবারে আরও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, তাহলে ধৈর্য ধারণ করা উত্তম। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

عَجَبًا لِأَمْرِ الْمُؤْمِنِ، إِنَّ أَمْرَهُ كُلَّهُ خَيْرٌ "মুমিনের কাজ আশ্চর্যজনক, তার সব কাজই কল্যাণকর।" (সহীহ মুসলিম: ২৯৯৯)

৪. স্বামীর মাধ্যমে সমাধান: মেয়েটি সরাসরি ননদের সাথে ঝগড়া না করে স্বামীকে বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করবে। কারণ আল্লাহ বলেন:

وَأَمْرُهُمْ شُورَىٰ بَيْنَهُمْ "আর তাদের কাজ পরস্পর পরামর্শের ভিত্তিতে।" (সূরা আশ-শূরা: ৩৮)

৫. বিচারকের কাছে অভিযোগ: যদি জুলুম সীমা ছাড়িয়ে যায় এবং পরিবারে সমাধান না হয়, তাহলে শরয়ী বিচারকের কাছে অভিযোগ করা জায়েয।

হানাফী ফিকহের বিধান: ইমাম ইবনে আবিদীন শামী রহ. বলেন:

وَلِلْمَظْلُومِ أَنْ يَشْكُوَ إِلَى الْقَاضِي إِذَا لَمْ يُمْكِنْ دَفْعُ الظُّلْمِ بِغَيْرِهِ "মাজলুমের জন্য বিচারকের কাছে অভিযোগ করা জায়েয, যখন অন্য উপায়ে জুলুম প্রতিহত করা সম্ভব না হয়।" (রাদ্দুল মুহতার: ৫/৩৫১)

সারসংক্ষেপ: মেয়েটি বলতে পারবে যে, "ননদও বাসায় থাকে, তাকে কেউ কিছু বলে না, অথচ আমাকে বিনা অপরাধে শোনানো হয় — এটি ইনসাফ নয়।" তবে গালি, গীবত বা অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করা যাবে না। উত্তম হলো ধৈর্য ধারণ করা এবং স্বামীর মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা।


৫. পারিবারিক বিরোধে ইসলামের নির্দেশনা

১. ইনসাফ বজায় রাখা: পরিবারের সব সদস্যের প্রতি সমান আচরণ করা আবশ্যক। আল্লাহ বলেন:

وَإِذَا حَكَمْتُم بَيْنَ النَّاسِ أَن تَحْكُمُوا بِالْعَدْلِ "আর যখন মানুষের মধ্যে বিচার করবে, তখন ন্যায়বিচার করবে।" (সূরা আন-নিসা: ৫৮)

২. গীবত ও কুৎসা থেকে বিরত থাকা: ননদের বিরুদ্ধে অপ্রমাণিত অভিযোগ করা বা তার নামে কুৎসা রটানো হারাম।

৩. ধৈর্য ও ক্ষমা: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

مَا نَقَصَتْ صَدَقَةٌ مِنْ مَالٍ، وَمَا زَادَ اللَّهُ عَبْدًا بِعَفْوٍ إِلَّا عِزًّا "দান করলে সম্পদ কমে না, আর ক্ষমা করলে আল্লাহ বান্দার সম্মান বাড়িয়ে দেন।" (সহীহ মুসলিম: ২৫৮৮)

৪. পরিবারের বড়দের মাধ্যমে সমাধান: যদি সরাসরি সমাধান না হয়, তাহলে পরিবারের সম্মানিত বড়দের মাধ্যমে সালিশ করানো উচিত।


চূড়ান্ত উত্তর

| প্রশ্ন | উত্তর | |--------|--------| | অনিচ্ছাকৃত ছবির উপর চোখ পড়লে গুনাহ? | না, তবে সাথে সাথে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিতে হবে। ইচ্ছাকৃতভাবে দেখলে গুনাহ। | | অনিচ্ছাকৃত মিউজিক কানে আসলে গুনাহ? | না, তবে ইচ্ছাকৃতভাবে শোনা হারাম। | | বিনা অপরাধে কথা শোনালে প্রতিবাদ করা যাবে? | হ্যাঁ, শরয়ী সীমার মধ্যে প্রতিবাদ করা জায়েয। | | "ননদ দেখতে আসে না, তাকে কেউ কিছু বলে না" — এভাবে বলা যাবে? | হ্যাঁ, ইনসাফের দাবিতে বলা যাবে, তবে গালি/গীবত করা যাবে না। | | উত্তম পন্থা কী? | ধৈর্য, স্বামীর মাধ্যমে সমাধান, প্রয়োজনে বিচারকের কাছে অভিযোগ। |

মনে রাখবেন: পারিবারিক শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ। প্রতিবাদ করার অধিকার থাকলেও তা যেন আরও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

والله أعلم بالصواب والسلام عليكم ورحمة الله وبركاته


📌 সংক্ষিপ্ত সারাংশ (বাংলা)

  • অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টি ও শ্রবণে গুনাহ নেই, তবে ইচ্ছাকৃত হলে গুনাহ।
  • বিনা অপরাধে কথা শোনালে শরয়ী সীমার মধ্যে প্রতিবাদ করা জায়েয।
  • ননদের বিরুদ্ধে ইনসাফের দাবি করা যাবে, কিন্তু গালি/গীবত নয়।
  • উত্তম হলো ধৈর্য ধারণ ও স্বামীর মাধ্যমে সমাধান।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.