তালাকের ওয়াসওয়াসা
Marriage and Divorce · Hanafi
Question
প্রিয় হুজুর হুজুর আমার কিছু প্রশ্ন আমি নিচে করছি
প্রথম প্রশ্ন
আমি বিগত দিনে আমার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে এমন শর্ত যুক্ত তালাক দিয়েছে কি মনে করতে পারছি না বা নিশ্চিত হতে পারছি না এখন সন্দেহ হয়ে গেছে সেটার উপরে শর্ত এমন যে আমি কোন লেখা সঠিক ভাবে না পড়তে পারলে বা বলতে পারলে আমার স্ত্রীর উপর তালাক পতিত হবে। এটি কোন আরবী লেখাকে উদ্দেশ্য করে বা ইংরেজি লেখা উদ্দেশ্য করে বা বাংলা লেখা আছে উদ্দেশ্য করে বলেছে কি আমি মনে করতে পারছি না বা কোন একটা লেখার উপরে শুধুমাত্র সেই দিনের জন্য এমন শর্ত রেখেছি কি মনে করতে পারছি না বা সেটি মুখ দিয়ে উচ্চারণ করেছে কি এখন মোটামুটি সেটার উপরে সন্দেহ হয়ে গেছে যে এরকম কোন সত্য আমি দেখেছি এখন আমি তার জন্য কি করতে পারি। আমি কিছুতেই নিশ্চিত হতে পারছি না যে আমি এমন কিছু রেখেছি কি বা যদিও রেখে থাকি এখন আমি নিষেধ হতে পারছি না তার উপরে সন্দেহ এসে গেছে। তো সত্যটা কি পতিত হবে।
দ্বিতীয় প্রশ্ন
হুজুর আমি বিগত দিনে আমার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে এমন শর্ত যুক্ত তালাক দিয়েছি যে ফেসবুক ওপেন করলে প্রথম পেজটা এলে কোন আরবি লেখা এলে সেটা যদি না পড়ি তাহলে আমার স্ত্রী তালাক হবে। কিন্তু হুজুর এখানে একটা ভাবনা এসেছে যে এমন আরবি লেখা এসেছে যে লেখা আমি পড়তে পারি না এমন ভাবে আরবি লেখাটা এসেছে অর্থাৎ আমি কোরআনে যেরকম আরবি লেখা পড়ি এরকম লাইন বা লাইন স্পষ্ট এলে তবে পড়বো এমনটা আমার আসলে উদ্দেশ্য এবং যদি অন্যরকম ভাবে লেখাটা আসে কিছুটা ডিফারেন্ট হরকভাবে আসে, যেটা আমি কোনদিন পড়িনি বা ওটা আমার পক্ষে করা সম্ভব নয়। তবু আমি চেষ্টা করেছি পড়তে পারিনি তো এতে কি কোন তালাক হবে? আমি তো ইচ্ছা করে পড়িনি এমনটা নয় পড়ার চেষ্টা করেছি বাট আমি যেরকম হারবি হরফ করি, সেরকম আরবি হরফ সেটা আসেনি সেটা একটু অন্যরকম যেটা আমার পক্ষে পড়তে পারা সম্ভব না। বা আমি কোনদিনও এরকম করতে পারব না হয়তো সেগুলো পড়তে পারে কিন্তু ওরকম আমি শেখেনি। তো এতে কি কোন তালাক হবে? আমি তো ইচ্ছা করে পরিনি এমনটা নয় আমি পড়ার চেষ্টা করেছি বাট সেটা পড়তে পারেনি কারণ সেটা আমার পক্ষে পড়তে পারা সম্ভব নয় তুই দেখি কোন তালাক হবে? আমি তো আর ইচ্ছা করে পড়িনি এমন নয়। কিন্তু সত্য রাখার সময় হয়তো আমি এটা বলিনি। যে আমি ইচ্ছা করে যদি না করি বা না করতে পারি এমন আসবে লেখা আছে তাহলে তার সেটা সত্যের মধ্যে আসবে না আমি শুধু তখন এত টাকা বলেছিলাম যে আরবি লেখা এলে এবং আমি যদি সেটা না পড়ি তাহলে আমার স্ত্রী তালাক হবে কিন্তু এটার মানে তো এটাই যে এমন লেখা আসবে সেটা আমি পড়তে পারব। আমি পড়তে পারব না এমন লেখা এলে তো আর হবে না তো দয়া করে একটু আমাকে সাজেশন দেন।
তৃতীয় প্রশ্ন
আমি বিগত দিনে আমার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য এমন শর্ত যুক্ত দিয়েছি কি আমি নিশ্চিত নাচে আমি তখন উচ্চারণ করে বলেছি কি তো সত্যটা এমন ছিল যে ফেসবুকে আরবি লেখা এলে সেটি পড়ব। তো এরপর থেকে আমি সেখানে আসবে লেখা দেখি পরী। এটা আমার আসল উদ্দেশ্য ছিল কি আমি জানিনা আমার সম্ভবত ছিল শুধুমাত্র ফেসবুকে দেখলে পর্ব কিন্তু এরপর থেকে সন্দেহ হয় এবং যে জায়গায় আরবি লেখা দেখি সে জায়গায় পড়ি আমার জানার বিষয় এটা যে আমি বুঝতে না পেরে পরে এটাকে বলি যে যেখানে আরবি লেখা থেকে পড়বো কিন্তু এমন কিছু বিষয় উপরে যে একসঙ্গে হয়তো কিছু মেয়ে যাচ্ছে তাদের নিকাপে আরবি লেখা আছে সবার জন্য পড়তে হবে এমন নয় একজনের জন্য করে দিলে হবে তো এটা আমি বুঝতে না পেরে বলেছি যে সব জায়গায় আরবি লেখা দেখলে পড়তে হবে কি সুন্দর কারণে আমি বলেছি নতুন করে সত্য রাখার কারণে বলিনি তো আমি এখন এটা ভাবছি যে আমি যদি শুধু মোবাইলের ক্ষেত্রে বলেছি সব জায়গায় আরবি লেখা দেখলে বলতে হবে এমনটা তো আমার উদ্দেশ্য ছিল না তাহলে আমি ওই যে বলেছি যে কিছু নিয়ে যাচ্ছে তাদের নেকাপে আরবি লেখা আছে একজনের জন্য বলব বা কোন দেয়ালে অনেক কোনো আরবি লেখা আছে শুধু একবারই পড়বো। এমন সত্যটা তোমার রাখার উদ্দেশ্য ছিল না সন্ধ্যার কারণে পড়ি। কিন্তু পরে এটা কি আমি ওই সত্যযুক্ত তালের সঙ্গে জুড়েছি, এটা নতুন করে শত দেয়ার উদ্দেশ্যে বলিনি বরং বুঝতে না পেরে এটাকে বলেছি তো আমি এটাকে কি এখন বাদ দিতে পারি? এটা কি নতুন শর্ত হিসেবে গণ্য হয়েছে আমি তো বুঝতে না পেরে এটা বলেছি তো আমি এটা এখন বাদ দিতে চাই। এটা কি সম্ভব দয়া করে জানাবেন
চতুর্থ প্রশ্ন
আমি বসে বসে নিয়ে নিজেই ভাবছিলাম যে কেউ যেন আমাকে জিজ্ঞাসা করছে যে ফরিদ কেউ যদি তার স্ত্রীকে এমনি বাড়ি থেকে চলে যেতে বলে তালাকের উদ্দেশ্য করে তাহলে কি তালাক হবে আমি যেন তাকে উত্তর দিচ্ছি তো আমি এমন করে উত্তর দিয়েছিলাম সেই সময় তখন আমার জিও বা দাঁতের ঘষা লাগছিল কিন্তু আমি মুখ দিয়ে কোন শব্দ আসছিল না বা আমার কিছু বলারও উদ্দেশ্য ছিল না যেন আমি মনে মনেই তাকে উত্তরটা দিচ্ছি তো আমি মুক্ত কোন শব্দ করে উচ্চারণ করে কিছু বলিনি কিন্তু যখন তালাক যেন কথাটা মনে মনে বলছিলাম। সেই সময়টা নোট ছিল মানে জব্বারটা আমি নিজে নিজেই আমার দাঁতের ঘষা দিচ্ছিল। এতে কি কোন তালাক হয়েছে না তো আমার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কোন উদ্দেশ্য ছিল না আমি মুখ দিয়ে কিছু উচ্চারণ করেছি দয়া করে জানাবেন।
Answer
তালাক সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর
উত্তর দেওয়ার পূর্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ নোট: আপনার প্রশ্নটি অত্যন্ত জটিল এবং ঘোলাটে। তালাক একটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। যেহেতু আপনি নিজেই নিশ্চিত নন যে আপনি কী বলেছেন বা কী শর্ত দিয়েছেন, তাই আমি সাধারণ নীতিমালা অনুযায়ী উত্তর দিচ্ছি। তবে আপনার উচিত একজন স্থানীয় মুফতি বা আলেমের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে বিস্তারিত পরিস্থিতি বর্ণনা করা, কারণ এখানে অনেক সূক্ষ্ম বিষয় জড়িত।
প্রথম প্রশ্নের উত্তর
আপনি বলেছেন যে আপনি নিশ্চিত নন যে আপনি তালাক দিয়েছেন কি না, বা কী শর্ত দিয়েছেন। ইসলামি ফিকহের নীতি হলো:
সন্দেহের ক্ষেত্রে মূল অবস্থা বহাল থাকবে। অর্থাৎ, যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি নিশ্চিত না হচ্ছেন যে তালাক পতিত হয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বিবাহ বহাল থাকবে। এটি ফিকহের একটি মৌলিক নীতি:
"اليقين لا يزول بالشك" (সন্দেহ দ্বারা নিশ্চিত বিষয় বাতিল হয় না)
[রাদ্দুল মুহতার, ১/১২৯; আল-আশবাহ ওয়ান-নাযাইর, ৪৫]
সুতরাং, যেহেতু আপনি নিশ্চিত নন যে আপনি তালাক দিয়েছেন বা শর্তযুক্ত তালাক দিয়েছেন, তাই তালাক পতিত হবে না এবং আপনার বিবাহ বহাল থাকবে। তবে আপনি যদি নিশ্চিত হন যে আপনি কোনো শর্তযুক্ত তালাক দিয়েছেন, তাহলে সেই শর্ত পূরণ হলে তালাক পতিত হবে কি না, তা নিয়ে নিচের উত্তরগুলো দেখুন।
দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর
আপনি বলেছেন যে আপনি শর্ত দিয়েছিলেন—ফেসবুকে আরবি লেখা এলে তা পড়তে হবে, না পড়লে স্ত্রী তালাক। কিন্তু যে আরবি লেখাটি এসেছে তা আপনি পড়তে পারেননি, কারণ সেটি আপনার পরিচিত আরবি লেখার ধরন থেকে ভিন্ন ছিল।
ফিকহের নীতি: শর্তযুক্ত তালাকের ক্ষেত্রে শর্তের উদ্দেশ্য (নিয়্যত) গুরুত্বপূর্ণ। ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে, শর্ত পূরণ হলে তালাক পতিত হবে। কিন্তু শর্তের ব্যাখ্যা নির্ভর করবে বক্তার নিয়্যত ও উদ্দেশ্যের উপর।
[আল-হিদায়া, ২/৩৯০; ফাতাওয়া আলমগীরি, ১/৩৭৩]
আপনি যদি বলেন যে আপনার উদ্দেশ্য ছিল শুধুমাত্র সেই আরবি লেখা পড়া যা আপনি পড়তে পারেন (যেমন কোরআনের আয়াত বা সাধারণ আরবি বাক্য), এবং যে লেখাটি এসেছে তা আপনার পক্ষে পড়া সম্ভব ছিল না, তাহলে সেক্ষেত্রে তালাক পতিত হবে না। কারণ শর্তটি ছিল "পড়তে পারলে" পড়বে, আর আপনি পড়তে পারেননি বলে শর্ত পূরণ হয়নি।
তবে মনে রাখবেন: শর্ত পূরণে অক্ষমতা (যেমন: লেখাটি এমন ছিল যা আপনি পড়তে পারেন না) তালাক রোধ করবে কি না, তা নিয়ে আলেমদের মতভেদ আছে। ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে, শর্ত পূরণ না হলে তালাক পতিত হবে না। কিন্তু যদি শর্ত পূরণে ইচ্ছাকৃতভাবে বিরত থাকে, তাহলে তালাক পতিত হবে।
[বাদায়েউস সানায়ি, ৩/১০২; রাদ্দুল মুহতার, ৩/২৭০]
আপনার ক্ষেত্রে, যেহেতু আপনি পড়ার চেষ্টা করেছেন কিন্তু পারেননি, তাই তালাক পতিত হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে আমরা বলতে পারি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য স্থানীয় মুফতির শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
তৃতীয় প্রশ্নের উত্তর
আপনি বলেছেন যে আপনি পরে বুঝতে পেরেছেন যে "সব জায়গায় আরবি লেখা পড়তে হবে" — এটি আপনার মূল উদ্দেশ্য ছিল না, কিন্তু আপনি তা বলে ফেলেছেন। এখন আপনি এটি বাদ দিতে চান।
ফিকহের নীতি: শর্তযুক্ত তালাকের ক্ষেত্রে, শর্তটি স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হলে তা কার্যকর হবে। কিন্তু বক্তার নিয়্যত ও উদ্দেশ্য বিবেচনায় নেওয়া হবে। ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে, শর্তের ব্যাখ্যায় বক্তার নিয়্যত প্রাধান্য পাবে।
[আল-মাবসুত, ৬/৮; ফাতাওয়া আলমগীরি, ১/৩৭৪]
আপনি যদি বলেন যে "সব জায়গায় আরবি লেখা পড়তে হবে" — এটি বলার সময় আপনার উদ্দেশ্য ছিল না, বরং আপনি ভুল বুঝে বা অন্য কারণে এমনটি বলেছেন, তাহলে আপনার নিয়্যত অনুযায়ী শর্তটি সীমিত হবে। অর্থাৎ, আপনি যদি মূলত শুধুমাত্র ফেসবুকের জন্য শর্তটি দিয়ে থাকেন, তাহলে অন্য জায়গার আরবি লেখা পড়া আপনার জন্য আবশ্যক হবে না।
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: শর্তযুক্ত তালাকের ক্ষেত্রে শর্তটি স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হলে তা কার্যকর হয়। আপনি যদি পরে বলেন যে "আমার উদ্দেশ্য ছিল না," তাহলে সেটি আপনার নিয়্যতের ভিত্তিতে বিবেচিত হবে। কিন্তু যদি আপনি নতুন করে কোনো শর্ত যোগ করেন বা পরিবর্তন করেন, তাহলে সেটি নতুন শর্ত হিসেবে গণ্য হবে।
[রাদ্দুল মুহতার, ৩/২৭২; ফাতাওয়া উসমানি, ২/৪৫০]
আপনার প্রশ্নের জবাবে: আপনি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে "সব জায়গায় আরবি লেখা পড়তে হবে" — এটি বলার সময় আপনার উদ্দেশ্য ছিল না, তাহলে এটি আপনার মূল শর্তের অন্তর্ভুক্ত হবে না। তবে আপনার উচিত স্থানীয় মুফতির কাছে বিষয়টি খুলে বলা।
চতুর্থ প্রশ্নের উত্তর
আপনি বলেছেন যে আপনি মনে মনে ভাবছিলেন যে কেউ আপনাকে তালাক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে, এবং আপনি মনে মনে উত্তর দিচ্ছিলেন। কিন্তু মুখ দিয়ে কোনো শব্দ উচ্চারণ করেননি।
ফিকহের নীতি: তালাক কার্যকর হওয়ার জন্য শব্দটি মুখে উচ্চারণ করা বা লিখিতভাবে প্রকাশ করা প্রয়োজন। শুধুমাত্র মনে মনে তালাকের নিয়ত করা বা চিন্তা করা তালাক কার্যকর করে না।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"إِنَّ اللَّهَ تَجَاوَزَ عَنْ أُمَّتِي مَا حَدَّثَتْ بِهِ أَنْفُسَهَا مَا لَمْ تَعْمَلْ أَوْ تَتَكَلَّمْ" "নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার উম্মতের মনে যা খেয়াল আসে তা ক্ষমা করে দেন, যতক্ষণ না সে তা কাজে পরিণত করে বা মুখে উচ্চারণ করে।"
[সহিহ বুখারি, ৫২৬৯; সহিহ মুসলিম, ১২৭]
সুতরাং, যেহেতু আপনি মুখে কিছু উচ্চারণ করেননি, শুধু মনে মনে ভেবেছেন, তাই তালাক পতিত হবে না। আপনার স্ত্রীর সাথে আপনার বিবাহ বহাল থাকবে।
[ফাতাওয়া আলমগীরি, ১/৩৭৫; রাদ্দুল মুহতার, ৩/২৪৫]
সংক্ষিপ্ত উত্তর
| প্রশ্ন | উত্তর | |--------|--------| | প্রথম প্রশ্ন | সন্দেহের কারণে তালাক পতিত হবে না | | দ্বিতীয় প্রশ্ন | আপনি পড়তে না পারলে তালাক পতিত হবে না (যদি আপনার উদ্দেশ্য সীমিত থাকে) | | তৃতীয় প্রশ্ন | আপনার নিয়্যত অনুযায়ী শর্ত সীমিত হবে, তবে স্থানীয় মুফতির পরামর্শ নিন | | চতুর্থ প্রশ্ন | মুখে উচ্চারণ না করায় তালাক পতিত হয়নি |
গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ
১. তালাক নিয়ে খেলা করবেন না। তালাক একটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"أَبْغَضُ الْحَلَالِ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى الطَّلَاقُ" "আল্লাহ তাআলার নিকট বৈধ বিষয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণিত হলো তালাক।"
[সুনানে আবু দাউদ, ২১৭৮; সুনানে ইবনে মাজাহ, ২০১৮]
২. ভবিষ্যতে এ ধরনের শর্তযুক্ত তালাক দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। শর্তযুক্ত তালাক দেওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ শর্ত পূরণ হলে তালাক পতিত হয়ে যায়।
৩. আপনার উচিত একজন স্থানীয় মুফতি বা আলেমের সাথে সরাসরি দেখা করা এবং সম্পূর্ণ পরিস্থিতি বিস্তারিত বর্ণনা করা। কারণ অনলাইনে এত জটিল বিষয়ে চূড়ান্ত ফতোয়া দেওয়া সম্ভব নয়।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে সঠিক পথে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।