প্রতিবেশী জুলুম করলে আমাদের করণীয় কি?
Family Life · Hanafi
Question
শ্রদ্ধেয় মুক্তি সাহেবগণ,
আমাদের বাসার সাথেই লাগানো বাসা আমাদের আক্তার চাচার। যনি আমার বাবার আপন চাচাতো ভাই হন।
তিনাদের সাথে আমাদের পারিবারিক দন্দের/কলহের সময়কাল দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছরের উপরে। তিনারা বিভিন্ন ভাবে আমাদের উপরে জুলুম করেন।
যেমন, আমাদের ঘরের জানালার পাশেই তারা গরুর গোবর রাখার স্তুপ করেছেন সেই প্রায় ১ যুগ আগে। আমার আব্বা যখন তিনাদের কে এটা সরাতে বলেন এবং বলেন যে এর দুর্গন্ধ আমাদের রুমে যাচ্ছে যেটা আমাদের জন্য কষ্টের কারণ হচ্ছে, তখন তিনারা ঝগড়ায় লিপ্ত হন আমার বাবার সাথে।
অনেকবার চেয়ারম্যান মেম্বার এর মাধ্যমে তাদেরকে জানানো হয়েছে এবং বসা হয়েছে কথা হয়েছে এবং তারা কথা দিয়েছিলো কিন্তু তারা সেটা আজ পর্যন্ত সরায়নি।
আমার বাবা এবং সেই চাচা একই অফিসে চাকরি করতেন সেটা ঠাকুরগাঁও জজ কোর্টে। সেখান থেকে জজ সাহেব কিছু লোককে পাঠিয়ে দেন এটা সমাধানের জন্য এবারও তারা প্রতিশ্রুতি দেন যে যেটা সরাবেন কিন্তু ৮-১০ বছর আগে হলেও আজও তারা সেটা সরায় নি।
সেই চাচার স্ত্রী রেহানা চাচি হলেন খুবই হিংসুক ও জুলুম ক্বারি। তিনার বক্তব্য হলো তিনি কোনো ভাবেই এই গোবরের স্তুপ সরাবেন না।
দিতীয়ত তিনাদের গাছ আমাদের ঘরের উপরে ডাল পালা ছড়িয়েছে। আমরা এসব কেটে দিতে বললে তারা কর্ণপাত করে না। তখন আমরা ইউনিয়ন পরিষদে বিচার দিলে সেখান থেকে চৌকিদার এসে সেগুলি কেটে দিলে সেই চাচা চাচি আবার ঝগড়া বাধিয়ে দেন। গালাগালি করেন। তখন আমার বাবাও ঝগড়ায় শরিক হন। তিনাদের কথা হল আমরা এই জায়গায় জমি আগে কিনেছি আগে বাড়ি করেছি সুতরাং তোমাদের টিনের উপরে যদি কোন কিছুর ক্ষতি হয় তাহলে তোমরা ঘর ভেঙে সরিয়ে নাও তাও আমরা গাছ কাটবো না।
কিছুদিন আগেই তাদের এক গাছের বড় ডাল আমাদের ঘরের উপর দিয়ে আমাদের জসিতে পড়ে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে তিনি হেফাজত করেছেন ঘড়ের উপরে ডাইরেক্ট পড়া থেকে।
তাদের সেই গাছের পাতা নিয়মিত আমাদের টিনের উপরে পড়ে জমাট লেগে যাওয়ার কারণে বৃষ্টির পানি ঠিক মতো নামতে না পারায় পানি ওভার ফ্লো হয়ে আমাদের বারান্দায় পড়তে থাকে। যেটা আমাদের জন্য কষ্টকর।
তাদের গাছে যখন জাম ধরে তখন আমাদের টিনের উপরে পরে ঠাস ঠাস শব্দ হয় সেটা আমাদের ঘুমের মধ্যে ব্যাঘাত ঘটায়।
এবং দুজনের বাড়ির সীমানা যেহেতু কাছাকাছি তারা সীমানার মধ্যেই তাদের ঘরুর ঘরের প্রসাবের কোনো লাইন তৈরী করেনি। যেটা পরিবেশের জন্য বা প্রতিবেশীর জন্য সুবিধার কারণ হয়। বরং তাদের গরুর প্রসাব সেখানে জমা হয়ে থাকে আর দুর্গন্ধ ছড়ায়। এর কারণে আমরা আমাদের অন্য এক রুমের জানালা পর্যন্ত করতে পারিনা এই দুর্গন্ধের কারণে।
এই সমস্ত জুলুমগুলি হয়ে আসতেছে গত ৩০ বছর যাবত! তো এখন এমতাবস্থায় আমরা কি করতে পারি?
যখন তাদেরকে ভালো ভাবে এই জুলুম বন্ধ করতে বলি তখন তারা ঝগড়া শুরু করে দেয় তখন আমার বাবা-মাও ঝগড়ায় শরীক হয়ে যেতেন। যদিও আমি সব সময় তাদের ঝগড়া থেকে দূরে থাকতে বলি।
আমার আম্মাজান ইন্তেকাল করেছেন গত দুই বছর আগে আম্মার ইন্তেকালের দিন আমি তাদের কাছ থেকে আম্মার পক্ষ হয়ে ক্ষমা চেয়ে আসি। এখন আমার বাবা জীবিত আছেন এবং বাবা এই জুলুমগুলির বিষয়ে অনেক কষ্টে থাকেন। আমি ভবিষ্যতের সব সমস্ত ঝগড়া এড়ানোর জন্য আমি বলি আপনি ধৈর্য ধরেন আমরা কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে এই বিচার পেশ করবো এবং আমি তাদেরকে যতদূর সম্ভব বুঝাবো তারা যেন এই জুলুম বন্ধ করেন।
আমি একজন তালিবুল ইলম। আমার মন মাঝে মাঝে মন চায় তাদেরকে গিয়ে ইসলামের দাওয়াত দেই এবং প্রতিবেশীর হক সম্পর্কে আল্লাহ রাসুলের হাদিস তাদেরকে মনে করিয়ে দিই। কিন্তু মনে অনেক কষ্ট জাগে এবং মনে হয় আল্লাহর রাসুল যে বলেছেন طلب العلم فريضه على كل مسلم
এটা কি তাদের উপর বর্তায় না? তাদের কি এটা বোধ হয় না যে আল্লাহর রাসূল প্রতিবেশীদের সম্পর্কে কি বলেছেন? বা কি করা উচিৎ?
আমি আপনাদের কাছ থেকে জানতে চাই এমতাবস্থায় উপরিরুক্ত বর্ণনা মতে আমরা কি করতে পারি আমাদের কি করার আছে? এমন জঘন্য জুলুমের জন্য কোনআন হাদিসের আলোকে কি করতে পারি?
দয়া করে জানাবেন প্লিজ।
Answer
بسم الله الرحمن الرحيم
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
প্রিয় ভাই, আপনার দীর্ঘ ৩০ বছরের জুলুমের কাহিনী পাঠে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। আপনি একজন তালিবুল ইলম হিসেবে ধৈর্য ও হিকমতের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলার চেষ্টা করছেন—এটি সত্যিই প্রশংসনীয়। নিচে কুরআন-হাদীস ও হানাফী ফিকহের আলোকে বিস্তারিত উত্তর প্রদান করছি।
📖 কুরআন ও হাদীসে প্রতিবেশীর হক
আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا ۖ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا وَبِذِي الْقُرْبَىٰ وَالْيَتَامَىٰ وَالْمَسَاكِينِ وَالْجَارِ ذِي الْقُرْبَىٰ وَالْجَارِ الْجُنُبِ وَالصَّاحِبِ بِالْجَنْبِ (سورة النساء: ٣٦)
"আর তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করো না। পিতা-মাতার প্রতি, নিকট আত্মীয়-স্বজনের প্রতি, এতিম-মিসকিনের প্রতি, নিকট প্রতিবেশী ও দূর প্রতিবেশীর প্রতি এবং সঙ্গীর প্রতি..." (সূরা নিসা: ৩৬)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَا زَالَ جِبْرِيلُ يُوصِينِي بِالْجَارِ حَتَّى ظَنَنْتُ أَنَّهُ سَيُوَرِّثُهُ (رواه البخاري ومسلم)
"জিবরীল (আ.) আমাকে প্রতিবেশী সম্পর্কে এত বেশি অসিয়ত করতেন যে, আমি ধারণা করেছিলাম, তিনি হয়তো প্রতিবেশীকে (মীরাসে) ওয়ারিস বানিয়ে দেবেন।" (বুখারী, মুসলিম)
অন্য হাদীসে এসেছে:
وَاللَّهِ لَا يُؤْمِنُ، وَاللَّهِ لَا يُؤْمِنُ، وَاللَّهِ لَا يُؤْمِنُ قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنْ؟ قَالَ: الَّذِي لَا يَأْمَنُ جَارُهُ بَوَائِقَهُ (رواه البخاري)
"আল্লাহর কসম! সে মুমিন নয়, আল্লাহর কসম! সে মুমিন নয়, আল্লাহর কসম! সে মুমিন নয়।" জিজ্ঞাসা করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! কে? তিনি বললেন: যে ব্যক্তি তার প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ নয়। (বুখারী)
📜 হানাফী ফিকহের নির্দেশনা
১. জানালা বন্ধ করে দেওয়া ও দুর্গন্ধ সৃষ্টি করা
হানাফী ফিকহের প্রসিদ্ধ গ্রন্থ রদ্দুল মুহতার (الدر المختار ورد المحتار)-এ বলা হয়েছে:
"إِذَا فَعَلَ فِي مِلْكِهِ مَا يَتَضَرَّرُ بِهِ الْجَارُ ضَرَرًا فَاحِشًا يُضَيِّقُ عَلَيْهِ فِي مَنْزِلِهِ، كَخَلَاءٍ بِلَا سِتْرٍ يُدْخِلُ شُعَاعَ الشَّمْسِ أَوْ نَظَرَ الْعُيُونِ إِلَى حَرِيمِهِ، وَيُدْخِلُ الرَّوَائِحَ الْكَرِيهَةَ، فَعَلَى ذَلِكَ يُضْمَنُ وَيُجْبَرُ عَلَى إِزَالَتِهِ"
"যদি কেউ নিজের জমিতে এমন কিছু করে যার ফলে প্রতিবেশীর ক্ষতি হয়—যেমন দুর্গন্ধ প্রবেশ করে বা সূর্যের আলো বাধাগ্রস্ত হয়—তবে তা ক্ষতিকর বলে গণ্য হবে। সে এর জন্য দায়ী হবে এবং তা অপসারণে বাধ্য করা হবে।"
ইমদাদুল ফাতাওয়া (৫/৪১৩)-এ আছেঃ
"গোবর বা আবর্জনা এমন স্থানে রাখা যার দুর্গন্ধে প্রতিবেশী কষ্ট পায়, তা জুলুম। শরীয়ত তা অপসারণের নির্দেশ দেয়।"
২. গাছের ডাল প্রতিবেশীর ঘরে ঢোকা
ফাতাওয়া হিন্দিয়া (৫/৩৬১)-এ উল্লেখ আছে:
"إذا كان غصن شجرة الجار يضر بالجار في جداره أو يتعدى إلى ملكه، فله قطعه، وإن لم يقطعه الجار، فللمتضرر أن يقطعه"
"যদি প্রতিবেশীর গাছের ডাল অন্য প্রতিবেশীর দেয়াল বা সম্পত্তির ক্ষতি করে, তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি তা কেটে ফেলতে পারে। আর প্রতিবেশী যদি নিজে না কাটে, তবে আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেই তা কাটতে পারে।"
রদ্দুল মুহতার (৫/২৩১)-এ আছেঃ
"الضرر يزال" — "ক্ষতি দূর করতে হবে।"
৩. পানি নিষ্কাশন ও প্রস্রাবের ব্যবস্থা
হানাফী ফিকহে পানির গড়ানো বা বর্জ্যের গন্ধে প্রতিবেশীর ক্ষতি করলে তা নাজায়েয ও জুলুম বলে গণ্য হবে।
لا ضرر ولا ضرار (حديث صحيح، رواه ابن ماجه)
"কোনো ক্ষতি করা যাবে না এবং ক্ষতির প্রতিশোধও ক্ষতি দিয়ে নেওয়া যাবে না।"
✅ আপনার করণীয় (প্র্যাকটিক্যাল সলিউশন)
ক) ধৈর্য ও দাওয়াতের ধারা অব্যাহত রাখা
আপনি যেমন ইতোমধ্যে ধৈর্য ধরে নসীহত করছেন, তা চালিয়ে যান। রাসূল ﷺ বলেছেন:
الدِّينُ النَّصِيحَةُ (رواه مسلم)
"দ্বীন হলো কল্যাণকামিতা।"
তবে আশা না পেলে নিরাশ হবেন না। তাদের জন্য দুআ করুন।
খ) স্থানীয় ইসলামী পরিষদ / সালিশি কমিটি
আপনার বর্ণনা অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদ ও জজ সাহেবও মীমাংসার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তারা প্রতিশ্রুতি দিলেও সরাননি। এমতাবস্থায় একজন গুরুত্বপূর্ণ নিরপেক্ষ আলেম বা মসজিদ কমিটি গঠন করে বিষয়টির নিষ্পত্তির চেষ্টা করুন। যদি তারা না মানে, তাহলে তাদেরকে আলেম বা গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে শরয়ী দায়িত্বের কথা বলুন।
গ) আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ (যদি প্রয়োজন হয়)
ইসলামী শরীয়ত জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিকার চায়। আপনি পারেন—
- স্থানীয় ভূমি অফিস / পৌরসভা / গণপূর্তে অভিযোগ দাখিল করতে। বিশেষ করে গোবর ও বর্জ্য পরিবেশ দূষণের কারণ হলে আইনত তাদের সরাতে বাধ্য করা যাবে।
- আদালতের দ্বারস্থ হওয়া। হানাফী ফিকহে জুলুমের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া জায়েজ। তবে যদি বাবা বা আপনি মামলা করতে অনিচ্ছুক হন, তবে আদালতের মাধ্যমেই সমাধান নিন।
মুফতী মুহাম্মাদ শফী (রহ.) বলেছেন:
"যদি সরল পথে প্রতিবেশীকে বোঝানো না যায় এবং সে জুলুম বন্ধ না করে, তবে মামলা করা বৈধ। তবে সর্বদা শান্তিপূর্ণ সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।"
ঘ) গাছের ডাল কেটে ফেলা (আপনার অধিকার)
হানাফী ফিকহ অনুযায়ী, প্রতিবেশীর গাছের ডাল যদি আপনার ঘরের ক্ষতি করে, তবে আপনি নিজে তা কেটে ফেলতে পারেন। তবে উত্তম হলো আগে বলবেন, তারপর কাটবেন। কিন্তু এক্ষেত্রে তারা যেহেতু প্রতিবাদ করে, আপনি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে অনুমতি নিয়ে কেটে ফেলতে পারেন। এতে কোনো গুনাহ নেই।
ঙ) বর্জ্য / পায়খানা-প্রস্রাবের পাইপলাইন
প্রতিবেশী যদি নিজেদের পয়ঃপ্রণালী না তৈরি করে, তাহলে আপনি স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) কে জানাতে পারেন। এটি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। শরীয়তে জোর দিয়ে তা সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔹 আপনার প্রশ্ন: "طلب العلم فريضة" তাদের উপর বর্তায় কি?
জবাব: হ্যাঁ, প্রত্যেক মুসলিমের উপর ইলমে দীন অর্জন ফরয। কিন্তু তাদের কর্তব্য হলো প্রতিবেশীর অধিকার জানা। আপনি যদি তাদের নসীহত করেন, তবে সেটি আপনার ওপর ওয়াজিব পালন। যদি তারা না শোনে, তাহলে তাদের ইলমের অভাবে তারা নিজেরাই দায়ী হবে। তবে আপনার ধৈর্য ও দাওয়াতের সওয়াব আল্লাহর কাছে নিরর্থক হবে না।
💎 বিশেষ উপদেশ
১. আপনার বাবাকে ধৈর্য ও নম্রতার পরামর্শ দিন। ঝগড়ায় জড়ানো থেকে বিরত রাখুন। আপনার বাবা যাতে অযথা গালাগালিতে জড়িয়ে গুনাহ না করেন সেদিকে খেয়াল রাখুন।
২. সন্তানকে ধৈর্যের শিক্ষা দিন। আপনিও ছোট ভাই-বোনদেরকে নম্রভাবে শেখান।
৩. দুআ করুন তাদের হেদায়েতের জন্য এবং নিজেদের ধৈর্যের শক্তির জন্য।
৪. মনে রাখবেন, জুলুমের প্রতিকারে আপনি কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন এবং এতে কোনো গুনাহ নেই বরং নেকি হবে। কিন্তু হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করা থেকে বিরত থাকুন।
📚 তথ্যসূত্র (হানাফী কিতাব)
- রদ্দুল মুহতার (الدر المختار مع رد المحتار) – ইবনে আবিদীন
- ইমদাদুল ফাতাওয়া – মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.)
- ফাতাওয়া হিন্দিয়া (الفتاوى الهندية)
- ফাতাওয়া উসমানী – মুফতী তাকী উসমানী দামাত বারাকাতুহুম
- বাহেশ্তী জেওর – মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.)
- আল-হিদায়া (الهداية) – মুরগীনানী
- শরহু মাআনিল আসার (شرح معاني الآثار) – ইমাম তাহাবী
- মা’আরিফুল কুরআন – মুফতী মুহাম্মাদ শফী (রহ.)
📝 উপসংহার
আপনার পক্ষ থেকে উত্তম কাজ হলো:
- শরয়ী অধিকার ব্যবহার করে জুলুম বন্ধ করুন (গাছ কাটা, বর্জ্য অপসারণের আবেদন)।
- আদালত বা স্থানীয় প্রশাসনকে জানান (ইসলামী সালিশ ও আইনী ব্যবস্থা)।
- ধৈর্য ও দাওয়াত অব্যাহত রাখুন।
- আল্লাহর কাছে দুআ করুন তাদের হেদায়েত ও নিজেদের ধৈর্যের জন্য।
আল্লাহ তাআলা আপনার ধৈর্য ও দ্বীনের খেদমত কবুল করুন। আমীন।
وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِالصَّوَابِ