একাকীত্ব ও বিষণ্নতা থেকে বাঁচার আমল
Faith and Belief · Hanafi
Question
আমি প্রায় ৭-৮ বছর ধরে ইলম অর্জনের চেষ্টা করছি কিন্তু পারিনা। কিছুদিন হয়তো পারি তারপর আবার বাদ পড়ে তখন আগের আগ্রগতি হারিয়ে যায়, আবার শূন্য থেকে শুরু করি। এদিকে গত ১০-১২ বছর ধরে নারী সংক্রান্ত মানসিক সমস্যাতে আছি। যখন কলেজে উঠি তখন প্রেম করে ফেলি একটা, তখন আমি বুঝতাম না প্রেম কেন হারাম। আমার বিয়ে করার নিয়ত ছিল। হয়নি সেটা, ধোকা খেয়েছিলাম। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি কখনো কোন মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করা থেকে বিরত থাকতে পেরেছি। আমার আর কোনোদিন হারাম রিলেশন করার ইচ্ছা ছিল না। তাও ভুলে করে ফেলি ভার্সিটি লাইফে, এবার সেই মেয়েটাকে বিয়ে করব দ্রুত নিয়াত ছিল, তার দাদী-মা-বাবাও জেনেছিল কিন্তু আমার আর্থিক অবস্থা আর ক্যারিয়ার দেখে মেয়ে নিজেই পিছিয়ে গেল, কারণ সে ডেন্টিস্ট। আবারো কষ্ট পেলাম। আমি খুব চেষ্টা করি মেয়েদের সাথে মেসেজিং না করার। কিন্তু চারিদিকের এত চিন্তা প্রেশারে একাকীত্ব ঘিরে ধরে, তখন মেসেজ দিয়ে ফেলি। বিয়ের জন্য চেষ্টা করছি অনেকদিন যাবত৷ এখানে বারবারই হৃদয় ভেঙ্গে যাচ্ছে। প্রত্যেকটা বিয়ের কথা ১-২ মাস চলে তারপর আর আগায় না। এখনো আমার মা বাবার জন্য কিছু করতে পারিনাই, সন্তান হিসেবে ব্যর্থ আমি। তাদের শুধু টেনশনই দিই। পর্ণ - বদভ্যাস থেকে বর্তমানে কোন যুবকই নিরাপদ না। আমিও থাকতে পারিনি। সেই ১২-১৪ বছর ধরে৷ কতবার আল্লাহর কাছে ওয়াদা করেছি তাওবা করেছি আবার পাপে পড়েছি। না পেরেছি একজন ভাল বান্দা হতে, না পেরেছি একজন ভাল সন্তান হতে, পারিনি আখিরাত গোছাতেও, পারিনি দুনিয়াবি সফলতা পেতেও। আমার খুব ইচ্ছা আল্লাহর খুব প্রিয় কাছের বান্দা হওয়ার। পারিনা, বারবার ব্যর্থ হই। আমি জানি আমার রব আমার সব দোয়া শোনেন, উত্তরও করেন কিন্তু সেটা হয়তো পরেদিবেন, বা কোন বিপদ সরিয়ে দেন। আমার খুব কষ্ট হয়, চোখের সামনে নিজে শেষ হয়ে যাচ্ছি। না পারি মরতে, না পারি বাঁচতে।
সবরকম বিষয়েই বারবার হৃদয় ভাঙতে ভাঙতে আমি শেষপ্রায়। তাই আমি ভেবেছি আর বিয়েশাদির চিন্তা করব না, যৌবনের এক যুগ তো চলেই গেল যখন আমার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল। আর মানুষের সাথে মিশবো না, স্বল্পভাষী, শান্ত মেজাজের হওয়াতে সব মানুষই সুযোগ পেলে ঠকাই, কষ্ট দেয়। কিভাবে আমার হ্রদয় থেকে মানুষ, দুনিয়ার অন্যান্য সব আকাঙ্খা, বিয়ে সংক্রান্ত যাবতীয় ইচ্ছা দূর করবো?
আপনি যদি আমার লেখা পড়ে থাকেন এসব এলোমেলো লেখার জন্য আমাকে মাফ করবেন। আমি আসলে জানিনা আমি কি করব। প্রচন্ড কষ্ট হয়। ফরজ ইবাদাত, যিকির করার চেষ্টা করতেই থাকি।
Answer
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
প্রিয় ভাই! আপনার লেখা পড়ে আপনার মনের কষ্ট ও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব আমি পুরোপুরি বুঝতে পেরেছি। আপনি যে অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তা সত্যিই অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু জেনে রাখুন, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া কখনো উচিত নয়। আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَلَا تَا۟يْـَٔسُوا۟ مِن رَّوْحِ ٱللَّهِ ۖ إِنَّهُۥ لَا يَا۟يْـَٔسُ مِن رَّوْحِ ٱللَّهِ إِلَّا ٱلْقَوْمُ ٱلْكَـٰفِرُونَ
"আর তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহর রহমত থেকে শুধু কাফির সম্প্রদায়ই নিরাশ হয়।" (সূরা ইউসুফ: ৮৭)
আপনার সমস্যা ও সমাধান
১. বিয়ে সংক্রান্ত চিন্তা ও ইচ্ছা দূর করা
আপনি ভেবেছেন যে বিয়ের চিন্তা পুরোপুরি ছেড়ে দেবেন। কিন্তু ইসলামে বিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও ইবাদত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ، مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمُ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ، فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ، وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ
"হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিয়ের সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিয়ে করে। কারণ বিয়ে দৃষ্টি নিচু রাখতে ও লজ্জাস্থানের হিফাজতে বেশি সহায়ক। আর যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে না, সে যেন রোযা রাখে। কারণ রোযা তার জন্য কামশক্তি দমনের মাধ্যম হবে।" (সহীহ বুখারী: ৫০৬৬)
সুতরাং বিয়ের চিন্তা পুরোপুরি দূর করা উচিত নয়; বরং এটিকে সঠিক পথে পরিচালিত করা উচিত। আপনি যে বিয়ের চেষ্টা করেছেন কিন্তু বারবার ব্যর্থ হয়েছেন, এতে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে যান। তবে প্রেম করা যাবে না। বৈধ পন্থায় বিয়ের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَعَسَىٰٓ أَن تَكْرَهُوا۟ شَيْـًٔا وَهُوَ خَيْرٌ لَّكُمْ ۖ وَعَسَىٰٓ أَن تُحِبُّوا۟ شَيْـًٔا وَهُوَ شَرٌّ لَّكُمْ ۗ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
"আর সম্ভবত তোমরা যা অপছন্দ কর, তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর, আর সম্ভবত তোমরা যা পছন্দ কর, তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না।" (সূরা বাকারা: ২১৬)
২. চাকরি ও আর্থিক সমস্যা
আপনি চাকরি পাওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন কিন্তু সফল হচ্ছেন না। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা হতে পারে। আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَمَن يَتَّقِ ٱللَّهَ يَجْعَل لَّهُۥ مَخْرَجًا ﴿٢﴾ وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ
"আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য (উদ্বেগ থেকে) বের হওয়ার পথ তৈরি করে দেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না।" (সূরা তালাক: ২-৩)
আপনার জন্য পরামর্শ:
- চাকরির জন্য চেষ্টা অব্যাহত রাখুন, কিন্তু আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন।
- বর্তমানে আপনি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছেন, এটিকে ইবাদত মনে করে আন্তরিকভাবে করুন।
- দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিন।
৩. পর্ণোগ্রাফি ও বদভ্যাসের সমস্যা
এটি একটি মারাত্মক সমস্যা যা অনেক মুসলিম যুবককে গ্রাস করছে। আপনি ১২-১৪ বছর ধরে এই সমস্যায় ভুগছেন। সমাধান:
ক. তাওবায় অটল থাকা
প্রথমেই আপনাকে বুঝতে হবে যে, আপনি যতবারই তাওবা করছেন, আল্লাহ তা গ্রহণ করেন। আপনার কাজ হলো তাওবার পর আবার পাপে লিপ্ত না হওয়ার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করা। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন: "তাওবা হলো: পাপ কাজ থেকে ফিরে আসা, লজ্জিত হওয়া, পুনরায় না করার সংকল্প করা এবং যদি কারো হক নষ্ট করা থাকে তবে তা আদায় করা।" (শরহু মুশকিলিল আসার, তহাবী)
খ. ব্যবহারিক পদক্ষেপ
১. স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ: পর্নোগ্রাফির জন্য দায়ী ওয়েবসাইট ব্লক করুন। প্রয়োজনে পুরনো ফোন ব্যবহার করুন যাতে ইন্টারনেট ছাড়া শুধু কল-মেসেজ হয়। ২. খালি সময় না রাখা: ফজরের পর কুরআন তিলাওয়াত, জিকির-আযকার, ইলম চর্চায় সময় কাটান। ৩. রোযা রাখা: হাদীস অনুযায়ী রোযা কামশক্তি দমনে সহায়ক। ৪. মুসলিম বন্ধু তৈরি করা: সৎ ও ধার্মিক বন্ধুদের সাথে মেলামেশা করুন। ৫. ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়া: এতে শয়তান থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়।
গ. ইলম চর্চার ধারাবাহিকতা
আপনি ইলম অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছেন। ইলম চর্চায় ধারাবাহিকতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
أَحَبُّ الْأَعْمَالِ إِلَى اللَّهِ أَدْوَمُهَا وَإِنْ قَلَّ
"আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো যা নিয়মিত করা হয়, যদিও তা পরিমাণে কম হয়।" (সহীহ বুখারী: ৬৪৬৪)
প্রতিদিন অল্প পরিমাণ হলেও নিয়মিত পড়ার অভ্যাস করুন। মাসিক বিষয়ভিত্তিক পরিকল্পনা করুন।
৪. পিতামাতার প্রতি দায়িত্ব
আপনি মনে করছেন আপনি পিতামাতার প্রতি ব্যর্থ। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনি তাদের প্রতি যেভাবে উদ্বিগ্ন হচ্ছেন, এটাই আপনার দায়িত্ববোধের প্রমাণ। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَرْحَمْ صَغِيرَنَا وَيُوَقِّرْ كَبِيرَنَا
"যে আমাদের ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের সম্মান করে না, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।" (সুনান আবু দাউদ: ৪৯৪৩)
আপনি তাদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখুন, ভালোবাসা ও সম্মান দেখান। আপনি যদি একজন ভালো বান্দা হওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে এটাই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় সান্ত্বনা হবে।
৫. মানুষের প্রতি বিশ্বাস ও সম্পর্ক
আপনি বলেছেন সব মানুষই ঠকায় ও কষ্ট দেয়। কিন্তু এটি পুরোপুরি সত্য নয়। পৃথিবীতে ভালো মানুষও আছে, খারাপ মানুষও আছে। মানুষের থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন না হয়ে, বরং সাবধানতা অবলম্বন করে চলা উচিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
الْمُؤْمِنُ الَّذِي يُخَالِطُ النَّاسَ وَيَصْبِرُ عَلَى أَذَاهُمْ أَعْظَمُ أَجْرًا مِنَ الْمُؤْمِنِ الَّذِي لَا يُخَالِطُ النَّاسَ وَلَا يَصْبِرُ عَلَى أَذَاهُمْ
"সেই মুমিন যে মানুষের সাথে মেলামেশা করে এবং তাদের কষ্ট সহ্য করে, সে সেই মুমিন থেকে বেশি সওয়াবের অধিকারী যে মানুষের সাথে মেলামেশা করে না এবং তাদের কষ্ট সহ্য করে না।" (সুনান ইবনে মাজাহ: ৪০৩২)
৬. আত্মহত্যার চিন্তা ও হতাশা
আপনি লিখেছেন "না পারি মরতে, না পারি বাঁচতে"। এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক চিন্তা। আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া এবং আত্মহত্যার চিন্তা করা কুফরী পর্যায়ের পাপ। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ قَتَلَ نَفْسَهُ بِشَيْءٍ فِي الدُّنْيَا عُذِّبَ بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
"যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোনো বস্তু দিয়ে আত্মহত্যা করবে, কিয়ামতের দিন তাকে সেই বস্তু দিয়ে শাস্তি দেওয়া হবে।" (সহীহ বুখারী: ৬১৩৪)
আপনার উচিত এই চিন্তা মনের মধ্যেও না আনা। বরং আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করা, দোয়া করা এবং ধৈর্য ধরা।
ব্যবহারিক পরামর্শ
১. নামাজে মনোযোগী হোন
ফরজ নামাজ জামাতের সাথে পড়ার চেষ্টা করুন এবং তাহাজ্জুদ নামাজের অভ্যাস গড়ে তুলুন। তাহাজ্জুদ আল্লাহর কাছে দোয়া কবুলের বিশেষ সময়।
২. প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত করুন
অন্তত ১০ আয়াত হলেও অর্থ বুঝে তিলাওয়াত করুন এবং তার ওপর আমল করার চেষ্টা করুন।
৩. যিকিরে অভ্যস্ত হোন
প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যার যিকির, বিশেষ করে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ", "সুবহানাল্লাহ", "আলহামদুলিল্লাহ", "আল্লাহু আকবার" বেশি বেশি পড়ুন।
৪. একজন আলেমের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন
যিনি আপনার সমস্যা বুঝতে পারেন এবং আপনাকে সঠিক পথ দেখাতে পারেন।
৫. বিবাহের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যান
কিন্তু তা করার জন্য প্রথমে আর্থিক অবস্থা ও মানসিক প্রস্তুতি নিন। ছোট বিয়ে বা সহজ শর্তে বিয়ের চেষ্টা করুন।
৬. স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিন
নিয়মিত ব্যায়াম, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পর্যাপ্ত ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৭. নিজেকে সময় দিন
আপনি অনেক বছরের জমে থাকা সমস্যার সম্মুখীন। ধৈর্য ধরে একটু একটু করে উন্নতি করার চেষ্টা করুন। হঠাৎ সব ঠিক হয়ে যাবে তা নয়।
উপসংহার
প্রিয় ভাই! আপনি ভাবছেন আপনি ব্যর্থ, কিন্তু আমি বলব আপনি এখনো লড়াই করছেন, এটাই আপনার সাফল্য। শয়তান আপনাকে হতাশ করে আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চায়। আপনি লিখেছেন "আল্লাহর খুব প্রিয় কাছের বান্দা হওয়ার ইচ্ছা" - এটি অত্যন্ত মূল্যবান ইচ্ছা। আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَالَّذِينَ جَاهَدُوا فِينَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا ۚ وَإِنَّ اللَّهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِينَ
"আর যারা আমার পথে সংগ্রাম করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মশীলদের সাথে আছেন।" (সূরা আনকাবুত: ৬৯)
আপনার সংগ্রামই আপনাকে আল্লাহর কাছে নিয়ে যাচ্ছে। হাল ছেড়ে দেবেন না। আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ হবেন না।
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنتَ ٱلْوَهَّابُ
"হে আমাদের রব! আমাদেরকে হিদায়াত দেওয়ার পর আমাদের অন্তরকে বক্র করবেন না এবং আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি মহাদাতা।" (সূরা আলে-ইমরান: ৮)
والله أعلم بالصواب