জাগ্রত অবস্থায় উতেজনায় বীর্যপাত হলে কী গুনাহ?
Halal and Haram · Hanafi
Questioner:
Al shariya shawon
Question Asked:
01 Jun 2026, 12:36 PM
Reviewed & Published:
01 Jun 2026, 12:40 PM
Views:
22
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by
.
Question
জাগ্রত অবস্থায় উতেজনার কারণে বীর্য্যপাত হলে কি গুনা হবে ।আমি সহবাস সম্পর্কিত মসলা পড়ছিলাম পরে উতেজনার কারণে বীর্য্যপাত হয় ।আমের কি গুনা হবে ।আমি বিবাহিত না ।আরও বিষয় টা তাড়াতাড়ি হযে যায়
Answer
উত্তর:
আপনার বর্ণনা অনুযায়ী, আপনি জাগ্রত অবস্থায় সহবাস সংক্রান্ত মাসআলা পড়ার সময় উতেজনার কারণে বীর্য্যপাত করেছেন। এটি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে (যেমন হস্তমৈথুন বা অন্য কোনো শারীরিক উত্তেজনার মাধ্যমে) না ঘটে থাকে, বরং শুধু পড়া/চিন্তার কারণে হয়ে থাকে, তাহলে এটি গুনাহ নয়। তবে এর কারণে গোসল ফরজ হবে (নামাজ, কুরআন স্পর্শ ইত্যাদির জন্য পবিত্রতা অর্জন করতে হবে)।
হানাফী ফিকহের কিতাবে বলা হয়েছে:
- ইচ্ছাকৃতভাবে বীর্য বের করা (হস্তমৈথুন) হারাম।
- কিন্তু যদি কোনো শারীরিক স্পর্শ ছাড়াই কেবল চিন্তা, দেখা বা পড়ার কারণে বীর্য বের হয়ে যায়, তবে তা গুনাহ নয়, বরং এটি অপ্রাকৃতিক হলেও শাস্তির আওতায় পড়ে না। (রদ্দুল মুহতার, ১/২৯৩; ইমদাদুল ফাতাওয়া, ২/৩৮১; ফাতাওয়া উসমানী, ২/৫৫১)
তবে আপনার জন্য সতর্কতা হচ্ছে:
- ভবিষ্যতে এমন বিষয় পড়ার সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন।
- যদি পড়ার সময় তীব্র উত্তেজনা অনুভব হয়, তবে পড়া বন্ধ করে অন্য কাজে মনোযোগ দিন।
- যেহেতু আপনি বিবাহিত নন, তাই বীর্য নষ্ট করার ইচ্ছাকৃত পদ্ধতি (হস্তমৈথুন) থেকে দূরে থাকবেন।
সারকথা: আপনার এই ঘটনা গুনাহ নয়, তবে মনে রাখবেন, ইচ্ছাকৃতভাবে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টির জন্য চিন্তা বা পড়া চালিয়ে যাওয়া নিজেকে পরীক্ষায় ফেলা এবং এটি মাকরূহ হতে পারে। আল্লাহ তাআলা সবাইকে হেফাজত করুন।
রেফারেন্স:
- রদ্দুল মুহতার (১/২৯৩)
- ইমদাদুল ফাতাওয়া (২/৩৮১)
- ফাতাওয়া উসমানী (২/৫৫১)
- বেহেশতী জেওর (অধ্যায়: গোসল)