উদাহরণ দিয়ে কথা বললে কি তালাক হয়?
Family Life · Hanafi
Question No:
841
Questioner:
mim akhi
Question Asked:
27 May 2026, 12:56 PM
Reviewed & Published:
27 May 2026, 02:17 PM
Views:
64
Tokens:
3,213
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by
.
Question
উদাহরণ দিতে গিয়ে এভাবে বললে কি তালাক হয়?
কোন বিবাহিত মেয়ে বান্ধবীর সাথে কথা বলতেছে।ওই বান্ধবী একটা ছেলেকে পছন্দ করে বিয়েও করতে চায়। তহ ওই ছেলেটা নাকি কিছু হলেই তুই তাই আর খুব খারাপ ব্যবহার করে।চাকরি পাচ্ছে না মেয়েটা এটা নিয়ে খুব খারাপ কথা বলে,আর অসুন্দর এটা নিয়েও।তহ ওই ছেলেটা যে চাকরী করে এটা বান্ধবীর চাইতেও অনেক নিম্ন মানের শুধু সরকারি এটা।এটা নিয়ে বান্ধবী লাফিয়ে লাফিয়ে প্রেম করছিল।তহ এসব শুনে আরেক মানে বিবাহিত বান্ধবী যাকে বুঝানো হচ্ছিল সে যদি বলে "যে আমার যোগ্য নয় সে কিভাবে আমার চাকরী নিয়ে কথা বলবে?এত নিম্ন মানের চাকরী করে আমাকে চাকরী নিয়ে খোটা কেন দিবে? "তারপর নিজের টা বলে ”আমি যেখানে এর চাইতে উচ্চ তম গ্রেডের চাকরীর পরীক্ষা সহ দি নি সেখানে আমাকে কিভাবে একজনের নিম্ন মানের চাকরীর মানুষ আমার চাকরী নিয়ে খোটা দিবে?” এটা মানে ওই প্রেম করে যে ওই বান্ধবীকে উদাহরণ দিয়ে বুঝানো হচ্ছিল।মানে ওকে কিভাবে এসব কথা বলে এখনো যেখানে বিয়েও হয় নি।তারপর বলা হয়েছে আমি বলব না রিলেশন বাদ দিয়ে দে ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নে এমন বলেছে বিবাহিত বান্ধবীটা ।তহ যে মেয়েটা বলতেছিল সে বিবাহিত তাকে তালাকের পাওয়ার ও দিছে।এভাবে কথা বলায় কি কোন সমস্যা হয়? মানে এসব বললে রিলেশন বাদ দিয়ে দেওয়ার কথা মূলত বুঝানো হলে বা ভেবে চিন্তে কাজ করার কথা বুঝানো হলে?
আর বিবাহিত ওটার কিন্তু নিজেকে তালাক দেওয়ার কোন নিয়ত নাই বা স্বামী যাই বলুক না কেন সে নিজেকে তালাক দিবে না এমন, মানে যে বান্ধবীকে বলতেছে এসব কথা ওর প্রেমিক এসব কথা স্বামী বললেও তালাক দিবে না ।শুধু বান্ধবী ওটাকে এমন রিলেশন না করার জন্য বা আগে থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এভাবে বললে কি কোন সমস্যা হয়?
কোন বিবাহিত মেয়ে বান্ধবীর সাথে কথা বলতেছে।ওই বান্ধবী একটা ছেলেকে পছন্দ করে বিয়েও করতে চায়। তহ ওই ছেলেটা নাকি কিছু হলেই তুই তাই আর খুব খারাপ ব্যবহার করে।চাকরি পাচ্ছে না মেয়েটা এটা নিয়ে খুব খারাপ কথা বলে,আর অসুন্দর এটা নিয়েও।তহ ওই ছেলেটা যে চাকরী করে এটা বান্ধবীর চাইতেও অনেক নিম্ন মানের শুধু সরকারি এটা।এটা নিয়ে বান্ধবী লাফিয়ে লাফিয়ে প্রেম করছিল।তহ এসব শুনে আরেক মানে বিবাহিত বান্ধবী যাকে বুঝানো হচ্ছিল সে যদি বলে "যে আমার যোগ্য নয় সে কিভাবে আমার চাকরী নিয়ে কথা বলবে?এত নিম্ন মানের চাকরী করে আমাকে চাকরী নিয়ে খোটা কেন দিবে? "তারপর নিজের টা বলে ”আমি যেখানে এর চাইতে উচ্চ তম গ্রেডের চাকরীর পরীক্ষা সহ দি নি সেখানে আমাকে কিভাবে একজনের নিম্ন মানের চাকরীর মানুষ আমার চাকরী নিয়ে খোটা দিবে?” এটা মানে ওই প্রেম করে যে ওই বান্ধবীকে উদাহরণ দিয়ে বুঝানো হচ্ছিল।মানে ওকে কিভাবে এসব কথা বলে এখনো যেখানে বিয়েও হয় নি।তারপর বলা হয়েছে আমি বলব না রিলেশন বাদ দিয়ে দে ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নে এমন বলেছে বিবাহিত বান্ধবীটা ।তহ যে মেয়েটা বলতেছিল সে বিবাহিত তাকে তালাকের পাওয়ার ও দিছে।এভাবে কথা বলায় কি কোন সমস্যা হয়? মানে এসব বললে রিলেশন বাদ দিয়ে দেওয়ার কথা মূলত বুঝানো হলে বা ভেবে চিন্তে কাজ করার কথা বুঝানো হলে?
আর বিবাহিত ওটার কিন্তু নিজেকে তালাক দেওয়ার কোন নিয়ত নাই বা স্বামী যাই বলুক না কেন সে নিজেকে তালাক দিবে না এমন, মানে যে বান্ধবীকে বলতেছে এসব কথা ওর প্রেমিক এসব কথা স্বামী বললেও তালাক দিবে না ।শুধু বান্ধবী ওটাকে এমন রিলেশন না করার জন্য বা আগে থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এভাবে বললে কি কোন সমস্যা হয়?
Answer
প্রশ্নের উত্তর
প্রশ্নে বর্ণিত ঘটনায় বিবাহিত বান্ধবী তার বান্ধবীকে উপদেশ দিতে গিয়ে কিছু কথা বলেছেন। তিনি নিজেকে তালাক দেওয়ার কোনো নিয়ত করেননি এবং তালাকের শব্দও উচ্চারণ করেননি। তাই এটি তালাক নয় এবং কোনো সমস্যা হয় না।
হানাফি ফিকহের নিয়ম অনুযায়ী:
-
- তালাকের জন্য স্পষ্ট (সারিহ) শব্দ যেমন "তালাক", "ছাড়" ইত্যাদি প্রয়োজন, অথবা অস্পষ্ট (কিনায়া) শব্দ যার সাথে তালাকের নিয়ত থাকতে হবে।
- প্রশ্নে ব্যবহৃত বাক্যগুলো ("যে আমার যোগ্য নয়...", "নিম্ন মানের চাকরী...", "রিলেশন বাদ দিয়ে দে") তালাকের স্পষ্ট বা অস্পষ্ট কোনো শব্দ নয়।
-
নিয়তের গুরুত্ব:
- বিবাহিত বান্ধবী নিজেকে তালাক দেওয়ার কোনো নিয়ত করেননি। তিনি শুধু বান্ধবীকে উপদেশ দিচ্ছিলেন।
- হানাফি ফিকহের মূলনীতি: "আমল নিয়তের উপর নির্ভরশীল" (বুখারি ও মুসলিম)। যেহেতু নিয়ত তালাকের নয়, তাই তালাক হয় না।
-
উপমা ও উদাহরণ:
- ইসলামী ফিকহে উপমা বা উদাহরণ দিয়ে কথা বললে তালাক হয় না, যদি না তা সরাসরি তালাকের শব্দ বা নিয়তসুক্ত হয়। এটি শুধু বক্তার অভিপ্রায়ের উপর নির্ভর করে।
গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি:
- ইবনে আবেদীন (রহ.) বলেছেন: "তালাকের নিয়ত ছাড়া কিনায়া শব্দ দ্বারা তালাক পতিত হয় না।" (রদ্দুল মুহতার, ৩/২৪৫)
- ফতোয়া উসমানী (১/৩৫৮) এ উল্লেখ আছে: "যদি কেউ তালাকের নিয়ত না করে শুধু উপদেশ বা উদাহরণ দিতে গিয়ে কথা বলে, তাহলে তালাক হয় না।"
উপসংহার:
প্রশ্নে বর্ণিত ঘটনায় বিবাহিত বান্ধবী তালাকের নিয়ত না করে এবং তালাকের শব্দ না বলে শুধু বান্ধবীকে উপদেশ ও উদাহরণ দিতে গিয়ে কথা বলেছেন। তাই এটি তালাক নয় এবং কোনো ইসলামী সমস্যা নেই। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা শাস্তি প্রযোজ্য নয়।