মোবাইলে বিবাহের পর তালাক দেওয়া সংক্রান্ত প্রশ্ন।

Marriage and Divorce · Hanafi

Question No: 4875
Questioner: Inaya Tasad
Question Asked: 03 Sep 2026, 11:51 AM
Reviewed & Published: 03 Sep 2026, 12:32 PM
Views: 30
Tokens: 3,574
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

Chele deser bahire thake..bie ta phone e hoyechilo,bier somoy oi dese cheler pase okhankar hujur+ sathe jara thake sobai chilo,dese meyer barite cheler poribarer lokjon meyer poribarer sobai uposthit chilo,evabe phone e biye porano hoyechilo..chele r meye eksathe porto,kintu meyer ei cheleke konovabei posondo chilo na age thekei..cheleta posondo kore meyer baba make raji koraisilo.. meye raji na holeo poribarer jorajorite rag kore ek porjaye raji hoy..kintu konovabei sami hisebe mante na paray tar family o bepar ta bujhe tai r bepar ta age na barie chele dese asar agei bier kisudin er mathay e chele k divorce er kotha bola hoy.. Kintu chele divorce dibe na..pore meye nijei kajir maddhome 3 bar notice pathay...chele to bahirei to cheler poribarer kache pathano hoise,ekbaro accept kore nay. Kintu meyer pokkho theke 3 bar e pathano hoyeche..ekhon meyer sondeho tar talak na hoyeche kina islam e..take 18 no column onujayi odhikar deya clo..talak ki hoyeche naki eta Bangladesh er niom..meyer ekhon onnojaygay bie kora jayez kina?

Answer

উত্তর

প্রশ্নের সারসংক্ষেপ: একটি মেয়ের বিয়ে ফোনে সম্পন্ন হয়েছে। মেয়েটি বিয়েতে রাজি ছিল না, কিন্তু পরিবারের চাপে রাজি হয়। বিয়ের পর সে স্বামীকে মেনে নিতে পারেনি। ছেলেটি বিদেশে থাকে। মেয়েটি কাযীর মাধ্যমে ৩ বার তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছে, কিন্তু ছেলে তা গ্রহণ করেনি। এখন মেয়েটির প্রশ্ন: ইসলামী দৃষ্টিতে তার তালাক হয়েছে কি না? এবং সে অন্যত্র বিয়ে করতে পারবে কি না?


জবাবঃ- ইসলামী শরীয়তে বিবাহ শুদ্ধ হবার জন্য কয়েকটি শর্ত রয়েছে। যথা- ১ বর ও কনেকে কিংবা তাদের প্রতিনিধিকে ইজাব তথা প্রস্তাবনা ও কবুল বলতে হয়।

২ উক্ত ইজাব ও কবুলটি বলতে হয় দুইজন প্রাপ্ত বয়স্ক মসলিম পুরুষ বা একজন পুরুষ ও দুইজন মহিলার সামনে।

মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ-

وَ اسۡتَشۡہِدُوۡا شَہِیۡدَیۡنِ مِنۡ رِّجَالِکُمۡ ۚ فَاِنۡ لَّمۡ یَکُوۡنَا رَجُلَیۡنِ فَرَجُلٌ وَّ امۡرَاَتٰنِ مِمَّنۡ تَرۡضَوۡنَ مِنَ الشُّہَدَآءِ اَنۡ تَضِلَّ اِحۡدٰىہُمَا فَتُذَکِّرَ اِحۡدٰىہُمَا الۡاُخۡرٰی

আর তোমরা তোমাদের পুরুষদের মধ্য হতে দু’জন সাক্ষী রাখ, অতঃপর যদি দু’জন পুরুষ না হয় তবে একজন পুরুষ ও দু’জন স্ত্রীলোক যাদেরকে তোমরা সাক্ষী হিসেবে পছন্দ কর, যাতে স্ত্রীলোকদের মধ্যে একজন ভুলে গেলে তাদের একজন অপরজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। (সুরা বাকারা ২৮২)

হাদিস শরিফে এসেছে,

لَا يَجُوزُ نِكَاحٌ، وَلَا طَلَاقٌ، وَلَا ارْتِجَاعٌ إِلَّا بِشَاهِدَيْنِ

‘রাসূল (সা.) বলেছেন, দুইজন সাক্ষী ছাড়া বিবাহ, তালাক ও ফিরিয়ে আনা বৈধ হবে না।’ [মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, হাদিস: ১০২৫৪]

قوله صلى الله عليه وسلم : ( لا نكاح إلا بولي وشاهدي عدل ) رواه البيهقي من حديث عمران وعائشة ، وصححه الألباني في صحيح الجامع (7557)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “অভিভাবক ও দুইজন সাক্ষী ছাড়া কোন বিবাহ নেই।” [তাবারানী কর্তৃক সংকলিত, সহীহ জামে (৭৫৫৮)]।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী- “তোমরা বিয়ের বিষয়টি ঘোষণা কর।”[মুসনাদে আহমাদ এবং সহীহ জামে গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলা হয়েছে (১০৭২)] ۔ ৩ ইজাব ও কবুলটি উভয় সাক্ষ্যি স্বকর্ণে শুনতে হবে।

উক্ত তিনটির কোন একটি শর্ত না পাওয়া গেলে ইসলামী শরীয়তে বিবাহ শুদ্ধ হয় না।

উপরোক্ত তিনটি শর্ত পাওয়া গেলে বিবাহ হবে,অন্যথায় বিবাহ হবেনা। , ★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
বিবাহ সহীহ হওয়ার জন্য শর্ত হল দু’জন আযাদ প্রাপ্ত বয়স্ক বিবেকবান দুই জন মুসলিম স্বাক্ষের সামনে পাত্র/পাত্রি প্রস্তাব দিবে আর অপরপক্ষে পাত্র/পাত্রি তা কবুল করবে। আর সাক্ষিগণ উভয়ের কথা সুষ্পষ্টভাবে শুনবে। আর শরয়ী এ শর্তাবলী পরিপূর্ণভাবে টেলিফোনে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই টেলিফোন বা মোবাইলে বিবাহ করা জায়েজ নয়। {ফাতওয়ায় উসমানী-২/৩০৪,৩০৫}

★সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত বিবাহে যেহেতু পাত্র এবং পাত্রী ফোনে ইজাব কবুল করেছিলো, তাই উক্ত বিবাহ শুদ্ধ হয়নি।

এজন্য তালাক দেওয়ার কোন প্রয়োজনীয়তাই নেই।

আপনি চাইলে অন্যত্রে যে কোন মুহূর্তে বিবাহ বসতে পারেন।

আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে ভালো জানেন।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.