পায়ের চুলকানি ভালো করার জন্য সাধারণ ধাতুর চুড়ি পরার শরয়ি বিধান ও ঈমানের ওপর এর প্রভাব
Sunnah and Bid'ah · Hanafi
Question
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
হুজুর, আমার একটি মাসআলা জানার প্রয়োজন।
আমার দুই পায়ের ওপরের অংশে প্রায় ৮–১০ মাস ধরে চুলকানি ও গোলাকার দাগ রয়েছে। একজন হিন্দু ব্যক্তি দুই পায়ে পরার জন্য দুইটি সাধারণ ধাতুর চুড়ি দেন। আমার বড় বোনও আগে একই ধরনের সমস্যায় ভুগেছিলেন। তাঁর ক্ষেত্রে ওই চুড়ি ব্যবহারের পর সমস্যা ভালো হয়ে গেছে বলে আমরা দেখেছি।
আমি জানি না, এই চুড়ির কোনো প্রকৃত চিকিৎসাগত কার্যকারিতা আছে কি না। ওই ব্যক্তি চুড়ি দেওয়ার সঙ্গে কোনো মন্ত্র, পূজা বা তাবিজের বিষয় জড়িত করেননি।
আমার বিশ্বাস, একমাত্র আল্লাহ তাআলাই সুস্থতা দান করেন। আমি চুড়িকে নিজে থেকে রোগ সারানোর ক্ষমতাসম্পন্ন মনে করি না; বরং সাধারণ একটি মাধ্যম হিসেবে ভাবছি।
এখন আমার প্রশ্নগুলো হলো:
১. এই চুড়ি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে নেওয়া ও পায়ে পরা কি শরিয়তসম্মত হবে?
২. চুড়ির কার্যকারিতা শরিয়তসম্মত বা চিকিৎসাগতভাবে প্রমাণিত না হলে, আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রেখে এটিকে সাধারণ মাধ্যম মনে করে পরা কি জায়েজ হবে?
৩. এভাবে চুড়ি পরলে কি আমার ঈমান বা আকিদার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আছে? কোন বিশ্বাস বা কাজের কারণে শিরক হতে পারে, তা দয়া করে স্পষ্ট করবেন।
৪. আমার এই পরিস্থিতিতে শরিয়তসম্মত করণীয় কী?
কুরআন-সুন্নাহ ও ফিকহের আলোকে বিস্তারিত উত্তর দিলে উপকৃত হব।
জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।
Answer
পায়ের চুলকানির জন্য ধাতুর চুড়ি পরার শরয়ি বিধান ও ঈমানের উপর এর প্রভাব
উত্তর (ফতোয়া নং: সংক্ষিপ্ত ফতোয়া — হানাফি মাযহাব)
بسم الله الرحمن الرحيم الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على أشرف الأنبياء والمرسلين، وعلى آله وصحبه أجمعين، أما بعد:
ভূমিকা
আপনার প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ঈমান-আকিদা সংশ্লিষ্ট। ইসলামে রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তির জন্য শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলার উপর ভরসা করা এবং শরিয়তসম্মত উপায় (চিকিৎসা, দোয়া, রুকইয়াহ) অবলম্বন করা জায়েজ। কিন্তু এমন কোনো বস্তু বা মাধ্যম অবলম্বন করা, যার না শরয়ি ভিত্তি আছে, না চিকিৎসাগত প্রমাণ আছে, বরং যা কুফর-শিরকের সাথে সম্পৃক্ত সম্প্রদায়ের প্রথা — তা নিষিদ্ধ।
১ম প্রশ্ন: এই চুড়ি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে নেওয়া ও পায়ে পরা কি শরিয়তসম্মত হবে?
উত্তর: না, শরিয়তসম্মত হবে না। নিম্নলিখিত কারণসমূহের ভিত্তিতে:
(ক) এটি হিন্দুদের ধর্মীয় প্রথা ও কুফরি সংস্কৃতির অনুকরণ
হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ধাতুর চুড়ি (কড়া) বিশেষত লোহা, তামা, পিতল ইত্যাদির চুড়ি নির্দিষ্ট রোগ-ব্যাধি, বদনজর, জিন-শয়তানের প্রভাব থেকে মুক্তির জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচার-অনুষ্ঠানের অংশ। রাসূলুল্লাহ ﷺ কুফর-শিরকের সাথে সম্পৃক্ত বস্তু ও প্রথা অবলম্বন করতে নিষেধ করেছেন।
দলিল:
عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ رَأَى رَجُلًا فِي يَدِهِ حَلْقَةٌ مِنْ صُفْرٍ، فَقَالَ: «مَا هَذِهِ؟» قَالَ: مِنَ الْوَهَنِ. قَالَ: «انْزِعْهَا، فَإِنَّهَا لَا تَزِيدُكَ إِلَّا وَهْنًا، فَإِنَّكَ لَوْ مِتَّ وَهِيَ عَلَيْكَ مَا أَفْلَحْتَ أَبَدًا»
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৮৮৩; মুসনাদে আহমাদ: ১৯৯৯০ — ইমাম আলবানি হাসান বলেছেন)
অর্থ: হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন (রাযি.) থেকে বর্ণিত, নবী ﷺ এক ব্যক্তির হাতে পিতলের একটি আংটি (চুড়ি) দেখে জিজ্ঞাসা করলেন: "এটি কী?" সে বলল: "দুর্বলতা দূর করার জন্য।" নবী ﷺ বললেন: "এটি খুলে ফেলো, কারণ এটি তোমার দুর্বলতাই বাড়াবে। যদি তুমি এই অবস্থায় মারা যেতে, তবে কখনো সফলকাম হতে না।"
এই হাদিস স্পষ্ট প্রমাণ করে — রোগ-ব্যাধি দূর করার উদ্দেশ্যে ধাতব চুড়ি/আংটি পরা নিষিদ্ধ, বিশেষত যখন তা কুফরি বিশ্বাস বা প্রথার সাথে সম্পৃক্ত।
(খ) হিন্দু ব্যক্তির কাছ থেকে নেওয়া নিজেই সন্দেহজনক
হিন্দু ব্যক্তি আপনাকে চুড়ি দিচ্ছে — এটি তাদের ধর্মীয় প্রথার অংশ হিসেবে। ইসলামে কাফিরদের ধর্মীয় প্রথা বা তাদের কুফরি সংস্কৃতির অনুকরণ নিষিদ্ধ।
দলিল:
عَنْ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: «مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ»
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪০৩১ — ইমাম আলবানি হাসান সহিহ বলেছেন)
অর্থ: "যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করে, সে তাদের দলভুক্ত।"
(গ) ফিকহে হানাফির বিধান
আল্লামা ইবনে আবিদিন (রহ.) «রাদ্দুল মুহতার»-এ বলেন:
وَلَا يَجُوزُ التَّعَلُّقُ بِالْحَلْقَةِ وَنَحْوِهَا لِدَفْعِ الْوَهَنِ أَوْ رَفْعِ الْمَرَضِ، لِأَنَّهُ لَا تَأْثِيرَ لَهَا بِذَاتِهَا، وَاعْتِقَادُ التَّأْثِيرِ شِرْكٌ
(রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড: ৯, পৃষ্ঠা: ৫১৭ — দারুল মা'রিফা, বৈরুত)
অর্থ: "দুর্বলতা দূর করা বা রোগ উঠানোর জন্য চুড়ি ইত্যাদির সাথে ঝুলানো/পরা জায়েজ নয়, কারণ এগুলোর নিজস্ব কোনো প্রভাব নেই; আর এগুলোর প্রভাব আছে বলে বিশ্বাস করা শিরক।"
ফতোয়ায়ে আলমগিরিতে আছে:
وَكُلُّ مَا يُعَلَّقُ عَلَى الْبَدَنِ لِدَفْعِ الْبَلَاءِ أَوْ رَفْعِ الْمَرَضِ مِنْ غَيْرِ الْقُرْآنِ وَالْأَدْعِيَةِ الْمَأْثُورَةِ فَهُوَ بَاطِلٌ وَحَرَامٌ
(ফতোয়ায়ে আলমগিরি, খণ্ড: ৫, পৃষ্ঠা: ৩৫৪)
অর্থ: "কুরআন ও বর্ণিত দোয়া ছাড়া শরীরে যা কিছু ঝুলানো হয় বালা দূর করা বা রোগ উঠানোর জন্য — তা বাতিল ও হারাম।"
২য় প্রশ্ন: চুড়ির কার্যকারিতা শরিয়তসম্মত বা চিকিৎসাগতভাবে প্রমাণিত না হলে, আল্লাহর উপর বিশ্বাস রেখে এটিকে সাধারণ মাধ্যম মনে করে পরা কি জায়েজ হবে?
উত্তর: জায়েজ হবে না। কারণ:
(ক) "সাধারণ মাধ্যম" হওয়ার জন্য শরয়ি বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আবশ্যক
ইসলামে "মাধ্যম" (আসবাব) অবলম্বন করা জায়েজ কেবল তখনই, যখন:
- শরিয়ত তা অনুমোদন করে, অথবা
- বিজ্ঞান/চিকিৎসাশাস্ত্র তা কার্যকর বলে প্রমাণ করে।
কিন্তু এই চুড়ির ক্ষেত্রে কোনোটিই নেই। বরং এটি কুফরি প্রথা থেকে আগত। তাই একে "সাধারণ মাধ্যম" বলা ভুল।
(খ) "মাধ্যম" মনে করলেও কুফরি প্রথার অনুকরণ নিষিদ্ধ
আপনি যদি মনে করেন এটি শুধু মাধ্যম, তবুও যেহেতু এটি হিন্দুদের ধর্মীয় প্রথা এবং কুফরি সংস্কৃতির অংশ — তাই এর অনুকরণ নিষিদ্ধ। কারণ এটি তাশাব্বুহ বিল কুফফার (কাফিরদের অনুকরণ)-এর অন্তর্ভুক্ত।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَلَا تَرْكَنُوا إِلَى الَّذِينَ ظَلَمُوا فَتَمَسَّكُمُ النَّارُ
(সূরা হুদ: ১১৩)
অর্থ: "তোমরা জালিমদের প্রতি ঝুঁকে পড়ো না, তাহলে জাহান্নামের আগুন তোমাদের স্পর্শ করবে।"
(গ) হাদিসে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা
উপরোক্ত হাদিসে (আবু দাউদ: ৩৮৮৩) নবী ﷺ শুধু নিষেধই করেননি, বরং বলেছেন: "যদি তুমি এই অবস্থায় মারা যেতে, তবে কখনো সফলকাম হতে না।" — এটি কত কঠিন সতর্কবাণী!
আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশ্মিরি (রহ.) «ফয়যুল বারী»-তে বলেন:
الْحَلْقَةُ وَالْخَيْطُ وَنَحْوُهُمَا إِذَا كَانَتْ لِدَفْعِ الْبَلَاءِ بِاعْتِقَادِ التَّأْثِيرِ فَشِرْكٌ، وَإِنْ كَانَتْ بِدُونِ اعْتِقَادِ التَّأْثِيرِ فَبِدْعَةٌ وَتَشَبُّهٌ
(ফয়যুল বারী, খণ্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ২৩৪)
অর্থ: "চুড়ি, সুতা ইত্যাদি যদি প্রভাব আছে বলে বিশ্বাস করে বালা দূর করার জন্য ব্যবহার করা হয় — তবে শিরক; আর প্রভাব আছে বলে বিশ্বাস না করলেও তা বিদআত ও কুফরদের অনুকরণ।"
৩য় প্রশ্ন: এভাবে চুড়ি পরলে কি আমার ঈমান বা আকিদার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আছে? কোন বিশ্বাস বা কাজের কারণে শিরক হতে পারে?
উত্তর: হ্যাঁ, আশঙ্কা আছে। নিম্নলিখিত বিশ্বাস বা কাজ শিরকের দিকে নিয়ে যায়:
শিরকের প্রকারভেদ (এই প্রসঙ্গে প্রযোজ্য):
১. বিশ্বাসগত শিরক (শিরক ফিল ইলম/ইতিকাদ):
- চুড়িকে নিজে থেকে রোগ সারানোর ক্ষমতা আছে বলে বিশ্বাস করা।
- চুড়িকে আল্লাহর সমান বা আল্লাহর ক্ষমতার অংশীদার মনে করা।
- চুড়ির মধ্যে গায়েবি শক্তি বা অলৌকিক ক্ষমতা আছে বলে বিশ্বাস করা।
২. কাজগত শিরক (শিরক ফিল আমল):
- চুড়ির উপর ভরসা করে আল্লাহর উপর ভরসা ছেড়ে দেওয়া।
- চুড়িকে আল্লাহর সাথে সম্পর্কহীন স্বতন্ত্র উপকারকারী মনে করা।
- কুফরি প্রথার অনুকরণ করা (যদিও শিরক না হয়, তবুও হারাম ও ঈমানের জন্য ক্ষতিকর)।
শিরকের মূলনীতি:
আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَإِن يَمْسَسْكَ اللَّهُ بِضُرٍّ فَلَا كَاشِفَ لَهُ إِلَّا هُوَ
(সূরা আনআম: ১৭)
অর্থ: "যদি আল্লাহ তোমাকে কোনো কষ্ট দেন, তবে তিনি ছাড়া তা দূর করার কেউ নেই।"
قُلْ أَفَرَأَيْتُم مَّا تَدْعُونَ مِن دُونِ اللَّهِ إِنْ أَرَادَنِيَ اللَّهُ بِضُرٍّ هَلْ هُنَّ كَاشِفَاتُ ضُرِّهِ أَوْ أَرَادَنِي بِرَحْمَةٍ هَلْ هُنَّ مُمْسِكَاتُ رَحْمَتِهِ
(সূরা যুমার: ৩৮)
অর্থ: "বলুন, তোমরা আল্লাহ ছাড়া যাদের ডাকো, তারা যদি আল্লাহ আমার কোনো ক্ষতি করতে চান, তবে কি সেই ক্ষতি দূর করতে পারবে? অথবা তিনি আমার প্রতি রহমত করতে চাইলে তারা কি তা রোধ করতে পারবে?"
শিরক থেকে বাঁচার মূলনীতি:
ইমাম তাহাভি (রহ.) «আকিদাতুত তাহাভিয়্যাহ»-তে বলেন:
لَا يَكُونُ الْعَبْدُ مُؤْمِنًا إِلَّا بِاعْتِقَادِ أَنَّ النَّافِعَ وَالضَّارَّ هُوَ اللَّهُ وَحْدَهُ
(আকিদাতুত তাহাভিয়্যাহ, পৃষ্ঠা: ১২)
অর্থ: "বান্দা মুমিন হতে পারে না যতক্ষণ না সে বিশ্বাস করে যে উপকার ও ক্ষতি একমাত্র আল্লাহর হাতে।"
আল্লামা আশরাফ আলী থানভী (রহ.) «বেহেশতী জেওর»-এ বলেন:
তাবিজ-চুড়ি-সুতা ইত্যাদি দ্বারা উপকার লাভের বিশ্বাস রাখা শিরক। আর যদি বিশ্বাস না রাখে, শুধু প্রথা হিসেবে ব্যবহার করে, তবুও তা বিদআত ও কুফরদের অনুকরণ।
(বেহেশতী জেওর, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২৩)
৪র্থ প্রশ্ন: আমার এই পরিস্থিতিতে শরিয়তসম্মত করণীয় কী?
উত্তর: নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করুন:
১. চুড়ি পরা সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করুন
অবিলম্বে চুড়ি খুলে ফেলুন এবং তা ওই ব্যক্তিকে ফেরত দিন বা ফেলে দিন। এতে কোনো দ্বিধা করবেন না।
২. প্রকৃত চিকিৎসা গ্রহণ করুন
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ (ডার্মাটোলজিস্ট) ডাক্তারের কাছে যান। চুলকানি ও গোলাকার দাগের সঠিক কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা নিন। এটি শরিয়তসম্মত ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত মাধ্যম।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:
تَدَاوَوْا فَإِنَّ اللَّهَ لَمْ يَضَعْ دَاءً إِلَّا وَضَعَ لَهُ دَوَاءً
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৮৫৫ — সহিহ)
অর্থ: "চিকিৎসা করো, কারণ আল্লাহ এমন কোনো রোগ দেননি যার চিকিৎসা দেননি।"
৩. কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ ও দোয়া করুন
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর শেখানো দোয়া:
اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ، أَذْهِبِ الْبَاسَ، اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي، لَا شَافِيَ إِلَّا أَنْتَ
(সহিহ বুখারি: ৫৬৭৫, সহিহ মুসলিম: ২১৯১)
অর্থ: "হে আল্লাহ, মানুষের রব! কষ্ট দূর করুন, শifa দিন; আপনিই শifa দানকারী, আপনি ছাড়া কোনো শifa দানকারী নেই।"
সূরা ফাতিহা, সূরা ফালাক, সূরা নাস, আয়াতুল কুরসি পড়ে পানি ফুঁক করে পান করুন ও আক্রান্ত স্থানে মাসেহ করুন।
৪. আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখুন
আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَمَن يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ
(সূরা তালাক: ৩)
অর্থ: "যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।"
৫. তাওবা ও ইস্তিগফার করুন
যদি ইতোপূর্বে চুড়ি পরা হয়ে থাকে, তবে আল্লাহর কাছে তাওবা করুন। তিনি ক্ষমাশীল।
إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا
(সূরা যুমার: ৫৩)
আল্লাহ সর্বজ্ঞ।