দেবরের সামনে পর্দার বিধান সহ বিবিধ প্রশ্ন।
Family Life · Hanafi
Question
Ami idaning onk somossay vugtesi. Amk amr baba ma porashona koraise kosto kore. ami CSE background er. Kintu last honours complete korar pore ese ami chakri kori nai pordar khatire. ami dekhsi job korar Poribesh valo na ami ekebarei khas porda korte chaisilam, tokhn amk bolse job kore nijer paye darate tarpore biye korte. Kintu ami job er jonno raji hoi nai. Biyeo hoise emon jaygay onk koste 4/5 mash tader barite porda kore cholsi shoshur barite sob debor ek sathe thake eki ghore ghorer system o emon je porda chute jay possible hoy na. Namaj er hijab pore thaki mukh dekhe kaj kortam. Kintu evabe to ghorer kaj kora jay na. Tader jodi boli porda hoy na, amr husband bole amr vai to sokale jay rate ase. Kintu pray hut hat kore jokhn tokhn dekha hoye jay karon rate ase protidin to r ek na. Tokhn amr shami bole ek adha hoile kichu hoy na. Tar pokkhe ekhn alada rakha somvob na. Kintu ghore baire sob khanei Purush manuser samne pore jawa lage jokhn tokhn. Onk bujhano hoise tini kintu mosjid er imam tao sentiment bujhe na. Ami se jonno tader bari jai na, tara bole ami shamir hok nosto kortesi eta ki asolei thik? Hadis jani na, tara bole amr to debor k vat bere khawano lage na, porda to hoy e mukh to dekhei rakhi. Kintu ek gore ek sathe thakte gele bivinno somoy chute jay r ekta mukhos kaj korar somoy kotota safe e rakhte pare?? Abr amr ba ma bole ami tader kosto disi tader kotha suni nai, se jonno amr e obostha, ek jon cse engineer hoye mosjid imam k biye korsi seta bujhte chay na kew. Porda k islam k koto gurutto disi. Ekhn ammuo bole amr dos ami vul pothe chilam.. Shami o bole biyer pore shoshur barite Jete hoy, ekta amol chilo amr namaj oita niyeo khota Dey amr moto narir namaj o allah kobul kore na. Amr question ami asolei vul pothe? Amr aro onk kotha ache onk kichu janar ache eta sorasori jogajog korar kono option ache?? Ami shamir bari kivabe jabo porda korte kosto hoy.. Etate ki amr gunah hoy? R tar barite jai na tai se amr khoroch dey na. Bacchar dudh er tk majhe majhe dey. Ami ki sudhu gunah kortesi naki jana dorkar.. Amr ro proshno ache likhe bole ses kora jabe na. Kivabe korbo??
Answer
উত্তর: পর্দা, শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ ও দাম্পত্য জীবনের সমস্যা
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ
প্রিয় বোন, আপনার প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল। আপনি যে কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তা ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে ধৈর্যের সাথে বিশ্লেষণ করছি। প্রথমেই একটি বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি: আপনি "ভুল পথে" নেই — বরং আপনি ইসলামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধান (পর্দা) রক্ষা করার চেষ্টা করছেন, যা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয় আমল।
১. পর্দার বিধান: দেবর (শ্বশুরের ছোট ভাই/স্বামীর ছোট ভাই) কি মাহরাম?
না, দেবর মাহরাম নয়। ইসলামে মাহরাম পুরুষ নির্দিষ্ট — স্বামী, বাবা, ভাই, ছেলে, চাচা, মামা, শ্বশুর (শুধু শ্বশুর)। দেবর (স্বামীর ছোট/বড় ভাই) সম্পূর্ণ গায়রে মাহরাম। তার সামনে পর্দা করা ফরজ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "দেবরের (স্বামীর ভাইয়ের) সামনে সতর্ক থাকো।" সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! শ্বশুরের সামনে?" তিনি বললেন, "শ্বশুর তো মৃত্যুর সমান (অর্থাৎ শ্বশুরের সামনে পর্দার বিধান আরও কঠোর)।" — সহীহ বুখারী: ৫২৩২, সহীহ মুসলিম: ২১৭২
ইমাম নববী (রহ.) বলেন: "দেবর ও শ্বশুর — উভয়ের সামনেই পর্দা করা ওয়াজিব, কারণ তারা গায়রে মাহরাম।" (শরহে মুসলিম, হাদিস ২১৭২)
সুতরাং আপনার দেবরের সামনে পর্দা করা আপনার ইসলামী দায়িত্ব, এবং তা ছাড়া আপনি গুনাহগার হবেন।
২. এক ঘরে একসাথে থাকা ও পর্দার সমস্যা
আপনার শ্বশুরবাড়িতে সব দেবর একসাথে একই ঘরে থাকে — এ অবস্থায় পূর্ণ পর্দা রক্ষা করা কার্যত অসম্ভব। ইসলামী শরীয়ত এই পরিস্থিতিতে কী বলে?
ক) স্বামীর দায়িত্ব: পৃথক বাসস্থান দেওয়া
আল্লাহ তাআলা বলেন: "তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) বসবাস করাও সেখানে, যেখানে তোমরা নিজেরা বসবাস করো — তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী।" — সূরা আত-তালাক: ৬
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) জন্য উত্তম বাসস্থান ও উত্তম জীবিকার ব্যবস্থা করো।" — সুনানে আবু দাউদ: ২১৪৩
ফিকহে হানাফীর বিধান: স্বামীর উপর ওয়াজিব হলো স্ত্রীকে এমন পৃথক বাসস্থান দেওয়া, যেখানে সে পর্দা রক্ষা করতে পারে এবং তার প্রয়োজনীয়তা পূরণ হয়। যদি স্বামী সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও পৃথক বাসস্থানের ব্যবস্থা না করে, তবে সে গুনাহগার হবে।
ইমাম ইবনে আবিদীন (রহ.) বলেন: "স্বামীর উপর ওয়াজিব হলো স্ত্রীকে পৃথক ঘর দেওয়া, যেখানে তার আসবাবপত্র ও সম্পদ নিরাপদ থাকবে এবং সে পর্দা রক্ষা করতে পারবে।" — রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৫৭২
খ) আপনার করণীয়
১. স্বামীকে বিনয়ের সাথে বুঝান: আপনার কষ্টের কথা, পর্দার গুরুত্ব, এবং ইসলামী দায়িত্বের কথা শান্তভাবে বলুন। তাকে বলুন — "আমি আপনার পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা রাখি, কিন্তু আল্লাহর বিধান রক্ষা করা আমার উপর ফরজ।"
২. পৃথক থাকার সমাধান খুঁজুন: যদি একই বাড়িতে পৃথক ঘর না থাকে, তবে ভাড়া বাসায় আলাদা থাকার প্রস্তাব দিন। স্বামী যদি সামর্থ্যবান হন, তবে এটি তার দায়িত্ব।
৩. পর্দার বিকল্প ব্যবস্থা: যদি তাৎক্ষণিকভাবে আলাদা না যাওয়া সম্ভব না হয়, তবে —
- নিজের ঘরে থাকার চেষ্টা করুন, দরজা বন্ধ রাখুন
- বোরকা/হিজাব পরে ঘরের কাজ করুন
- দেবরদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ এড়িয়ে চলুন
- স্বামীর সাথে সময় নির্ধারণ করুন, যখন দেবররা ঘরে না থাকে
৩. "এক আধা হলে কিছু হয় না" — এই কথার জবাব
আপনার স্বামী বলছেন "এক আধা হলে কিছু হয় না" — এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। ইসলামে পর্দার বিধান কোনো "এক আধা"র উপর নির্ভর করে না। বরং:
আল্লাহ তাআলা বলেন: "হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রীদের, কন্যাদের ও মুমিন নারীদের বলুন — তারা যেন তাদের চাদরের কিছু অংশ নিজেদের উপর টেনে দেয়। এতে তাদের চেনা সহজ হবে এবং তারা উত্যক্ত হবে না।" — সূরা আল-আহযাব: ৫৯
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন: "তোমরা ঘরে অবস্থান করো এবং প্রাচীন জাহেলিয়াতের মতো নিজেদের প্রদর্শন করো না।" — সূরা আল-আহযাব: ৩৩
হাদিস: "নারী হলো সতর্কভাবে রক্ষা করার বস্তু।" (সুনানে তিরমিজি: ১১৭৩)
ইমাম তাহাবী (রহ.) বলেন: "নারীদের জন্য পর্দা ফরজ, তা এক আধা হোক বা সম্পূর্ণ — কোনো ব্যতিক্রম নেই।" (শরহে মাআনিল আসার, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৪৫)
৪. মসজিদের ইমাম হয়েও পর্দার গুরুত্ব না বোঝা
আপনার স্বামী মসজিদের ইমাম — এটি তার জন্য আরও বেশি দায়িত্ব বাড়ায়। একজন ইমামের উচিত ইসলামী বিধান সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি সচেতন হওয়া। যদি তিনি নিজের স্ত্রীর পর্দার বিষয়ে উদাসীন হন, তবে এটি তার জন্য কঠিন জবাবদিহির কারণ হবে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "তোমরা প্রত্যেকে দায়িত্বশীল, এবং প্রত্যেককে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। পুরুষ তার পরিবারের দায়িত্বশীল, এবং তাকে তার পরিবার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।" — সহীহ বুখারী: ৭১৩৮, সহীহ মুসলিম: ১৮২৯
৫. আপনার মা-বাবার কথা: "তুমি ভুল পথে ছিলে"
আপনার মা-বাবা বলছেন আপনি ভুল পথে ছিলেন — কারণ আপনি CSE ইঞ্জিনিয়ার হয়েও মসজিদের ইমামকে বিয়ে করেছেন। কিন্তু ইসলামে দ্বীনদার স্বামী নির্বাচন করা সর্বোত্তম:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "নারীকে চারটি কারণে বিয়ে করা হয় — সম্পদ, বংশ, সৌন্দর্য ও দ্বীনদারিতা। তুমি দ্বীনদারকে অগ্রাধিকার দাও, তাহলে সফল হবে।" — সহীহ বুখারী: ৫০৯০, সহীহ মুসলিম: ১৪৬৬
আপনি দ্বীনদার স্বামী নির্বাচন করে ভুল করেননি — বরং ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিক কাজ করেছেন। তবে হ্যাঁ, যদি স্বামী নিজেই পর্দার বিধান মানতে না চান, তবে এটি তার দুর্বলতা।
৬. স্বামী আপনার খরচ দিচ্ছে না — এটা কি জায়েজ?
না, এটা জায়েজ নয়। ইসলামে স্বামীর উপর স্ত্রীর ভরণপোষণ (নফকা) দেওয়া ফরজ।
আল্লাহ তাআলা বলেন: "সন্তানের মা যদি সন্তানকে দুধ পান করায়, তবে তার ভরণপোষণ ও পোশাকের দায়িত্ব পিতার উপর।" — সূরা আল-বাকারা: ২৩৩
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) খাবার দাও, যেমন তোমরা খাও; পোশাক দাও, যেমন তোমরা পরো।" — সুনানে আবু দাউদ: ২১৪৪
ইমাম সারাখসী (রহ.) বলেন: "স্বামীর উপর স্ত্রীর নফকা ওয়াজিব, তা সে সামর্থ্যবান হোক বা না হোক — সামর্থ্য অনুযায়ী।" (আল-মাবসুত, খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ১৮০)
সুতরাং আপনার স্বামী আপনার খরচ না দিলে সে গুনাহগার হচ্ছে। আপনি এ বিষয়ে অভিযোগ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে পরিবারের বড়দের মাধ্যমে সমাধান চাইতে পারেন।
৭. আপনার নামাজ নিয়ে স্বামীর অভিযোগ
আপনার স্বামী বলছেন "তোমার মতো নারীর নামাজ আল্লাহ কবুল করেন না" — এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুনাহের কথা। আল্লাহ তাআলা কারও নামাজ কবুল করেন কি না, তা বিচার করার অধিকার কোনো মানুষের নেই।
আল্লাহ তাআলা বলেন: "নিশ্চয়ই আমি মানুষের উপর কোনো জুলুম করি না।" — সূরা ইউনুস: ৪৪
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের চেহারা ও সম্পদ দেখেন না, বরং তোমাদের অন্তর ও আমল দেখেন।" — সহীহ মুসলিম: ২৫৬৪
আপনার নামাজ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা বা কাউকে নিরুৎসাহিত করা ইসলামে নিষিদ্ধ। আপনি নামাজ পড়ছেন — আলহামদুলিল্লাহ, এটি আপনার ঈমানের প্রমাণ।
৮. আপনার মূল প্রশ্নগুলোর সরাসরি উত্তর
প্রশ্ন ১: আমি কি আসলে ভুল পথে?
উত্তর: না। আপনি পর্দা রক্ষা করতে চাইছেন — এটি সঠিক পথ। তবে আপনার কষ্টের কারণ হলো পরিবেশ ও স্বামীর সহযোগিতার অভাব। আপনি গুনাহগার নন, বরং আপনি সওয়াবের কাজ করছেন।
প্রশ্ন ২: শ্বশুরবাড়ি না গেলে কি গুনাহ হবে?
উত্তর: যদি সেখানে পর্দা রক্ষা করা সম্ভব না হয়, তবে সেখানে না যাওয়া বা কম যাওয়া জায়েজ। বরং পর্দা রক্ষার জন্য দূরত্ব বজায় রাখা আপনার ইসলামী দায়িত্ব। তবে স্বামীর সাথে সম্পর্ক নষ্ট করা যাবে না — শান্তভাবে সমাধান খুঁজুন।
প্রশ্ন ৩: পর্দা করতে কষ্ট হলে কি গুনাহ হবে?
উত্তর: না, বরং কষ্ট সহ্য করে পর্দা রক্ষা করলে আপনি আল্লাহর কাছে পুরস্কৃত হবেন। কষ্টের সাথে ইবাদত করলে সওয়াব বেড়ে যায়।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "আল্লাহ তাআলা বলেন: 'আমি যখন বান্দাকে পরীক্ষা করি, তখন সে ধৈর্য ধারণ করে, তবে আমি তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দিই।'" — সহীহ বুখারী: ৫৬৪৫
প্রশ্ন ৪: স্বামী খরচ না দিলে কী করব?
উত্তর: এটি তার দায়িত্ব। আপনি শান্তভাবে বলুন, প্রয়োজনে তার পরিবারের বড়দের বা এলাকার মুরব্বিদের মাধ্যমে সমাধান চাইতে পারেন। যদি একান্তই না দেয়, তবে আদালতের মাধ্যমে নফকার দাবি করা যাবে।
প্রশ্ন ৫: সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ আছে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, আপনি নিকটতম নির্ভরযোগ্য মুফতী সাহেবের সাথে মাহরাম পুরুষ এর মাধ্যমে যোগাযোগ করে আপনার যাবতীয় প্রশ্নের জবাব জানতে পারবেন।
৯. ব্যবহারিক পরামর্শ
| সমস্যা | সমাধান | |--------|--------| | দেবরের সামনে পর্দা | পৃথক ঘর, দরজা বন্ধ, বোরকা | | স্বামীর অসহযোগিতা | শান্তভাবে বুঝানো, বড়দের মধ্যস্থতা | | খরচ না দেওয়া | ইসলামী দাবি, প্রয়োজনে আদালত | | মা-বাবার তিরস্কার | ধৈর্য, দুআ, দূরত্ব বজায় রাখা | | নামাজ নিয়ে অভিযোগ | উপেক্ষা করা, আল্লাহর উপর ভরসা |
১০. দুআ
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا "হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের থেকে আমাদের চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদের মুত্তাকীদের ইমাম বানান।" — সূরা আল-ফুরকান: ৭৪
اللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي زَوْجِي وَاجْعَلْ بَيْنَنَا مَوَدَّةً وَرَحْمَةً "হে আল্লাহ! আমার স্বামীকে সংশোধন করুন এবং আমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করুন।"
সংক্ষেপে
১. আপনি ভুল পথে নন — পর্দা রক্ষা করা ফরজ, আপনি সঠিক কাজ করছেন। ২. দেবর মাহরাম নয় — তার সামনে পর্দা ফরজ। ৩. স্বামীর দায়িত্ব — পৃথক বাসস্থান ও নফকা দেওয়া। ৪. স্বামীর অসহযোগিতা — শান্তভাবে বুঝান, প্রয়োজনে মধ্যস্থতা। ৫. নামাজ নিয়ে অভিযোগ — ভিত্তিহীন, উপেক্ষা করুন।
আল্লাহ তাআলা আপনার কষ্ট দূর করুন, আপনার স্বামীকে হেদায়েত দান করুন এবং আপনার পরিবারে শান্তি প্রতিষ্ঠা করুন। আমিন।