মহিলা হিসেবে প্রশাসন ক্যাডারে (BCS) চাকরির ইসলামি বিধান কী?
Miscellaneous Fiqh · Hanafi
Question
পরিবারে আমরা তিন বোন আর মা। বড় বোন বিবাহিত। বাবা ২০১৪ সালে মারা গিয়েছেন। ঢাকায় আমাদের অল্প কিছু জমিজমা আছে আলহামদুলিল্লাহ। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশি যে যেভাবে পারে আমাদের সাথে জমিজমা নিয়ে ঝামেলা করে, আমাদের কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও। কখনো কেউ জোরপূর্বক 'মেইন রোডের পাশের দামি জমি' নিয়ে গিয়ে 'রাস্তা নেই এমন জমি' গছিয়ে দেয়, কেউ বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ করে কাগজ ঠিক থাকা সত্ত্বেও।
আমাদের এক প্রতিবেশি বিল্ডিং করার সময় থেকেই আমাদের সাথে ঝামেলা করছে, তারা আমাদের জায়গা থেকে কিছু পায় না তারপরও। এলাকার গণ্য-মান্য ব্যক্তিদের নিয়ে কয়েকবার বিচার সালিশ করা হয়েছে কিন্তু তারা কথা শুনে না, নিজেদের জুয়া-মদ-মাদক ব্যবসা থেকে অর্জিত টাকার প্রলোভন দেখায় সকলকে। এলাকার বিচারকরাও আমাদের পক্ষে জোর গলায় কথা বলে না।
এই মাসে প্রতিবেশিরা তাদের বাসার মেরামতের কাজ করার সময় আমার সীমানা প্রাচীর ভাংগতে নেয় এবং কিছু অংশ ভেঙে ও ফেলে। মা আর বোন কেন ভাংছে জিজ্ঞেস করলে ইচ্ছামত গালাগালি কিরে। এরপর তাদের বাধা দিলে আমার বোনের সাথে তাদের হাতাহাতি হয়। ঘটনাস্থলে প্রতিবেশি ২ জন লোক ছিল আর আমার বড় বোন। তারা বোনের নিকাব টেনে খুলে ফেলে, জুতা দিয়ে গালে ও হাতে মারে। আমি আর মা যেতে যেতে তারা চলে যায়।
এই রকম লাঞ্চনাকর পরিস্থিতির শিকার আমাদের হতে হয় জমি সংক্রান্ত বিষয়ে। তাই পরিবার চায় এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে আমি বিসিএস দিয়ে প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করি। এজন্য বারবার বলছে। কিন্তু আমি দ্বীন বিরোধী কিছু করতে চাই না।
(আমার বয়স ২৯। জীবনের অনেকটা সময় বেদ্বীন ছিলাম। এখন দ্বীন শিক্ষার প্রতি আমার মন। এই বয়সে এসে ২-৩ বছর সময় বিসিএস এ দেয়ার মতো মানসিকতাই নেই। বিয়ে করে ঘর সংসার ও করতে চাই।তারপরও যদি ইসলামের সাথে প্রশাসন ক্যাডারের চাকরি টা মহিলা হিসেবে করা সাংঘর্ষিক না হয় তাহলে চেষ্টা করবো আরকি)
আমার কি করা উচিত তাহলে?
Answer
চাকরির বিধান: প্রশাসন ক্যাডারে (BCS) মহিলার চাকরি ও জমি-জমা সংক্রান্ত লাঞ্ছনার প্রেক্ষিতে ইসলামি দিকনির্দেশনা
উত্তর (সংক্ষেপে):
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
আপনার প্রশ্নটি মূলত দুইটি দিক নিয়ে গঠিত:
১. জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ ও লাঞ্ছনার সমাধানে করণীয় কী? ২. মহিলা হিসেবে প্রশাসন ক্যাডারে (BCS) চাকরি করা ইসলামে কতটুকু বৈধ?
নিচে কুরআন, হাদিস ও হানাফি ফিকহের কিতাবের আলোকে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
প্রথমত: জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ ও লাঞ্ছনার সমাধানে ইসলামি দিকনির্দেশনা
১. জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধে ধৈর্য ও আল্লাহর উপর ভরসা
আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَلَا تَحْسَبَنَّ اللَّهَ غَافِلًا عَمَّا يَعْمَلُ الظَّالِمُونَ ۚ إِنَّمَا يُؤَخِّرُهُمْ لِيَوْمٍ تَشْخَصُ فِيهِ الْأَبْصَارُ
"আর আপনি কখনো আল্লাহকে গাফেল মনে করবেন না যালিমরা যা করে থাকে সে সম্পর্কে। তিনি তো তাদেরকে শুধু সেই দিন পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে থাকেন, যেদিন চোখগুলো স্থির হয়ে যাবে।" — (সূরা ইবরাহিম: ৪২)
আল্লাহ আরও বলেন:
وَلَا تَهِنُوا وَلَا تَحْزَنُوا وَأَنتُمُ الْأَعْلَوْنَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
"তোমরা হীনবল হয়ো না এবং দুঃখও করো না; তোমরাই বিজয়ী হবে, যদি তোমরা মুমিন হও।" — (সূরা আলে ইমরান: ১৩৯)
২. জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধে ইসলামি পদ্ধতি
হানাফি ফিকহ অনুযায়ী, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত:
(ক) কাগজপত্র ও দলিল সংরক্ষণ করা: আপনার জমির দলিল-দস্তাবেজ, খতিয়ান, নামজারি, মিউটেশন ইত্যাদি সবকিছু নিরাপদে সংরক্ষণ করুন। এগুলোই আপনার মূল শক্তি।
(খ) স্থানীয় সালিশ-বিচারে অংশগ্রহণ: এলাকার গণ্য-মান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশ করা ইসলামে অনুমোদিত। তবে যদি সালিশে ইনসাফ না হয়, তাহলে তা বর্জন করা জায়েজ।
(গ) সরকারি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ: ইসলামে নিজের হক রক্ষার জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা জায়েজ। হানাফি ফিকহের কিতাবসমূহে উল্লেখ আছে যে, কেউ যদি অন্যের জমি দখল করে, তাহলে মালিকের জন্য শাসক বা বিচারকের কাছে অভিযোগ করা বৈধ।
ইমাম ইবন আবিদিন (রহ.) রাদ্দুল মুহতার-এ উল্লেখ করেন:
"যদি কেউ অন্যের সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে, তাহলে মালিকের জন্য শাসকের কাছে অভিযোগ করা এবং তার সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করা জায়েজ।" — (রাদ্দুল মুহতার, কিতাবুল গাসব)
(ঘ) শারীরিক প্রতিরোধ: যদি কেউ আপনার জান-মাল-ইজ্জতের উপর আক্রমণ করে, তাহলে ইসলামে আত্মরক্ষা করা ওয়াজিব। তবে প্রতিরোধ হতে হবে পরিমিত ও ন্যায়সংগত।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:
مَنْ قُتِلَ دُونَ مَالِهِ فَهُوَ شَهِيدٌ
"যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয়, সে শহীদ।" — (সহিহ বুখারি: ২৪৮০, সহিহ মুসলিম: ১৪১)
(ঙ) পুলিশ ও প্রশাসনের সহায়তা নেওয়া: ইসলামে জুলুমের বিরুদ্ধে প্রশাসনের সহায়তা নেওয়া জায়েজ। তবে প্রশাসন যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয় এবং ইনসাফ না করে, তাহলে আল্লাহর উপর ভরসা রাখা এবং ধৈর্য ধারণ করা উচিত।
৩. লাঞ্ছনার শিকার হলে করণীয়
আপনার বোনের সাথে যে হাতাহাতি ও লাঞ্ছনা করা হয়েছে, এটি সুস্পষ্ট জুলুম। ইসলামে জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জায়েজ।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَلَمَنِ انتَصَرَ بَعْدَ ظُلْمِهِ فَأُولَئِكَ مَا عَلَيْهِم مِّن سَبِيلٍ
"আর যে ব্যক্তি জুলুমের শিকার হওয়ার পর প্রতিশোধ নেয়, তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই।" — (সূরা শূরা: ৪১)
তবে প্রতিশোধ হতে হবে ন্যায়সংগত, শরিয়তের সীমা অতিক্রম করে নয়।
দ্বিতীয়ত: মহিলা হিসেবে প্রশাসন ক্যাডারে (BCS) চাকরির বিধান
১. ইসলামে মহিলার চাকরির মূলনীতি
ইসলামে মহিলার জন্য চাকরি করা নিষিদ্ধ নয়, তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে। হানাফি ফিকহ অনুযায়ী, মহিলার জন্য চাকরির শর্তগুলো হলো:
(ক) পর্দা ও হিজাবের বিধান রক্ষা করা: চাকরির পরিবেশ এমন হতে হবে যেখানে পর্দা রক্ষা করা সম্ভব।
(খ) পুরুষদের সাথে অবাধ মেলামেশা না থাকা: যদি চাকরির প্রয়োজনে পুরুষদের সাথে একান্তে (খালওয়া) মেলামেশা করতে হয়, তাহলে তা নিষিদ্ধ।
(গ) স্বামী বা অভিভাবকের অনুমতি: যদি মহিলা বিবাহিত হন, তাহলে স্বামীর অনুমতি প্রয়োজন। অবিবাহিত হলে অভিভাবকের অনুমতি।
(ঘ) চাকরির কাজ ইসলামি শরিয়তের পরিপন্থী না হওয়া: সুদ, ঘুষ, মদ, জুয়া ইত্যাদির সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ নিষিদ্ধ।
২. প্রশাসন ক্যাডারে (BCS) চাকরির ক্ষেত্রে বিশেষ বিবেচনা
প্রশাসন ক্যাডারে (BCS) চাকরি করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে:
(ক) কর্মপরিবেশ: প্রশাসন ক্যাডারে পুরুষদের সাথে মেলামেশা, ফিল্ড ভিজিট, রাত জাগা, একান্তে মিটিং ইত্যাদি হতে পারে। মহিলার জন্য এসব ক্ষেত্রে পর্দা ও শরিয়তের বিধান রক্ষা করা কঠিন হতে পারে।
(খ) ক্ষমতার অপব্যবহার: প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকলে তা দিয়ে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধে নিজের পক্ষে ব্যবহার করা জুলুমের শামিল হতে পারে। ইসলামে ক্ষমতার অপব্যবহার নিষিদ্ধ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:
مَنْ وَلِيَ مِنْ أَمْرِ الْمُسْلِمِينَ شَيْئًا فَاسْتَعْمَلَ رَجُلًا عَلَى عِلْمٍ مِنْهُ فَهُوَ خَائِنٌ
"যে ব্যক্তি মুসলিমদের কোনো বিষয়ের দায়িত্বে থাকবে, অতঃপর জেনে-শুনে অযোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ দেবে, সে খিয়ানতকারী।" — (সুনানে তিরমিজি: ১৩২৭)
(গ) মহিলার জন্য উপযুক্ত বিকল্প: ইসলামে মহিলার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত কর্মক্ষেত্র হলো ঘর। আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ
"আর তোমরা নিজেদের ঘরে অবস্থান করো।" — (সূরা আহজাব: ৩৩)
তবে প্রয়োজনে বাইরে চাকরি করা জায়েজ, যদি শরিয়তের শর্তগুলো পূর্ণ হয়।
৩. হানাফি ফিকহের কিতাবসমূহে মহিলার চাকরির বিধান
ফাতাওয়া উসমানি-তে মুফতি তাকি উসমানি (দা.বা.) উল্লেখ করেন:
"মহিলার জন্য চাকরি করা জায়েজ, তবে শর্ত হলো পর্দা রক্ষা করা, পুরুষদের সাথে অবাধ মেলামেশা না করা, এবং চাকরির কাজ ইসলামি শরিয়তের পরিপন্থী না হওয়া। যদি এসব শর্ত পূর্ণ না হয়, তাহলে চাকরি করা জায়েজ নয়।" — (ফাতাওয়া উসমানি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৪৫০)
ইমদাদুল ফাতাওয়া-তে হাকিমুল উম্মত থানভি (রহ.) উল্লেখ করেন:
"মহিলার জন্য বাইরের চাকরি করা জায়েজ, যদি সে পর্দা রক্ষা করে এবং ফিতনার আশঙ্কা না থাকে। তবে ঘরে থাকাই তার জন্য উত্তম।" — (ইমদাদুল ফাতাওয়া, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৩৮০)
বাহিশতী জেওর-এ হাকিমুল উম্মত থানভি (রহ.) উল্লেখ করেন:
"মহিলার জন্য বাইরে চাকরি করা জায়েজ নয়, যদি তাতে পর্দার বিধান লঙ্ঘিত হয় বা পুরুষদের সাথে মেলামেশা করতে হয়।" — (বাহিশতী জেওর, পৃষ্ঠা ৩৫০)
৪. আপনার পরিস্থিতিতে করণীয়
আপনার পরিস্থিতিতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিত:
(ক) প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি করা: যদি আপনি প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি করেন, তাহলে পর্দা ও শরিয়তের বিধান রক্ষা করা কঠিন হবে। কারণ প্রশাসনিক কাজে পুরুষদের সাথে মেলামেশা, ফিল্ড ভিজিট, রাত জাগা ইত্যাদি অনিবার্য। তাই আপনার জন্য প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি করা জায়েজ নয়, কেননা এক্ষেত্রে আপনি পর্দা ও শরিয়তের বিধান পূর্ণভাবে রক্ষা করে চলতে পারবেননা।
(খ) বিকল্প পেশা: আপনি ঘরে বসে অনলাইন ব্যবসা, টিউশনি, হস্তশিল্প, বা মহিলাদের জন্য উপযুক্ত কোনো পেশা গ্রহণ করতে পারেন। এতে আপনি দ্বীন ও দুনিয়া উভয়ই রক্ষা করতে পারবেন।
(গ) জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের সমাধান: জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের সমাধানের জন্য আপনি সরাসরি প্রশাসন ক্যাডারে না গিয়ে, একজন বিশ্বস্ত উকিল বা আইনজীবীর মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন। অথবা স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা নিতে পারেন।
(ঘ) বিয়ে ও ঘর সংসার: আপনার বয়স ২৯ বছর। আপনি বিয়ে করে ঘর সংসার করতে চান। এটি ইসলামে প্রশংসনীয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:
يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ مَنِ اسْتَطَاعَ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ
"হে যুবকগণ! তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিবাহের সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিবাহ করে।" — (সহিহ বুখারি: ৫০৬৫, সহিহ মুসলিম: ১৪০০)
তাই আপনার জন্য উত্তম হলো, বিয়ে করে ঘর সংসার করা এবং দ্বীন শিক্ষার প্রতি মনোযোগ দেওয়া।
(ঙ) দ্বীন শিক্ষা: আপনি দ্বীন শিক্ষার প্রতি আগ্রহী। এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আপনি ঘরে বসে অনলাইনে বা স্থানীয় মাদ্রাসায় দ্বীন শিক্ষা করতে পারেন। মহিলাদের জন্য দ্বীন শিক্ষা করা ফরজ।
সারসংক্ষেপ ও চূড়ান্ত পরামর্শ
১. জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধে: ধৈর্য ধারণ করুন, আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন, কাগজপত্র সংরক্ষণ করুন, আইনি ব্যবস্থা নিন, এবং প্রয়োজনে প্রশাসনের সহায়তা নিন। তবে প্রতিশোধে সীমা অতিক্রম করবেন না।
২. প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি: মহিলা হিসেবে প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি করা আপনার জন্য জায়েজ নয়, কেননা এক্ষেত্রে আপনি পর্দা ও শরিয়তের বিধান পূর্ণভাবে রক্ষা করতে পারবেননা। কারণ প্রশাসনিক কাজে পুরুষদের সাথে মেলামেশা, ফিল্ড ভিজিট, রাত জাগা ইত্যাদি অনিবার্য।
৩. বিকল্প: ঘরে বসে অনলাইন ব্যবসা, টিউশনি, হস্তশিল্প, বা মহিলাদের জন্য উপযুক্ত কোনো পেশা গ্রহণ করুন। বিয়ে করে ঘর সংসার করুন এবং দ্বীন শিক্ষা করুন।
৪. দুআ: আল্লাহর কাছে দুআ করুন যেন তিনি আপনার পরিবারকে জুলুম থেকে রক্ষা করেন এবং উত্তম সমাধান দেন।
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
"হে আমাদের রব! আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দিন, আখিরাতেও কল্যাণ দিন, এবং আমাদের জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করুন।" — (সূরা বাকারা: ২০১)
রেফারেন্স
- আল-কুরআনুল কারিম
- সহিহ বুখারি
- সহিহ মুসলিম
- সুনানে তিরমিজি
- রাদ্দুল মুহতার (ইবন আবিদিন)
- ফাতাওয়া উসমানি (মুফতি তাকি উসমানি)
- ইমদাদুল ফাতাওয়া (হাকিমুল উম্মত থানভি)
- বাহিশতী জেওর (হাকিমুল উম্মত থানভি)
- ফাতাওয়া আলমগিরি
- আল-হিদায়া