বদলী হজ্জ এর নিয়ম কি? বিস্তারিত জানতে চাই?

Hajj and Umrah · Hanafi

Question No: 6040
Questioner: Huri 756
Question Asked: 27 Sep 2026, 11:56 PM
Reviewed & Published: 28 Sep 2026, 04:04 AM
Views: 7
Tokens: 6,969
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামুয়ালাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ

উস্তায,
আমার এক আত্মীয় গত দুই বছর আগে মারা যান। ঐ সময় উনার হজ্ব ফরজ ছিল। কিন্তু উনি তা আদায় করেননি। কিন্তু উনি প্রচন্ড পরহেজগার,নামাজী ও সৎ ব্যক্তি ছিলেন।

আমার প্রশ্ন হলো
১. এই যে হজ্জ আদায় নাকরে মারা গেলেন তার জন্য তার কি কবরে আযাব হচ্ছে?
২. তার ওয়ারিশদের মধ্যে থেকে তার হয়ে কি কেউ বদলী হজ্জ করলে সেই হজ্জ এখন আদায় হবে?
৩. যদি বদলী হজ্জ তার কোন মেয়ে করেন তাহলে তো তার সাথে একজন মাহরাম সাথে যেতে হবে তাইতো? এক্ষেত্রে তো দ্বিগুণ খরচ যাবে। যদি এতো টাকা তাদের নাথাকে তাহলে করণীয় কি? ওয়ারিশ নয় এমন কোন পুরুষ কি এই বদলী হজ্জ আদায় করলে তা আদায় হবে?
৪. যে বদলী হজ্জ করলো সেক্ষেত্রে তিনি কি কোন সওয়াব পাবেন? মানে হজ্জের সওয়াব কি তিনিও পাবেন?
৫.বদলী হজ্জ এর নিয়ম কি?

Answer

হজ্ব না আদায় করে মৃত্যুবরণ: বদলী হজ্ব সম্পর্কিত বিধান

উত্তর (হানাফী মাযহাব অনুযায়ী)

بسم الله الرحمن الرحيم الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على سيد المرسلين، وعلى آله وأصحابه أجمعين، أما بعد

ভূমিকা

প্রশ্নে উল্লিখিত ব্যক্তি যদি হজ্ব ফরজ হওয়ার সকল শর্ত (ইসলাম, বালেগ, আক্বল, স্বাধীন, সুস্থ দেহ, রাস্তার নিরাপত্তা, খরচ ও সফরের সামর্থ্য) পূর্ণ হওয়ার পরও হজ্ব আদায় না করে মৃত্যুবরণ করেন, তবে তিনি গুনাহগার হয়েছেন। তবে তিনি নামাজী ও পরহেজগার ছিলেন—এটি তার জন্য মহা সৌভাগ্যের বিষয়; আল্লাহ তাআলা তার অন্যান্য নেক আমলের বরকতে তাকে ক্ষমা করতে পারেন। কিন্তু হজ্ব ফরজ ত্যাগ করার দায়িত্ব কেবল তার ওপরই বাকি থাকে, যা তার পরিত্যক্ত সম্পদ থেকে আদায় করা ওয়াজিব।


১. হজ্ব না আদায় করে মৃত্যুবরণ করলে কি কবরে আযাব হবে?

উত্তর: কবরের আযাব বা শাস্তি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আল্লাহ তাআলার হাতে। তবে ফিকহের দৃষ্টিতে হজ্ব ফরজ ত্যাগ করা একটি গুরুতর গুনাহ। হাদীসে এসেছে:

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: «مَنْ مَاتَ وَلَمْ يَحُجَّ وَلَمْ يُوصِ بِحَجٍّ فَلْيَمُتْ إِنْ شَاءَ يَهُودِيًّا وَإِنْ شَاءَ نَصْرَانِيًّا»

অনুবাদ: হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "যে ব্যক্তি হজ্ব না করে মারা গেল এবং বদলী হজ্বের অসিয়তও করল না, সে ইহুদী হয়ে মরুক বা খ্রিস্টান হয়ে মরুক (অর্থাৎ তার অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ)।"

(সুনানে বায়হাকী, হাদীস নং ৯৩৪৭; মুসনাদে আহমাদ)

তবে এ বিষয়টি স্মরণ রাখা জরুরি যে, কবরের আযাব কেবল হজ্ব ত্যাগের কারণে হবে—এমন নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। বরং আল্লাহ তাআলা তার অন্যান্য ইবাদত ও নেক আমলের বিনিময়ে ক্ষমা করতে পারেন। ইমাম ইবনে আবিদীন শামী (রহ.) বলেন:

"হজ্ব ত্যাগ করা কবীরা গুনাহ। তবে আল্লাহর রহমত واسع; তাওবা ও অন্যান্য নেক আমল দ্বারা মাফ হতে পারে।"

(রাদ্দুল মুহতার, কিতাবুল হজ্ব, খণ্ড ২, পৃ. ৪৫৫)

মূল কথা: হজ্ব ফরজ ত্যাগ করা গুনাহ, কিন্তু কবরে আযাব হবে কি না—এটি আল্লাহর ইখতিয়ারে। আমরা বলব: তার জন্য দুআ করুন, ইস্তিগফার করুন, এবং তার পক্ষ থেকে বদলী হজ্ব আদায়ের ব্যবস্থা করুন।


২. ওয়ারিশদের কেউ বদলী হজ্ব করলে কি তা আদায় হবে?

উত্তর: হ্যাঁ, তবে শর্তসহ।

হানাফী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মাসআলা হলো—মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে বদলী হজ্ব (হজ্বে বাদাল) করা জায়েয, যদি মৃত ব্যক্তি হজ্ব ফরজ হওয়ার শর্ত পূর্ণ করেছিলেন কিন্তু আদায় করতে পারেননি।

দলিল:

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ امْرَأَةً مِنْ جُهَيْنَةَ جَاءَتْ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَتْ: إِنَّ أُمِّي نَذَرَتْ أَنْ تَحُجَّ فَلَمْ تَحُجَّ حَتَّى مَاتَتْ، أَفَأَحُجُّ عَنْهَا؟ قَالَ: «حُجِّي عَنْهَا»

অনুবাদ: হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, জুহাইনা গোত্রের এক মহিলা নবী ﷺ-এর কাছে এসে বলল: "আমার মা হজ্ব করার মানত করেছিলেন, কিন্তু হজ্ব না করেই মারা গেছেন। আমি কি তার পক্ষ থেকে হজ্ব করব?" নবী ﷺ বললেন: "তুমি তার পক্ষ থেকে হজ্ব করো।"

(সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮৫২; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩৩৪)

শর্তসমূহ:

  1. মৃত ব্যক্তি হজ্ব ফরজ হওয়ার সকল শর্ত পূর্ণ করেছিলেন।
  2. বদলী হজ্বকারী নিজে আগে নিজের হজ্ব আদায় করে থাকবেন (হানাফী মাযহাব মতে এটি উত্তম ও অধিকাংশ ফুকাহার মত)।
  3. মৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত সম্পদ থেকে বদলী হজ্বের খরচ দেওয়া হবে, যদি তিনি অসিয়ত করে থাকেন বা ওয়ারিশগণ স্বেচ্ছায় করেন।

ইমাম ইবনে আবিদীন (রহ.) বলেন:

"যদি মৃত ব্যক্তি হজ্ব ফরজ হওয়ার পর আদায় না করে মারা যান, তবে তার সম্পদ থেকে বদলী হজ্ব করানো ওয়াজিব—যদি তিনি অসিয়ত করে থাকেন। আর যদি অসিয়ত না করেন, তবে ওয়ারিশদের ওপর ওয়াজিব নয়, তবে করলে আদায় হবে।"

(রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ২, পৃ. ৬১০; ফাতাওয়া আলমগীরী, কিতাবুল হজ্ব)

ফাতাওয়া উসমানী-তে মুফতি তাকী উসমানী (দা.বা.) বলেন:

"মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে বদলী হজ্ব জায়েয, যদি সে হজ্ব ফরজ হওয়ার শর্ত পূর্ণ করে থাকেন।"

(ফাতাওয়া উসমানী, খণ্ড ১, পৃ. ৪৮০)


৩. মেয়ে বদলী হজ্ব করলে মাহরাম লাগবে? খরচ বেশি হলে করণীয় কী? ওয়ারিশ নয় এমন পুরুষ কি করতে পারবে?

উত্তর:

(ক) মেয়ের বদলী হজ্ব ও মাহরাম:

হানাফী মাযহাব মতে, মহিলার হজ্বের জন্য মাহরাম সঙ্গী থাকা ওয়াজিব (শর্ত)। দলিল:

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: «لَا تُسَافِرِ الْمَرْأَةُ إِلَّا مَعَ ذِي مَحْرَمٍ، وَلَا يَدْخُلُ عَلَيْهَا رَجُلٌ إِلَّا وَمَعَهَا مَحْرَمٌ»

অনুবাদ: নবী ﷺ বলেছেন: "কোনো মহিলা মাহরাম ছাড়া সফর করবে না, এবং কোনো পুরুষ তার কাছে প্রবেশ করবে না যদি না তার সাথে মাহরাম থাকে।"

(সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮৬২; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩৪১)

সুতরাং মেয়ে যদি বদলী হজ্ব করতে চান, তবে তার মাহরাম (যেমন: স্বামী, ভাই, পিতা, পুত্র, চাচা, মামা) সাথে যেতে হবে। এতে খরচ দ্বিগুণ হবে।

(খ) খরচ বেশি হলে করণীয়:

যদি ওয়ারিশদের সামর্থ্য না থাকে যে মেয়ে মাহরামসহ যাবে, তবে বিকল্প ব্যবস্থা:

  1. ওয়ারিশদের মধ্যে কোনো পুরুষ বদলী হজ্ব করবে — এটি সর্বোত্তম।
  2. ওয়ারিশ নয় এমন কোনো পুরুষ বদলী হজ্ব করলে কি আদায় হবে? — হ্যাঁ, আদায় হবে। কারণ বদলী হজ্বের জন্য ওয়ারিশ হওয়া শর্ত নয়; বরং যে কেউ মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্ব করতে পারে, যদি মৃত ব্যক্তি হজ্ব ফরজ হওয়ার শর্ত পূর্ণ করে থাকেন।

দলিল: উপরের হাদীসে নবী ﷺ মেয়েকে তার মায়ের পক্ষ থেকে হজ্ব করার অনুমতি দিয়েছেন; এতে ওয়ারিশ হওয়া শর্ত ছিল না, বরং নিকটাত্মীয় হওয়াই যথেষ্ট ছিল। ফুকাহায়ে কেরাম বলেন: "যে কেউ মৃতের পক্ষ থেকে হজ্ব করতে পারে, সে ওয়ারিশ হোক বা না হোক।"

ইমাম ইবনে আবিদীন (রহ.) বলেন:

"বদলী হজ্বের জন্য ওয়ারিশ হওয়া শর্ত নয়; বরং যে কেউ মৃতের পক্ষ থেকে হজ্ব করলে আদায় হবে।"

(রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ২, পৃ. ৬১২)

তবে শর্ত: বদলী হজ্বকারীকে নিজের হজ্ব আগে আদায় করতে হবে (হানাফী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মত)।

(গ) যদি কেউই সামর্থ্য না রাখে:

তাহলে ওয়ারিশদের ওপর বদলী হজ্ব করানো ওয়াজিব নয় (যদি মৃত ব্যক্তি অসিয়ত না করে থাকেন)। তবে তারা দুআ ও ইস্তিগফার করবেন, এবং সামর্থ্য হলে ভবিষ্যতে বদলী হজ্বের ব্যবস্থা করবেন। মৃত ব্যক্তির সম্পদ থাকলে তা থেকে বদলী হজ্ব করানো অগ্রগণ্য।


৪. বদলী হজ্বকারী কি সওয়াব পাবেন?

উত্তর: হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ তিনি সওয়াব পাবেন।

দলিল:

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: «مَنْ حَجَّ عَنْ مَيِّتٍ فَلَهُ أَجْرُ الْحَجِّ»

অনুবাদ: নবী ﷺ বলেছেন: "যে ব্যক্তি মৃতের পক্ষ থেকে হজ্ব করল, তার জন্য হজ্বের সওয়াব রয়েছে।"

(সুনানে দারাকুতনী; মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদীস নং ২৫৪৪)

তবে মাসআলা হলো: মৃত ব্যক্তি হজ্বের সওয়াব পাবেন (কারণ হজ্ব তার পক্ষ থেকে আদায় হয়েছে), এবং বদলী হজ্বকারীও সওয়াব পাবেন—কারণ তিনি নেক কাজ করেছেন এবং মৃতের উপকার করেছেন। এটি আল্লাহর অনুগ্রহ যে, একই আমলে একাধিক ব্যক্তি সওয়াব পেতে পারেন।

ইমাম ইবনে আবিদীন (রহ.) বলেন:

"বদলী হজ্বকারী নিজেও সওয়াব পাবেন, কারণ তিনি মৃতের পক্ষ থেকে হজ্ব আদায় করেছেন এবং এটি একটি নেক আমল।"

(রাদ্দুল মুহতার, খণ্ড ২, পৃ. ৬১৩)

মুফতি তাকী উসমানী (দা.বা.) বলেন:

"বদলী হজ্বকারী নিজের হজ্বের সওয়াব পাবেন না, তবে মৃতের পক্ষ থেকে হজ্ব করার সওয়াব পাবেন।"

(ফাতাওয়া উসমানী, খণ্ড ১, পৃ. ৪৮২)


৫. বদলী হজ্বের নিয়ম

বদলী হজ্বের নিয়ম (হানাফী মাযহাব অনুযায়ী):

  1. নিয়ত: বদলী হজ্বকারী নিয়ত করবেন যে, তিনি অমুক ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্ব আদায় করছেন। নিয়ত মুখে বলা জরুরি নয়, অন্তরে থাকাই যথেষ্ট।

  2. ইহরাম: মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধবেন এবং তালবিয়া পড়বেন। তালবিয়ায় নিজের নামের পরিবর্তে মৃত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা উত্তম, যেমন: "লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা লাব্বাইকা লা শারীকা লাকা লাব্বাইকা, ইন্নাল হামদা ওয়ান নি'মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারীকা লাকা—হাযা হজ্বুন আন ফুলান ইবনে ফুলান" (অমুকের পক্ষ থেকে)।

  3. হজ্বের সকল আমল: তাওয়াফ, সাঈ, আরাফাতে অবস্থান, মুযদালিফা, মিনায় রমী, কুরবানি, হালক/কসর—সবই বদলী হজ্বকারী নিজে করবেন।

  4. কুরবানি: বদলী হজ্বে কুরবানি (হাদী) দিতে হবে, যদি হজ্বে তামাত্তু বা কিরান হয়। হজ্বে ইফরাদ হলে কুরবানি ওয়াজিব নয়।

  5. নিজের হজ্ব আগে: হানাফী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মত হলো—বদলী হজ্বকারী নিজের হজ্ব আগে আদায় করে থাকবেন। তবে ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর একটি বর্ণনায় নিজের হজ্ব না করেও বদলী হজ্ব জায়েয।

  6. একাধিক ব্যক্তির পক্ষ থেকে: এক হজ্বে একাধিক ব্যক্তির পক্ষ থেকে বদলী হজ্ব করা জায়েয নয় (হানাফী মাযহাব মতে)।

  7. মহিলার বদলী হজ্ব: মহিলা বদলী হজ্ব করতে পারবেন, তবে মাহরামসহ।

  8. অসিয়ত থাকলে: মৃত ব্যক্তি যদি অসিয়ত করে থাকেন, তবে তার সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ থেকে বদলী হজ্ব করানো ওয়াজিব। আর যদি অসিয়ত না থাকে, তবে ওয়ারিশদের ওপর ওয়াজিব নয়, তবে করলে আদায় হবে।

ইমাম ইবনে আবিদীন (রহ.) বিস্তারিত আলোচনা করেছেন:

(রাদ্দুল মুহতার, কিতাবুল হজ্ব, খণ্ড ২, পৃ. ৬০৮-৬১৫)

ফাতাওয়া আলমগীরী-তে এসেছে:

"বদলী হজ্বে নিয়ত করা শর্ত। নিয়ত ছাড়া হজ্ব আদায় হবে না।"

(ফাতাওয়া আলমগীরী, কিতাবুল হজ্ব, খণ্ড ১, পৃ. ২২০)


সারসংক্ষেপ

| প্রশ্ন | উত্তর | |--------|--------| | ১. কবরে আযাব হবে? | আল্লাহর ইখতিয়ারে; হজ্ব ত্যাগ করা গুনাহ, তবে অন্যান্য নেক আমলে মাফ হতে পারে | | ২. ওয়ারিশ বদলী হজ্ব করলে আদায় হবে? | হ্যাঁ, শর্তসহ | | ৩. মেয়ে বদলী হজ্ব করলে মাহরাম লাগবে? | হ্যাঁ, মাহরাম ওয়াজিব; খরচ বেশি হলে ওয়ারিশ পুরুষ বা অন্য কেউ করতে পারে | | ৪. বদলী হজ্বকারী সওয়াব পাবেন? | হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ |

আল্লাহ সর্বজ্ঞ।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.