আলেমদের উদ্দেশে "মূর্খ" বলা এবং "আজাইরা তথ্য দেয়, এদের কথা শুনতাম না" বলা কি কুফর?

Miscellaneous Fiqh · Hanafi

Question No: 5870
Questioner: Ch Rafi
Question Asked: 23 Sep 2026, 07:41 PM
Reviewed & Published: 23 Sep 2026, 09:07 PM
Views: 26
Tokens: 8,128
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আমার মাদ্রাসার একজন হুজুরের পরামর্শে একজন ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে জানতে পারি যে, ওই ডাক্তার সম্পর্কে দেওয়া তথ্য সঠিক ছিল না এবং আমার কাছে ডাক্তারটিকে ভুয়া মনে হয়েছে।

এ বিষয়টি দেখে আমার স্ত্রী রাগ করে ও বলে “হুজুরের বাচ্চারা মূর্খ, আজাইরা তথ্য দেয়; এদের কথা শুনতাম না।”

এখানে “হুজুরের বাচ্চারা” বলতে আলেমদের উদ্দেশ্যেই কথাটি বলা হয়েছে। আমার স্ত্রী দ্বীনি জ্ঞানের ব্যপারে যত্নশীল, আমার যা মনে হচ্ছে “মূর্খ” বলার দ্বারা তাদের দুনিয়াবি বিষয়ে জ্ঞান কম বা এ বিষয়ে অজ্ঞ বোঝানো উদ্দেশ্য ছিল। তাদের দ্বীনি ইলম, আলেম হওয়া বা শরিয়তের কোনো বিধানকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা উদ্দেশ্য ছিল না।
তবে কথাটি তিরস্কারমূলকভাবে বলা হয়েছে।

আমার প্রশ্ন হলো:

১. এভাবে আলেমদের উদ্দেশে “মূর্খ” বলা এবং “আজাইরা তথ্য দেয়, এদের কথা শুনতাম না” বলা কি কুফর হিসেবে গণ্য হবে?

২.
১ম জন: খালি ডাক্তার দেখালে বাচ্চা হবে ? কিছু আল্লাহর হুকুমও লাগে
২য় জন: আল্লাহর হুকুমইতো আসল, বাকিতা তো উসিলা
১ম জন: হ্যা,

১ম জন প্রথমে যে বললো "কিছু আল্লাহর হুকুমও লাগে" এই কথায় কি আল্লাহর হুকুমকে ছোট করে দেখা বুঝানোর কারণে কুফর হয়ে প্রথম জন কাফের হয়ে যাবে??

Answer

আলেমদের ব্যাপারে এরূপ মন্তব্য সম্পর্কে

ভূমিকা

প্রশ্নটি দুটি অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশ আলেমদের উদ্দেশ্যে স্ত্রীর মন্তব্য সম্পর্কে, দ্বিতীয় অংশ আল্লাহর হুকুম সম্পর্কে দু'জনের কথোপকথন সম্পর্কে। নিচে কুরআন, হাদীস ও হানাফী ফিকহের কিতাবসমূহের আলোকে বিস্তারিত উত্তর প্রদান করা হলো।


প্রথম প্রশ্ন: আলেমদের উদ্দেশে "মূর্খ" বলা এবং "আজাইরা তথ্য দেয়, এদের কথা শুনতাম না" বলা কি কুফর?

১. মূলনীতি: কুফর ও গালি-তিরস্কারের পার্থক্য

ইসলামী শরীয়তে কুফর হলো ঈমানের মূল বিষয়সমূহকে অস্বীকার করা বা শরীয়তের কোনো অকাট্য বিধানকে অস্বীকার করা। পক্ষান্তরে কোনো ব্যক্তিকে গালি দেওয়া বা তিরস্কার করা—যদিও তা গুনাহ—সরাসরি কুফর নয়, যতক্ষণ না তাতে শরীয়তের কোনো অকাট্য বিধানের প্রতি অবমাননা বা অস্বীকার প্রকাশ পায়।

আল্লাহ তা'আলা বলেন:

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا يَسْخَرْ قَوْمٌ مِّن قَوْمٍ عَسَىٰ أَن يَكُونُوا خَيْرًا مِّنْهُمْ وَلَا نِسَاءٌ مِّن نِّسَاءٍ عَسَىٰ أَن يَكُنَّ خَيْرًا مِّنْهُنَّ ۖ وَلَا تَلْمِزُوا أَنفُسَكُمْ وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ ۖ بِئْسَ الِاسْمُ الْفُسُوقُ بَعْدَ الْإِيمَانِ ۚ وَمَن لَّمْ يَتُبْ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ

অর্থ: "হে ঈমানদারগণ! কোনো পুরুষ অন্য পুরুষকে উপহাস করবে না, হতে পারে সে তাদের চেয়ে উত্তম। আর কোনো নারী অন্য নারীকে উপহাস করবে না, হতে পারে সে তাদের চেয়ে উত্তম। আর তোমরা একে অপরকে দোষারোপ করো না এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডাকো না। ঈমানের পর মন্দ নাম অত্যন্ত নিকৃষ্ট। আর যারা তাওবা না করে, তারাই জালিম।" (সূরা আল-হুজুরাত: ১১)

আল্লাহ তা'আলা আরও বলেন:

وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ ۚ إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُولَٰئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا

অর্থ: "আর যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই, তার পিছনে পড়ো না। নিশ্চয়ই কান, চোখ ও অন্তর—এসবের প্রত্যেকটির ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।" (সূরা আল-ইসরা: ৩৬)

২. আলেমদের মর্যাদা ও তাদের অবমাননার বিধান

আলেমগণ হলেন নবীগণের উত্তরাধিকারী। তাদের অবমাননা করা বা তাদের সম্পর্কে অশোভন মন্তব্য করা গুরুতর গুনাহ।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:

الْعُلَمَاءُ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ

অর্থ: "আলেমগণ নবীগণের উত্তরাধিকারী।" (সুনানে আবু দাউদ: ৩৬৪১, সুনানে তিরমিযী: ২৬৮২)

রাসূলুল্লাহ ﷺ আরও বলেন:

مَنْ أَهَانَ عَالِمًا فَقَدْ أَهَانَ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ

অর্থ: "যে ব্যক্তি কোনো আলেমকে অপমান করল, সে যেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে অপমান করল।" (আল-মু'জামুল আওসাত, তাবারানী)

ইমাম ইবনে আবিদীন শামী (রহ.) "রাদ্দুল মুহতার"-এ উল্লেখ করেন:

وَالْإِهَانَةُ لِلْعُلَمَاءِ وَالِاسْتِخْفَافُ بِهِمْ مِنْ أَعْظَمِ الْكَبَائِرِ

অর্থ: "আলেমদের অপমান করা এবং তাদের প্রতি হালকা দৃষ্টি দেওয়া কবীরা গুনাহসমূহের মধ্যে সর্বাধিক গুরুতর।" (রাদ্দুল মুহতার: ১/৫৬)

৩. প্রশ্নে উল্লিখিত মন্তব্যের বিশ্লেষণ

প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে যে, স্ত্রী "হুজুরের বাচ্চারা মূর্খ, আজাইরা তথ্য দেয়; এদের কথা শুনতাম না" বলেছেন। এখানে কয়েকটি দিক বিবেচনা করতে হবে:

ক. "মূর্খ" বলার উদ্দেশ্য:

প্রশ্নকারী নিজেই বলেছেন যে, তার স্ত্রীর উদ্দেশ্য ছিল দুনিয়াবি বিষয়ে জ্ঞান কম বা এ বিষয়ে অজ্ঞ বোঝানো—দ্বীনি ইলম, আলেম হওয়া বা শরীয়তের কোনো বিধানকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা নয়। যদি প্রকৃতপক্ষেই উদ্দেশ্য তাই হয় এবং শরীয়তের কোনো বিধান বা আলেমদের দ্বীনি মর্যাদাকে অস্বীকার বা অবমাননা না করা হয়, তাহলে তা কুফর হবে না; বরং তা গুনাহ ও অনুচিত মন্তব্য হবে।

খ. "আজাইরা তথ্য দেয়" বলার অর্থ:

যদি উদ্দেশ্য হয় যে, ওই নির্দিষ্ট হুজুর বা নির্দিষ্ট ব্যক্তি ভুল তথ্য দিয়েছেন—এটি একটি নির্দিষ্ট ঘটনার অভিযোগ। এটি কুফর নয়। কিন্তু যদি সাধারণভাবে সব আলেমকে "আজাইরা তথ্য দেয়" বলা হয় এবং তাদের দ্বীনি ইলমকে অস্বীকার করা হয়, তাহলে তা গুরুতর গুনাহ এবং কুফরের সীমায় পৌঁছাতে পারে।

গ. "এদের কথা শুনতাম না" বলা:

যদি উদ্দেশ্য হয় যে, ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে ওই নির্দিষ্ট ব্যক্তির কথা শুনব না—এটি জায়েয। কিন্তু যদি উদ্দেশ্য হয় যে, আলেমদের কথা বা শরীয়তের বিধান শুনব না—তাহলে তা কুফর।

৪. হানাফী ফিকহের সিদ্ধান্ত

ইমাম ইবনে আবিদীন শামী (রহ.) "রাদ্দুল মুহতার"-এ বলেন:

لَا يَكْفُرُ بِسَبِّ الْعَالِمِ إِلَّا إِذَا قَصَدَ بِهِ سَبَّ الْعِلْمِ أَوِ الدِّينِ

অর্থ: "শুধু আলেমকে গালি দেওয়ার দ্বারা কুফর হয় না, তবে যদি উদ্দেশ্য হয় ইলম বা দ্বীনকে গালি দেওয়া, তাহলে কুফর হবে।" (রাদ্দুল মুহতার: ৪/২৩০)

ফাতাওয়া আলমগীরীতে উল্লেখ আছে:

وَإِنْ سَبَّ الْعَالِمَ لِأَجْلِ عِلْمِهِ أَوْ دِينِهِ كَفَرَ، وَإِنْ سَبَّهُ لِأَمْرٍ دُنْيَوِيٍّ لَمْ يَكْفُرْ

অর্থ: "যদি কেউ আলেমকে তার ইলম বা দ্বীনের কারণে গালি দেয়, তাহলে কুফর হবে। আর যদি দুনিয়াবি কোনো কারণে গালি দেয়, তাহলে কুফর হবে না।" (ফাতাওয়া আলমগীরী: ২/২৬৪)

মুফতি তাকী উসমানী (দা.বা.) "ফাতাওয়া উসমানী"-তে বলেন:

عُلَمَاءِ كِرَام کی توہین اگر دین کی وجہ سے ہو تو کفر ہے، اور اگر دنیاوی معاملہ کی وجہ سے ہو تو کفر نہیں، البتہ گناہ کبیرہ ہے۔

অর্থ: "আলেমে কেরামের অবমাননা যদি দ্বীনের কারণে হয়, তাহলে কুফর। আর যদি দুনিয়াবি বিষয়ের কারণে হয়, তাহলে কুফর নয়; তবে কবীরা গুনাহ।" (ফাতাওয়া উসমানী: ১/১৩২)

৫. উপসংহার (প্রথম প্রশ্ন)

প্রশ্নে উল্লিখিত বিবরণ অনুযায়ী:

  • যদি স্ত্রীর উদ্দেশ্য প্রকৃতপক্ষেই দুনিয়াবি বিষয়ে অজ্ঞতা বোঝানো হয় এবং শরীয়তের কোনো বিধান বা আলেমদের দ্বীনি মর্যাদাকে অস্বীকার বা অবমাননা না করা হয়, তাহলে তা কুফর হবে না; বরং তা গুনাহ ও অনুচিত মন্তব্য হবে।
  • তবে আলেমদের সম্পর্কে এরূপ মন্তব্য করা গুরুতর গুনাহ। তার উচিত তাওবা করা এবং ভবিষ্যতে এমন মন্তব্য থেকে বিরত থাকা।
  • যদি কখনো উদ্দেশ্য হয় আলেমদের দ্বীনি ইলম বা শরীয়তের বিধানকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা, তাহলে তা কুফর হবে এবং তাওবা করতে হবে।

তবে সতর্কতা: কুফর-ঈমানের মাসআলা অত্যন্ত সূক্ষ্ম। মুখে বলা কথার উপর ভিত্তি করে কাউকে কাফের বলা যায় না, যতক্ষণ না তার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও বিশ্বাস স্পষ্টভাবে জানা যায়। তাই এ বিষয়ে সরাসরি কোনো ব্যক্তিকে কাফের বলা থেকে বিরত থাকা উচিত।


দ্বিতীয় প্রশ্ন: "কিছু আল্লাহর হুকুমও লাগে" বলার দ্বারা আল্লাহর হুকুমকে ছোট করা বোঝানো কি কুফর?

১. কথোপকথনের বিশ্লেষণ

প্রশ্নে উল্লিখিত কথোপকথন:

১ম জন: খালি ডাক্তার দেখালে বাচ্চা হবে? কিছু আল্লাহর হুকুমও লাগে। ২য় জন: আল্লাহর হুকুমইতো আসল, বাকিটা তো উসিলা। ১ম জন: হ্যাঁ।

এখানে ১ম জন "কিছু আল্লাহর হুকুমও লাগে" বলেছেন। এর অর্থ হলো—শুধু ডাক্তার দেখাই যথেষ্ট নয়, আল্লাহর হুকুমও প্রয়োজন। অর্থাৎ তিনি আল্লাহর হুকুমের প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করেছেন।

২. "কিছু" শব্দের বিশ্লেষণ

প্রশ্নকারীর আশঙ্কা হলো, "কিছু আল্লাহর হুকুমও লাগে" বলার দ্বারা আল্লাহর হুকুমকে ছোট করা বোঝানো হয়েছে কি না।

বিশ্লেষণ:

  • যদি "কিছু" শব্দটি আল্লাহর হুকুমের পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় (অর্থাৎ আল্লাহর হুকুম সামান্য লাগে), তাহলে তা কুফর।
  • কিন্তু যদি "কিছু" শব্দটি "অতিরিক্ত কিছু" বা "আরও একটি বিষয়" অর্থে ব্যবহৃত হয় (অর্থাৎ ডাক্তার দেখার সাথে সাথে আল্লাহর হুকুমও লাগে), তাহলে তা কুফর নয়; বরং এটি আল্লাহর হুকুমের প্রয়োজনীয়তার স্বীকৃতি।

প্রশ্নে উল্লিখিত প্রেক্ষাপটে ১ম জন "হ্যাঁ" বলে ২য় জনের কথার সমর্থন করেছেন যে, "আল্লাহর হুকুমইতো আসল, বাকিটা তো উসিলা।" এটি প্রমাণ করে যে, ১ম জন আল্লাহর হুকুমকে আসল ও প্রধান হিসেবে স্বীকার করেছেন এবং ডাক্তারকে উসিলা (মাধ্যম) হিসেবে স্বীকার করেছেন। সুতরাং তার উদ্দেশ্য আল্লাহর হুকুমকে ছোট করা ছিল না।

৩. হানাফী ফিকহের মূলনীতি

ইমাম ইবনে আবিদীন শামী (রহ.) "রাদ্দুল মুহতার"-এ বলেন:

الْكُفْرُ يَتَعَلَّقُ بِالِاعْتِقَادِ وَالْإِنْكَارِ، لَا بِمُجَرَّدِ اللَّفْظِ الْمُحْتَمِلِ

অর্থ: "কুফর বিশ্বাস ও অস্বীকারের সাথে সম্পর্কিত, শুধু সম্ভাব্য অর্থবোধক শব্দের সাথে নয়।" (রাদ্দুল মুহতার: ৪/২২৯)

ফাতাওয়া আলমগীরীতে উল্লেখ আছে:

لَا يُحْكَمُ بِالْكُفْرِ عَلَى مَنْ تَكَلَّمَ بِكَلِمَةٍ مُحْتَمِلَةٍ لِلْكُفْرِ وَالْإِيمَانِ، بَلْ يُنْظَرُ إِلَى قَصْدِهِ وَاعْتِقَادِهِ

অর্থ: "যে ব্যক্তি এমন কথা বলে যা কুফর ও ঈমান উভয় অর্থ বহন করে, তার উপর কুফরের হুকুম দেওয়া হবে না; বরং তার উদ্দেশ্য ও বিশ্বাসের দিকে লক্ষ্য করা হবে।" (ফাতাওয়া আলমগীরী: ২/২৬৫)

মুফতি মুহাম্মদ শফী (রহ.) "মা'আরিফুল কুরআন"-এ বলেন:

كُفْرٌ كَا حُكْمٌ لَفْظِىّٰ نہیں ہے، بلکہ قلبى اعتقاد سے متعلق ہے۔

অর্থ: "কুফরের হুকুম মুখের কথার উপর নির্ভর করে না; বরং অন্তরের বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে।" (মা'আরিফুল কুরআন: ১/৩২৪)

৪. উপসংহার (দ্বিতীয় প্রশ্ন)

প্রশ্নে উল্লিখিত প্রেক্ষাপটে:

  • ১ম জন "কিছু আল্লাহর হুকুমও লাগে" বলে আল্লাহর হুকুমের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছেন।
  • তিনি "হ্যাঁ" বলে ২য় জনের "আল্লাহর হুকুমইতো আসল, বাকিটা তো উসিলা" কথার সমর্থন করেছেন।
  • সুতরাং তার উদ্দেশ্য আল্লাহর হুকুমকে ছোট করা ছিল না; বরং আল্লাহর হুকুমকে আসল ও প্রধান হিসেবে স্বীকার করা ছিল।
  • তাই ১ম জন কাফের হবে না

তবে যদি কেউ প্রকৃতপক্ষেই আল্লাহর হুকুমকে ছোট বা তুচ্ছ মনে করে, তাহলে তা কুফর হবে। কিন্তু শুধু "কিছু" শব্দ ব্যবহারের কারণে কুফরের হুকুম দেওয়া যাবে না, যতক্ষণ না তার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও বিশ্বাস স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়।


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.