ব্ল্যাকম্যাজিক করে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হওয়া প্রসঙ্গে
Faith and Belief · Hanafi
Question
আমি আমার ১ম বন্ধুকে বলেছি, কোনো কবিরাজের কাছে গিয়ে এই সমস্যার সমাধান স্বরুপ "অমুক কাজ" টা করে দিতে। সে বলেছে তাকে টাকা দিলে করে দিবে এবং এক মাসে হয়ে যাবে। এখন যে কবিরাজের কাছে গেছে সেই কবিরাজ মারমা। আমি বন্ধুকে জিজ্ঞেস করি, উনি কি কুফুরী কালাম ব্যবহার করে কাজ করবে? বন্ধু বললো, "জানি না"।
এখন আমি যতটুকু জানি মারমা সম্প্রদায়ের লোকেরা কুফুরী কালাম ব্যবহার করে এইসব কাজ করে। এখন উনিও কুফুরী কালাম ব্যবহার করবে কিনা তা আমি জানি না কিন্তু সন্দেহ হচ্ছে কুফুরী কালাম ব্যবহার করতে পারে। আর উল্লেখ্য, আমি যে কাজ করাতে চাই তা হালাল এবং এটা হলে আমাদের সব কষ্ট থেকে আমরা মুক্তি পাবো। স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবো। নাহয় পরিবারের সব সদস্য শেষ হয়ে যাবো, যাচ্ছি ইতোমধ্যে। কিন্তু এই কবিরাজি পথেই এই কাজ করাতে হবে। এটা ব্ল্যাকম্যাজিক কিনা তাও নিশ্চিত না। খুব সম্ভবত ব্ল্যাকম্যাজিক।
আমি এখানে জানাতে চাই, আমি পর্দা-নিক্বাব করি৷ একটা সময় টানা ইবাদত করতাম। এখন বাসার এই সমস্যার জন্য আজ কয়েক বছর ধরে নামায আর পড়তে পারি না, অন্য ইবাদত ও করতে পারি না। আস্তে আস্তে শেষ হয়ে যাচ্ছি। আমি জানি যে, জাহান্নাম চিরস্থায়ী আর ক্ষণস্থায়ী ২ ধরণের আছে। পরকাল অসীম। জেনে বা ভুলেও আমি চিরস্থায়ী জাহান্নামী হতে চাই না। কারণ একবার চিরস্থায়ী জাহান্নামী হলে আর তো ফিরে আসা যাবে না। অসীমকাল আগুনে জ্বলতেই হবে, জ্বলতেই হবে যার কোনো শেষ নেই। আর ব্ল্যাকম্যাজিক করালে তো শিরক হয়। ঈমান, আমল সব তো বরবাদ তো হয় ই সাথে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হয়। ওমন মৃত্যু ভাবতেও ভয় লাগে
যত গুনাহ আছে, দুনিয়ায় যত কষ্ট আছে এর মধ্যে শিরক বা ব্ল্যাকম্যাজিক করে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হওয়ার মত সবচেয়ে সিরিয়াস আর কিছুই নেই।
আমি এই ওয়েবসাইটের ঈমান, ব্ল্যাকম্যাজিক নিয়ে অন্য ফাতওয়া ও উত্তরগুলো পড়েছি। এখানে আমি পেয়েছি যে, যদি আমি জাদুকরকে কুফুরী কালাম ব্যবহার করে জাদু করতে নির্দেশ দেই তবে আমি কাফির হয়ে যাব, জাদুকর ও কাফির হয়ে যাবে। আর যদি আমি জাদুকরকে কুফুরী কালাম ব্যবহার করতে নির্দেশ না দেই, জাদুকর নিজে নিজেই কুফুরী কালাম ব্যবহার করে তবে আমার জন্য শুধু হারাম হবে এবং জাদুকর কাফির হয়ে যাবে।
এখন আমার কেইসে, আমি কবিরাজকে কুফুরী কালাম ব্যবহার করতে নির্দেশ দেই নাই কিন্তু আমার সন্দেহ হচ্ছে উনি খুব সম্ভবত কুফুরী কালাম ব্যবহার করতে পারে যেহেতু মারমা লোক অথবা জ্বীন দিয়ে কাজ করাতে পারে। তো আমার ক্ষেত্রে যেহেতু আমি জানি না উনি কুফুরী কালাম ব্যবহার করবে কিনা , সন্দেহ হচ্ছে যে উনি কুফুরী কালাম ব্যবহার করতে পারে।
১) সন্দেহ নিয়ে আমি যদি উনাকে দিয়ে কাজ করাই তবে আমি কি চিরস্থায়ী জাহান্নামি হয়ে যাব? আমি কি কাফির হবে যাব এবং আমার আগের আমল সব বরবাদ হয়ে যাবে?? নাকি আমার জন্য শুধু হারাম হবে? ( এটাই মূল প্রশ্ন)
২) আর যদি ঈমান হারা হয়ে কাফির হয়ে যাই। তবে এই কাজ করা শেষে তাওবাহ করলে তাওবাহ কবুল হবে? (আবার ঈমান আনয়ন করতে হবে? আবার কালেমা পড়ে গোসল করে মুসলিম হতে হবে? কার কাছে গিয়ে আবার মুসলিম হবো? আগের আমল ফিরে পাবো? আর মৃত্যু তো বলে কয়ে আসে না। তাওবাহর সুযোগ আল্লাহ দিবে কিনা এই ক্ষেত্রে? এসব ক্ষেত্রে শুনেছি আল্লাহ আর তাওবাহর সুযোগ দেয় না যেহেতু জেনে শুনে করছি। এটা কি সত্যি?) (আর ৩৩ বছরের আমল হারানো বড় লস। হারাতে চাই না। কাফির হয়ে মরতে চাই না, চিরস্থায়ী জাহান্নামী হতে চাই না)
৩) আরেকজন (২য় আরেকজন কবিরাজ) কবিরাজ কুফুরী কালাম ব্যবহার করে কাজ করবে বলেছে। তো "জেনে শুনে" উনাকে দিয়ে কাজ করালে কি আমার ঈমান আমল শেষ হয়ে আমি চিরস্থায়ী জাহান্নামী হবো?
৪) বাসার রুমে নখ ফেললে নাকি সেই রুমে ফেরেশতা আসে না। এটা সত্যি?
৫) আমাকে ২য় কবিরাজ বলেছে আমার কারো সাথে(হোক ছেলে বা মেয়ে) শারীরিক সম্পর্ক না করে মানে মিলন করা ছাড়াই অন্যান্য স্পর্শের মাধ্যমে একটা লাল কাপড়ে তার বীর্য আর আমার বীর্য আনতে হবে৷ এবং এসব করার সময় আমার আরেক বন্ধু মন্ত্র পড়ে দিবে। এসব করতে পারলে নাকি ২য় কবিরাজ আমার কাজ করে দিবে । উনার নির্দেশে এসব কাজ করলে আমি কাফির হয়ে যাবো?
৬) আমি নামায পড়ি না আজ কয়েক বছর। মন এতই ভেংগে গেছে যে জীবনে কিছু করার মনোবল ভেংগে গেছে তাই নামায সহ কোনো কাজ ই করতে পারি না। ইচ্ছা করে পড়ছি না তা নয়,অনিচ্ছাকৃত ভাবে পড়া হচ্ছে না। পড়তে মন চাইলেও পড়তে পারি না। আমি কি কাফির হয়ে গেছি?
৭) সিজদাহ দেয়ার সময় পায়ের বুড়ো আংগুল কি পশ্চিমমুখী রাখতে হয় নাকি পূর্বদিকে রাখতে হয়?
৮) ১ম বন্ধু যার কথা শুরুতে উল্লেখ করেছি সে আমাকে কিছু টাকা দিয়ে এই কবিরাজি কাজে সাহায্য করবে আর কবিরাজের সাথে যাবতীয় কথা বন্ধু ই বলবে। এতে সে ও কি কাফির হয়ে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হয়ে যাবে? তার কী শাস্তি হবে?
৯) ১ম বন্ধু আমাকে চাপাচাপি করছে যে কবে কাজটা করবো, কবে ওকে কাজের জন্য টাকা দিবো। আমি বলেছি আর ১ দিন সময় দিতে। এখন এখানে আমি শুধু টাকা দিবো। বাকি কথা কবিরাজের সাথে ও বলবে, ও বাকি টাকা দিবে। এভাবেও কি কাজ টা করলে আমি ঈমান আমল হারিয়ে, কাফির হয়ে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হবো?
১০) ইতিমধ্যে কয়েকজন হুজুর, কবিরাজ দিয়ে হাজিরা দেখিয়েছে আমার বন্ধুরা। বন্ধুরা আমার কাছে বাবা মায়ের নাম আর প্যাশেন্টের নাম খুঁজতো। আমি সন্দেহ থাকা সত্বেও নাম দিয়ে দিতাম। পরে ওরা বলতো হাজিরা দেখে এসেছি। হাজিরা দেখে এমন এমন ব্যাপার হুজুর বলেছে। এই যে আমি সন্দেহ থাকা সত্বেও বাবা, মা, প্যাশেন্টের নাম দিতাম এবং বন্ধুরা হাজিরা দেখে আসতো এতে আমি কাফির হয়ে গেছি? না হলে আমার কী ধরণের গুনাহ হয়েছে?
বি:দ্র: আমার ৬ বছরে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে বিধায় না পারতে এই পথে সমাধান করতে চাচ্ছি। এছাড়া অন্য সব সব ভালো উপায় চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। সব চেষ্টা করা শেষ। একটা লুপে সবাই আটকে গেছি। সময় যাচ্ছে, বয়স বাড়ছে। বয়স ২৮ থেকে ৩৩ হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ দিয়েছেন। বাবা মায়ের যত্ন নিতে পারছি না। ওরা আস্তে আস্তে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। বিয়ের বয়স ও পার হচ্ছে প্রায়। পুরো পরিবার ধংস হয়ে যাচ্ছে। একজন কষ্ট দিতে দিতে মেরে ফেলছে। এই লুপ থেকে বের ও হতে পারব না এই কাজ না হলে। এছাড়া আমি আর কী করতে পারি পরামর্শ দিবেন দয়া করে। দুনিয়া-ইহকালের সবচেয়ে বড় বিপদে আছি। পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবেন প্লিজ
Answer
উত্তর
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
প্রিয় বোন, আপনার দীর্ঘ ও জটিল প্রশ্নটি আমি মনোযোগ সহকারে পড়েছি। আপনার পারিবারিক সমস্যা ও মানসিক যন্ত্রণা সত্যিই গভীর। আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি আপনার ও আপনার পরিবারের সব কষ্ট দূর করে দিন। আমিন।
মূল উত্তর
প্রথমেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি বলছি: আপনি যে পথে যেতে চাচ্ছেন (কবিরাজের মাধ্যমে কাজ করানো) তা সম্পূর্ণ হারাম, গুনাহ এবং ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ। এমনকি যদি তাতে কুফরী কালাম ব্যবহার না-ও হয়, তবুও কবিরাজের কাছে যাওয়া এবং তার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হারাম। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি কোনো জ্যোতিষী বা গণকের কাছে যায় এবং তাকে কিছু জিজ্ঞেস করে, তার ৪০ দিনের নামাজ কবুল হয় না।" (সহীহ মুসলিম: ২২৩০)
এখন আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর:
১) সন্দেহ নিয়ে কবিরাজকে দিয়ে কাজ করালে কী হবে?
আপনি যদি কবিরাজের কাছে যান এবং তাকে দিয়ে কাজ করান, তবে এটি হারাম হবে। কিন্তু শুধুমাত্র সন্দেহের কারণে আপনি কাফির হবেন না — যতক্ষণ না আপনি নিশ্চিতভাবে জানেন যে সে কুফরী কালাম ব্যবহার করছে এবং আপনি তা মেনে নিচ্ছেন বা অনুমোদন করছেন।
তবে মনে রাখবেন, কবিরাজের কাছে যাওয়া নিজেই একটি বড় গুনাহ। ইমাম ইবনে আবেদীন (রহ.)《রদ্দুল মুহতার》-এ উল্লেখ করেছেন যে, জাদু শেখা ও শেখানো হারাম এবং জাদুকরের কাছে যাওয়া কবিরা গুনাহ।
২) তাওবাহ কবুল হবে কি?
হ্যাঁ, তাওবাহ অবশ্যই কবুল হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন:
"বলুন, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ মাফ করে দেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" (সূরা আয-যুমার: ৫৩)
তবে শর্ত হলো — আন্তরিক তাওবাহ করতে হবে, গুনাহ ছেড়ে দিতে হবে এবং ভবিষ্যতে না করার দৃঢ় সংকল্প করতে হবে। যদি কুফরী কালাম ব্যবহারের মাধ্যমে কাজ করানো হয় এবং আপনি তা জানতেন, তাহলে ঈমান আনার প্রয়োজন হবে (কালেমা পড়ে)। কিন্তু আল্লাহর রহমত অপরিসীম — তিনি তাওবাহ কবুল করেন।
৩) জেনে শুনে কুফরী কালাম ব্যবহারকারী কবিরাজকে দিয়ে কাজ করালে?
যদি আপনি নিশ্চিতভাবে জানেন যে কবিরাজ কুফরী কালাম ব্যবহার করে কাজ করে এবং আপনি তাকে দিয়ে কাজ করান, তাহলে এটি শিরকের পর্যায়ে পড়বে এবং ঈমান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ কুফরী কালাম ব্যবহার করা নিজেই কুফরী। তবে আপনি যদি শুধু জানেন না এবং সন্দেহ থাকে, তাহলে তা হারাম হবে কিন্তু কুফরী নয়।
৪) রুমে নখ ফেললে ফেরেশতা আসে না — এটা কি সত্যি?
এই বিষয়ে সহীহ হাদীসে উল্লেখ আছে যে, নখ কাটার পর তা মাটিতে পুঁতে ফেলা বা কবর দেওয়া উত্তম। তবে "নখ ফেললে ফেরেশতা আসে না" — এটি একটি প্রচলিত কথা, যার কোনো সহীহ ভিত্তি নেই। তবে নখ কেটে তা পরিষ্কার রাখা এবং মাটিতে পুঁতে ফেলা মুস্তাহাব।
৫) লাল কাপড়ে বীর্য আনার নির্দেশ — এতে কি কাফির হবো?
এই কাজটি সম্পূর্ণ হারাম ও নাপাক। এটি কবিরাজের একটি কুফরী পদ্ধতি। আপনি যদি এই কাজ করেন, তবে এটি কবিরা গুনাহ হবে।
৬) নামায না পড়ায় কি কাফির হয়ে গেছি?
না, নামায না পড়ায় আপনি কাফির হননি। তবে নামায ত্যাগ করা একটি বড় গুনাহ। হানাফী মাযহাবের মতে, নামায ত্যাগকারী কাফির হয় না, কিন্তু বড় গুনাহগার হয়। আপনার উচিত ধীরে ধীরে হলেও নামায শুরু করা। আল্লাহর রহমতে আপনি আবার নামায পড়তে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
৭) সিজদায় পায়ের বুড়ো আঙুল কোন দিকে রাখতে হয়?
সিজদার সময় পায়ের আঙুলগুলো কিবলামুখী রাখতে হয়।
৮) বন্ধু যদি টাকা দিয়ে সাহায্য করে এবং কথা বলে — তার কী হবে?
যদি আপনার বন্ধু জানে যে এটি কবিরাজি কাজ এবং সে এতে সাহায্য করে, তবে সেও গুনাহগার হবে। তবে সে কাফির হবে না, যদি না সে কুফরী কালামে বিশ্বাস করে বা কুফরী কাজে অংশ নেয়। তাকে এই কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিন।
৯) শুধু টাকা দিলে কী হবে?
যদি আপনি টাকা দেন এবং কবিরাজের মাধ্যমে কাজ করান, তবে আপনিও গুনাহগার হবেন। কারণ আপনি সেই কাজের অর্থায়ন করছেন। তবে কাফির হবেন না, যদি না আপনি জানেন যে কুফরী কালাম ব্যবহার হচ্ছে এবং আপনি তা মেনে নিচ্ছেন।
১০) হাজিরা দেখানো এবং নাম দেওয়া — এতে কি কাফির হয়েছি?
না, আপনি কাফির হননি। তবে হাজিরা দেখানো এবং কবিরাজের কাছে নাম দেওয়া একটি গুনাহ। আপনার তাওবাহ করা উচিত। আল্লাহ ক্ষমাশীল।
বিশেষ পরামর্শ
প্রিয় বোন, আমি বুঝতে পারছি আপনার অবস্থা খুবই কঠিন। কিন্তু কবিরাজের পথ কখনোই সমাধান নয় — বরং এটি সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। আপনার উচিত:
১. আল্লাহর উপর ভরসা করা — আল্লাহ ছাড়া কেউ সমস্যা সমাধান করতে পারে না। ২. নামায শুরু করা — ধীরে ধীরে হলেও নামায পড়ুন। ৩. দোয়া ও ইস্তিগফার — বেশি বেশি দোয়া করুন, বিশেষ করে শেষ রাতে। ৪. আয়াতুল কুরসি ও সূরা বাকারার শেষ আয়াত পড়ুন — এটি জিন ও জাদু থেকে রক্ষা করে। ৫. মাসনূন দোয়া ও রুকইয়াহ — ইসলামী পদ্ধতিতে ঝাড়ফুঁক করুন। ৬. আলেম বা ইসলামী পণ্ডিতের কাছে যান — যিনি কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী চিকিৎসা করেন।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট।" (সূরা আত-তালাক: ৩)
আল্লাহ তাআলা আপনার ও আপনার পরিবারের সব সমস্যা দূর করুন এবং আপনাকে ধৈর্য ও সাহস দিন। আমিন।
والله أعلم بالصواب