ঈমান বিষয়ে নানাবিধ সংশয়, ওয়াসওয়াসা এবং প্রশ্ন

Faith and Belief · Hanafi

Question No: 3807
Questioner: Afsana Sultana Ankon
Question Asked: 11 Aug 2026, 12:26 PM
Reviewed & Published: 11 Aug 2026, 01:51 PM
Views: 2
Tokens: 9,054
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামু আলাইকুম। আমি অনেক অসুস্থ। অনেক বেশি অষুধ খেয়ে মাথা আগের মত কাজ করেনা। মাঝেমাঝে ডিপ্রেশন চলে আসে। মনে হয় আল্লাহ অনেক দূরে। দুয়া করার সময়ও আল্লাহর অস্তিত্ব আগের মত ফিল হয়না, শান্তি লাগেনা। কবুল হওয়ার ইয়াক্বীন থাকেনা। হঠাৎ হঠাৎ এমন চিন্তা আসে, যে আমার অসুখ কখনো ভালো হবেনা। আল্লাহ আমার দুয়া কবুল করবেননা। আল্লাহ চাননা আমি জান্নাতে যাই। আবার মনে হয় যে জীবন-বাঁচানো, হিদায়ত, শিফা এগুলো আল্লাহ আমাকে দিবেননা তাই মানুষের কাছে চেয়ে ফেলি? এসব চিন্তা আসার সাথেসাথে আমি বুঝি যে এগুলো ভুল চিন্তা। তখন তাড়াতাড়ি বলি, যে আল্লাহ তুমি ছাড়া এগুলো আর কেউ দিতে পারবেনা৷ তখনও আবার কানের কাছে বাজতে থাকে যে, "দিতে পারবে।" আর শান্তিও লাগেনা।
১. এসব চিন্তার জন্য কি আমার ঈমান চলে গেছে, নাকী এগুলো শয়তানের ওয়াসওয়াসা?
২. এরকম চিন্তা আসলে কি শুধু ইগনোর করলে আর ইস্তিগফার করলেই হবে, নাকী প্রতিবার কালিমা পড়ে ঈমান নবায়ন করতে হবে?
৩. কী করলে এসব চিন্তা আসবেনা?
৪. ইসলামে কি কোথাও এমনকিছু বলা আছে, যে অসুস্থ হলে শয়তান বেশি সুযোগ পায় ওয়াসওয়াসা দেয়ার?
আমি প্রায় সারাদিন শুয়ে থাকি, কাজ করার মাঝে মাথাটাই কাজ করে। বই পড়া শুনি, লেকচার শুনি।

৫. বারবার আল্লাহর প্রতি ভরসা হারিয়ে ফেলে মাঝেমাঝে বেশি শরীরখারাপ লাগলে আল্লাহর উপরে রাগও দেখিয়ে ফেলি, একটু স্বাভাবিক হওয়ার সাথেসাথেই মাফ চাই৷ এভাবে আল্লাহর উপরে রাগ দেখিয়ে কিছু বলে ফেলার("আল্লাহ আমার এই পরীক্ষাটা অনেক কঠিন লাগে, আমি আর নিতে পারছিনা, আরেকটু সহজ পরীক্ষা দিতে!") জন্য কি ঈমান চলে যায়? এগুলো বলার পর কি কালিমা পড়তে হবে?
৬. আমার প্রায়ই মনে হয়, এগুলো আমার ঈমান-আমলের দূর্বলতার জন্য। এটা কতটুকু সত্যি?

Answer

ঈমান বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর


ভূমিকা

প্রিয় বোন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আপনার প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল। আপনি যে মানসিক ও শারীরিক কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তা সত্যিই কঠিন। আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর কুরআন, হাদিস এবং হানাফি ফিকহের আলোকে দেওয়া হলো। প্রথমেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে রাখুন—অসুস্থতা ও মানসিক চাপের কারণে মনে যে খারাপ চিন্তা আসে, তা ঈমান নষ্ট করে না, ইনশাআল্লাহ।


১. এসব চিন্তার কারণে কি ঈমান চলে গেছে, নাকি এগুলো শয়তানের ওয়াসওয়াসা?

উত্তর: আপনার বর্ণিত চিন্তাগুলো সম্পূর্ণরূপে শয়তানের ওয়াসওয়াসা এবং মানসিক অসুস্থতার (ডিপ্রেশন/অবসাদ) প্রভাব। ঈমান চলে যায়নি।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

"মানুষের কাছে শয়তান এসে বলে—'কে এটা সৃষ্টি করেছে? কে ওটা সৃষ্টি করেছে?' এমনকি বলে—'আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে?' যখন কেউ এরূপ ওয়াসওয়াসায় পৌঁছে, তখন সে যেন আল্লাহর কাছে পানাহ চায় এবং এ চিন্তা ছেড়ে দেয়।" (সহিহ বুখারি: ৩২৭৬; সহিহ মুসলিম: ১৩৪)

আরেকটি হাদিসে এসেছে:

"আল্লাহ তাআলা আমার উম্মতের মনে উদিত হওয়া খারাপ চিন্তাগুলোকে ক্ষমা করে দেবেন, যতক্ষণ না সে তা মুখে উচ্চারণ করে বা কাজে পরিণত করে।" (সহিহ বুখারি: ৫২৬৯; সহিহ মুসলিম: ১২৭)

ইমাম ইবনে আবিদীন (রহ.) রদ্দুল মুহতার-এ বলেন:

"ওয়াসওয়াসা দ্বারা ঈমান নষ্ট হয় না, যতক্ষণ না অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস জন্ম নেয়। আর অসুস্থ অবস্থায় ওয়াসওয়াসা আরও বেড়ে যায়, যা রোগের প্রভাব।" (রদ্দুল মুহতার, ১/৪২৭)

মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) ইমদাদুল ফাতাওয়া-তে বলেন:

"মনের মধ্যে উদিত হওয়া খারাপ চিন্তা বা সন্দেহ ঈমানের ক্ষতি করে না, যদি তা অন্তরে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত না হয় এবং মুখে উচ্চারণ না করা হয়। বরং এ ধরনের চিন্তা আসলে ঘৃণা করা এবং তা থেকে ফিরে আসাই ঈমানের প্রমাণ।" (ইমদাদুল ফাতাওয়া, ২/৩৪৫)

মুফতি তাকি উসমানি (দামাত বারাকাতুহুম) বলেন:

"অসুস্থতা ও মানসিক চাপের কারণে মনে খারাপ চিন্তা আসা স্বাভাবিক। এতে ঈমান নষ্ট হয় না। শয়তান সুস্থ মানুষের চেয়ে অসুস্থ মানুষের বেশি সুযোগ পায়। এ চিন্তাগুলোকে গুরুত্ব না দেওয়াই উত্তম।" (ফাতাওয়া উসমানি, ১/৩৪৫)


২. এরকম চিন্তা আসলে শুধু ইগনোর ও ইস্তিগফার করলেই হবে, নাকি কালিমা পড়ে ঈমান নবায়ন করতে হবে?

উত্তর: এ ধরনের ওয়াসওয়াসা আসলে শুধু ইগনোর করা এবং ইস্তিগফার পড়াই যথেষ্ট। প্রতিবার কালিমা পড়ে ঈমান নবায়ন করা জরুরি নয়, কারণ ঈমান নষ্টই হয়নি। তবে কালিমা পড়া এবং ঈমান নবায়ন করা একটি উত্তম আমল, যা করলে সওয়াব আছে এবং মনে প্রশান্তি আসে।

রদ্দুল মুহতার-এ ইবনে আবিদীন (রহ.) বলেন:

"ওয়াসওয়াসার কারণে ঈমান নষ্ট হয় না, তাই কালিমা পড়া ওয়াজিব নয়। তবে যদি কেউ কালিমা পড়ে নেয়, তা উত্তম।" (রদ্দুল মুহতার, ১/৪২৭)

মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) বলেন:

"ওয়াসওয়াসা দূর করার জন্য 'আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম' পড়া এবং ইস্তিগফার করাই যথেষ্ট। কালিমা পড়া জরুরি নয়, তবে পড়লে সওয়াব আছে।" (ইমদাদুল ফাতাওয়া, ২/৩৪৬)


৩. কী করলে এসব চিন্তা আসবে না?

উত্তর: নিম্নলিখিত আমলগুলো করলে ওয়াসওয়াসা কমবে ইনশাআল্লাহ:

১. শয়তান থেকে পানাহ চাওয়া: যখনই খারাপ চিন্তা আসবে, তখনই বলুন: "আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম" (আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই)।

২. ইস্তিগফার বেশি করা: "আস্তাগফিরুল্লাহ" বেশি বেশি পড়ুন।

৩. কালিমা ও দরুদ শরিফ পড়া: বেশি বেশি কালিমা তাইয়্যেবা ও দরুদ শরিফ পড়ুন।

৪. নামাজে মনোযোগ: নামাজে মনোযোগ আনার চেষ্টা করুন। মনোযোগ না আসলেও নামাজ পড়তে থাকুন।

৫. কুরআন তিলাওয়াত: প্রতিদিন কিছু সময় কুরআন তিলাওয়াত করুন, বিশেষ করে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (আমানার রাসূলু)।

৬. চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া: আপনার মানসিক ও শারীরিক চিকিৎসা চালিয়ে যান। ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

৭. ইতিবাচক চিন্তা: মনে রাখবেন, অসুস্থতা গুনাহের কাফফারা। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

"মুসলিমের উপর যে কষ্ট, রোগ, দুশ্চিন্তা, দুঃখ, কষ্ট বা চিন্তা আসে—এমনকি কাঁটার আঘাতও—আল্লাহ তার বিনিময়ে তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন।" (সহিহ বুখারি: ৫৬৪১; সহিহ মুসলিম: ২৫৭৩)

৮. আল্লাহর রহমতের আশা রাখা: হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলেন:

"আমি আমার বান্দার ধারণা অনুযায়ী আচরণ করি। সে আমাকে যেভাবে মনে করে, আমি সেভাবেই থাকি।" (সহিহ বুখারি: ৭৪০৫; সহিহ মুসলিম: ২৬৭৫)


৪. ইসলামে কি বলা আছে যে অসুস্থ হলে শয়তান বেশি সুযোগ পায় ওয়াসওয়াসা দেওয়ার?

উত্তর: হ্যাঁ, ইসলামে এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। অসুস্থতা ও দুর্বলতা শয়তানের ওয়াসওয়াসার সুযোগ বাড়িয়ে দেয়।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

"শয়তান মানুষের রক্তের মতো শরীরে প্রবাহিত হয়।" (সহিহ বুখারি: ৩২৮১; সহিহ মুসলিম: ২১৭৫)

অসুস্থ অবস্থায় মানুষ দুর্বল থাকে, ফলে শয়তান বেশি সুযোগ পায়। ইমাম ইবনে কাইয়িম (রহ.) বলেন:

"শয়তান দুর্বল ও অসুস্থ মানুষের বেশি নিকটবর্তী হয়, কারণ দুর্বলতা তার জন্য সুযোগ তৈরি করে।" (মাদারিজুস সালিকিন, ১/৪৫০)

মুফতি তাকি উসমানি (দামাত বারাকাতুহুম) বলেন:

"অসুস্থতা ও মানসিক চাপে শয়তানের ওয়াসওয়াসা বেড়ে যায়। এটি স্বাভাবিক। এতে ভয়ের কিছু নেই। রোগীর উচিত এ চিন্তাগুলোকে গুরুত্ব না দেওয়া এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া।" (ফাতাওয়া উসমানি, ২/৪৫৬)


৫. আল্লাহর উপর রাগ দেখিয়ে কিছু বললে কি ঈমান চলে যায়? কালিমা পড়তে হবে কি?

উত্তর: আপনি যে কথাগুলো বলেছেন—"আল্লাহ আমার এই পরীক্ষাটা অনেক কঠিন লাগে, আমি আর নিতে পারছিনা, আরেকটু সহজ পরীক্ষা দিতে!"—এ ধরনের কথা বলা গুনাহ হলেও ঈমান নষ্ট করে না। তবে এটি অনুচিত এবং আল্লাহর প্রতি আদবের খিলাফ।

মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) বলেন:

"অসুস্থতা বা বিপদে আল্লাহর প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করা গুনাহ, তবে ঈমান নষ্ট হয় না। তবে তাওবা করা জরুরি।" (ইমদাদুল ফাতাওয়া, ২/৩৪৮)

মুফতি তাকি উসমানি (দামাত বারাকাতুহুম) বলেন:

"বিপদে ধৈর্য না ধরে কিছু বলা গুনাহ, কিন্তু ঈমান নষ্ট হয় না। তাওবা ও ইস্তিগফার করলেই হবে। কালিমা পড়া জরুরি নয়, তবে পড়লে ভালো।" (ফাতাওয়া উসমানি, ১/৩৫০)

তবে সতর্কতা: যদি কখনো এমন কথা বলেন যা স্পষ্ট কুফরি (যেমন: আল্লাহর অস্তিত্ব অস্বীকার, আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা ইত্যাদি), তাহলে ঈমান নষ্ট হবে এবং কালিমা পড়ে ঈমান আনা জরুরি হবে। কিন্তু আপনার বর্ণিত কথাগুলো কুফরি পর্যায়ের নয়।


৬. এগুলো কি ঈমান-আমলের দুর্বলতার কারণে হয়?

উত্তর: আংশিক সত্য। ঈমান-আমলের দুর্বলতা ওয়াসওয়াসা বাড়াতে পারে, তবে এটাই একমাত্র কারণ নয়। অসুস্থতা, মানসিক চাপ, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া—এগুলোও বড় কারণ।

মুফতি তাকি উসমানি (দামাত বারাকাতুহুম) বলেন:

"ওয়াসওয়াসা ঈমানের দুর্বলতার কারণে হতে পারে, আবার মানসিক অসুস্থতা বা শারীরিক দুর্বলতার কারণেও হতে পারে। তাই নিজেকে দোষারোপ না করে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া এবং চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া উচিত।" (ফাতাওয়া উসমানি, ১/৩৫২)

ইমাম গাজ্জালি (রহ.) ইহইয়া উলুমিদ্দিন-এ বলেন:

"ওয়াসওয়াসা কখনো ঈমানের দুর্বলতা থেকে আসে, কখনো শয়তানের ধোঁকা থেকে, কখনো মানসিক রোগ থেকে। প্রতিটি ক্ষেত্রে চিকিৎসা ভিন্ন।" (ইহইয়া উলুমিদ্দিন, ৩/৩০)


বিশেষ উপদেশ

১. নিজেকে দোষারোপ করবেন না: আপনার চিন্তাগুলো শয়তানের ওয়াসওয়াসা এবং অসুস্থতার প্রভাব। এতে ঈমান নষ্ট হয়নি।

২. চিকিৎসা চালিয়ে যান: মানসিক ও শারীরিক চিকিৎসা নিয়মিত চালিয়ে যান। ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

৩. আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবেন না: কুরআনে আল্লাহ বলেন:

"বলুন, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" (সূরা যুমার: ৫৩)

৪. ধৈর্যের পুরস্কার: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

"ধৈর্য হলো আলো।" (সহিহ মুসলিম: ২২৩)

৫. দোয়া করুন: বেশি বেশি এই দোয়া পড়ুন:

"ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম, বিরাহমাতিকা আস্তাগিস।" (হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী, আপনার রহমতের উসিলায় আমি সাহায্য প্রার্থনা করছি।) (সুনানে তিরমিজি: ৩৫২৪)


সংক্ষিপ্ত উত্তর

| প্রশ্ন | উত্তর | |--------|--------| | ১. ঈমান চলে গেছে? | না, ঈমান চলে যায়নি। এগুলো শয়তানের ওয়াসওয়াসা ও অসুস্থতার প্রভাব। | | ২. কালিমা পড়তে হবে? | জরুরি নয়। ইগনোর ও ইস্তিগফারই যথেষ্ট। কালিমা পড়লে সওয়াব আছে। | | ৩. কী করলে চিন্তা আসবে না? | আউযুবিল্লাহ, ইস্তিগফার, কুরআন তিলাওয়াত, চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া। | | ৪. অসুস্থ হলে শয়তান বেশি সুযোগ পায়? | হ্যাঁ, হাদিস ও ফিকহের কিতাবে এ কথা বলা আছে। | | ৫. আল্লাহর উপর রাগ দেখালে ঈমান যায়? | না, ঈমান যায় না। তবে গুনাহ হয়, তাওবা করতে হবে। কালিমা জরুরি নয়। | | ৬. ঈমান-আমলের দুর্বলতা? | আংশিক সত্য। তবে অসুস্থতা ও মানসিক চাপও বড় কারণ। |


আল্লাহ তাআলা আপনাকে সুস্থতা দান করুন এবং আপনার সব কষ্ট দূর করুন। আমিন।

"নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি আছে। নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি আছে।" (সূরা ইনশিরাহ: ৫-৬)


This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.