মেডিকেলে পরীক্ষা সংক্রান্ত
Halal and Haram · Hanafi
Question No:
1621
Questioner:
216-Sabiha Mahbuba Tuli
Question Asked:
14 Jun 2026, 04:17 PM
Reviewed & Published:
14 Jun 2026, 04:23 PM
Views:
55
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by
.
Question
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
১.আমি Dhaka University এর অধীনে এক সরকারি মেডিকেলের চূড়ান্ত পেশাগত পরীক্ষার পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা কয়েকটি ধাপে হয়। রিটেন, ভাইভা, OSPE.
প্রতিবার OSPE পরীক্ষার কয়েক ঘন্টা আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে প্রশ্ন ও উত্তরপত্র অনলাইনের মাধ্যমে অন্যান্য মেডিকেলের(Dhaka University এর অধীনে অন্যান্য সরকারি -বেসরকারি মেডিকেল কলেজ) স্টুডেন্ট দের দিয়ে দেয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজের স্টুডেন্ট রা এটা করে। এখন এই প্রশ্ন দেখা কি আমাদের জন্য জায়েজ হবে? যেহেতু এটা বোর্ড পরীক্ষা। এব্যাপারে আমাদের শিক্ষকরাও অবগত আছেন এবং নিষেধ করেন না।
২. ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় আমাদের পুরুষ রোগী দেয়া হয় বেশিরভাগ। পুরুষ রোগীর গায়ে হাত দিয়ে পরীক্ষা করতে হয়। এটা কি জায়েজ?
৩.surgery পরীক্ষায় প্রতি 70-80% স্টুডেন্ট দের hernia, hydrocele পরীক্ষা করতে হয় শিক্ষকের সামনে। তখন পুরুষ রোগীর প্রাইভেট part উন্মুক্ত করে, কোনো রকম গ্লাভস ছাড়াই হাত দিয়ে পরীক্ষা করতে হয়।
এটা কি জায়েজ হবে?
প্রতিটা ধাপে আলাদা আলদা পাশ না করলে পুরো সাব্জেক্ট এ ফেইল আসে। সেক্ষেত্রে পাশ করার জন্য পুরুষ রোগীর উপর এসব পরীক্ষা নিরিক্ষা কি জায়েজ হবে?
১.আমি Dhaka University এর অধীনে এক সরকারি মেডিকেলের চূড়ান্ত পেশাগত পরীক্ষার পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা কয়েকটি ধাপে হয়। রিটেন, ভাইভা, OSPE.
প্রতিবার OSPE পরীক্ষার কয়েক ঘন্টা আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে প্রশ্ন ও উত্তরপত্র অনলাইনের মাধ্যমে অন্যান্য মেডিকেলের(Dhaka University এর অধীনে অন্যান্য সরকারি -বেসরকারি মেডিকেল কলেজ) স্টুডেন্ট দের দিয়ে দেয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজের স্টুডেন্ট রা এটা করে। এখন এই প্রশ্ন দেখা কি আমাদের জন্য জায়েজ হবে? যেহেতু এটা বোর্ড পরীক্ষা। এব্যাপারে আমাদের শিক্ষকরাও অবগত আছেন এবং নিষেধ করেন না।
২. ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় আমাদের পুরুষ রোগী দেয়া হয় বেশিরভাগ। পুরুষ রোগীর গায়ে হাত দিয়ে পরীক্ষা করতে হয়। এটা কি জায়েজ?
৩.surgery পরীক্ষায় প্রতি 70-80% স্টুডেন্ট দের hernia, hydrocele পরীক্ষা করতে হয় শিক্ষকের সামনে। তখন পুরুষ রোগীর প্রাইভেট part উন্মুক্ত করে, কোনো রকম গ্লাভস ছাড়াই হাত দিয়ে পরীক্ষা করতে হয়।
এটা কি জায়েজ হবে?
প্রতিটা ধাপে আলাদা আলদা পাশ না করলে পুরো সাব্জেক্ট এ ফেইল আসে। সেক্ষেত্রে পাশ করার জন্য পুরুষ রোগীর উপর এসব পরীক্ষা নিরিক্ষা কি জায়েজ হবে?
Answer
উত্তর - মেডিকেল পরীক্ষা সংক্রান্ত প্রশ্ন
ওয়ালাইকুমুসসালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
আপনার প্রশ্নগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বাস্তবিক। আমি হানাফি মাযহাবের আলোকে উত্তর প্রদান করছি।
১. প্রশ্ন ফাঁস দেখা প্রসঙ্গে
পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করা এবং তা দেখা উভয়ই ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে জায়েজ নয়। কারণ:
- এটি প্রতারণা ও জালেমির অন্তর্ভুক্ত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।" (সহীহ মুসলিম)
- এটি অন্যদের অধিকার হরণ করে, যারা সৎভাবে পরীক্ষা দেয়।
- শিক্ষকরা নিষেধ না করলেও শরিয়তের দৃষ্টিতে এটি হারাম।
রদ্দুল মুহতার-এ এসেছে: "প্রতারণা ও ধোঁকাবাজি সব অবস্থায় হারাম।" (রদ্দুল মুহতার, ৫:২৪৪)
ফাতাওয়া উসমানি-তে বলা হয়েছে: "পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস বা নিয়ম ভঙ্গ করে ফলাফল অর্জন করা জায়েজ নয়।" (ফাতাওয়া উসমানি, ২:৫৬৭)
সুতরাং, এই প্রশ্ন দেখা ও ব্যবহার করা জায়েজ নয়। বরং আপনার উচিত আল্লাহর ওপর ভরসা করে সৎভাবে পরীক্ষা দেওয়া। আল্লাহ ভালো কাজে বারাকাহ দেন।
২. পুরুষ রোগীর শরীর স্পর্শ করে পরীক্ষা করা
নারীদের জন্য পুরুষ রোগী দেখা ও স্পর্শ করার ব্যাপারে ইসলামী বিধান:
- সাধারণ অবস্থায় নারীর জন্য অপরিচিত পুরুষের দিকে তাকানো এবং তাকে স্পর্শ করা জায়েজ নয়।
৩. হার্নিয়া, হাইড্রোসিল পরীক্ষা এবং প্রাইভেট পার্ট দেখা
এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। ইসলামী দৃষ্টিকোণ:
- গায়রে মাহরাম পুরুষের সতর (গোপনাঙ্গ) দেখা এবং স্পর্শ করা সাধারণত হারাম। সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতেও এটি হারাম হবে।