বাচ্চার আকীকা, জন্মদিন, লালনপালন সম্পর্কে বিবিধ আহকাম জানতে চাই?

Family Life · Hanafi

Questioner: Li Za
Question Asked: 06 Jun 2026, 04:24 AM
Reviewed & Published: 06 Jun 2026, 05:16 AM
Views: 42
This answer is according to the 'Hanafi' school of thought.
This answer was reviewed and published by .

Question

আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ উস্তাদ
১/ বাচ্চার জন্মদিনে হলে ঘরোয়া ভাবে কোনো আয়োজন করা যাবে শুধু বাচ্চাকে আনন্দ দেওয়ার জন্য? যেমন : প্রতিবেশী বাচ্চাদের সহ ভালো মন্দ রান্না,ঘর সাজানো,কেক খাওয়ানো, বাইরে ঘুরতে যাওয়া ইত্যাদি। এতে অন্য ধর্মের কোনো culture এর অনুকরণের নিয়ত না করে।
২/ বাচ্চার আকীকা দেওয়ার নিয়ম কি? এতে ছাগলের কি নির্দিষ্ট বয়স হতে হয় নাকি যেকোনো বয়সের ছাগল হলেই হয়? গোস্ত কিভাবে বণ্টন করতে হবে? শুধু মাদরাসা বা এতিমখানায় নাকি শুধু আত্মীয় স্বজন,, প্রতিবেশীদের মাঝে বন্টন করতে হয়? নাকি মাদরাসা এবং আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশীদের সবাইকে দিতে হয়? আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশীদের দিলে গোস্তের পরিমাণ নিয়ে নানা কথা হয়। সবার তো সামর্থ্য থাকে না বেশি গোস্ত দেওয়ার। এছাড়া আকিকার পশু কেনার টাকা কি শুধু বাচ্চার বাবাকেই দিতে হবে অন্য কেউ যেমন: বাচ্চার মা,নানা,নানি দিতে পারবে না? বাচ্চার মা বাবার কি আকিকার গোস্ত খাওয়া যায় না?
৩/ বাচ্চাদের প্রতি মা বাবার কি কি হক আছে? যাতে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে না হয় সন্তানের তারবিয়াতের জন্য? কোন কোন কাজ গুলো করলে সন্তানের উপর জুলুম করা হবে? এখনকার বেশিরভাগ মা বাবা সন্তান জন্ম দেন লালনপালন করেন এই জন্য যে সন্তান শুধু তাদের কথা শুনবে হোক তা কোনো অন্যায় কথা, সন্তান জন্ম দেন শুধু শেষ বয়সে তাদের দায়িত্ব নিবেন এই আশায়। কিছু কিছু মহিলারা তো ছেলে মানুষ করে এজন্য যে ছেলে ইনকাম করে খাওয়াবে,বিয়ের সময় যৌতুক নিতে পারবে,ছেলের বউয়ের উপর জুলুম করে নিজের স্বার্থ পূরণ করবে। ছেলে সন্তান নিয়ে কেউ কেউ দম্ভ করে। ছেলে হলে নাকি বংশে শক্তি বাড়বে ইত্যাদি ইত্যাদি। আমরা আসলে সন্তানের কাছে থেকে কি কি হক পাই? আর কি কি হক আশা করা উচিত?
৪/ আমার মা বাবা কথায় কথায় অভিশাপ দেন। ওনারা বলেন ওরা জন্ম দিছে বলেই আমি দুনিয়াতে এসেছি। তাই ওদের জুলুম মেনে নিতে হবে,তাদের কথা শুনতে হবে। যেমন: হিজাব পড়া পছন্দ করেন না, গায়রে মাহরাম দের সামনে পর্দা করি এটা পছন্দ করেন না,স্বামীর বাড়িতে বেদ্বীন পরিবেশে মানায় নিতে বলে,ওরা হারাম খায় তাও বলা উচিত না বললে সেটা বেআদব ই হয়ে যায় ইত্যাদি এগুলা বুজাতে গেলেই অভিশাপ দিতে থাকে। আমার বড় বোনের সাথে তুলনা করে কারণ সেও ওদের মত দুনিয়াবি।আসলেই কি মা বাবা জন্ম দেন জন্যই আমরা দুনিয়াতে আসি নাকি আল্লাহ্ শুধু মা বাবাকে উছিলা করে পাঠায়? এরকম মা বাবাদের সাথে দিন দিন সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

সর্বশেষে,মা বাবা এবং সন্তানের সম্পর্ক টা আল্লাহ্ কিভাবে বানিয়েছেন? মা বাবা এবং সন্তানের প্রতি আমাদের হক গুলো কি কি? কিভাবে সেই হক গুলো আদায় করতে হবে?

Answer

উত্তর:
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ এবং বাস্তব জীবনের সাথে জড়িত। আমি কুরআন, হাদিস ও হানাফি ফিকহের আলোকে পর্যায়ক্রমে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ।


১. বাচ্চার জন্মদিনে ঘরোয়া আয়োজন

মূলনীতি: ইসলামে জন্মদিন উদ্যাপন কোনো শরয়ি বিধান নয়। তবে যদি তা অন্য ধর্মের সংস্কৃতির অনুকরণের নিয়ত ছাড়া কেবলমাত্র শিশুকে আনন্দ দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঘরোয়া পরিবেশে করা হয়, তাহলে তা অনুমোদনযোগ্য বলে হানাফি ফিকহে মত রয়েছে। তবে শর্ত হলো—এতে কোনো গুনাহের কাজ, অপচয় বা অন্য সংস্কৃতির প্রকাশ্য অনুকরণ না থাকে।

  • প্রাসঙ্গিক ফতোয়া: ফতোয়ায়ে উসমানী ও ফতোয়ায়ে দারুল উলুম দেওবন্দে বলা হয়েছে, জন্মদিনকে ধর্মীয় উৎসব মনে না করে কেবল পরিবারের আনন্দের জন্য কেক কাটা, ভালো খাবার রান্না, ঘর সাজানো ইত্যাদি বৈধ। তবে সাবধানতা আবশ্যক যে, এটি ধীরে ধীরে বিদআত বা অন্য ধর্মের অনুকরণে পরিণত না হয়। (দারুল উলুম দেওবন্দ, ফতোয়া নং ২১৪৫২৯)
  • আরো বিস্তারিত: যদি কেবলমাত্র শিশুকে আনন্দ দেওয়া এবং পরিবারের মিলনের আয়োজন হয়, তাহলে তা জায়েজ। কিন্তু মোমবাতি নেভানো, গান-বাদ্য ইত্যাদি শরয়ি দৃষ্টিকোণ থেকে অনুচিত।

পরামর্শ: সর্বোত্তম হলো শিশুর ঈদ ও অন্যান্য ইসলামি খুশির দিনে আনন্দ দেওয়া। জন্মদিনে বিশেষ কোনো আয়োজন না করাই উত্তম। তবে যদি করতেই চান, তাহলে অত্যন্ত সাদামাটাভাবে এবং অন্যের ধর্মীয় অনুষঙ্গ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত রেখে করুন।


২. বাচ্চার আকীকার বিধান

আকীকা হলো নবজাতকের পক্ষ থেকে আল্লাহর শুকরিয়া স্বরূপ পশু জবাই করা।

পশুর বয়স:
ছাগল বা দুম্বা হলে এক বছর পূর্ণ হওয়া জরুরি। (বাদায়েউস সানায়ে, ৪/৩০৪; ফতোওয়ায়ে আলমগীরী, ৫/৩৫৮)
গরু-মহিষ বা উট হলেও নির্ধারিত বয়স প্রযোজ্য। তবে সাধারণত ছাগলই আকীকার জন্য যথেষ্ট।

কতটি পশু:

  • ছেলে সন্তানের জন্য দুটি ছাগল (বা একটি গরু/উট) মুস্তাহাব।
  • মেয়ে সন্তানের জন্য একটি ছাগল মুস্তাহাব। (তিরমিজি, হাদিস: ১৫১৩; আবু দাউদ, হাদিস: ২৮৪২)

মাংস বণ্টনের নিয়ম:
আকীকা জবাই করার পর মাংস রান্না করে আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও গরিব-মিসকিনকে খাওয়ানো সুন্নত। নিজেরাও খেতে পারেন।

  • সবাইকে দেওয়া আবশ্যক নয়। তবে যাদের সম্ভব, তাদের মাঝে বণ্টন করাই উত্তম।
  • এতিমখানা ও মাদরাসায় দেওয়াও খুবই ভালো, তবে শুধু সেখানেই সীমাবদ্ধ থাকা জরুরি নয়।
  • পরিমাণ: আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকলে পরিমাণ কম হলেও কোনো দোষ নেই। প্রতিবেশী-আত্মীয়কে এক টুকরো গোশত দিলেও সুন্নত আদায় হবে।

আকীকার খরচ কে দেবেন?
শিশুর পিতাই মূলভাবে আকীকার দায়িত্বশীল। তবে মা, নানা, নানি বা অন্য কেউ নিজের পক্ষ থেকে আকীকা দিতে পারেন—এতে সওয়াব হবে। তবে পিতা সক্ষম হলে নিজ হাতে করা উত্তম। (শরহুল মুগনী, ১২/২৩১; ফতোয়ায়ে উসমানী, ২/৪৩)

মা-বাবা কি আকীকার গোশত খেতে পারেন?
হ্যাঁ, মা-বাবা সহ নিজেরা খেতে পারেন। এটি হারাম নয়। তবে সে গোশত অপরিচিত কাউকে দেওয়ার জন্য নির্ধারিত না। (আল-মাবসুত, সারাখসী; রদ্দুল মুহতার, ৬/৩২৫)


৩. সন্তানের প্রতি মা-বাবার হক ও কর্তব্য

আল্লাহ তাআলা বলেন:

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قُوا أَنفُسَكُمْ وَأَهْلِيكُمْ نَارًا
“হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করো।” (সূরা তাহরিম, ৬)

মা-বাবার প্রতি সন্তানের হক:
১. স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা—শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
২. দু’ধরনের শিক্ষা: দ্বীনি শিক্ষা (নামাজ, পবিত্রতা, কুরআন) এবং দুনিয়াবি প্রয়োজনীয় শিক্ষা।
৩. ন্যায্য আচরণ: কোনো সন্তানের সাথে অবিচার বা বৈষম্য না করা।
৪. ভালোবাসা ও স্নেহ: রসুলুল্লাহ ﷺ নিজে বাচ্চাদের স্নেহ করতেন।
৫. হারাম উপার্জন থেকে বিরত থাকা: বাচ্চাকে যে খাবার ও পোশাক দেওয়া হয় তা হালাল হতে হবে।
৬. বাচ্চার ইচ্ছার ঊর্ধ্বে নিজের সুবিধা না চাপানো: যেমন—বিয়েতে যৌতুক আদায়ের আশা, বউয়ের ওপর জুলুম করা, অথবা শুধু নিজের শেষ বয়সের ভরণপোষণের জন্য সন্তান চাওয়া—এগুলো জুলুম।

সন্তানের বিরুদ্ধে জুলুমের উদাহরণ:

  • দ্বীনের নির্দেশের বিপরীতে বাচ্চাকে বাধ্য করা (যেমন: পর্দা না করা, গান-বাজনা শেখানো)।
  • হারাম কাজে বাধ্য করা বা অনুমতি দেওয়া।
  • মেজাজের বশবর্তী হয়ে তিরস্কার, মারধর বা অভিশাপ দেওয়া।
  • নিজের অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণের জন্য সন্তানকে ব্যবহার করা।

মা-বাবার হক কী কী?
সন্তানের জন্য মা-বাবার প্রতি কর্তব্য হলো:

  • তাদের আনুগত্য ও সম্মান করা, তবে গুনাহের কাজে নয়।
  • তাদের প্রয়োজনে সাধ্যমতো সাহায্য করা।
  • তাদের বৃদ্ধ বয়সে যত্ন ও ভালোবাসা দেওয়া।
  • তাদের মৃত্যুর পর দোয়া ও ইস্তিগফার করা।

কিন্তু মা-বাবার এমন কোনো হক নেই যে—

  • সন্তান তাদের অবৈধ আদেশ মানবে, যেমন: পর্দা না করা, জিনা-হারা খাওয়া।
  • সন্তান তাদের যুলুম ও অপমান নীরবে সহ্য করবে।
  • সন্তানকে শুধুই তাদের ভরণপোষণের যন্ত্র হিসেবে দেখা।

হাদিসে এসেছে:

إنما الطاعة في المعروف
“আনুগত্য কেবলমাত্র ভালো কাজের ক্ষেত্রে।” (বুখারি, হাদিস: ৭২৫৭)


৪. আপনার ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও সমাধান

আপনার মা-বাবার আচরণ অত্যন্ত কষ্টদায়ক। তারা অভিশাপ দেন, হারাম খাওয়াকে উৎসাহিত করেন, পর্দা পছন্দ করেন না, আপনার স্বামীর বাড়ি বেদ্বীন পরিবেশ হওয়া সত্ত্বেও আপনাকে সেখানে মানিয়ে নিতে বলেন। তারা মনে করেন “জন্ম দেওয়ার অধিকারেই” তারা আপনার ওপর নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব করতে পারেন।

এ প্রসঙ্গে কুরআনের স্পষ্ট ঘোষণা:
“আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু তারা যদি তোমাকে আমার সাথে এমন কিছু শরিক করতে বলে, যার কোনো জ্ঞান তোমার নেই, তাহলে তাদের কথা মানবে না।” (সূরা আনকাবুত, ৮)

অতএব, জন্ম দেওয়া মানেই তাদের যুলুম মেনে নেওয়া নয়। আল্লাহ তাআলাই তাকদিরে সন্তান দেন। মা-বাবা শুধু মাধ্যম। তারা যদি দ্বীনের বিপরীতে যায়, তবে সেটা অমান্য করা জায়েজ, বরং ফরজ।

কী করবেন?
১. তাদের সাথে সবসময় সম্মান ও নম্রতা বজায় রাখুন, যতই তারা অন্যায় করুক।
২. পর্দা, হিজাব ও দ্বীনের বিধান ছাড়বেন না – এটি ফরজ।
৩. বোঝানোর চেষ্টা করুন মৃদু ভাষায়, দলিল দিয়ে।
৪. যদি অভিশাপ দেন, তাহলে মনে করুন “এটা তাদের ব্যক্তিগত পাপ।” আপনি দোয়া করুন তাদের হিদায়াতের জন্য।
৫. যদি পরিস্থিতি অসহ্য হয়, যেমন—ক্রমাগত হারাম কাজ করতে বাধ্য করা, তাহলে আলাদা থাকার অনুমতি ইসলাম দিয়েছে। তবে সম্পূর্ণ সম্পর্কচ্ছেদ নয়; ফোনে খোঁজখবর নিবেন, দোয়া করবেন।

একটা গুরুত্বপূর্ণ হাদিস:
রসুলুল্লাহ ﷺ বলেন:
“তিন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না: পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, দায়রা-খোর, এবং মদ্যপায়ী।” (মুসনাদে আহমদ) – কিন্তু এখানে উপেক্ষা করা হয়েছে সেই অবাধ্যতা যেখানে শরিয়তের হুকুম লঙ্ঘন হয় না।

যেহেতু আপনার ক্ষেত্রে তারা হারাম ও অন্যায় আদেশ দিচ্ছেন, তাই আপনি তাদের আদেশ না মানলে “ওয়ালিদাইনের নাফরমান” হবেন না। বরং আপনি আল্লাহর ফরজ মানছেন।


উপসংহার: মা-বাবা ও সন্তানের সম্পর্ক কীভাবে ইসলামে নির্মিত?

আল্লাহ সম্পর্কটিকে কল্যাণমূলক করেছেন:

  • মা-বাবার জন্য: সন্তান তাদের জন্য চোখের শীতলতা ও পরকালীন সম্পদ। কুরআনে বলা হয়েছে: “আমাদের পালনকর্তা! আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে ও সন্তানদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য নয়নশীতলতা দান করো।” (সূরা ফুরকান, ৭৪)
  • সন্তানের জন্য: মা-বাবা সন্তানের জান্নাতে প্রবেশের মাধ্যম, যদি তারা দ্বীনের পথ প্রদর্শন করেন। হাদিসে এসেছে—মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত। কিন্তু এটি কেবল তার জন্য প্রযোজ্য, যে মা দ্বীনী শিক্ষা দেন ও আল্লাহর বিধান মেনে চলেন।

সঠিক সম্পর্কের ভিত্তি:

  • পারস্পরিক ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা, তবে তা সীমার মধ্যে—অর্থাৎ আল্লাহর সীমা অতিক্রম না করে।
  • সন্তানের প্রতি পিতামাতার দায়িত্ব পালন, এবং পিতামাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব পালন—উভয়ই ফরজ।
  • কেউ কারও অত্যাচার মেনে নেবে না। অত্যাচার স্বভাবের অংশ হলে তাকে ধৈর্যের সাথে সহ্য করার বিষয় নয়; বরং সংশোধনের চেষ্টা করতে হবে।

আপনার প্রতি উপদেশ:

  • নিজের দ্বীনি অবস্থান মজবুত করুন।
  • মা-বাবার জন্য দোয়া করুন।
  • তাদের সাথে ভালো ব্যবহার চালিয়ে যান, কিন্তু দ্বীনের কোনো বিষয়ে আপস করবেন না।
  • যদি সম্পর্ক আরও খারাপ হয়, তাহলে মনে রাখবেন—আপনি আল্লাহর বিধান মানছেন, এবং তিনি আপনার সঙ্গেই আছেন।

رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ
“হে আমাদের প্রতিপালক! আমাকে, আমার পিতামাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করো যেদিন হিসেব কায়েম হবে।” (সূরা ইব্রাহিম, ৪১)



This site is protected by reCAPTCHA and the Google Privacy Policy and Terms of Service apply.